কেমন আছেন শাকিব খানের ব্যক্তিগত মেকআপ আর্টিস্ট সবুজ খান

বিনোদন ডেস্ক :
শরীয়তপুরের ছেলে সবুজ খান , ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম সুপারহিট নায়ক শাকিব খান এর কাছের মানুষ চলচ্চিত্রের সুপরিচিত মেকআপ আটিস্টি সবুজ খান,
সবুজ খান জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের ব্যক্তিগত মেকআপ আটিস্টি হিসাবে কাজ করেন।। সবুজ খান জানান চলচ্চিত্রের কাজ কমে যাওয়ায় কেউ ভালো নেই
অনেকেই মেকআপ আর্টিস্ট এর পাশাপাশি বিভিন্ন কাজ পরে থাকেন।

তেমনি আমি সাকিব ভাইয়ের পরামর্শে শরীয়তপুরে আমার গ্রামের বাড়িতে আমি মুরগির খামারে ব্যবসা এবং ওয়াইফাই লাইনের ব্যবসা চালু করেছি
সাকিব ভাইয়া বলেছিলেন মেকআপ এর পাশাপাশি বিকল্প কোন ব্যবসা যেন আমি করি তাই সাকিব ভাইয়ার কথামতো ব্যবসা চালু করে দিয়েছি।। চলচ্চিত্রে প্রায় ১২০ জনের মত মেকআপ আর্টিস্ট রয়েছে সবুজ খান তাঁদের মধ্যে ব্যস্ত মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে পরিচিত সবুজ খান বলেন ১৯বছরের কর্মজীবনে চলচ্চিত্রের মন্দা সময় এর পাশাপাশি করোনাকালীন সময়ে এত সংকট কখনো অনুভব করিনি তাই চেষ্টা করছি অন্য কিছু করার

সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করলেন চিত্রনায়িকা মাহি

বিনোদন ডেস্ক- চলতি বছরের জুন মাসে গুজব ছড়ায়- রাকিব সরকার নামের গাজীপুরের এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার সাথে প্রেম করছেন নায়িকা মাহিয়া মাহি। এরপর থেকেই আলোচনায় এ নায়িকা। শোনা যায় গোপনে ব্যবসায়ী রাকিবকে বিয়েও করেছেন তিনি।

ওই সময় পুরো গাজীপুরে এ সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে আলোচনা হয়। মাহিকে রাকিবের গাড়ি উপহার দেওয়া এবং দুজন মিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঘুরতে যাওয়ারও কথা শোনা গিয়েছিল সে সময়।

তবে এসব নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন মাহি। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন তিনি। নিজেই ঘোষণা দিয়ে জানালেন, সেই রাকিব সরকারকে বিয়ে করেছেন।

মাহি ১৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টায় কাবিননামায় স্বাক্ষর করার এক ছবি পোস্ট করে জানান, তিনি বিয়ে করেছেন ১৩ সেপ্টেম্বর।

নায়িকা তার পোস্টে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আজ ১৩/০৯/২১ ইং ১২.০৫ মি. আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হলো।’

আগের সব খবর গুজব ছিলো দাবি করে মাহি লেখেন, ‘এর আগের সব কথা আসলেই গুজব ছিলো। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন এটাই একমাত্র চাওয়া।’

এর আগে ২০১৬ সালে জমকালো আয়োজনে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পর থেকেই তার বিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গেলেও তা তিনি অস্বীকার করে আসছিলেন।

এরপর গত মে মাসে মাহি নিজেই ফেসবুকে অপুর সাথে তার বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানান। বিচ্ছেদের পর থেকেই ঢালিউড এই অভিনেত্রীর বিভিন্ন ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন শুরু হয়।

এর আগে ২০১৬ সালে জমকালো আয়োজনে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পর থেকেই তার বিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গেলেও তা তিনি অস্বীকার করে আসছিলেন।
এরপর গত মে মাসে মাহি নিজেই ফেসবুকে অপুর সাথে তার বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানান। বিচ্ছেদের পর থেকেই ঢালিউড এই অভিনেত্রীর বিভিন্ন ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন শুরু হয়।

এবার নিখিলের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে শ্রাবন্তী!

