ধেয়ে আসছে একাধিক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।

জুনেই বঙ্গোপসাগরে একাধিক গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে রয়েছে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার আশঙ্কা। এছাড়া অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি মাঝারি মাত্রার দাবদাহ বয়ে যেতে পারে দেশের কয়েকটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে।

আবাহওয়া অধিদফতরে গত এক মাসের আবহাওয়ার পর্যালোচনা এবং আগামী এক মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে বুধবার (২ জুন) অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব তথ্য উঠে এসেছে। অধিদফতরের পরিচালক সামসুদ্দিন বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শ ম সজিব হোসেন জানান, প্রতিমাসের শুরুতে পরিচালকের সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সভায় জানানো হয়, মে মাসে স্বাভাবিক অপেক্ষা ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি সারা দেশের গড় হিসাব। কিন্তু রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি এবং খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে।
জুন মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাসের শুরুতে সারাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতি মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিমাপ একেক বিভাগে একেক রকম হয়। জুনে ঢাকা বিভাগে ৩৫৬ মিলি., ময়মনসিংহে ৪৩২ মিলি., চট্টগ্রামে ৫৮৯ মিলি., সিলেটে ৬৩৪ মিলি, রংপুরে ৩৮৯ মিলি, খুলনাতে ২৯৬ মিলি, বরিশালে ৪৮৩ মিলি মিটার স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ অথবা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। উত্তর-মধ্য অঞ্চলে দুই থেকে তিনদিন মাঝারি অথবা তীব্র বজ্রঝড় ও দেশের অন্যান্য জায়গায় তিন থেকে চারদিন হালকা অথবা মাঝারি বজ্রঝড় হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। এ মাসে একটি মৃদু অর্থাৎ ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অথবা মাঝারি ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির দাবদাহ বয়ে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘ছায়াশূন্য’ পবিত্র কাবা শরীফ

জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার(২৭ মে) দুপুর নাগাদ মক্কার পবিত্র কাবা শরীফের সঙ্গে সরাসরি একই লাইনে অবস্থান করবে সূর্য। সূর্যের কেন্দ্রবিন্দুটি এই কাবার ঠিক ওপরে উঠে আসবে। মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম জানায়, জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল সোসাইটি এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তারা জানায়, , মক্কানগরীতে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে সূর্যোদয় হবে। উত্তরপূর্ব দিকটি থেকে সূর্য ধীরে ধীরে উপরে উঠতে শুরু করবে এবং দূপুর ১২টা ১৮ মিনিটে তা ঠিক কাবা শরীফের মাথার ওপর উঠে আসবে। আর সে কারণে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হলেও পবিত্র এই মসজিদ ঘরের কোনো দিকে কোনো ছায়া থাকবে না।

ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি বেগে বালেশ্বরে আছড়ে পড়ল অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- স্থলভাগে আছড়ে পড়ল অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের বুলেটিনে জানিয়েছে, ওড়িশার বালেশ্বরের দক্ষিণে ইয়াস-এর স্থলভাগে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার, সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার।। আগামী ৩ ঘণ্টা ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মুহূর্তে ধামরা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর-পূর্ব, দিঘা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিম ও বালেশ্বর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে ইয়াস-এর চোখ।

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে ইয়াস। বুধবার দুপুরের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে ইয়াস ওড়িশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মধ্যে ওড়িশার বালেশ্বরের দক্ষিণ ও ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করে যাবে বলেই পূর্বাভাস। তার পর ঘূর্ণিঝড় চলে যাবে ঝাড়খণ্ডের দিকে।

এদিকে, বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোর মধ্যে বাগেরহাটের মোংলা সমুদ্রবন্দরের সবচেয়ে কাছে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে ইয়াস।

বুধবার (২৬ মে) সকালে ইয়াস সম্পর্কিত ১৫ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

তাতে বলা হয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আজ ভোররাত ৩টায় (২৬ মে) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকট সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

