বিশ্ব ভ্রমণে যার পাসপোর্ট লাগেনা, জেনে নিন।

রাণী এলিজাবেথ।


পাসপোর্ট লাগেনা – ব্রিটিশ রাণী এলিজাবেথ পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাননা কেন তার সঙ্গে থাকে বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী। থাকে মণি মুক্তার মতো বহুমূল্যের রত্ন।

এমনকি তার সঙ্গে তার পোষা কুকুর করজিসের জন্যও থাকে বিশেষ খাদ্য। তবে, যে জিনিসটি কখনোই থাকেনা তা হলো পাসপোর্ট। কারণ পৃথিবীর কোথাও কোন সীমান্ত অতিক্রমণে তার পাসপোর্ট লাগেনা।

রাণী এলিজাবেথ ছাড়া যে কোন মানুষকেই পৃথিবীর কোন না কোন স্থানে পাসপোর্ট ব্যবহার করতেই হবে। এমনকি সে যদি রাণী ছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের অন্য যে কোন সদস্যও হয়। কিন্তু কি এর কারণ?

জানা গেছে, যতো ব্রিটিশ পাসপোর্ট ইস্যু করা তার সবই রাণীর পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের ওয়েবসাইটে লেখা আছে,

‘রাণী যখন বিদেশে ভ্রমণ করেন তখন তাঁর কোন পাসপোর্টের প্রয়োজন নেই। মেরুণ রঙের ব্রিটিশ পাসপোর্টে দুটি রাজকীয় অস্ত্রের প্রতিকৃতি খোদাই করা আছে।

আর লেখা আছে যে, ব্রিটেনের মহিমান্বিত রাণীর পক্ষ থেকে পাসপোর্টধারী ব্যক্তিকে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’

সুতরাং যেখানে স্বয়ং রাণীই ব্রিটিশ পাসপোর্ট ইস্যু করেন এবং পাসপোর্টধারী ব্যক্তির দায় গ্রহণ করেন সেখানে তার নিজের দায় নিয়ে কারো কোন প্রশ্নই থাকতে পারেনা।

তবে, রাণী ছাড়া ব্রিটিশ রাজ পরিবারের অন্য যে কোন সদস্যকেই বিদেশ ভ্রমণে পাসপোর্ট বহন করতে হবে। এমনকি এটি রাণীর স্বামী ডিউক অব এডিনবার্গের জন্যও প্রযোজ্য।

এছাড়াও একই কারণে পৃথিবীর কোথাও রাণী এলিজাবেথের কোন ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও প্রয়োজন নেই। সূত্র: দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট

আসছে আবু রায়হান অর্নব প্রথম মিউজিক ভিডিও `রনক’

শাহাদাত হোসেন হিরু

শীগ্রই আসছে আবু রায়হান অর্নব “রনক” শিরোনামের মিউজিক ভিডিওটি। নতুন এই মিউজিক ভিডিওটি দর্শকের মন জয় করবে বলে আশাবাদী এই তরুণ প্রতিভাবান শিল্পী।
ইতোমধেই গানের অডিও এবং ভিডিওর শুটিং শেষ করা হয়েছে। চমৎকার এই গানটি লিখেছেন এবং সুর করেছেন আবু রায়হান অর্নব নিজেই। গানটির মিউজিক করেছেন এম.এ রহমান। দারুন একটি গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে গানটির ভিডিওটি ।যেখানে মডেলিং করেছেন অর্নব নিজেই তার সাথে রয়েছেন ইসরাত জাহান। গানটি দেখা যাবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ব্যাগ এন্টারটেইনমেন্ট এর ইউটিউব চ্যানেলে।

গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন সৌমিত্র ঘোষ ইমন আর ক্যামেরার পেছনে ছিলেন সরকার কাওসার আহমেদ। এ প্রসঙ্গে সৌমিত্র ঘোষ ইমন বলেন ,” গানটি খুবই রোমান্টিক গান স্কুল ও কলেজ জীবনের প্রেম কাহিনী নিয়ে লেখা। আশা করছি দর্শকের গানটি খুবই ভাল লাগবে।আমরা গানটি শুটিং করেছি রাঙামাটির বিভিন্ন স্পটে ।

অন্যদিকে ভিডিও নির্মাণের বেলায় পরিচালক সৌমিত্র ঘোষ ইমন এবং তার ছোট ভাই নিলয় ভিডিওটি একটি রোমান্টিক ভাবে সাজিয়েছেন। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষের দিকে আসছে “রনক” মিউজিক ভিডিওটি।

সফল হতে চান? আগে পরনির্ভরশীলতা ত্যাগ করুন।

মানুষ অভ্যাসের দাস’- কথাটি বহুল প্রচলিত। ভালো অভ্যাস মানুষকে সফল করে তোলে। মন্দ অভ্যাস জীবনে নিয়ে আসে হতাশা। জীবনের কিছু অভ্যাস মানুষকে সফলতা এনে দেয়। তেমন পাঁচটি অভ্যাস নিয়েই এবারের আয়োজন।

 

