মা-বাবাকে” বৃদ্ধাশ্রমে প্রেরণকারী সন্তানরা এক ধরনের বিষাক্ত ভাইরাস” মাহফুজ আহম্মেদ প্রবাসী

লেখক – মাহফুজ আহম্মেদ সৌদি প্রবাসী!

বাবা মা কে বৃদ্ধাশ্রমে প্রেরণকারী সন্তানরা এক ধরনের বিষাক্ত ভাইরাস!
উন্নত শিক্ষা নয় , প্রয়োজন প্রতিটি সন্তান কে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করা ।
আমরা উন্নত হচ্ছি,শিক্ষিত হচ্ছি,উন্নত জাতিতে পরিনত হয়েছি প্রযুক্তির এক সভ্য জাতি । মেশিনের কল কাঠিতে চলছে জিবন
মনুষ্যত্ব বিক্রি করে দিয়ে এ যেন রক্ত মাংস বিহীন এক
রবোট ,যে মায়ের মুখের থেকে কথা বলতে শিখি অ, আ ,ই,ঈ, বাবার হাতে আঙ্গুল ধরে হাটা শিখি এক পা দু পা করে ,যাদের যাদের রক্তরে কনিকা দিয়ে তৈরী আমাদের হাড় মাংশ তাদের প্রতি আমরা করি দুর্ব্যবহার আর যত অবহেলা । আমরা ভুলে যাচ্ছি অতীতকে, ভুলে যাচ্ছি শেকড়কে, যে মানুষগুলো ছিল আমাদের আশ্রয়স্থল, যাদের অস্তিত্ব ছাড়া আমাদের বেড়ে ওঠা ছিল অসম্ভব। আজ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল বৃদ্ধাশ্রম।
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে মা কি পরিমাণ যন্ত্রণা সহ্য করে সন্তানকে পৃথিবীতে আলো দেখিয়েছেন তা যদি সন্তান জানতো তাহলে বাবা মা এর শেষ আশ্রয়স্থল কখনোই বৃদ্ধাশ্রম হতো না। আমাদের দেশের শুশুর -শাশুড়ি কে কষ্টে রেখে ৯৭% বউ বাপের বাড়ি থাকে যত দিন একত্রে পিতা মাতা সংসারে থাকে,
এমন ও দেখা যায় সন্তান বা ছেলে বৌয়ের এক গ্লাস পানি পায় না শেষ বেলায় শশুর শাশুরী হায় রে নিয়তি । শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ লোকের কাছে আজ পিতা/মাতা বোঝা হয়ে দারিয়ে । একজন নারী যখন অন্যর ঘর করতে যায় তখন শুশুর /শাশুরীকে আপন করতে নিতে পারেন না এবং পিতা মাতা ও বৌ কে সহজে মেনে নিতে পারেন না আর ছেলে হয়ে যায় পাথরের মূর্তি ,না পারে বাবা/ মা কে কিছু বলতে না পারে বৌ কে কিছু বলতে আড়ালে গিয়ে চোখের পানি ফেলে, এ যেন এক ব্যর্থতার গ্লানী বয়ে নিয়ে বেড়ায় সারা জিবন । সন্তনের পিতা মাতা হারালে হয় এতিম আর পিতা/মাতা সন্তানের অবহেলায় হতে হয় গৃহ হারা
,দেশের অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রম গুলো এক করে দেয়া
উচিত এতে সন্তান পাবে বাবা মা এবং বাবা মা পাবে সন্তান কে ।পিতা মাতা দিবসে দেখা যায় জাতি কে গন মাধ্যমে লম্বা স্ট্যাটাস্ দিতে কিন্তু খোজ নেই নাই পিতা মাতা কি খেয়েছেন । ৩৬৫দিনের একদিন পালান করে
পিতা মাতা দিবস বাকি ৩৬৪ দিন হারিয়ে যায় বাবা মায়ের জিবন থেকে ।
খুব ইচ্ছা করে আমি একটা বৃদ্ধাশ্রম এর মালিক হবো, ফেলে রাখা জান্নাত গুলোকে আগলে রাখবো ,সেই তৌফিক মহান আল্লাহ পাক দিবে কি আমায়? পিতা মাতা হলো আল্লাহ পাকের দেয়া নেয়ামত তাই আমি বলবো ।
“থাকিতে পিতা-মাতা করিও যতন,
হারাইলে পিতা-মাতা বুঝিবে
সে দিন হারিয়েছো রতন ”

আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে

এস এম আবুল কালাম আজাদ “সম্পাদক নিউজ ২৪ লাইন ঃ
আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে,
আজ ভয়াল ২১ আগস্ট—বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ কলঙ্কময় দিন।দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নেতৃত্বশূন্য করার জঘন্য অপচেষ্টার দিন।

ভয়াবহ, নৃশংস, নিষ্ঠুর-নির্মম গ্রেনেড হামলায় স্প্লিন্টারের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন আমার শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় ভালো লাগার ভালো বাসার প্রিয় তুমি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আস্থাভাজন ঘনিষ্ঠ সহচর,মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,একাধিক বার বিভিন্ন জেলা থেকে বার বার নির্বাচিত সাংসদ,
সাবেক সফল পানি সম্পদ মন্ত্রী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য,বিশ্ব শান্তি পরিষদের সহ সভাপতি, বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি,আধুনিক শরীয়তপুরের রূপকার জাতীয় বীর প্রয়াত জননেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব।

আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে।

বিশ্বাস করো আর নাই বা করো তুমি তোমার, আজ আমি আমার টাই বলবো,তুমি সোনবে কি সোনবে না তোমার ব্যাপার, আমাদের ছোট্ট একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান
গুলশান ডিসিসি মার্কেট এ ৩৫ বছর হবে আমি প্রায় ২১/২২ বছর ধরে এখানে আছি, তখন এখানে বাংলাদেশের এ ক্লাসের মানুষ গুলো বাজার করতো, প্রতিদিন অনেক কাস্টমার আসতো , অনেকেই চিনতো না শরীয়তপুর জেলা তখন আমি বলতাম আব্দুর রাজ্জাক সাহেব কে চিনেন ও রাজ্জাক সাহেবের শরীয়তপুর, আমি একদিন তর্কে জড়িয়ে গেলাম শেখ পরিবারের একজন বৃদ্ধ মহিলার সাথে, সে আমাকে বলেই দিলো তুমি আমাকে চিনো, না আপনাকে চেনার কি আছে আমি শেখ পরিবার এর লোক,শেখ হাসিনা আমার এটা হয়, তখন আমি ও বলে দিলাম আমার নেতা- আব্দুর রাজ্জাক ও তাইতো তুমি রাজ্জাক ভাই এর লোক বলে এমন চটং চটং কথা বলো।
এর পর ঔ থেকে ভদ্রমহিলা, মার্কেটে আসলে আমার থেকে বাজার কেনাকাটা করতে।

আজ অনেক বেশি মনে পড়ে তোমায়, আব্দুর রাজ্জাক।,

এমন হাজার ঘটনার মাঝে ছোট একটি ঘটনা,
প্রায় ১২ বছর তো হইবে, নোয়াখালী জেলা তে একটি চাইনিজ হোটেলএর জন্য আমার দোকান থেকে কিছু মালামাল কেনাকাটা করছিলো,।
তাদের সাথে কথা ছিল আমি মালামাল পৌঁছে দিব, যেমন কথা তেমন কাজ একটা পিকআপভ্যানের ভিতরে মালা মাল গুলো লোড করতে রাত দেড়টা বেজে গেছে, নোয়াখালীতে যাওয়ার পরে মালা মাল নামাতে সকল ৮ টা লেগে যায়।
আমরা ২ঘন্টা রেস্ট নিয়ে রোয়েনা দিলাম গাড়ি চলছে তো চলছেই আমারা ফেনীর কাছাকাছি আসার পর আমাদের গাড়ি টি অন্য একটি গাড়ির পেছনের দিকে লাগিয়ে দিয়েছে সত্যি বলতে কি দোষ টা ছিলো আমাদের ড্রাইভার এর, আমাদের গাড়ি টি আটকে দিলো জনতা পুলিশ মিলে, প্রায় ১৫/২০ মিঃ পড়ে ঐ রাস্তা দিয়ে আওয়ামিলীগের প্রবীন নেতা, জয়নাল হাজারী সাহেব যাচ্ছিলেন, লোক জনের ভির দেখে গাড়ি থেকে নেমে বল্লেন কি হয়েছে এখানে, যা-ই হোক অনেক কথায় পড়ে, জিজ্ঞেস করলেন ঐ ছেলে তোমাদের বাড়ি কোথায়, আমি বললাম আমাদের বাড়ি শরীয়তপুর আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের এলাকা, ও তোমার বাড়ি রাজ্জাক ভাইয়ের এলাকায়, আমি বললাম হা স্যার, এবার আমাদের কে চা বিস্কুট এনে দিলে এক লোক আমরা দুই জন খেলাম, হাজারী সাহেব বললেন বাবা তোমরা চলে যাও চলে যাও , আমাদের কোন টাকা পয়সা দিতে হয়নি,শুধু একটি নাম আমাদের কে সম্মানের সাথে বিদায় দিলো।
আর কেউ নায় শরীয়তপুরের অহংকার আমাদের ভালো বাসার ভালো লাগার মানুষ জাতীয় বীর আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব।
বিদ্রঃ ভুল ত্রুটি খমা চোখে দেকবেন।