বন্ধ হচ্ছেনা মেসেন্জার”গ্রুপচ্যাট”।

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকের কোনো গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ (গ্রুপ চ্যাট) সেবা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাটে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

ফেসবুকের কমিউনিটি ব্লগে গত শুক্রবার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত বার্তায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে চ্যাট করার সুবিধাটি প্রায় এক বছর আগে চালু করেছিল ফেসবুক। কিন্তু আগামী বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) থেকে এই সেবাটি বন্ধ করে দেয়া হবে।

তবে, ইতিমধ্যে যেসব চ্যাট হয়েছে সেগুলো ব্যবহারকারীরা দেখতে পাবেন। ওই গ্রুপ চ্যাটে নতুন কোনো সদস্য যুক্ত করা যাবে না এবং নতুন কোনো মেসেজও পাঠানো যাবে না।

ফেসবুক গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে চ্যাটের এই সুবিধা বন্ধ করা হলেও ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাটে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

এ বিষয়ে ফেসবুকের বার্তায় বলা হয়েছে, ম্যাসেঞ্জারে আগে যেভাবে গ্রুপ চ্যাট করা যেত সেভাবেই ব্যবহার করা যাবে। সেখানে ফেসবুক বন্ধু বা বন্ধু নয় এমন যে কেউ ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাটে আগের মতোই যুক্ত হতে ও চ্যাট করতে পারবেন।

মোবাইল ফোন নিবন্ধনের নিয়ম..

বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি হ্যান্ডসেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

 

বাংলাদেশে বছরে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ মোবাইল হ্যান্ডসেট নানা অসাধু উপায়ে সরকারি কর ফাঁকি দিয়ে দেশের বাজারে চলে আসছে।

 

এতে প্রতিবছর ৮শ থেকে এক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

 

তাই অবৈধভাবে আমদানি ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেট চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে যতোগুলো রেডিও ডিভাইস অর্থাৎ মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহৃত হবে সেই সেটগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানায় সংস্থাটি।

 

এতে গ্রাহকদের সিমের মতো হ্যান্ড-সেটটিও নিবন্ধিত থাকবে।

গ্রাহকদের সিমের মতো হ্যান্ড-সেটটিও নিবন্ধিত থাকবে।

বিটিআরসি স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বিবিসি বাংলাকে জানান এতে অবৈধভাবে আমদানি, চুরি ও নকল হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ করা যাবে, গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে, মোবাইল ফোনের হিসাব রাখা যাবে। সবশেষে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে।

 

তিনি জানান মূলত তিনটি ধাপে এই প্রক্রিয়াটি শুরু করা হবে।

 

প্রথম ধাপ: বৈধ ফোন চিনে রাখুন

প্রথমত, বাংলাদেশে যতোগুলো হ্যান্ডসেট বৈধভাবে আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে যে মোবাইলগুলো অ্যাসেমব্লিং করা হচ্ছে বা উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোর ১৫ ডিজিটের স্বতন্ত্র আইএমইআই নম্বর নিয়ে একটি বৈধ ফোনের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

 

এতে মানুষ যখন মোবাইল ফোন কিনতে যাবেন তখন তারা সেই সেটটির আইএমইআই নম্বর দিয়ে জানতে পারবেন যে তাদের সেটটি বৈধ নাকি অবৈধ।

ইআইআর এর মাধ্যমে শের প্রতিটি সক্রিয় সেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: হ্যান্ডসেট কিভাবে নিবন্ধন করবেন

দ্বিতীয় ধাপে বিটিআরসি তাদের ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (ইআইআর) খসড়া নির্দেশনা- ইআইআর তৈরি করবে।

 

যার আওতায় দেশের প্রতিটি সক্রিয় সেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

 

এরিমধ্যে বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির ইআইআর যাচাই করে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ২৪ পাতার একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিটিআরসি।

 

প্রতিবেদনটি যাচাইয়ের জন্য মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