বিনোদন ডেস্ক- বিচ্ছেদ ইস্যুতে আলোচিত টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ও শ্রাবন্তী। দুজনেই আলাদা থাকছেন স্বামী থেকে। কিন্তু আইনি বিচ্ছেদ এখনও হয়নি তাদের। নিখিলের সঙ্গ ছেড়েছেন নুসরাত। সম্প্রতি মা হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে রোশান সিংয়ের অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে নিজের মতো থাকছেন শ্রাবন্তী

এবার নিখিলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেল শ্রাবন্তীর ছবি। এ নিয়ে বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে টালিপাড়ায়। অনেকে বলছেন, নিখিল-শ্রাবন্তীর নতুন সমীকরণ! আসলেই কি তাই?

যদিও টালিউডের সমীকরণ বোঝা মুশকিল। বান্ধবী নুসরাতের সাবেক স্বামী নিখিলের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন শ্রাবন্তী। যদিও এ সম্পর্ক ব্যক্তিগত না, পেশাগত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে,

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নিখিলের ফ্যাশন হাউজের মডেল হয়েছেন শ্রাবন্তী। কালো বেগুনি রঙের পোশাকে সাজিয়েছেন নিজেকে। খোলা চুল আর লিপস্টিকে বেশ সুন্দরী লাগছিল তাকে।

নুসরাত-শ্রাবন্তী বন্ধুত্বের কথা জানেন সকলেই। নিয়মিত ঘরোয়া পার্টিতে দেখা যায় তাদের। অন্তঃসত্ত্বা নুসরাতের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল শ্রাবন্তীকেও। ফটোশুট প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিখিল বলেন, ‘শ্রাবন্তী আমার ভালো বন্ধু। আমাদের পোশাকগুলো তার ভালো লেগেছিল। তাই ও শুট করেছে।’

শ্রাবন্তী অনেক দিন থেকেই আমার ভাল বন্ধু। আমার কোম্পানির পোশাক শ্রাবন্তীর খুব ভাল লাগে। তাই শ্রাবন্তী নিজের ফটোশুটে এটি ব্যবহার করেছে। সেই কারণেই আমি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শ্রাবন্তীর সেই পোশাক পরা ছবি দিয়েছি।

অন্যদিকে শ্রাবন্তীও এই ফটোশুটে পোশাকের ক্রেডিটে দিয়েছেন নিখিল জৈনের সংস্থার নাম। এমনকী, শ্রাবন্তীর এই ফটোশুটের সময়, যিনি শ্রাবন্তীকে সাজিয়েছেন সেই সন্দীপ ঘোষাল, নুসরত ও নিখিলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নিখিল ও নুসরতের বিয়েতে তুরস্কতেও গিয়েছিলেন এই সন্দীপ।

প্রেম ও বিয়ে নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন দীঘি

বিনোদন ডেক্সঃ- শিশুশিল্পী দীঘির কথা কার না মনে আছে। মিষ্টি হাসি আর আর সংলাপে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা তো বহু বছর আগের কথা। দিন গেছে, দীঘিও হয়েছেন বড়। এখন তিনি পূর্ণাঙ্গ নায়িকা। ইতোমধ্যে তার অভিনীত একাধিক সিনেমাও মুক্তি পেয়েছে। হাতে রয়েছে আলোচিত কিছু সিনেমার কাজ।

পেশাগত কাজের পাশাপাশি এখন দীঘির ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নিয়মিত চর্চা হয়। অনুসারীদের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, তিনি নাকি ইউটিউবার তাওহীদ আফ্রিদির সঙ্গে প্রেম করেন। অনেকে জানতে চান, তারা বিয়ে করবেন কবে।

এত দিন এসব গুঞ্জনের ব্যাপারে কিছু বলেননি দীঘি। এবার মুখ খুললেন। একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রেম ও বিয়ে নিয়ে তার ভাবনা। বললেন, আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কটা অন্যরকম। দুই বছর ধরে আফ্রিদি আমার ভাল বন্ধু। অনেকেই লেখেন, আমি প্রেম করি। গুজব কান দেবেন না। প্রেমে জড়ালে আমার মুখ থেকেই শুনবেন। আর প্রেম না, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছি। বিয়েশাদি নিয়েও একদম ভাবছি না।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা রোমান্টিক কবিতা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। দীঘি বলেন, এগুলো আমার লেখা না, সংগৃহীত। কোনো কবিতা বা গানের লাইন ভালো লাগলে শেয়ার করি।

