বন্ধ হচ্ছেনা মেসেন্জার”গ্রুপচ্যাট”।

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকের কোনো গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ (গ্রুপ চ্যাট) সেবা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাটে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

ফেসবুকের কমিউনিটি ব্লগে গত শুক্রবার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত বার্তায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে চ্যাট করার সুবিধাটি প্রায় এক বছর আগে চালু করেছিল ফেসবুক। কিন্তু আগামী বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) থেকে এই সেবাটি বন্ধ করে দেয়া হবে।

তবে, ইতিমধ্যে যেসব চ্যাট হয়েছে সেগুলো ব্যবহারকারীরা দেখতে পাবেন। ওই গ্রুপ চ্যাটে নতুন কোনো সদস্য যুক্ত করা যাবে না এবং নতুন কোনো মেসেজও পাঠানো যাবে না।

ফেসবুক গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে চ্যাটের এই সুবিধা বন্ধ করা হলেও ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাটে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

এ বিষয়ে ফেসবুকের বার্তায় বলা হয়েছে, ম্যাসেঞ্জারে আগে যেভাবে গ্রুপ চ্যাট করা যেত সেভাবেই ব্যবহার করা যাবে। সেখানে ফেসবুক বন্ধু বা বন্ধু নয় এমন যে কেউ ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাটে আগের মতোই যুক্ত হতে ও চ্যাট করতে পারবেন।

মোবাইল ফোন নিবন্ধনের নিয়ম..

বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি হ্যান্ডসেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

 

বাংলাদেশে বছরে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ মোবাইল হ্যান্ডসেট নানা অসাধু উপায়ে সরকারি কর ফাঁকি দিয়ে দেশের বাজারে চলে আসছে।

 

এতে প্রতিবছর ৮শ থেকে এক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

 

তাই অবৈধভাবে আমদানি ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেট চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে যতোগুলো রেডিও ডিভাইস অর্থাৎ মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহৃত হবে সেই সেটগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানায় সংস্থাটি।

 

এতে গ্রাহকদের সিমের মতো হ্যান্ড-সেটটিও নিবন্ধিত থাকবে।

গ্রাহকদের সিমের মতো হ্যান্ড-সেটটিও নিবন্ধিত থাকবে।

বিটিআরসি স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বিবিসি বাংলাকে জানান এতে অবৈধভাবে আমদানি, চুরি ও নকল হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ করা যাবে, গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে, মোবাইল ফোনের হিসাব রাখা যাবে। সবশেষে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে।

 

তিনি জানান মূলত তিনটি ধাপে এই প্রক্রিয়াটি শুরু করা হবে।

 

প্রথম ধাপ: বৈধ ফোন চিনে রাখুন

প্রথমত, বাংলাদেশে যতোগুলো হ্যান্ডসেট বৈধভাবে আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে যে মোবাইলগুলো অ্যাসেমব্লিং করা হচ্ছে বা উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোর ১৫ ডিজিটের স্বতন্ত্র আইএমইআই নম্বর নিয়ে একটি বৈধ ফোনের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

 

এতে মানুষ যখন মোবাইল ফোন কিনতে যাবেন তখন তারা সেই সেটটির আইএমইআই নম্বর দিয়ে জানতে পারবেন যে তাদের সেটটি বৈধ নাকি অবৈধ।

ইআইআর এর মাধ্যমে শের প্রতিটি সক্রিয় সেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: হ্যান্ডসেট কিভাবে নিবন্ধন করবেন

দ্বিতীয় ধাপে বিটিআরসি তাদের ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (ইআইআর) খসড়া নির্দেশনা- ইআইআর তৈরি করবে।

 

যার আওতায় দেশের প্রতিটি সক্রিয় সেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

 

এরিমধ্যে বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির ইআইআর যাচাই করে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ২৪ পাতার একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিটিআরসি।

 

প্রতিবেদনটি যাচাইয়ের জন্য মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

সেখানে যদি কোন সংশোধনের প্রয়োজন তাহলে সেটা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রতিবেদনটি বিটিআরসির কমিশনে পাঠানো হবে।

