কাজী নজরুলের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও কবিতা পাঠ

নিউজ২৪লাইন:
আশিকুর রহমান হৃদয়।।

১২ ভাদ্র ২৭ আগস্ট বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ৪৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে শরীয়তপুর সাহিত্য সংসদ এর উদ্যোগে কাঁটাবন কবিতা ক্যাফে কবির জীবন নিয়ে আলোচনা ও কবিকে নিবেদিত কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি ও শিশুসাহিত্যিক সুপান্থ মিজান এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কবি ও প্রাবন্ধিক কামরুল হাসান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি মাহমুদ শফিক ও নজরুল গবেষক কবি হাসান আলীম।

অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা ও কবিতা পাঠ করেন– কবি নাজমুল আহসান, মোঃ মজিবুর রহমান, নজরুল ইসলাম শান্ত, সুলতান মাহমদ সজীব , সুদর্শন বাছার, মোতালেব হোসেন, শেখ বিপ্লব হোসেন রাসেল খান, খাদিজা বেগম কান্তা, খান নজরুল ইসলাম, হোসাইন মোহাম্মদ দেলোয়ার, দয়াল ফারুক, প্রমুখ।

এছারাও উপস্থিত ছি‌লেন ভেদরগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত গ্রন্থাগার এর প্র‌তিষ্ঠাতা মা‌নিক হো‌সেন ও শরীয়তপুর পোর্টা‌ল গ্রন্থাগা‌রের গ্রন্থগা‌রিক সুলতান মাহমুদ। এসময় শরীয়তপুর জেলা সহ বি‌ভিন্ন জেলার ক‌বি লেখক গণ, সা‌হিত্য‌বোদ্ধাগণ উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

উওর বাড্ডা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউজ২৪লাইন:

নানা কর্মসূচির মধ্যেদিয়ে উওর বাড্ডা বাজার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত।
নানা কর্মসূচির মধ্যেদিয়ে যথাযথ মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং প্রীতি ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই দিনে কিছু সেনাসদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সপরিবারকে হত্যা করে। সেই আগস্ট মাসকে জাতীয় এ দিনে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সহ লাখো কোটি বাঙালি যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
আজ ২৭ সে আগস্ট উওর বাড্ডা বাজার কল্যাণ সমিতি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদমাফিল, দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ৩৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব শেখ সেলিম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,বর্তমান কার্যনির্বাহী সদস্য ঢাকা মহানগর উত্তর ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাড্ডা থানা আওয়ামীলীগ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জনাব ফারুক মিলন কার্যনির্বাহী সদস্য ঢাকা মহানগর উত্তর
মোঃ মাসুম গনি তাপস, ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর
আলহাজ্ব মোতালেব হোসেন,ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক বাডডা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ
মিজানুর রহমান ধনু, সাবেক সভাপতি ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ আরো উপস্থিত ছিলেন ছিলেন জনাব জাহাঙ্গীর রহমান, মোজাম্মেল হক হিরা, ফরিদ মোল্লা কামাল উদ্দিন শাহীন,

বাগান বাড়ি ইউনিট আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ বাবুল মিয়া,
মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী সাগর
সাধারণ সম্পাদক উত্তর বাডডা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি।

এসময় বক্তারা বলেন
বলেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শেকে হত্যা করতে পারেনি। আমরা সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি। এতে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল নিহত শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পরম দয়াময় আল্লাহর দরবারে তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। দুপুরে শোক দিবস উপলক্ষে ৪ হাজার মানুষের জন্য কাঙ্গালি ভোজের ব্যবস্থা করেন।

ডামুড্যা মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে সরকারি আব্দুর রাজ্জাক কলেজে জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান এর বিশেষ উদ্যােগে কন্যা সাহসিকা নামে আধুনিক ওয়াশ ব্লক উদ্বোধন করেন

নিউজ২৪লাইন:

ইয়ামিন কাদের নিলয়:

শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলা সরকারি আব্দুর রাজ্জাক কলেজে আজ (২২ আগস্ট )  সমবার ১১টা ৩০মিঃ     সরকারি আব্দুর রাজ্জাক কলেজে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে জেলাপ্রশাসন মোঃ পারভেজ হাসান এর বিশেষ উদ্যােগ বয়ঃসন্ধিকালীন কিশোরীদের জন্য ওয়াশব্লক ” কন্যা সাহসিকা” উদ্বোধন করেন এবং সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন  ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অভিসার  (ইউএনও) হাছিবা খান, ড্যামুড্যা সরকারি আব্দুর রাজ্জাক কলেজের অধ্যক্ষ  মোঃ জহির উল্লাহ, ও সরকারি   আব্দুর রাজ্জাক কলেজের    শিক্ষক -শিক্ষিকা ও কলেজের    শিক্ষার্থীরা উপস্থিত।

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, বয়ঃসন্ধিকালে আমাদের কন্যা কিশোরীরা যখন স্কুলে আসে, তখন মাসের একটি বিশেষ সময় স্কুলে এসে তারা বিব্রতবোধ করে। এ সময়টাতে ওরা যাতে সুস্থ ও সুন্দরভাবে অতিবাহিত করতে পারে সেজন্য আমরা একটি ওয়াশ ব্লক নির্মাণ করেছি। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘কন্যা সাহসিকা’।

তিসি আরো বলেন, ওয়াশ ব্লকের পাশেই একটি বিশ্রামাগার, একটি ছোট লাইব্রেরি রয়েছে। হাত-মুখ ধোয়ার ব্যবস্থা ও টয়লেটও রয়েছে। কিশোরীদের জন্য যেসব জিনিসগুলো প্রয়োজন আমরা সব ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আগে স্কুলে এ ধরনের ব্যবস্থা ছিল না। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ও মনোরম পরিবেশের ওয়াশ ব্লক পেয়ে ছাত্রীরা মহা খুশি।

 

 

ভেদরগঞ্জে স্বপরিবারে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হলেন গীতা রানী রায়

শরীয়তপুর জেলার  ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নে   সিঙ্গাচুরা গ্রামের স্বপন রায়ের স্ত্রী ছিলেন। স্বামীর অত্যাচার ও পরিবারের নির্যাতনে তিনি দিশেহার হয়ে পড়েন। তখন প্রতিবেশী মুসলিমদের কাছ থেকে সহযোগীতা ও সহানুভূতি পেয়েছেন। স্বামী ও পিতার পরিবার যখন তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন সে ও তার সন্তানেরা সিদ্ধান্ত নেয় ধর্মান্তরিত হওয়ার। সেই সিদ্ধান্তমতেই কাজ করে আজ স্বপরিবারে মুসলিম আয়শা।আয়শা (গীতা) জানায়, বিয়ের পূর্বে থেকেই সে দর্জি কাজ শিখেছিলেন। ২০০৩ সালে স্বপন রায়ের সাথে তার বিয়ে হয়েছিল। স্বপন রায় নরসুন্দরের কাজ করতেন। এর পূর্বেও তার স্ত্রী ছিল এবং জুয়া সহ অনেক খারাপ নেশা ছিল। বিভিন্ন সময় স্বপন স্ত্রী গীতার মাধ্যমে উচ্চ সুদে টাকা ধার করে জুয়া খেলতেন। এক পর্যায়ে স্বপন ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারির কাছে বন্ধক রাখে।

 

দীর্ঘ ৪০ বছর সনাতন হিন্দু ধর্মের দিক্ষিত ছিলেন গীতা রায়। হিন্দু পরিবার, প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঘৃণা, অবহেলা পেয়ে ও বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত হয়ে আসছিলেন তিনি। জীবনে যতটুকু সহায়তা ও সুপরামর্শ পেয়েছে তা প্রতিবেশী মুসলিমদের কাছ থেকে। এক পর্যায়ে সন্তানদের ইচ্ছার গুরুত্ব দিতে গিয়ে স্বপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম হয়েছে পরিবারটি। ইতোমধ্যে তারা হলফ নামার মাধ্যমে নাম পরিবর্তণ করেছেন। হুজুরের মাধ্যমে কালিমা পড়েছে। এখন তারা নামাজ রোজা পালনের পাশাপাশি ইসলামের রীতি নীতি মেনে চলছেন। ধর্মান্তরিত এই পরিবারটি মুসলিমদের কাছ থেকে সার্বিক সহায়তা কামনা করছেন।