অবিবাহিত তারকাদের জামাই আর জামার অভাব হয় না: পপি

বিনোদন ডেস্ক- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া বিবাহ নিয়ে নানা গুঞ্জন, নানা কথা। সোশ্যাল মিডিয়া বা মুঠোফোনেও তার সাড়া মিলছে না। হঠাৎ অন্তরালে চলে যাওয়ায় চলচ্চিত্র পাড়ায় গুঞ্জন ছিল- পপি বিয়ে করে ঘর-সংসার করছেন। যদিও এ ঘটনার সত্যতা মেলেনি। তবে পপি এবার নিজেই মুখ খুলেছেন।

পপি নিজেকে ‘নিখোঁজ’ বলতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু ঝামেলায় আছি। ঝামেলা শেষ হয়ে গেলেই আমি আবার সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবো। আমি সব কিছুই নজরে রাখছি। সময় মতো সব মোকাবিলা করবো। আমি গণমাধ্যমের সৃষ্টি। ‘আনন্দ বিচিত্রা’ আমাকে তারকা জগতে উত্তরণের সিঁড়ি তৈরি করে দিয়েছে। তাই গণমাধ্যম আমার স্বজন। গণমাধ্যমের কারণেই আমি আজকের পপি। সেই গণমাধ্যমের সঙ্গে বিতণ্ডায় যাওয়া আমার পছন্দ নয়।’

বিয়ে প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘অবিবাহিত তারকাদের জামাই আর জামার অভাব হয় না- আমারও অভাব নেই। কিন্তু বিয়ে করতে হলেও পুরুষ লোকটির সঙ্গে দুটো মিষ্টি কথা বলতে হয়। আমার তো সে সময়ই নেই। এছাড়া আমি কারো সঙ্গে মিষ্টি করে কথা বলতে পারি না।’

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় শোবিজ থেকে দূরে ছিলেন পপি। সেই বিরতি ভেঙে তিনি কাজে ফিরেন রাজু আলীম ও মাসুমা তানির যৌথ পরিচালনায় ‘ভালোবাসা প্রজাপতি’ নামের একটি ছবি দিয়ে। শুটিংও করেন কিছুদিন।

এরপর হঠাৎ করেই উধাও এই নায়িকা। কোথাও তাকে দেখা যায়নি। কোনো কাজও করেননি। অনেক পরিচালকই তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়েছেন নাগাল পেতে। তখন থেকেই মূলত তার বিয়ের খবর ছড়াতে থাকে।

খবর রটে, বিয়ে করেছেন বলেই নিজেকে আড়ালে নিয়ে গেছেন পপি। তখন অনেকে দাবি করেন, গোপনে সংসার পেতেছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেত্রী।

মায়ের মাথা ফাটালেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা,

নিউজ ২৪লাইনঃ,
বিনোদন ডেস্ক- ইউপি নির্বাচন করার জন্য বাবার জমির ভাগ দিতে না চাওয়ায় মায়ের মাথা ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সাজুর বিরুদ্ধে। গুরুতর অবস্থায় তার মা রানীজান এখন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় সাজুর বড় বোন উলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

২০০৮ সালে বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভিতে রিয়েলিটি শো ক্লোজআপ ওয়ান তারকা দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হন কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পান্ডুল ইউনিয়নের মৃত আজগার আলী ও মোছা. রানীজান বেগম দম্পতির ছেলে সাজু আহমেদ (৩৫)।

২০০৩ সালে মারা যান সাজুর বাবা। প্রায় ১৯ বছর ধরে সাজুকে কোলে করে আগলে রেখেছিলেন তার মা। ছোট ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে, তার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছেন মা। কিন্তু আজ মায়ের মুখেই সন্তানের বিরুদ্ধে বিচার দাবি। বারবার ছেলের হাতে অপমান-অপদস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ সেই মায়ের।