খসড়া নির্দেশনাটিকে চূড়ান্ত হলে প্রত্যেক অপারেটরকে তাদের নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা প্রতিটি সক্রিয় হ্যান্ড-সেটের ডাটাবেজ তৈরির সময় বেঁধে দেয়া হবে।

 

এখানে গ্রাহকদের হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য কোথাও যেতে হবেনা।

 

তারা নিজেদের নিবন্ধিত সিমটি সেটে সক্রিয় করলেই সেটটি ওই নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে।

 

ওই সেটে যদি দ্বিতীয় সিম ব্যবহার করতে হয় তাহলে সেটাও অবশ্যই একই নামে নিবন্ধিত সিম হতে হবে।

 

এছাড়া কারও যদি একাধিক সেট থাকে তাহলে তিনি দ্বিতীয় সেটটিতে যে নামের সিমটি সক্রিয় করবেন, সেই নামেই সেটটি নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

 

তখন ওই সেটে অন্য নামের কোন সিম চলবেনা। অর্থাৎ একটি সেট একজনের নামেই নিবন্ধিত হবে।

এভাবে একেকটি অপারেটরের আলাদা ডাটাবেজ সম্পন্ন হবে।

এরপর এই ডাটাবেজকে ব্ল্যাক, হোয়াইট ও গ্রে- এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে।

 

খসড়া নির্দেশনায় ‘হোয়াইট’ বলতে বোঝানো হয়েছে বৈধভাবে আমদানি করা এবং দেশে বৈধভাবে তৈরি হ্যান্ডসেটগুলোকে। অর্থাৎ যে সেটগুলো বিটিআরসি নিবন্ধিত।

 

‘গ্রে’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ক্লোন, অনুমোদনহীন নকল, অবৈধভাবে আমদানি হয়ে আসা সেটগুলোকে।

 

এই সেটগুলো অবৈধ হলেও এবারের মতো সেগুলোকে অনুমোদন দেয়া হবে।

 

যারা ইতোমধ্যে এগুলো ব্যবহার করছেন বা দেশের বাইরে থেকে আনিয়েছেন তাদেরকে একটি সময় বেঁধে দেয়া হবে যেন তারমধ্যেই তারা নিবন্ধিত সিম দিয়ে সেটটিকে সক্রিয় করে নেন।

চুরি যাওয়া হ্যান্ডসেটগুলোকে ‘ব্ল্যাক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

অন্যদিকে চুরি যাওয়া হ্যান্ড-সেটের আইএমইআই, মেয়াদ উত্তীর্ণ আইএমইআই যুক্ত সেট, নকল আইএমইআই সম্পন্ন হ্যান্ডসেটগুলোকে ‘ব্ল্যাক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

যখন পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি হয়ে যাবে তখন সম্পন্ন করা হবে সর্বশেষ অর্থাৎ তৃতীয় ধাপের কার্যাদি।

তৃতীয় ধাপ: কমন সার্ভার

তৃতীয় ধাপে সরকার একটি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করবে যারা বিটিআরসির জন্য এই কেন্দ্রীয় প্লাটফর্ম বা কমন সার্ভার তৈরি করবে।

 

যেখানে প্রত্যেকটি অপারেটরের ডাটাবেজগুলো সিঙ্ক্রোনাইজ হবে।

 

অর্থাৎ বাংলাদেশে সক্রিয় প্রতিটি হ্যান্ডসেট কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে।

 

তখন এর নাম হবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার- এনইআইআর।

 

এতে ইআইআর এ নতুন কোন ডেটা সংযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটা এনইআইআরে চলে আসবে।

 

সেট বিক্রি করতে গেলে বা হারিয়ে গেলে কী করবেন?