পুরুষ

“”””””পুরুষ “”””””
ইমদাদুল হক মিলন

পুরুষ মানুষ বড় স্বার্থপর
হে,
পুরুষ স্বার্থপর !
কারণ সে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে অন্য কে সুখি করে।
পুরুষ মানুষ নিলজ্জ, বেহায়া!
যে মানুষ নিজের কথা চিন্তা না করে
অন্যের মুখে খাবার তুলে দেয় ,
যে মানুষ নিজের বিপদের কথা চিন্তা না করে
অন্যের বিপদে এগিয়ে আসে ।
যে পুরুষ না থাকলে
আজ তুমি আমি এই পৃথিবীর মুখ দেখতে পারতাম না
সে পুরুষ স্বার্থপর
তাই তোমাকে আমাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে।
আমরা মানুষ হিসেবে নিজেকে দাবি করি
আমরা অনেক জ্ঞানী !
কিন্তু সম্মান করতে জানি না
যে পুরুষ বট বৃক্ষের মতো ছায়া হয়ে থাকে ।
সে হয় কারো বাবা, ভাই, চাচা, মামা
একটু সুখের আশায়
পরিবারে সবাই কে ছেড়ে
পরে থাকে দূরে কোথাও ।
সে পুরুষ নিলজ্জ
সে পুরুষ বেহায়া স্বার্থপর !
এসব কথা শোনার পরেও ছায়া দেয়
পাশে থাকে, আলো দেয়
সে মানুষ টি পুরুষ
পুরুষ মানুষ এমনি হয়।

আত্মার কান্না

«”””””আত্মার কান্না “””””«
ইমদাদুল হক মিলন (নেত্রকোনা)

