১৫ জুন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাজিরায় বোমা বিস্ফোরণ, সহিংসতা, মসজিদ,বাড়িঘর ভাঙচুরসহ আহত ৬

নিউজ২৪লাইন:
মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুরঃ
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নে রোববার সন্ধায় কবিরাজ কান্দি, গোপালপুর স্ট্যান্ড এলাকায় বর্তমান চেয়ারম্যান লিটু সরদার এর আনারস মার্কা সমর্থকদের সাথে চেয়ারম্যান প্রার্থী কেএম জামিল হোসেন এর মোটরসাইকেল মার্কা দু গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আনারস মার্কার পক্ষের অন্তত ১০ জন মারাত্নক ভাবে আহত হয়েছে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় বোমা বিস্ফোরন, মসজিদ, বাড়ীঘরসহ উভয় পক্ষের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নিবার্চনী প্রচার কম্পে ভাংচুর করে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সরজমিন গেলে স্থানীয় লোকজন জানায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায়শই কেএম জামিল হোসেন ও মাহবুবুর রহমান লিটু সরদার সমর্থকদের সাথে মাঝেমধ্যেই মারামারির ঘটনা ঘটে। সেই সূত্র ধরেই গতকাল বিকেলে লিটু সরদার সমর্থিত লোকদের সাথে দন্দে জড়ায় জামিল কবিরাজ সমর্থকেরা।

এসময় উভয় পক্ষই দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে লিটু সরদার সমর্থকেরা কিছুটা পিছু হটলেও কিছুক্ষণ পরে বাবুল আকনের নেতৃত্বে লিটু সরদার সমর্থিত লোকজন জামিল কবিরাজ ও সাবেক এমপি মাস্টার মুজিবুর রহমানের বাড়তে হামলা চালায়।

এসময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এবং কয়েকটি বসতঘরেও ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি এই ঘটনায় একটি মসজিদে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় ও আরও একটি মসজিদে ইটপাটকেল ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে জানালার গ্লাস ভেঙে দেয়া হয়। পাশাপাশি দুইটি ক্লাবে থাকা ৪ শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।

এই ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল কবিরাজ অভিযোগ করে বলেন, লিটু সরদারের সমর্থনে থাকা বাবুল আকন ভদ্রাসন ও শিবচরের লোকজন নিয়ে মারামারি করতে আসছে। তারা আমাদের দুইটি ক্লাবে থাকা ৫ শতাধিক চেয়ার এবং আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। শুধু তাই নয় আল্লাহ’র ঘর মসজিদ ভাঙচুর করেছে।

এ হামলার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে জাজিরা থানা পুলিশ।

এই বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই আমি সহ পুলিশের একাধিক টীম ওই এলাকায় কাজ করছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় আমরা বড় গোপালপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ান করেছি, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।

Spread the love

পাঠক আপনার মতামত দিন