কেউ যদি তার নিবন্ধিত সেট অন্য কাউকে দিতে চান বা বিক্রি করতে চান তাহলে সেটটিকে পুন:নিবন্ধন করতে হবে।

 

সেক্ষেত্রে নিজের নাম অনিবন্ধিত করে যার কাছে সেট দেবেন তার নামে হ্যান্ডসেটটি নিবন্ধিত করতে হবে।

 

সেটা কিভাবে করা হবে সেটা কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়ে দেবে।

 

তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল ফোন অপারেটরদের এই দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানান তিনি।

 

এছাড়া যদি আপনার ফোন হারিয়ে যায় বা চুরি যায় সেক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানটি আমার পরিচয় শনাক্ত করে ফোনটি লক করে দেবে। যেন আপনার ফোনটি কেউ কোথাও ব্যবহার করতে না পারে।

 

ব্যতিক্রম:

তবে কর্পোরেট সিম ও সেটের ক্ষেত্রে নিয়মটা কিছুটা ভিন্ন। যেমন আপনার অফিস যদি আপনাকে একটি সিম ও হ্যান্ডসেট দেয়।

 

সেক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর দিয়ে ওই সেটটি আগে নিজের নামে নিবন্ধন করে নিতে হবে। তারপর তাতে কোম্পানির সিম ব্যবহার করা যাবে।

 

এছাড়া সরকার চাইলে তাদের বিশেষ নির্দেশনায় বিশিষ্ট তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের হ্যান্ডসেট ব্যবস্থাপনার বাইরে রাখতে পারবে।

 

মূলত পুরো প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হওয়ার পর বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানান নাসিম পারভেজ।

খালি পেটে লিচু খাবেন না, কিন্তু কেন?

নিউজ24লাইন.কম;

মৌসুমি ফল লিচু সুস্বাদু আর বেশ মুখরোচকও। কিন্তু এই লিচুই হতে পারে মৃত্যুর কারণ, এমনটাই জানিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, সকালে খালি পেটে লিচু খাওয়া যাবে না। খেলে বিপদ হতে পারে। এমনকি শিশুদের বেলায় এতে মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। লিচু খেতে হবে ভরা পেটে এবং পাকা লিচু। সম্প্রতি ভারতের একটি গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়, লিচুতে আছে মিথাইলিন সাইকোপ্রোপাইল গ্লাইসিন এমসিপিজি নামের একটি রাসায়নিক পদার্থ। এটি শরীরে ঢুকলে দেহে শর্করা উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। একপর্যায়ে বিশেষ করে শিশুদের বেলায় মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

তবে গবেষকেরা বলেন, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ ভরা পেটে লিচু খেলে এমনটি হয় না। এ ছাড়া পাকা লিচু খেলেও তেমন কোনো ভয়ের কারণ নেই। পাকা লিচুতে উল্লেখিত রাসায়নিক উপাদান সহনীয় মাত্রায় থাকে। ভয় শুধু কাঁচা লিচু খাওয়ার বেলায় এবং সেটা খালি পেটে খেলে।

আজ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১)-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল) ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করেছে।

টেলিভিশন চ্যানেলের আর্থ স্টেশন স্থাপন অনেক ব্যয়বহুল হওয়ায় বিএস-১-এর ভূ-কেন্দ্রের সঙ্গে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করছে বিসিএসসিএল।

বিসিএসসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, কয়েক মাসের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএস-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাঁরা টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সঙ্গে অন্যান্য চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। বিএস-১ থেকে সেবা পেতে চ্যানেলগুলোর কোনো রকম আর্থ স্টেশন স্থাপনের প্রয়োজন হবে না।

গত বছর ১২ মে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এসএএফএফ) চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচটি পরীক্ষামূলক সম্প্রচার করে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন চ্যানেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে সম্প্রচার করা হয়।

একই সঙ্গে আজ দেশের প্রথম ডাইরেক্ট-টু-হোম (ডিটিএইচ) সেবারও উদ্বোধন করা হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ‘আকাশ’ নামের এই সেবাটি বাজারে আনছে।

বাংলাদেশে খাদ্যে ভেজাল ধরতে অভিনব উদ্ভাবন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এক ধরনের লিটমাস স্ট্রিপ উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে একজন ক্রেতা নিজেই খাদ্যে ফরমালিন আছে কিনা, তা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন৷