গীতা রায় (আয়শা) প্রদত্ত হলফ নামা থেকে জানা গেছে, গীতা রায় (৪০) ভেদরগঞ্জ উপজেলার সিঙ্গাচুরা গ্রামের স্বপন রায়ের স্ত্রী ছিলেন। স্বামীর অত্যাচার ও পরিবারের নির্যাতনে তিনি দিশেহার হয়ে পড়েন। তখন প্রতিবেশী মুসলিমদের কাছ থেকে সহযোগীতা ও সহানুভূতি পেয়েছেন। স্বামী ও পিতার পরিবার যখন তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন সে ও তার সন্তানেরা সিদ্ধান্ত নেয় ধর্মান্তরিত হওয়ার। সেই সিদ্ধান্তমতেই কাজ করে আজ স্বপরিবারে মুসলিম আয়শা।আয়শা (গীতা) জানায়, বিয়ের পূর্বে থেকেই সে দর্জি কাজ শিখেছিলেন। ২০০৩ সালে স্বপন রায়ের সাথে তার বিয়ে হয়েছিল। স্বপন রায় নরসুন্দরের কাজ করতেন। এর পূর্বেও তার স্ত্রী ছিল এবং জুয়া সহ অনেক খারাপ নেশা ছিল। বিভিন্ন সময় স্বপন স্ত্রী গীতার মাধ্যমে উচ্চ সুদে টাকা ধার করে জুয়া খেলতেন। এক পর্যায়ে স্বপন ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাকে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারির কাছে বন্ধক রাখে।

বিষয়টি স্বামী স্বপনকে জানিয়েও কোন ফল পায়নি গীতা। বিয়ের দীর্ঘ ১৫ বছর পরে সন্তানদের নিয়ে সে স্বামীর সংসার থেকে চলে আসে। পরে তিনি শরীয়তপুর শহরে একটি টেইলার্স দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। এখন তিনি ধার নেওয়া অনেক টাকা পরিশোধ করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন সন্তানদের পরামর্শে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলাম গ্রহণের পরে ছেলের নাম সয়ন রায় থেকে মো. ইব্রাহীম ও মেয়ে স্বর্ণা রায় থেকে মোসা. ফাতেমা ইসলাম আয়া হয়েছেন।মো. ইব্রাহীম ও ফাতেমা জানায়, বুঝতে শেখার পর থেকে দেখেছি মায়ের উপর পিতার অত্যাচার। আমাদেরও অত্যাচার করত। অনেকবার মেরে ফেলতেও চেয়েছে আমাদের।

আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে কোন প্রতিবাদ বা ন্যায় বিচার পাইনি। যতটুকু সহায়তা ও সহযোগিতা পেয়েছি তা মুসলিমদের কাছ থেকে। তাই আমরা মাকে মুসলিম হওয়ার জন্য প্রস্তাব করি। মা আমাদের প্রস্তাবে সম্মতি দেয়। পরে আইন ও ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। কালেমা পড়ে আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। এখন আমরা নামাজ পড়ি ও রোজা রাখি। ইসলামী বিধান মতে জীবন চালাতে চেষ্টা করছি। যেহেতু আমরা ধর্মান্তরিত সেহেতু মুসলিদের কাছ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা কামনা করি।

 

কিউএনবি/অনিমা/১৬ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ

একাত্তরের পরাজিত শক্তি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল” নাহিম রাজ্জাক  এমপি

ইয়ামেন কাদের নিলয় শরীয়তপুর থেকে:

নিউজ২৪লাইন:

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই দিনে কিছু সেনাসদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই থেকে প্রতি বছর এ দিনে যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

শরীয়তপুর -৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব নাহিম রাজ্জাক  এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন। একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তাঁর স্বপ্ন কে ধ্বংস করে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। যার ফলে আজকে তাঁর কন্যা গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ,