গত শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) শিল্পী সাজু আহমেদ তার মায়ের কাছে জমির ভাগ ও টাকা না পাওয়ায় হামলা করে মাথা ফাটিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেছেন তার মা। তার বৃদ্ধা মাকে গুরুতর আহত অবস্থায় আত্মীয়স্বজনরা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। তার মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে বলে জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। তিনি এখন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সাজুর মা রানীজান জানান, আমি অনেক সহ্য করেছি। বাচ্চা মানুষ, আমার কোলের সন্তান। সে আমাকে আর মা বলে পরিচয় দেয় না। ওর জন্য আমি ভিক্ষা করেছি। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি। সে অপরাধ করেছে। আমি মা, অনেক সহ্য করেছি, অনেক ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু আর না,’ বলেই অঝর নয়নে কান্না শুরু করে কঠোর শাস্তি দাবি করছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা শিল্পী সাজু আহমেদের গর্ভধারিনী মা মোছা. রানীজান বেগম (৬৫)।

সাজুর মা আরও জানায়, সে চেয়ারম্যান পদে (ইউনিয়ন পরিষদের) নির্বাচন করবে বলে জমির ভাগ চাচ্ছে এবং এজন্য প্রায়ই সে আমাকে অপদস্ত করে আসছে। ২০০৮ সালে তার ক্লোজআপ ওয়ান তারকা হওয়ার জন্য এসএমএসের পেছনে জমি বন্ধক রেখে লাখ লাখ টাকা শেষ করছি। এখন তার নিজের জমানো অর্থ দিয়ে নির্বাচন করতে বলেছি এবং পরে জমির অংশ দিতে চেয়েছি। কিন্তু সে নির্বাচনের আগেই জমির অংশ নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। এজন্য আমার ওপর হামলা করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই,যাবজ্জীবন জেল চাই ।

থানায় অভিযোগকারী সাজুর বড় বোন আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, সে আমাকেও কয়েকবার মারতে উদ্যত হয়েছিল। পরে আমার মা প্রতিবাদ করায় সে মাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। আমার চোখের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। এসময় অনেকে বাড়িতে উপস্থিত ছিল।

এ ব্যাপারে শিল্পী সাজু আহমেদের সাথে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। ভুক্তভোগীর বড় মেয়ে বাদি হয়ে অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কবি তৌহিদা আজিমের প্রথম প্রসব ‘ চাঁদ ডুবেছে করতলে’ কাব্যের দশমাস দশদিন

