ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো হোটেলে রূপান্তর করবে সৌদি

মাহফুজ আহম্মেদ;
নিউজ২৪লাইন:

সৌদি আরবে সারা বছর পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
শুধুমাত্র তেল রপ্তানির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমানোর জন্য চেস্টা চালাচ্ছেন সালমান।তিনি চান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা সৌদিতে আসুক। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে।
আর এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এবার দেশটির কিছু ঐতিহাসিক প্রাসাদকে বুটিক হোটেলে রূপান্তরিত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান।
সৌদির পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড জানিয়েছে, বুটিক গ্রুপ ঐতিহাসিক প্রাসাদগুলোকে হোটেলে রূপান্তর করবে।
পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের গভর্নর ইয়াসির আল রুমায়ন এ ব্যপারে জানান, ক্রাউন প্রিন্সের গঠিত বুটিক গ্রুপ সৌদি আরবের বিশেষ স্থাপনাগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো উন্নত করার কাজ করবে।
তিনি আরো জানান, এই স্থাপনাগুলো দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতি ও তেল রপ্তানির বাইরে জিডিপি বাড়াতে সহায়তা করবে।
সৌদি আরব ভিশন ২০৩০ নিয়ে আগাচ্ছে। এই ভিশনের লক্ষ্যই হলো তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পর্যটন খাত থেকে আয় করা।

বিমানে যাত্রীর সিটে যাত্রী নয় এসেছে পানির বোতল

 

নিউজ২৪লাইন:

বিমানে যাত্রীর সিটে যাত্রী নয় এসেছে পানির বোতল!

গতকাল দুবাই টু ঢাকা গামী বাংলাদেশ বিমান
বি জি ৪০৪৭ যাত্রী নেই কিন্তু গুনতে হয়েছে টিকেট এর জন্য যাত্রী কে বাড়তি টাকা,
দুবাই থেকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে আসার সময় বিমানের ভেতরের দৃশ্য দেখে যাত্রীরা অবাক ।
বিমানে সিট খালি থাকার কারণে পানির বোতল রাখা হয়েছে যাত্রী সিটের ওপর।
দুবাই ট্রাভেল এজেন্সিতে যাত্রী টিকিট ক্রয় করতে গেলে তখন ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তারা বলেন বিমানে সিট খালি নেই।
মিথ্যা বাহানা বলে যাত্রীদের কাছ থেকে ১০০/১৫০ দিরহাম বেশি দিয়ে টিকিট ক্রয় করতে হয়েছে যাত্রী দের। ট্রাভেল এজেন্সির লোক তারা বলেন যদি এক সপ্তাহ বা পনেরো দিন পরে যায় তাহলে একশত দিরহাম কম আছে। যাত্রী নিদৃষ্ট সময়ে আসার জন্য একশত দিরহাম বেশি দিয়ে টিকিট ক্রয় করতে হয়েছে যাত্রী কে ,
কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে বিমানের ভেতর আসার পরে এবং বিমান ছেড়ে দেওয়ার পরেও অনেক সিট খালি রয়ে গেছে। তাহলে কেন বিমানের সিট খালি নেই বলে বাড়তি টাকা নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের সাথে করা হচ্ছে প্রতারিত ।

বাংলাদেশ থেকে প্রকৌশলী নেবে সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নিউজ২৪লাইন:

বাংলাদেশি প্রকৌশলী নেবে সৌদি আরব, বেতন এক লাখের বেশি।

সৌদি আরবের ইলেকট্রিক ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির অধীনে বোয়েসেলের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রকৌশলী (পুরুষ) নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি আবেদনের শেষ তারিখ।
পদের নাম
সার্ভিস টেকনিশিয়ান
পদসংখ্যা
১০
যোগ্যতা
ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল
মাসিক মূল বেতন
৩০০০-৪৫০০ (সৌদি রিয়াল), বাংলাদেশি টাকায় ৬৮,৬৭০-১,০৩,০০৫ টাকা।
পদের নাম
সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার/টেস্টিং অ্যান্ড কমিশনিং ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা
১০
যোগ্যতা
বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
মাসিক মূল বেতন
৫,০০০-৬,০০০ (সৌদি রিয়াল), বাংলাদেশি টাকায় ১,১৪,৪৫০-১,৩৭,৩৪০ টাকা।
অন্যান্য যোগ্যতাঃ
সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স ৩৫-৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে এক বছর থাকতে হবে।
চাকরির শর্তঃ
চাকরিতে যোগ দেওয়ার বিমানভাড়া কর্মী বহন করবেন, থাকা কোম্পানি বহন করবে। চাকরির মেয়াদ দুই বছর। সৌদি আরবের শ্রম আইন অনুযায়ী অন্যান্য শর্ত প্রযোজ্য হবে। যাদের বিরুদ্ধে দেশে বা সৌদি আরবে মামলা আছে, তারা নিয়োগের অযোগ্য।
বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য খরচঃ
চূড়ান্ত নির্বাচিত কর্মীদের বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ বাবদ ৭২ হাজার টাকা, ভ্যাট ১০ হাজার ৮০০ টাকা, বোয়েসেলের নিবন্ধন ফি বাবদ ৩০০ টাকা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি ৩০০ টাকা, কল্যাণ বোর্ডের ইনস্যুরেন্স ফি ৪৯০ টাকা, স্মার্ট কার্ড ফি ২৫০ টাকাসহ মোট ৮৭ হাজার ৩৪০ টাকা সোনালী ব্যাংক মগবাজার শাখা থেকে পে-অর্ডারের মাধ্যমে বোয়েসেল অফিসে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ভিসা ফি প্রার্থীকে দিতে হবে।
যেভাবে আবেদন করবেন !
আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের এই লিংকের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। ইংরেজিতে জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, পাসপোর্টের স্ক্যান কপি ও অভিজ্ঞতার সনদের কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ২০২২।