উন্নয়নশীল দেশের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ৷ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার এ দেশে খাদ্য নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু৷ বেশি লাভের আশায় বিক্রেতারাখাদ্যে ভেজাল মেশাতেও পিছপাহন না৷ বাজারে যেসব খাবার, সবজি ও মৌসুমী ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবগুলোতেই মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে৷ অনেকে আবার ফরমালিন মিশ্রিত বরফ বা পানি দিয়ে মাছ সংরক্ষণ করেন, যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর৷ সাধারণ ক্রেতা হিসেবে গোলাম মোর্তুজা বলেন, ‘‘আমরা তো বাজার থেকে মালামাল কিনে ব্যবহার করি৷ কিন্তু কোন মাল বাজারে কীভাবে আসে, সেটা তো আমরা জানি না৷ তাই আমরা না জেনেই ভেজাল খেয়ে ফেলছি৷”
আশার কথা হলো, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষকরা তিন বছরের প্রচেষ্টায় এক ধরনের লিটমাস স্ট্রিপ উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে একজন ক্রেতা নিজেই খাদ্যে ফরমালিন আছে কিনা, তা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন৷ বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক ড. মহিদুস সামাদ বলেন, ‘‘আমি যখন বাংলাদেশে প্রথম আসলাম, তখন দেখলাম এখানে খাবারে অনেক ভেজাল৷ তখন চিন্তা করলাম, বাইরে থেকে আমি যে শিক্ষা নিয়েছি, সেখান থেকে আমি কোনো কিট তৈরি করতে পারি কিনা, যেটা ফরমালিন শনাক্ত করতে পারে৷ আমার এখনো মনে আছে, আমি যখন এখানে ২০১৩-এ ফিরে আসলাম, তখন আমায় প্রশ্ন করা হয়েছিল, আমি কী করবো৷ আমি বলেছিলাম, একটা পেপার বেসড কিট বের করতে চাই, যেটা ফরমালিন শনাক্ত করতে পারে এবং যা খাদ্য নিরাপত্তায় সাহায্য করবে৷ ”
যে খাবারে ফরমালিনের উপস্থিতি যত বেশি থাকবে, লিটমাস পেপারটি তত বেশি গাঢ় বেগুনি রং ধারণ করবে৷ এতে করে সহজেই খাদ্যে বিষের আধিক্য শনাক্ত করা যাবে৷ বুয়েটের গবেষক সাকিব ফেরদৌস বলেন, ‘‘আমাদের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ খুঁজে বের করা, যা ফরমালিনের সাথে বিক্রিয়া করবে৷ বিক্রিয়ার ফলে সেটা এমন একটা রং ধারণ করবে, যা স্বচ্ছ পানিতে আমরা আলাদা করতে পারবো৷”
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মহিদুস সামাদের তত্ত্বাবধানে চলে এ গবেষণা কার্যক্রম৷ মোট ৫৫টি খাবারের উপর গবেষণার ফলাফল ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তাঁরা৷ বুয়েটের প্রভাষক মো. নাজীবুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ ছিল দুটি৷ এর মধ্যে এক, সহজ হতে হবে এবং দুই, স্বল্পমূল্যের হতে হবে৷ এর জন্য আমরা যে মাধ্যমটা বেছে নিয়েছি, সেটা হলো পেপার৷ পেপার ব্যবহারের ফলে আমাদের খরচ কমে যাচ্ছে৷ আমরা হিসেব করে দেখেছি যে, এটা অল্প খরচে তৈরি করা যাবে, যা একজন বাংলাদেশি নাগরিক খুব সহজে কিনে ব্যবহার করতে পারবেন৷”

‘১ কেজি প্লাস্টিক থেকে ২০ কেজি ডিজেল উৎপাদন সম্ভব’

নিউজ টুয়েন্টিফোরলাইন ডট কম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘প্লাস্টিক পণ্য থেকে জালানি: বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও গবেষণা’ বিষয়ক এক সেমিনার মঙ্গলবার দুপুরে (২৩ অক্টোবর ২০১৮) অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেলের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলে নোবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান।