নাসের ভুট্টো;
No description available.
তৌহিদা আজিম এ সময়ের একজন নিবিষ্ট ও নির্জন কবি। কবিতা নয়, যেন হৃদয়ক্ষরণের বিষাদ বাঁশি বাজিয়ে যাচ্ছেন অপূর্ব শিল্পমুগ্ধতায়। প্রাত্যহিক পরিচর্যায় এঁকে যাচ্ছেন জীবনের মর্মলিপি। জীবন ও সৌন্দর্যের মনোদৈহিক বাসনাচিত্র আঁকতে আঁকতে কবিতা হয়ে উঠেছে তৌহিদা আজিমের নিবিড়তর নীড়। যে নীড়ে আজ অনায়াসে ঢুকে পড়ে অবাক করা চাঁদ, তাও ডুবে করতলে। আর চাঁদ ডুবে জোছনা ছড়ায় কবিতার অদৃশ্য শরীর। তাই পাঠক সমাজে সৃষ্টিশীলতার উৎসগুলো সময়ের অলিন্দে সমাদৃত হয়েছে বারবার। জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিঁনি প্রয়োজনে ভেঙ্গেছে বৈষম্য। প্রতিদিন বর্ণচাষ করেন মননের ভাঁজে, বাস্তবতার ঘোর ঠেলে খোঁজে ফেরেন বৃক্ষের নিবিড় পাঠ, দিগন্তের আভা আর নির্ভার পংক্তিমালা। কবি তৌহিদা আজিমের প্রথম প্রসব ‘চাঁদ ডুবেছে করতলে’ কাব্যটির দশমাস দশদিনের চৈতন্যের শিকড়ে প্রোথিত বীজের এক বিস্ময়কর বিস্ময়, যা শতবর্ষে ফুটে উঠে। তিঁনি মনোযোগ্য কবি। প্রকাশভঙ্গির অনাবিলতাই তাঁকে আলাদা করেছে, করেছে ছন্দের প্রতি শ্রদ্ধা। তবে গভীরে প্রোথিত স্মৃতিজাগানিয়া তরঙ্গের স্পর্শে স্পর্শে যে জীবনের কল্লোল প্রবাহিত এতকাল, সহসা হাজারো স্মৃতিকে নাগরিক প্রবণতায় যথোপযুক্ত দান করেছেন আর এগিয়ে নিয়েছেন বোধের সীমানাকে। প্রখরভাবে নাগরিক বৈশিষ্ট্য তার মৌলুউপজীব্য কিন্তু সেটা কায়েম করতে গিয়ে ফিরিয়ে নিয়েছেন পাঠককে চিরন্তন ও চিরায়ত মুগ্ধতার অসংখ্য স্মৃতিতে যার ফলে এতে চিত্ররূপে বর্ণিল, অঙ্কনে আবীরময়, বহুবর্ণাভায় প্রতীকায়িত, সমৃদ্ধময়। উপযুক্ত মানস- বিষয়ীতে, আধার ও আধেয়র আবর্তে। দীর্ঘদিন পরিচর্যায় তিনি প্রাণ দিয়েছেন ও সৃষ্টি করেছেন ধ্রূপদী কাব্যগ্রন্হ ‘চাঁদ ডুবেছে করতলে’। পৌছেছেন মুকুলিত মুকুরে। সেই মুকুরে কোন উচ্চস্বর নেই, নেই কোন দুর্বোধ্য আগল। বরং লেখিকার অন্তর্লোক থেকে উৎসারিত বোধের সরল নির্মাণ প্রতিটি কবিতা বুনন যা- অনাবিল সরসতায় স্নিগ্ধ ও মধুরিমায় আপ্লুত। নিরাভরণ অথচ ব্যঞ্জনাময় শব্দসৌরভের সুর যে কোন পাঠককে নিয়ে যায় অনুভবের ভিন্ন- আঙিনায়। সেই ফেলে আসা জীবন বৃক্ষের বোধাতীত বিস্ময় ও স্মৃতির ভান্ড়ার আজকের নান্দনিক সৃষ্টি যার প্রতিটি কবিতার শিরোনামই জানিয়ে দেয় জীবনের রক্তমাংস ও নিঃশ্বাসের সঙ্গে কবির নিবিড়তর সম্পর্ক ও আবেগের আন্তরিক প্রকাশ যা সহজেই মেলেনা চারপাশে। কবি তৌহিদা আজিমের ‘চাঁদ ডুবেছে করতলে’ কাব্যটি পড়ার পর মনে হলো, কবি হৃদয় খুঁড়ে জাগানো বেদনার গল্প বলতে ভালোবাসেন। জীবন থেকে আলাদা কোনো কিছু নয়। আমাদের প্রতিদিনকার যাপিত জীবনেরই নান্দনিক উপস্হাপনা। এখানে মানবিক ছন্দ আছে, বিরহ আছে,আছে প্রকৃতিও। চারপাশের