কিসের এত মায়া, কিসের এত মহবত
আজ তোমাকে সবাই চিনে
আজ তোমার এতো সম্মান
কি হবে এসব দিয়ে?
যদি দেহে প্রাণ না থাকে ।
আমি এক দিন হঠাৎ
দেখলাম আমার পাশে কেউ একজন শুয়ে আছে
দেখতে আমার মতো
আমি না তো
আমি তো এইখানে !
আমি তো এইখানে
তাহলে ও ওকে।
আমি তার কাছে গেলাম
তাকে ডাকলাম কে ভাই আপনি ?
এখানে কেন এসেছে ?
তাও আমার বিছানায় !
সে নড়ে না কোন উত্তর দেয় না
একি তার শরীর তো ঠান্ডা।
আমি আমার ছোট বোন কে ডাকলাম
কিন্তু কেউ আসেনি
আমি ঘরের এক কোনে বসে কান্না করছি ।
কিছুক্ষণ পর মা এলো
খোকা উঠ নাস্তা করবি না
কিন্তু আমি তো ঘরের এক কোনে বসে আছি
মা কে বলছি মা আমি এইখানে
মা আমার কথা শুনলো না
মা ঐ লাশটাকে ডেকেই চলেছে
আমি চিৎকার করে বলছি মা আমি এইখানে কিন্তু মা আমার কথা শুনেনি
আমি মায়ের কাছে গেলাম
মাকে স্পর্শ করতে চাইলাম
কিন্তু স্পর্শ করতে পারছিনা ,
মা আমাকে ডেকেই চলেছে
মা ঐই লাশ টার গায়ে হাত দিল
দেখে শরীর ঠান্ডা এমনি মা চিৎকার দিয়ে উঠলো ¡
তোরা কইরে আমার হুত তো আর নাইরে!
এক সাথে বাড়ির সব মানুষ জড়ো হয়ে গেলো
বাবা -মা,ভাই-বোন, কাকা-কাকি, কাজিন সবাই কান্না করছে
আমি চিৎকার করে বলছি আমি এইখানে আমি এইখানে
তোমরা কেন কাঁদচো
আমি তো মরিনি
এই যে আমি
আমার ডাকে কেউ সারা দেয়না
দুই জন লোক এসে লাশটা বাহিরে নিয়ে এলো
কেউ আমাকে দেখছে না
সবাই লাশ নিয়ে ব্যস্ত
আমি কান্নায় কাতর
আস্তে আস্তে বাড়ি ভরে গেলো
আত্মীয় স্বজন সব চলে এলো
সবাই মিলে বাবা-মা,ভাই-বোন দের শান্তনা দিচ্ছে
এক দল লোক বাঁশ কাটতে গেলো
কেউ কবর খুঁড়তে গেলো
কেউ বড়ই পাতা গরম পানি করছে
এক জন এসে লাশ এর মাফ নিয়ে গেলো
এসব হচ্ছে কি আমি কিছু বুঝতে পারছি না
কেউ আমার ডাক শুনছে না কেন?
আমি যাকেই ছোতে চাই ছোতে পারি না কেন?
কি হয়েছে এখানে?
কেউ আবার আমার নাম নিচ্ছে
আমি নাকি মারা গেছি
কিন্তু আমি এইখানে আমি তো মরিনি !
কি বলছে এসব¡
এইযে আমি ,আমি তো মরিনি
সবাই ব্যস্ত আমার ডাক কেউ শুনে না
চার জন লোক মসজিদ থেকে খাটিয়া নিয়ে এলো
এটা কেন আনলো
মসজিদে ইমাম এলো
এক দল মেয়ে ঐ লাশ এর পাশে কোরআন তেলাওয়াত করছে
মসজিদে মাইকিং করা হলো আমার নামে
কি যে হচ্ছে আমি কিছু বুঝতে পারছি না ।
আমি একা একা কান্না করছি কেউ আসে না আমার কাছে
সবাই লাশ নিয়ে ব্যস্ত
কি অপরাধ করেছি আমি
একটা সময় নির্ধারন করা হলো
আজান ছাড়া নামাজ হবে
এক পর্যায়ে লাশ টাকে কবরে রাখার জন্য নিয়ে যাচ্ছে
কবর দেওয়া শেষ ।
এক সময় আমার বোন এলো
এই ভাইয়া উঠবি না
সেহেরির সময় হয়েছে
আমি থতমতো হয়ে ঘুম থেকে উঠলাম ।
সোমা বললো কখন থেকে তোমাকে ডাকছি
কি হয়েছে তোমার?
তুমি কাঁদছ কেন?
কি দেখেছ তুমি?
স্বপ্ন দেখেছিরে বোন খুব খারাপ স্বপ্ন ।

বুকের দুধ বিক্রি করেই লাখপতি নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ
দুই সন্তানের মা তিনি। বয়স ২৪ বছর৷ ব্যবসার কারণেই লাখপতি হয়েছেন তিনি। তবে সাধারন ব্যবসা নয় নিজের বুকের দুধ বিক্রি করেন এই নারী৷ সাইপ্রাসের এই নারীর নাম রাফেলিয়া ল্যামপ্রোউ ৷

যখন তার ছেলে আঞ্জেলিও জন্ম হয়, তখন তিনি দেখেন ছেলেকে দুধ খাওয়ানোর পরেও অনেকটা দুধ বেঁচে যাচ্ছে৷ তখনই নিজের বুকের দুধ দান করার কথা ভাবেন রাফেলিয়া৷
প্রথমে কিছু বাচ্চাদের, যারা মাতৃদুগ্ধ পায়না তাদের মধ্যে নিজের বুকের দুধ বিক্রি করেন৷ তারপর এই কাজটি ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়৷ রাফেলিয়া জানায়,

প্রতিদিন ২ লিটারেরও বেশি দুধ তৈরি হত তার৷ এত দুধ নিয়ে কী করবেন তিনি ভেবে পাচ্ছিলেননা৷ শেষ পর্যন্ত এক দম্পতিকে তিনি সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন৷ সদ্যোজাতের জন্য ওই মায়ের কাছে মাতৃদুগ্ঘের যোগান ছিল খুবই কম৷