এমপি নাহিম রাজ্জাক বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের লাখো-কোটি বাঙালিরই শুধু নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে এই মহান নেতা কোটি মানুষের হৃদয়ের মাঝে চিরঞ্জীব হয়ে বেঁচে থাকবেন।

এগিয়ে যাচ্ছে। ১৫ আগস্টের শোককে আমরা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পেরেছি বলেই বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা করতে পেরেছি।

এমপি আরো বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এই অপশক্তির যেকোনো অপতৎপরতা, ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সর্বদা আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের দায়িত্ব হবে বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করে, আগামী নির্বাচনে, ৪র্থ বারের মতো আবারো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা সম্ভব।

তিনি আ‌রো বলেন, আজকে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনেও আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে সকল বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে এগিয়ে যাবো। আমাদেরকে বঙ্গবন্ধুর অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে কাজ করতে হবে। তিনি চেয়েছিলেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে যেখানে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না ক্ষুধা-দারিদ্র্য থাকবে না গণতন্ত্র সমুন্নত সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। গ্রামকে আলোকিত করেছি। এখন বিদ্যুৎ কিছুটা কম পেলেও এক মাসের মধ্যে আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।তেলের দাম ও সমন্বয় করা হবে।
আওয়ামী লীগের ভিত অনেক মজবুত। বিএনপি আসবে, যাবে। তারা কিভাবে ক্ষমতায় এসেছিল দেশের মানুষ জানে। সুতরাং, ভয়ভীতি নেই আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের সঙ্গে ছিল, আছে এবং সবসময়ই থাকবে।
দেশের যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে আছে আওয়ামী লীগ সরকার। জনবান্ধব এই সরকারের আমলে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। সরকার মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি নামে একটা দল আছে যারা কোনো কাজ করে না। দুঃসময়ে জনগণের পাশে থাকে না। তাদের কাজ হল ঘরে বসে বসে সরকারের সমালোচনা করা।

সোমবার ১৫ আগষ্ট দুপুরে উপজেলা পরিষদের  মিলনায়তনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  ৪৭ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠ‌নের আ‌য়োজ‌নে আ‌লোচনা সভায় প্রধান অ‌তিথির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব্যে ব‌লেন।
তিনি বলেন  বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট আমাদের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই কলঙ্ক আমরা মুছতে পারব কিনা জানি না এমনকি পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল।
ডামুড্যা উপজেলা  আওয়ামীলী‌গের ভারপ্রাপ্ত  সভাপ‌তি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির বাচ্ছু ছৈয়াল এর সভাপ‌তিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবলু সিকদার এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ  গোসাইরহাট সার্কেল আবু সাইদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন মাল, ইনু বেপারী, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, আমিন উদ্দিন ঢালী,মাস্টার হাবিবুর রহমান, ডামুড্যা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ গোলন্দাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা খানম লাভলী,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন মোল্যা,ইসহাক মাদবর,সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বাচ্ছু মাদবর, মাসুদ পারভেজ লিটন হাওলাদার, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার সরদার, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ, ডামুড্যা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ, সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শামীম, আমার রাজ্জাক সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক ছাত্র লীগের সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান রুবেল মাদবর, ডামুড্যা উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন হাওলাদার প্রমূখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সখিপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে দোয়া ও জাতীয় শোক দিবস পালন

 

আমান আহমেদ সজীব //ভেদরগঞ্জ(শরীয়তপুর)প্রতিনিধি:
১৫ আগস্ট ২০২২জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করেছে সখিপুর থানা পুলিশ। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানা মিলনায়তনে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা । সখিপুর থানা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক সরকার, থানা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নাছির সরদার, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইউনুস আলী মোল্লা, কাঁচিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমীন দেওয়ান,যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল আহমেদ পলাশ সরদার সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দ সহ অনন্যরা।

সকাল ১০:৩০ মিনিট স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে জাতীয় শোক দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার।