পরিচিত মুখগুলোকে নতুন করে চেনান তিনি, ভাবানও। কবিতার প্রতিটি শিরোনামই জানিয়ে দেয় জীবনের সঙ্গে সমুদ্র কন্যার বোধ ও চৈতন্যের অভিপ্রায়টি। প্রতিটি কবিতাচয়নে স্বতন্ত্র ভাবনার- কবিতা সূচিবদ্ধ হলেও কবিতাগুলোর অন্তস্রোতে একটি ঐক্যসূত্র রয়েছে। সেটি হচ্ছে প্রেম। মানুষের জীবনে খন্ড় খন্ড় অভিজ্ঞতার সমাবেশ। সেই সমাবেশে নানা রঙ – আনন্দ, বেদনা, সুখ ও দুঃখের অনির্বচনীয় এক অনুরণন। সময়ের ক্যানভাসে এইসব অনুরণন নানা বর্ণবিভায় উদ্ভাসিত হয়। তেমনি ‘চাঁদ ডুবেছে করতলে’র কাব্যগ্রন্হের ‘যুবকের ঘ্রাণ’ শিরোনামের কবিতার প্রথম স্তবকটি গভীর আবেগে একবার পড়তে চাই- ‘ কতোদিন তোমার কাছে যাই নি কতোদিন স্বপ্নের হাত ছুঁয়ে দেখি নি ‘। কবি তৌহিদা আজিমের প্রেম ও বিদ্রোহের মধ্যে কোন বিরোধ নেই, বরং তা একই উৎসের দুই পরিপূরক প্রতিভাস। যে আন্তর – প্রেরণায় তিনি অধরা পুরুষ’কে পাবার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন, ব্যর্থতায় হয়ে পড়েন বিষন্ন, সেই একই প্রেরণায় সত্য-সুন্দর-মঙ্গল প্রতিষ্টায়, স্বাধিকারের বাসনায় তিনি উচ্ছারণ করেন প্রেমের অমুল্য বাণী। এই সৌন্দর্যের অনুভুতিই নানাভাবে নানা ছন্দে রূপ নিয়েছে এবং এই অনুভুতির পথ ধরে চলতে চলতেই চিনতে পেরেছিলেন যা কবির স্মৃতি ও শ্রুতিতে চির- ভাস্বর। এতকাল এই ব্যর্থতার জন্য তাঁর তীব্র হাহাকারবোধ নেই বরং অভিঞ্জতালব্দ- দর্শনাশ্রিত হয়ে আবিস্কার করেছে প্রেমের শ্বাশত-সত্য। তাঁর কবিতায় সময়ের ছায়া আছে, আছে স্মৃতিতাড়ানিয়া সুখ কিংবা গভীর গভীরতর নষ্টালজিয়া। কবির অন্তর্লোক থেকে উৎসারিত বোধের সরল নির্মাণ প্রতিটি পংক্তি- যা অনাবিল সরসতায় স্নিগ্ধ ও মধুরিমায় আপ্লুত। নিরাভরণ অথচ ব্যঞ্জনাময় শব্দসৌরভের সুর আমাদেরকে নিয়ে যায় অনুভবের ভিন্ন আঙ্গিনায়। তাই তো কবি অকপটে বলেন- ‘হিংসায় ফুল ফোটে না, বরং ধ্বংস হয়ে যায় টুইনটাওয়ার’। ( চাঁদ ডুবেছে করতলে) ‘খেলাঘর’ শিরোনামের শেষ দুটি লাইন। পাঠক এই দুই লাইনে খু্ঁজে পাবে গভীর এক বিচিত্র অনুভব। যা মৃদু স্পন্দনময় ও গভীর অতলের এক সমুদ্র নাবিক কী যেনো খুঁজছে অনায়াসে। দৃশ্যমান নয়, অথচ অনুভবের এক শিহরণ ঢেউ খেলে যায় সমস্ত ইন্দ্রিয়ে। পাঠকের আনুগত্য ও আকর্ষণ কেবল একজন কবির সৃষ্টিকর্মের মান ও উৎকর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং তাঁর জীবনাচার ও বিচিত্র বহুমুখী কর্মকান্ড় ও পালন করতে পারে একটা বড় ভুমিকা। কারণ, লেখকসত্বা কেবল লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, সেটি লেখকের জীবন ও সৃষ্টির ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। ভাষিক অনুভূতির নিগূঢ় ব্যঞ্জনের নাম কবিতা। কবিতা যে- কোনো সাধারন ভাষা মাত্র নয়, তারই