আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে

এস এম আবুল কালাম আজাদ “সম্পাদক নিউজ ২৪ লাইন ঃ
আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে,
আজ ভয়াল ২১ আগস্ট—বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ কলঙ্কময় দিন।দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নেতৃত্বশূন্য করার জঘন্য অপচেষ্টার দিন।

ভয়াবহ, নৃশংস, নিষ্ঠুর-নির্মম গ্রেনেড হামলায় স্প্লিন্টারের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন আমার শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় ভালো লাগার ভালো বাসার প্রিয় তুমি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আস্থাভাজন ঘনিষ্ঠ সহচর,মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,একাধিক বার বিভিন্ন জেলা থেকে বার বার নির্বাচিত সাংসদ,
সাবেক সফল পানি সম্পদ মন্ত্রী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য,বিশ্ব শান্তি পরিষদের সহ সভাপতি, বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি,আধুনিক শরীয়তপুরের রূপকার জাতীয় বীর প্রয়াত জননেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব।

আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে।

বিশ্বাস করো আর নাই বা করো তুমি তোমার, আজ আমি আমার টাই বলবো,তুমি সোনবে কি সোনবে না তোমার ব্যাপার, আমাদের ছোট্ট একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান
গুলশান ডিসিসি মার্কেট এ ৩৫ বছর হবে আমি প্রায় ২১/২২ বছর ধরে এখানে আছি, তখন এখানে বাংলাদেশের এ ক্লাসের মানুষ গুলো বাজার করতো, প্রতিদিন অনেক কাস্টমার আসতো , অনেকেই চিনতো না শরীয়তপুর জেলা তখন আমি বলতাম আব্দুর রাজ্জাক সাহেব কে চিনেন ও রাজ্জাক সাহেবের শরীয়তপুর, আমি একদিন তর্কে জড়িয়ে গেলাম শেখ পরিবারের একজন বৃদ্ধ মহিলার সাথে, সে আমাকে বলেই দিলো তুমি আমাকে চিনো, না আপনাকে চেনার কি আছে আমি শেখ পরিবার এর লোক,শেখ হাসিনা আমার এটা হয়, তখন আমি ও বলে দিলাম আমার নেতা- আব্দুর রাজ্জাক ও তাইতো তুমি রাজ্জাক ভাই এর লোক বলে এমন চটং চটং কথা বলো।
এর পর ঔ থেকে ভদ্রমহিলা, মার্কেটে আসলে আমার থেকে বাজার কেনাকাটা করতে।

আজ অনেক বেশি মনে পড়ে তোমায়, আব্দুর রাজ্জাক।,

এমন হাজার ঘটনার মাঝে ছোট একটি ঘটনা,
প্রায় ১২ বছর তো হইবে, নোয়াখালী জেলা তে একটি চাইনিজ হোটেলএর জন্য আমার দোকান থেকে কিছু মালামাল কেনাকাটা করছিলো,।
তাদের সাথে কথা ছিল আমি মালামাল পৌঁছে দিব, যেমন কথা তেমন কাজ একটা পিকআপভ্যানের ভিতরে মালা মাল গুলো লোড করতে রাত দেড়টা বেজে গেছে, নোয়াখালীতে যাওয়ার পরে মালা মাল নামাতে সকল ৮ টা লেগে যায়।
আমরা ২ঘন্টা রেস্ট নিয়ে রোয়েনা দিলাম গাড়ি চলছে তো চলছেই আমারা ফেনীর কাছাকাছি আসার পর আমাদের গাড়ি টি অন্য একটি গাড়ির পেছনের দিকে লাগিয়ে দিয়েছে সত্যি বলতে কি দোষ টা ছিলো আমাদের ড্রাইভার এর, আমাদের গাড়ি টি আটকে দিলো জনতা পুলিশ মিলে, প্রায় ১৫/২০ মিঃ পড়ে ঐ রাস্তা দিয়ে আওয়ামিলীগের প্রবীন নেতা, জয়নাল হাজারী সাহেব যাচ্ছিলেন, লোক জনের ভির দেখে গাড়ি থেকে নেমে বল্লেন কি হয়েছে এখানে, যা-ই হোক অনেক কথায় পড়ে, জিজ্ঞেস করলেন ঐ ছেলে তোমাদের বাড়ি কোথায়, আমি বললাম আমাদের বাড়ি শরীয়তপুর আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের এলাকা, ও তোমার বাড়ি রাজ্জাক ভাইয়ের এলাকায়, আমি বললাম হা স্যার, এবার আমাদের কে চা বিস্কুট এনে দিলে এক লোক আমরা দুই জন খেলাম, হাজারী সাহেব বললেন বাবা তোমরা চলে যাও চলে যাও , আমাদের কোন টাকা পয়সা দিতে হয়নি,শুধু একটি নাম আমাদের কে সম্মানের সাথে বিদায় দিলো।
আর কেউ নায় শরীয়তপুরের অহংকার আমাদের ভালো বাসার ভালো লাগার মানুষ জাতীয় বীর আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব।
বিদ্রঃ ভুল ত্রুটি খমা চোখে দেকবেন।

Spread the love

পাঠক আপনার মতামত দিন