সেখানে যদি কোন সংশোধনের প্রয়োজন তাহলে সেটা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রতিবেদনটি বিটিআরসির কমিশনে পাঠানো হবে।

খসড়া নির্দেশনাটিকে চূড়ান্ত হলে প্রত্যেক অপারেটরকে তাদের নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা প্রতিটি সক্রিয় হ্যান্ড-সেটের ডাটাবেজ তৈরির সময় বেঁধে দেয়া হবে।

 

এখানে গ্রাহকদের হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য কোথাও যেতে হবেনা।

 

তারা নিজেদের নিবন্ধিত সিমটি সেটে সক্রিয় করলেই সেটটি ওই নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে।

 

ওই সেটে যদি দ্বিতীয় সিম ব্যবহার করতে হয় তাহলে সেটাও অবশ্যই একই নামে নিবন্ধিত সিম হতে হবে।

 

এছাড়া কারও যদি একাধিক সেট থাকে তাহলে তিনি দ্বিতীয় সেটটিতে যে নামের সিমটি সক্রিয় করবেন, সেই নামেই সেটটি নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

 

তখন ওই সেটে অন্য নামের কোন সিম চলবেনা। অর্থাৎ একটি সেট একজনের নামেই নিবন্ধিত হবে।

এভাবে একেকটি অপারেটরের আলাদা ডাটাবেজ সম্পন্ন হবে।

এরপর এই ডাটাবেজকে ব্ল্যাক, হোয়াইট ও গ্রে- এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে।

 

খসড়া নির্দেশনায় ‘হোয়াইট’ বলতে বোঝানো হয়েছে বৈধভাবে আমদানি করা এবং দেশে বৈধভাবে তৈরি হ্যান্ডসেটগুলোকে। অর্থাৎ যে সেটগুলো বিটিআরসি নিবন্ধিত।

 

‘গ্রে’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ক্লোন, অনুমোদনহীন নকল, অবৈধভাবে আমদানি হয়ে আসা সেটগুলোকে।

 

এই সেটগুলো অবৈধ হলেও এবারের মতো সেগুলোকে অনুমোদন দেয়া হবে।

 

যারা ইতোমধ্যে এগুলো ব্যবহার করছেন বা দেশের বাইরে থেকে আনিয়েছেন তাদেরকে একটি সময় বেঁধে দেয়া হবে যেন তারমধ্যেই তারা নিবন্ধিত সিম দিয়ে সেটটিকে সক্রিয় করে নেন।

চুরি যাওয়া হ্যান্ডসেটগুলোকে ‘ব্ল্যাক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

অন্যদিকে চুরি যাওয়া হ্যান্ড-সেটের আইএমইআই, মেয়াদ উত্তীর্ণ আইএমইআই যুক্ত সেট, নকল আইএমইআই সম্পন্ন হ্যান্ডসেটগুলোকে ‘ব্ল্যাক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

যখন পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি হয়ে যাবে তখন সম্পন্ন করা হবে সর্বশেষ অর্থাৎ তৃতীয় ধাপের কার্যাদি।

তৃতীয় ধাপ: কমন সার্ভার

তৃতীয় ধাপে সরকার একটি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করবে যারা বিটিআরসির জন্য এই কেন্দ্রীয় প্লাটফর্ম বা কমন সার্ভার তৈরি করবে।

 

যেখানে প্রত্যেকটি অপারেটরের ডাটাবেজগুলো সিঙ্ক্রোনাইজ হবে।

 

অর্থাৎ বাংলাদেশে সক্রিয় প্রতিটি হ্যান্ডসেট কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে।

 

তখন এর নাম হবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার- এনইআইআর।

 

এতে ইআইআর এ নতুন কোন ডেটা সংযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটা এনইআইআরে চলে আসবে।

 

সেট বিক্রি করতে গেলে বা হারিয়ে গেলে কী করবেন?