নোবিপ্রবি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউছুপ মিঞার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার ওয়েস্ট টেকনোলজিস্ট এলএলসির প্রধান নির্বাহী ড. মাইন উদ্দিন সরকার এবং নির্বাহী পরিচালক ড. আঞ্জুমান বেগম শেলী। সেমিনারের সমন্বয় করেন নোবিপ্রবি কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, এলএলসি সারা পৃথিবীতে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করে। ওয়েস্ট অর্থাৎ আবর্জনাকে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মূল্যবান জিনিস উৎপাদন করা। এ পদ্ধতিতে ১ কেজি প্লাস্টিক থেকে ২০ কেজি ডিজেল উৎপাদন সম্ভব। এছাড়া এর মাধ্যমে গ্যাস, এভিয়েশন ফুয়েল ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।

উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাহী (সিইও) প্রফেসর ড. মাইন উদ্দিন সরকার একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। তিনি নোবিপ্রবি’র সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এশিয়া অঞ্চলের হাব হিসেবে তিনি নোবিপ্রবিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এছাড়া তিনি নোয়াখালী নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম চালুর বিষয়েও আগ্রহ দেখান।

সেমিনারে ড. মাইন উদ্দিন সরকাররের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান।

স্মার্টফোনে পর্ন! সতর্ক থাকুন

নিউজ ২৪ লাইন ঃ

আজকাল অনেকে ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল সাইট থেকে পর্ন সাইটে চলে যান। কেউ আবার কৌতূহল চেপে রাখতে না পেরে সরাসরি এ কাজ করে বসেন। কিন্তু এই কাজটা স্মার্টফোনে করলে বড় বিপদ হতে পারে। এনিয়ে সম্ভাব্য ৫টি বিপদ তুলে ধরা হল:

১। বিভিন্ন ধরণের ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার রয়েছে যা স্মার্টফোন লক করে দেয়। অনেক সময়েই টাকার বিনিময়ে লক খুলতে হয়। পর্ন-সাইটে ভেসে ওঠে কিছু পপ-আপ। আর তাতে ছোঁয়া লাগলেই মোবাইল লক হয়ে যেতে পারে। অনলাইনে টাকা দিলে তবেই খোলা যায়। অনেক সময়ে খোলাও যায় না।

২। এটা সকলেরই জানা যে, চাইল্ড-পর্ন দেখা আইনত অপরাধ। অনেক সময়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে চাইল্ড-পর্ন সাইট খুলে যেতে পারে। হ্যাকাররা যদি জানতে পারে কেউ স্মার্টফোনে চাইল্ড পর্ন দেখেছে তবে তাকে আইনি বিপদে ফেলতে পারে কিংবা সেই ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে পারে।

৩। মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সব সময়ে ওৎ পেতে বসে রয়েছে। তাদের অন্যতম বড় ফাঁদ হল পর্ন-সাইট। যারা নিয়মিত পর্ন দেখতে অভ্যস্ত তাদের বিভিন্ন সাইটের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে সেখানে ঢুকতে প্রলুব্ধ করে হ্যাকাররা। একবার সেই সাইটে ঢুকলেই হ্যাকাররা সহজেই চুরি করে নিতে পারে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য।

৪। পর্ন-সাইটের মাধ্যমে আপনি জড়িয়ে পড়তে পারেন নানা রকম পেইড সার্ভিসে। অনিচ্ছাকৃতভাবে মোবাইলে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এমন কিছু সার্ভিস, যা আপনি জানতেও পারেন না। কিন্তু ওই সার্ভিসের জন্য কেটে নেওয়া হয় টাকা।

৫। পর্ন-সাইটে ঢুকলে শুধু যে বিজ্ঞাপনই আপনাকে বোকা বানাবে তা নয়, দেখানো হয় নানা রকম অ্যাপ ডাউনলোড বা আপডেটের লোভ। হ্যাকারদের এই ফাঁদে পা দিলেই হাতছড়া হয়ে যাবে আপনার যাবতীয় তথ্য।

সূত্র ঃবিডি প্রতিদিন

1 2 3