এসময় আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ নামক স্বাধীন একটি রাষ্ট্র গড়ার পেছনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। জাতির পিতার সাথে তাঁর পরিবারের সম্পর্ক ও আবেগের স্মৃতি তুলে ধরেন। জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীদের করণীয় ও পালনীয় বিষয়ে জাতির পিতার বক্তব্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন । এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা শেখ কামাল, শেখ জমাল ও শেখ রাসেলসহ সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এসময় সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার এবং তিনি তার বক্তব্যে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাংঙালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবার ও অনান্য শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও পুলিশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দেন। শত্রুর মুখে চুনকালি মেখে তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যার হাত ধরে উপচেপড়া ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে। এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে, ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই এগিয়ে যেতে হবে। তিনি জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি’সহ পুলিশ সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে আলোচনা শেষ করেন।

ইতালি থাকেন ইউপি সদস্য, জন্মসনদ নিতে ভোটারদের ভোগান্তি

নিউজ২৪লাইন:

ইয়ামিন কাদের নিলয় বিশেষ প্রতিনিধি

গেলো ২৬ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিলো দেশব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে জয়লাভ করেই মেম্বার চলেগেছেন ইতালিতে। এমন অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সম্পা বেগমের বিরুদ্ধে। তিনি সরকারের কাছ থেকে কোন অনুমিত ছাড়াই দীর্ঘ ৪ মাসের ও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ত্যাগ করে ইতালিতে রয়েছেন। এদিকে বিপাকে ও ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ জনগন।
উপজেলা প্রশাসন অফিস সুত্রে জানা যায়, সম্পা মেম্বার গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি নারায়নপুর ইউনিয়নের নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য হন। নিয়মে রয়েছে জেলা প্রশাশন অফিস সর্বচ্চো ৩ মাসের ছুটির অনুমিত দিতে পারে। তবে উপজেলা প্রশাসনের কাছে সম্পা আবেদন করেছিলো ছুটির জন্য। পরে তা শরীয়তপুর জেলা ডিসি অফিসে প্রেরণ করে তারা। তবে জেলা অফিস তাকে ছুটির অনুমিত না মঞ্জুর করলে দেশের বাহিরে গমন করার কোন সুযোগ নেই।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, ঐ এলাকার ভোটার বিউটি আক্তার ভূমিহীন সনদ ও তার ছেলের জন্মসনদ বানানোর জন্য সম্পা মেম্বারের বাড়িতে যান। তবে গিয়ে দেখেন মেম্বার বাড়িতে নেই।তিনি ইতালি চলে গেছেন ৪ মাস আগেই। তিনি বলেন মেম্বার যদি না থাকে দেশে তাহলে আমরা জনগণ সেবা পাবো কিভাবে।
আব্দুর রাজ্জাক বেপারী বলেন,আমি একটি ওয়ারীস সনদ আনতে মেম্বার সম্পার বাড়িতে যাই। গিয়ে শুনি তিনি নাকি ৫ মাস হয় ইতালি চলে গেছে। আমরা ভোট দিয়ে একজন মেম্বার নির্বাচিত করে কি লাভ। যদি কাগজপত্র ঠিক করতে না পারি ও ভোগান্তির স্বিকার হতে হয়।
নারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন মাতাব্বর বলেন,আমার কাছে সম্পা মেম্বার ইতালিতে যাবে বলে ছুটির জন্য আবেদন করেছিলো। আমরা ইউএনও স্যারের কাছে পাঠিয়েছি।তারপরে ডিসি স্যার তাকে ছুটি দিয়েছে কি না তা আমি জানি না। তবে একজন মেম্বার একটি ওয়ার্ডে উপস্থিত না থাকলে জনগণ তো একটু ভোগান্তিতে পড়বেই। সে গত মাসে আমাকে ইমুতে কল দিয়ে বলেছে তার মেয়ে বাবু হয়েছে, সুস্থ হলেই চলে আসবে।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সম্পা নামের মেম্বারের ছুটির আবেদনের উপর একটি সঠিক মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। আমরা শিগ্রই মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন ট্যাগ করবো। তবে মেম্বার নাকি ছুটি মঞ্জুর হবার আগেই ইতালিতে চলে গেছে শুনলাম। আমি বিষয়টি ডিসি স্যারকে জানাচ্ছি।

1 2 3 348