সুযোগের অপেক্ষা: ধরুন বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে- বের হতে পারছেন না। কিংবা ট্রেন দেরি করছে- আপনি অস্বস্তি বোধ করছেন। এটা আপনার জন্য বড় একটা সুযোগ, একটা ভালো মানের বই পড়ার। দু’শ্রেণির মানুষ আছেন; সক্রিয় আর নিস্ক্রীয়।

 

অবস্থা পুরোপুরি উপযোগী হলে তবেই নিস্ক্রীয় ব্যক্তি কাজে হাত দেন। সক্রিয় ব্যক্তি প্রতিকূল পরিবেশে কাজ শুরু করে কাজের মাধ্যমে পরিস্থিতি অনুকূলে আনেন। প্রতিকূল পরিবেশে কাজ শুরু করেন বিধায় দশ ভাগ পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে পারাটাই তার সফলতা।

 

আচার-ব্যবহার: শূন্য পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করেছিলেন আমেরিকার সোলপক। এখন শিকাগোয় কোটি কোটি ডলারের সরঞ্জাম বিক্রির ব্যবসা করেন। তিনি বলতেন, ‘খদ্দেরের সঙ্গে আমার ব্যবহারই আমার ক্যাপিটাল। আমি তাদের প্রত্যেকের সাথে অতিথির মতো ব্যবহার করি।’

 

রাজার মতো আচরণ: গরিব হওয়াতে আপনার কোনো হাত নেই। কিন্তু গরিব হয়ে থাকাটা আপনার অপরাধ। গরিব হলেও মনটা সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলুন। সেটা সম্পূর্ণই আপনার হাতে। মনের দিক থেকে ধনি হতে পারেন যে কেউ। সে জন্য দরিদ্রকে মনের ভেতর থেকে তাড়াতে হবে সবার আগে। রাজার মতো আচরণ করুন। তবে রাজার মতো বিলাসিতা করতে যাবেন না।

 

পরাজিত ভাববেন না: জেতার মতো হারার জন্যও প্রস্তুত থাকুন। হেরে যাওয়া মানে আবার কোনো বড় যুদ্ধের হাতছানি। পরাজিত মানসিকতা, বিপর্যস্ত মানসিকতার চেয়েও ক্ষতিকর। সাফল্য ও ব্যর্থতা পাশাপাশি চলে। মিল্টন অন্ধ হওয়ার পর মহাকাব্য ‘প্যারাডাইস লস্ট’ লেখেন। পরিকল্পনা বহির্ভূত জীবন যাপন করবেন না। আগামী বছর কী করবেন এ বছর পরিকল্পনা করুন। আগামী মাসের পরিকল্পনা এ মাসে করুন। আজ রাতে ঘুমানোর আগেই সেরে ফেলুন আগামীকালের পরিকল্পনা।

 

পরনির্ভরশীলতা নয়: যুদ্ধে সৈনিকদের মনোবল বাড়ানোর উপায় হলো- তাদের জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া। তখন তাদের যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা থাকে না। ঠিক তেমনি যতক্ষণ সন্তানরা জানবে তাদের পেছনে বিত্তশালী বাবা আছেন; ততদিন তারা স্বাবলম্বী হবে না। তাই পরনির্ভরশীলতা নয়, আত্মনির্ভশীল হতে চেষ্টা করুন।

পেয়াজের আড়তে অভিযান, সোয়া লাখ টাকা জরিমানা..

নিউজ২৪লাইন ডেস্ক:

 

দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০-৩০ টাকা। পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর পাইকারি বাজার ও আড়তে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

রোববার রাজধানীর শ্যামবাজার ও ধানমন্ডি এলাকার বাজার তদারকি করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মাসুম আরেফিন ও মো. মাগফুর রহমান। সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

শীঘ্রই প্রকাশিত হচ্ছে প্রথাবিরোধী লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক নাসের ভুট্টো’র কাব্যগ্রন্থ “বিনয়াবনত”।

নিউজ24লাইন ডেস্ক:

 

কবি ও প্রাবন্ধিক নাসের ভুট্টো। তিনি মুলত কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক। ককসবাজার জেলার প্রথম সারির একজন কবি। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি কবিতা বাংলার সদস্য, ঢাকা। লোক বাংলার যুগ্ন সম্পাদক, ককসবাজার। তার চারটি কাব্যগ্রন্হ ও একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।

♦কাব্যগ্রন্হঃ ১. অনিবার্য ধুলো রোজই ওড়ে।(বইমেলা ২০১৬ ইংরেজী) ২. দীঘি ভরা প্রাচীন মেঘ. (বইমেলা ২০১৭ইংরেজী) ৩. অন্তঃস্হ স্মৃতির কোঁচড় (বইমেলা ২০১৮ইংরেজী) ৪. ঈশ্বর এবং অন্ধকার সমুদ্র (বইমেলা ২০১৮ ইংরেজী)

♦উপন্যাসঃ ১. মফস্বলের একজন বামপন্হী, (বইমেলা ২০১৯)