আবার বিধি নিষেধ আরোপ করেছে সৌদি আরব

মাহফুজ আহমেদ :  সৌদি আরব থেকে :

নিউজ২৪লাইন:
করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ঠেকাতে মক্কা ও মদিনায় আবারও সামাজিক দূরত্বের বিধান আরোপ করেছে সৌদি আরব। এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, এই পবিত্র দুই নগরীতে নামাজ পরতে আসা এবং উমরাহ্ পালনকারী সবার জন্য এসব বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে।
একই সঙ্গে সব দর্শনার্থীর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সৌদি সরকার ঘরের ভেতরে এবং বাইরে সব জায়গায় মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করেছে।
এর সঙ্গে মিলিয়ে মক্কা ও মদিনাতেও একই বিধান চালু করা হয়েছে। সৌদি আরবে গত মাসে করোনা শনাক্তের হার এক লাফে অনেক বেড়ে গেছে।
গত বুধবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৭৪৪টি নতুন কেস শনাক্ত করেছে। গত বছরের আগস্টের পর এই সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ।
গত রোববার সরকার এক নতুন ঘোষণায় জানিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দোকানপাট, শপিং সেন্টার এবং রেস্তোরাঁয় যেতে চাইলে সব সৌদি নাগরিক কিংবা সে দেশে বসবাসকারী ও দর্শনার্থীকে করোনার বুস্টার ডোজের প্রমাণ দেখাতে হবে।
পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৯ কোটি ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৩। এর মধ্যে মারা গেছে ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫৮৯ জন।
অপরদিকে, সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫২। এর মধ্যে মারা গেছে ৮ হাজার ৮৮১ জন। তবে ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছে ৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৫৪ জন।
১০ জানুয়ারি থেকে টিকা নেননি এমন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। এর পাশাপাশি টিকার দুই ডোজ গ্রহণ করা নাগরিকদের ভ্রমণের আগে বুস্টার ডোজ নিতে হবে।

মালয়েশিয়ার প্রবাসীর মৃত লাশ দেশে আনতে পরিবারের আকুতি

মাহফুজ আহমেদ

নিউজ২৪লাইন:

মালয়েশিয়ায় মারা যাওয়া চাঁদপুরের কচুয়ার প্রবাসী তফাজ্জল হোসেনের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী ও দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে পরিবার।
উপজেলার তারাবাড়িয়া গ্রামের হাজী সোলাইমান মিয়ার ছেলে তফাজ্জল হোসেন শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
তার স্ত্রী শ্যামলী বেগম, ছেলে ইয়াছিন জানান, দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে তফাজ্জল হোসেন মালয়েশিয়ার তেলেঙ্গা জেলার বানটিং ফেটেফেলাং এলাকার থাকলেও আয় তেমন ভালো ছিল না। কখনও কাজ করে, কখনও না করে ভালো কিছু করার স্বপ্নে ২৫ বছর কাটান মালয়েশিয়ায়। তফাজ্জল হোসেন শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ১০টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বর্তমানে তার লাশ মালয়েশিয়ার কেলাঙ্গ হাসপাতালে পড়ে আছে। সঠিক কাগজপত্র ও অর্থ না থাকায় তার লাশ স্বজনরা দেশে আনতে পারছেন না।
তফাজ্জল হোসেনের লাশ শেষবারের মতো দেখতে আকুতি জানাচ্ছেন স্বজনরা। নিজ জন্মভূমিতে তাকে দাফন করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কচুয়ার এমপি মহিউদ্দীন খান আলমগীর ও রাষ্ট্রদূতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ওই ইউনিয়নের সদস্য প্রার্থী মনির হোসেন বলেন, তফাজ্জল হোসেন দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও তার স্ত্রীসহ এক ছেলে ও এক মেয়ের সংসারে অভাব ছিল। তার লাশ দেশের মাটিতে ফেরত পেতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই।