কেউ যদি তার নিবন্ধিত সেট অন্য কাউকে দিতে চান বা বিক্রি করতে চান তাহলে সেটটিকে পুন:নিবন্ধন করতে হবে।

 

সেক্ষেত্রে নিজের নাম অনিবন্ধিত করে যার কাছে সেট দেবেন তার নামে হ্যান্ডসেটটি নিবন্ধিত করতে হবে।

 

সেটা কিভাবে করা হবে সেটা কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়ে দেবে।

 

তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল ফোন অপারেটরদের এই দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানান তিনি।

 

এছাড়া যদি আপনার ফোন হারিয়ে যায় বা চুরি যায় সেক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানটি আমার পরিচয় শনাক্ত করে ফোনটি লক করে দেবে। যেন আপনার ফোনটি কেউ কোথাও ব্যবহার করতে না পারে।

 

ব্যতিক্রম:

তবে কর্পোরেট সিম ও সেটের ক্ষেত্রে নিয়মটা কিছুটা ভিন্ন। যেমন আপনার অফিস যদি আপনাকে একটি সিম ও হ্যান্ডসেট দেয়।

 

সেক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর দিয়ে ওই সেটটি আগে নিজের নামে নিবন্ধন করে নিতে হবে। তারপর তাতে কোম্পানির সিম ব্যবহার করা যাবে।

 

এছাড়া সরকার চাইলে তাদের বিশেষ নির্দেশনায় বিশিষ্ট তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের হ্যান্ডসেট ব্যবস্থাপনার বাইরে রাখতে পারবে।

 

মূলত পুরো প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হওয়ার পর বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানান নাসিম পারভেজ।

খালি পেটে লিচু খাবেন না, কিন্তু কেন?

নিউজ24লাইন.কম;

মৌসুমি ফল লিচু সুস্বাদু আর বেশ মুখরোচকও। কিন্তু এই লিচুই হতে পারে মৃত্যুর কারণ, এমনটাই জানিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, সকালে খালি পেটে লিচু খাওয়া যাবে না। খেলে বিপদ হতে পারে। এমনকি শিশুদের বেলায় এতে মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। লিচু খেতে হবে ভরা পেটে এবং পাকা লিচু। সম্প্রতি ভারতের একটি গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়, লিচুতে আছে মিথাইলিন সাইকোপ্রোপাইল গ্লাইসিন এমসিপিজি নামের একটি রাসায়নিক পদার্থ। এটি শরীরে ঢুকলে দেহে শর্করা উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে যায়। ফলে শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। একপর্যায়ে বিশেষ করে শিশুদের বেলায় মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

তবে গবেষকেরা বলেন, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ ভরা পেটে লিচু খেলে এমনটি হয় না। এ ছাড়া পাকা লিচু খেলেও তেমন কোনো ভয়ের কারণ নেই। পাকা লিচুতে উল্লেখিত রাসায়নিক উপাদান সহনীয় মাত্রায় থাকে। ভয় শুধু কাঁচা লিচু খাওয়ার বেলায় এবং সেটা খালি পেটে খেলে।

আজ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১)-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল) ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করেছে।

টেলিভিশন চ্যানেলের আর্থ স্টেশন স্থাপন অনেক ব্যয়বহুল হওয়ায় বিএস-১-এর ভূ-কেন্দ্রের সঙ্গে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করছে বিসিএসসিএল।

বিসিএসসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, কয়েক মাসের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএস-১-এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তাঁরা টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সঙ্গে অন্যান্য চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। বিএস-১ থেকে সেবা পেতে চ্যানেলগুলোর কোনো রকম আর্থ স্টেশন স্থাপনের প্রয়োজন হবে না।

গত বছর ১২ মে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এসএএফএফ) চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচটি পরীক্ষামূলক সম্প্রচার করে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন চ্যানেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে সম্প্রচার করা হয়।

একই সঙ্গে আজ দেশের প্রথম ডাইরেক্ট-টু-হোম (ডিটিএইচ) সেবারও উদ্বোধন করা হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ‘আকাশ’ নামের এই সেবাটি বাজারে আনছে।

1 2 3