এই সময়ই বেশকিছু বডি বিল্ডার তার কাছে বুকের দুধ কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন৷ শরীরের গ্রোথের জন্য যেহেতু এই দুধ খুবই উপকারি, সে কারণেই বডি বিল্ডারদের কাছে দিনে দিনে মাতৃদুগ্ধের চাহিদা বাড়তে থাকে৷

এরপর থেকেই রাফেলিয়া বাণিজ্যিকভাবে বুকের দুধ বেঁচতে শুরু করেন৷ ধীরে ধীরে এটাই তার পেশায় পরিণত হয়েছে। প্রতি আউন্স দুধের জন্য ১ ইউরো নিতে শুরু করেন তিনি৷

রাফেলিয়ার স্বামী অ্যালেক্সও তার এই কাজে কখনো বাঁধা দেননি বরং বরাবর তিনি সাপোর্ট করেছেন৷ এখন নিজের একটি ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট চালান রাফালিয়া৷ সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে যে, তিনি মদ খাননা, ধূমপানও করেননা৷ এখন অনলাইনেই নতুন মা বা বডি বিল্ডাররা মাতৃদুগ্ধের জন্য তার কাছে আবেদন করেন৷

অ’নলাইনে বুকিং করলেই বাড়িতে আসবে না’রী!

প’তিতাপল্লী নয়, এবার অ-নলাইনে বুকিং কর-লেই বাড়িতে -আসবে না-রী!ব্যাংক থেকে পো-স্ট অফি-স, অন-লাইন ছা-ড়া- দুনিয়া অচল। বাজারও হয়ে যায় বাড়িতে বসে।

তাহলে শা’রীরিক সু’খ কেন পাওয়া যাব’’’ে না ঘরে বসে।সে দিন -য-খন প’তিতাপল্লীতে মুখ লুকিয়ে গি-য়ে শা’রীরিক তৃ’’’প্তি মিটি-য়ে নেওয়া। অত সময় -নেই।

একাকি জীবন, বাইরে যেতেও ভালো লাগে না। স’’’ঙ্গী বেছে নিন ফে’সবুকের বিশেষ বন্ধু পাতানোর পেজ থেকে। টাকা দিন অনলাইনে।কাজ শুরু।

সহজ ব্যপার। ইন্টারনেটে এসকর্ট সার্ভিস কিংবা ভিডিও চ্যাটের অতিসহজ প’’’দ্ধতিই এশিয়ার সবথেকে বড় যৌ’’নপল্লীর ব্যবসায় বা’ধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। -দিনে দিনে আয় ক-মে যাচ্ছে।আগের থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ শ-তাংশ আয় কমে গি-য়েছে ক- লকা-তার সোনাগাছির যৌ’’ন-র্মী-দের।

এ-ম-নটাই জা-নিয়েছে সো-নাগাছির মহি-লারা।সোনাগাছি কলকাতায় অবস্থিত এশিয়ার বৃ’’’হত্তম নি’ষি’’’’দ্ধ পল্লি। এই পতি’তালয়ের কয়েকশত বহুতল ভবনে প্রায় ১০০,০০০ যৌ’’নকর্মী বসবাস করেন।

ভূ’ত আত’’ঙ্কে নার্সিং কলেজের ৪ ছাত্রী হাসপাতালে! বরিশাল নগরের রূপাতলীর বেস’রকারি জমজম নার্সিং কলেজের চার ছাত্রী ভূ’ত আ’ত’’ঙ্কে অ’চেতন ও অ’সুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীরা হলেন- জামিলা আক্তার (১৮), তামান্না (১৮), সেতু (২১) ও বৈশাখী (১৮)।

অ’সুস্থদের সহপাঠীরা জানান, কলেজের একাডেমিক ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠতলায় একটি মা’দ্রাসা ছিল। মা’দ্রাসাটি সরিয়ে সেখানে ম্যাটস ও নার্সিং অনুষদের ছাত্রীদের জন্য আবাসনের (হোস্টেল) ব্যবস্থা করা হয়। পরীক্ষা ও প্রাকটিক্যালের জন্য সেখানে বর্তমানে শুধু নার্সিং অনুষদের ৩৫ জন ও ম্যাটস-এর আরো ১৫-২০ জন আছেন।

ক’রো’নার শুরু থেকে বন্ধ থাকলেও গত জানুয়ারি মাসের শুরুতে ছাত্রীরা হোস্টেলে আসেন। আবাসিকের স্টাফ খালেদা জানান, গতকাল মিথিলা নামে একটি মে’য়ে জ্বিন বা ভূ’তের ভ’য়ে আ’তঙ্কিত হয়ে পরেন। যদিও হুজুর এনে তাকে তেল ও পানি পড়া দেওয়া হয়।