প্রগাঢ় অনুরণন দেখতে পাই। বিষয়, আঙ্গিক ও চিন্তার গভীরতায় তিনি বৈশ্বিক। আবহমান ভাবের বিস্তৃতিতে তিনি স্বদেশিক। একটি শব্দের অপর একটি শব্দের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে তিঁনি শব্দানুষঙ্গ সৃষ্টি করেন গভীর প্রত্যয়ে। তাই কবি চান ফুল ফুটুক ও বিচ্ছুরিত হউক বিবিধ ভাবে, উদ্ভাসিত হউক- পৃথিবীর মানচিত্র। প্রকৃতির কবিকে প্রতীক রূপে ব্যবহার না করে চিত্তলোকে ঠাই দেওয়া একজন কবির আজন্ম স্বভাব। কবি তৌহিদা আজিমের ‘ চাঁদ ডুবেছে করতলে’ কাব্যের ‘পাথর সময়’ শিরোনামের কবিতায় মহাকাল যাপণের নষ্টালজিয়ায় সিক্ত হয়েছেন। তাই তিঁনি উচ্ছারণে বৈষম্য করেন নি বরং নির্দ্বিধায় বলেছেন- ‘অবসরে আমার দু’মিনিট সময় যেন আর কাঁটে না অথচ কতো মহাকাল আমি একা আছি’। কবি তৌহিদা আজিমের কবিতা অনেকাংশে সরল, আধুনিক জটিলতা যা এসেছে তা সরলতাকে অবগাহন করতে যেয়ে। আসলে মানুষ মাত্রই একা, শেষপর্যন্ত একা। তারপরও কবি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে চান সমগ্র ধরায়, কারনঃ তিঁনি ভালোবাসার কাঙ্গাল। ভালোবাসা দিতে গিয়ে বারবার প্রতারিত হয়েছেন মানুষের কাছে। যখন ব্যর্থতা স্পর্শ করেছেন তখন তিনি বেদনাহত হৃদয়ে উচ্ছারণ করেছেন । ‘ বিষাদের জ্বর’ কবিতায় শাশ্বতিক বিরহকে তিনি আবিস্কার করতে পেরেছেন বলেই উপলব্দি করেছেন ‘দীর্ঘশ্বাস’ কবিতাটি। তাই কবি তৌহিদা আজিম বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রেমের জগত প্রাপ্তি নয়, বরং অপ্রাপ্তি- মিলন নয় বরং বিরহই চিরায়ত সত্য,শাশ্বত প্রাপ্তি। প্রত্যেক মহৎ কবি তাঁর নিজস্ব সমুদ্রের সঙ্গে গভীর বিজড়িত থাকেন এবং প্রত্যেক সৃষ্টিকর্মেই তাঁর নিজস্ব ঢেউয়ের একটা বিশেষ রূপ ধরা পড়ে – যা স্বতন্ত্র্য প্রাতিস্কিতায় অতুলনীয়। প্রত্যেক কবিতারই থাকে একটা নিজস্ব চরিত্র, স্বতন্ত্র্য, জলবায়ু, আলাদা বৈশিষ্ট, চাল-চলন,যানবাহন,খাবার-দাবার, স্বতন্ত্র্য ভুগোলের অবকাঠামোর কবিতার চালচিত্র তাঁর আত্মার এ স্বরূপ আমরা চিত্রিত দেখি- তার প্রকাশিত কাব্য ‘চাঁদ ডুবেছে করতলে’। কবির চুড়ান্ত শব্দ- ভালোবাসা। ভালোবাসার আলো-আঁধারী পথে চলতে গিয়ে কবি তৌহিদা আজিম নিরন্তর নিজেকে ভাঙ্গেন আর গড়েন। সেই ভাঙ্গাগড়ার মাঝে তিঁনি প্রসব করেন নান্দনিক ও সময়োপযোগী কবিতা। কবি’র অপূর্ব সৃষ্টি অনুরাগ মাখা স্বপ্নময় কবিতাচরণে আমরা দেখি- অতৃপ্ত আবেগে রক্তে রাঙা রূপসী বাংলার চিত্র, ড়াংগুলি খেলার জম্পেস বাহাস, মগপাড়ার মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য, আচারগুলির বন্ধুকের টুস টুস শব্দের ঝংকার,মগপাড়া খালের রহস্যময় শিহরণ, দুইদ্যা নামক খেলা, চিকুত কুত খেলা, পট ভাইজ্যানি ও দলবেঁধে ভুতের কিচ্ছা- কাহিনী শ্রবণ, যা সাধারন