সিনেমার বাজার থেকে সৌদি আরবের বার্ষিক আয় ৩৮৫০ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নিউজ২৪লাইন:

সৌদি আরবে ফিল্ম ইন্ড্রাস্টি খোলস ছেড়ে বেড়িয়েছে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই দেশটিতে সিনেমা হলের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

বর্তমান দেশটিতে সিনেমা হলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০টি। ধীরে ধীরে পশ্চিম এশিয়ার শীর্ষ সিনেমার বাজারে পরিণত হতে যাচ্ছে দেশটি।
২০২১ সালে সিনেমার বাজার থেকে সৌদি আরবের আয় হয়েছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার ৮৫০ কোটি টাকা।

মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সৌদি আরব বিশ্বের দশম বৃহত্তম সিনেবাজার হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে— দুবাইভিত্তিক বিনোদন প্রতিষ্ঠান ‘ভক্স সিনেমা’ সৌদি আরবে নতুন নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কার্যক্রমে ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। ১৬ বিলিয়ন সৌদি রিয়ালের বিনিয়োগে সিনেমা হলের সঙ্গে শপিংমল, ফ্যাশন হাউজ, বিনোদন ও দোকানপাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যার ফলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাড়বে আরও সিনেমা হল।
এখানেই শেষ নয়, সৌদি আরব তাদের বিনোদন খাতে ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই সামগ্রিক বিনিয়োগ আগামী দশকে এই বাজারকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
এ ছাড়া সৌদি আরব বর্তমানে ড্যান্স মিউজিক ফেস্টিভ্যালের আয়োজনে জোর দিতে চায়। এরই মধ্যে সৌদি রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে দ্বিতীয়বারের মতো এমন একটি আয়োজন হয়েছে, যেখানে এক লাখ ৮০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবে ১৯৭০ সালের পর দেশটির ইসলামিক নেতারা সিনেমা হলগুলো বন্ধ করে দেন। এর পর দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সেখানে কোনো সিনেমা হল ছিল না।
২০১৮ সালে সিনেমা হলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির রাজপরিবার। একই বছর ১৮ এপ্রিল রিয়াদে চালু হয় দেশটির প্রথম সিনেমা হল। অল্প দিনেই দেশটিতে বাড়ছে হলের সংখ্যা, বাড়ছে দর্শকশ্রোতাও।
তবে সিনেমা চালানোর অনুমতি থাকলেও সব ধরনের সিনেমা চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বিষয়, যৌনতা এবং সমকামিতা বিষয়ক সিনেমা এখনও দেশটিতে নিষিদ্ধ।

সাদ্দাম কন্যা রাঘাদ সাদ্দাম” ইরাকিদের ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নিউজ২৪লাইন:

বাবার ফাঁসির ১৫ বছর পূর্তিতে মুখ খুললেন সাদ্দাম কন্যা রাঘাদ সাদ্দাম হুসাইন। তিনি ইরাকিদের ঐক্যবদ্ধ হতে বলে বিশ্বে যে পরিবর্তন ঘটছে তার সাথে ইরাকিদের খাপ খাওয়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। -আল আরাবিয়া

গতকাল শুক্রবার বাবার প্রতিকৃতির সামনে বসে রাঘাদ সাদ্দাম হোসেন এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সম্প্রদায় ও পটভূমি বিবেচনায় না নিয়ে ইরাকিদের একে অন্যকে ক্ষমা করে দেয়ার সময় এসেছে। এমনকি যারা ভুল করেছে তাদেরও ক্ষমা করে দেয়ার কথা বলেন তিনি। এর আগে, চলতি বছরে এক সাক্ষাৎকারে রাঘাদ সাদ্দাম বলেছিলেন, বৈধ কর্তৃপক্ষ না থাকায় ইরান মনে করে তারা সহজে বশে আনতে পারবে ইরাককে। এছাড়া সর্বশেষ বক্তৃতায় তিনি ইরানকে সংঘাত ও বিরোধিতা ত্যাগ করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে কতিপয় আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে। তারা এই যুক্তি দেখিয়ে আক্রমণ করে যে, সাদ্দাম ব্যাপক ধ্বংসাত্বক জীবাণু অস্ত্র তৈরি করছেন (যদিও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এমন কোন অস্ত্রের হদিস মেলেনি)। পরে ১৩ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন আমেরিকান সেনাদের কাছে ধরা পড়েন। পরবর্তীতে আমেরিকা ইরাকি সরকারের হাতে সাদ্দাম হোসেনের বিচার করে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইরাকি সময় সকাল ৬.০৬ মিনিটে ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়।

 

1 2 3 76