এরপর সন্ধ্যার পর জামিলা নামে এক ছাত্রী আ’ত’’ঙ্কে চি’ৎকার দেন এবং অ’সুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় আ’ত’’ঙ্কে বাকি তিন ছাত্রীও অ’সুস্থ পড়েন। অ’সুস্থ সহপাঠীদের স’’’ঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীদের দাবি, আবাসিকের ছাদের উপর রাতে হাঁটাহাঁটির শব্দ ও তাদের দুই সহপাঠীর হাতে হঠাৎ আঁচড়ের দাগ থেকেই এ আ’ত’’ঙ্কের সৃষ্টি।

বি’ষয়টি গত কয়েকদিন ধরেই ছাত্রীরা কর্তৃপক্ষের নজরে আনার চেষ্টা করছিল। শিক্ষার্থী মো. মেহেদি জানান, আ’ত’’ঙ্কে ছাত্রীদের অ’সুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে অদূরে থাকা ছাত্রাবাস থেকে তারা বেশ কয়েকজন সহপাঠী এগিয়ে আসেন।

পরে কর্তৃপক্ষকে বি’ষয়টি জানানো হলে তারা ঘ’টনাস্থলে এলেও বি’ষয়টি গো’পন রাখতে বলেছিল। আমর’’াই তাদের হাসপাতালে আনি। তবে কলেজ থেকে তখন কেউ আমা’দের স’’’ঙ্গে কেউ আসেননি। আর যে স্যার এখানে এসেছেন তিনি ঘ’টনাস্থলে যাননি। হাসপাতালে উপস্থিত কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর জালিস মাহা’মুদ বলেন, কোনো কারণে শিক্ষার্থীরা আ’তঙ্কিত হয়ে অ’সুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা যা বলছে তেমন কোনো বি’ষয় নেই।

তাদের সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এদিকে এ বি’ষয়ে ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা কোনো বক্তব্য দিতে চাননি। এ ব্যাপারে জমজম নার্সিংয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুন্সি এনাম জানান, আবাসিক ছাত্রীদের ভীতি দূর করতে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা

হয়েছিল। ছাত্রীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হুজুর এনে মিলাদ-দোয়ারও আয়োজন করা হয়। এরপরও তাদের ভ’য় কাটেনি। ঘ’টনাস্থল পরিদর্শনকারী কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক রিয়াজুল ইসলাম জানান, কেন এমন ঘ’টনা ঘটলো তা ত’দন্ত চলছে।

এদিকে এই ঘ’টনার ৬০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫ জন হোস্টেল ছেড়ে বাড়ি চলে গেছে।

সুএঃ মিডিয়া নিউজ

৪৬ বছর আগে লাশ দাফন, এখনো অক্ষত! ছবি ভাইরাল

: পটুয়াখালীর দশমিনায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে কবরের মাটি সরে গিয়ে ৪৬ বছর আগে দাফনকৃত একটি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। লাশ দেখতে ভির জমিয়েছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে লাশের ছবিটি।

লাশ উদ্ধারের পর আবার দাফনের আগে দোয়ায় অংশ নিতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে ছুটে আসেন শত শত মানুষ। লাশ উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার চরঘূণি এলাকার হাতেম আলী ফকিরের বাড়িতে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গল ও বুধবারের ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। সেই সাথে নদী ভাঙ্গনে উপজেলার চরঘূণি এলাকায় বড়াগৌরঙ্গ নদীর তীরের হাতেম আলী ফকির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানও নদীর ভাঙ্গনে পড়ে।

নদীর ভাঙ্গনে ওই এলাকার ফকির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান ভেঙ্গে লাশের একাংশ বেড়িয়ে আসে। এ নিয়ে শুক্রবার বিকেলে থেকে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। লাশের খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাসহ পাশের উপজেলাগুলো থেকে মানুষ একনজর দেখার জন্য শুক্রবার থেকেই ভির করেন ওই ওই এলাকায়।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় লাশের ছবিটি। বিভিন্ন মানুষ ফেসবুকে ছবিটি আপলোড দিয়ে লাশকে মোমিন বান্দা দাবি করে বিভিন্ন লেখা পোস্ট করেন।

1 2 3 5