পর্যায় থেকে তুলে এনে বিশেষ ভাবে সমৃদ্ধ করেছেন অন্যদিকে আছে ব্যাক্তির জীবন, রাষ্ট্র,রাষ্ট্রের মানুষ ও সমাজ বাস্তবতার টুকরো উপলব্দি। জীবনের প্রয়োজনে আমরা এগিয়ে যাই সামনে কিন্তু হারানো অতীত স্মৃতিগুলো মনের কোণে ফিরে আসে বারবার, সেই অদম্য স্মৃতিরা এক সময় মিছিল করতে করতে পত্রপল্লবে বিস্তৃতি হয়ে জন্ম নেয় একেকটি কবিতা যার প্রতিফলন কবি তৌহিদা আজিমের অন্তর্লোক থেকে উৎসারিত ‘ চাঁদ ডুবেছে করতলে’। তাছাড়াও গ্রন্হের গোপনে যতনে আছে- চারপাশের বাস্তবতার এই প্রতিরূপায়নের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে প্রতিদিনের চেনা দৃশ্যকে চোখের সামনে তুলে ধরে কবি আমাদের তথাকথিত প্রগতিশীলতার মুখোশের অন্তরালে যে সমাজতান্ত্রিক ব্যাক্তিমানুষের বসবাস তাকে চপেটাঘাত করেছেন। প্রতিটি কবিতায় দেখতে পাই স্বচ্ছতা, স্পস্টতা রূপায়নের ফলেই আমরা পেয়ে যাই কবি তৌহিদা আজিমের ধ্যানের সমস্ত আয়োজন। যা পাঠকদের মুগ্ধচৈতন্যে গুঞ্জন তুলবে অহর্নিশ। কবি কবিতা রচনা করেন, কবির অনুভবে ঘন হয়ে ওঠে নিজস্ব বোধ- চেতনা, পরিপার্শ্ব। কবির চেতনার রঙের রংধনু হয় কবিতা- প্রতীক ,উপমা, উৎপ্রেক্ষা। কোন লেখক কত স্মৃতির দুয়ার খুলবেন, তা এক চির- অমিমাংসিত সত্য। এই অমিমাংসাই শিল্পের সম্ভাবনা। অতৃপ্তির বন্দরে তার তাবৎ নোঙর। একজন কবির বড় সম্বল তাঁরই স্মৃতি। সবার মধ্যে থেকেও নিজের পথ নিজেকেই রচনা করতে হয়। আবেগকে পরাতে হয় প্রঞ্জার লাগাম তাই বিন্দু বিন্দু স্মৃতির তরঙ্গে কবি তৌহিদা আজিম এক নিরন্তর ডুবুরি। আমাদের কবি তৌহিদা আজিম সমস্ত বিষয় পরিবেশনে কৌশল ও দক্ষতার সাক্ষ্য দিচ্ছে, কোনো কবিতাতে তীব্র একটা উল্টো বাঁকের সাথে দারুন সখ্যতা, বৃক্ষের তরুন শাখার বসন্তের পাতার মতো প্রিয় মানুষের জন্য নিবেদিত কবিতা, কোনো স্মৃতিতে যেন ছাইচাপা আগুন, ধিকি ধিকি জ্বলছে… দারুন। অপ্রাপ্তির যন্ত্রনার জন্য এখন আর হাহাকার নেই, আছে অন্তর্গত ব্যাকুলতা। এই ব্যাকুলতা নিজস্ব, একজন গর্ভধারিনীর আজন্ম আর্তনাদ। যা পাঠককে নিয়ে যাবে আবেগের মহা-তরঙ্গে। এভাবে প্রতিটি ধাপে ধাপে উঠে এসেছে স্মৃতির কোঁচড়। তাছাড়া কাব্যগ্রন্হটির নিপূণ বিন্যাস, ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত ও সাবলীল গতি এবং মানুষের মনোবিশ্লষণী অন্তর্দৃষ্টির দিকটি নিশ্চয় মুগ্ধতা ছড়াবে যে কোন পাঠককে। বিষয়ানুগ ভাষা-ব্যবহার, উপমা- রূপক- উৎপ্রেক্ষা ও সমাসোক্তি অলন্কারের শিল্পিত সৃজন এবং ভাবের অন্তরাশ্রয়ী গীতোময় গতিবেগে ‘ চাঁদ ডুবেছে করতলে’ কাব্য তৌহিদা আজিমের- কাব্যধারার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নির্মাণ।
No description available.
লেখক – নাসের ভুট্টো
কবি ও প্রাবন্ধিক, ককসবাজার।
1 2 3 27