★লেখকের প্রকাশিতব্য গ্রন্থঃ-  ১. ক্ষুধার্ত মানুষের উপখ্যান ( প্রবন্ধ)। ২. সুন্দরের অনন্ত বৈভব ( কাব্য গ্রন্থ)।

সম্প্রতি ” বিনয়াবনত ” নামকরনে আরো একটি কাব্যগ্রন্হ বের হচ্ছে।

কবিকে news24line  এর পক্ষথেকে  অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

প্রথাবিরোধী লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক নাসের ভুট্টো

কবি ও প্রাবন্ধিক নাসের ভূট্টো তিনি মুলত কবি। তিনি ১৯৭৬ সালে ২৬ মার্চ কক্সবাজার জেলার রশিদনগর ইউনিয়নের মাছুয়াখালীর সিকদার পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা প্রয়াত মোখতার আহমদ ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সমাজ কর্মী। মা প্রয়াত রেগন আরা বেগম ছিলেন গৃহিণী।

তিনি পত্রিকার সম্পাদনা, মিড়িয়ার তথাকথিত সাংবাদিক, ব্যাক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানেে দাসশ্রমিক, মানুুুষকে পুুুজা না করে ফিরে আসা, জোট সরকারের শাসনামলে রাজনীতির নোংরা ব্যাকরণের শিকারে কারাবরণ এবং সে সম্পর্কে পোক্ত ধারণা।

সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি তিনি “কবিতা বাংলার সদস্য-ঢাকা”। “লোক বাংলার সম্পাদক- ককসবাজার”।

তাঁর চারটি কাব্যগ্রন্হ ও একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।

♦কাব্যগ্রন্হঃ ১. অনিবার্য ধুলো রোজই ওড়ে।বইমেলা ২০১৬ ইংরেজী

 

♦কাব্যগ্রন্থ ২. দীঘি ভরা প্রাচীন মেঘ. বইমেলা ২০১৭ইংরেজী

 

♦কাব্যগ্রন্থ ৩. অন্তঃস্হ স্মৃতির কোঁচড়। বইমেলা ২০১৮ইংরেজী

 

♦কাব্যগ্রন্থ ৪. ঈশ্বর এবং অন্ধকার সমুদ্র। বইমেলা ২০১৮ ইংরেজী

 

★ উপন্যাস ১. মফস্বলের একজন বামপন্হী, বইমেলা ২০১৯।

 

♦সম্প্রতি তার কাব্যগ্রন্হ ” বিনয়াবনত “প্রকাশিত হবার পথে।

 

এই প্রথাবিরোধী লেখক ও কবি কে news24line.com এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন।।

উপমহাদেশের বিখ্যাত দানবীর হাজী মুহাম্মদ মুহসিনের জন্মদিন আজ..

 

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : হাজী মুহাম্মদ মহসিন, যিনি দানশীলতার জন্য দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। দানশীলতার কারণে হাজী মহসিন কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছেন।

 

উপমহাদেশের ইতিহাসের এ বিখ্যাত দানবীর মুহাম্মদ মহসিন ১৭৩২ সালের ৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন।

 

দানের ক্ষেত্রে তুলনা অর্থে মানুষ সর্বদা তাঁর দৃষ্টান্ত ব্যবহার করে থাকে। এই সর্বশ্রেষ্ঠ দানবীর পুরো বাঙালি জাতি হিন্দু, মুসলিম সকলের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র।

 

অঢেল সম্পত্তির মালিক ছিলেন হাজী মহসিন। এসব সম্পদ তিনি দুহাতে অকাতরে বিলিয়ে গেছেন। মহসিনের পূর্ব পুরুষরা অত্যন্ত ধনী ছিলেন। ইরান থেকে বাংলায় আসা তার বাবা হাজী ফয়জুল্লাহ ছিলেন একজন ধনী জায়গিরদার।

 

মাতা জয়নব খানমেরও হুগলি, যশোর, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়ায় বিস্তর জমি ছিল। তাঁর বোন মন্নুজানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী হিসেবে মহসিন বোনের সম্পত্তির মালিক হন।

 

এতো সম্পদের মালিক হয়েও মহসিন ছিলেন খুব ধার্মিক ও নিরহঙ্কারী। তিনি সর্বদা সহজ সরল জীবনযাপন করতেন। তিনি ছিলেন চিরকুমার। তিনি তার প্রতিষ্ঠিত ইমাম বাড়া প্রাসাদে বাস করতেন না। ইমাম বাড়ির পাশে একটি ছোট কুটিরে বাস করতেন।

 

আর কুরআন শরীফ নকল করে যা পেতেন তা দিয়েই চলতেন। নিজ হাতে রান্না করে অধিনস্তদের নিয়ে বসে খেতেন।

 

প্রাথমিক পর্যায়ে হাজী মহসিন গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্জন করেছেন। পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার জন্য রাজধানী মুর্শিদাবাদ যান। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি দেশ ভ্রমণে বের হন। তিনি মক্কা, মদিনা, কুফা, কারবালাসহ ইরান, ইরাক, আরব, তুরস্ক এমন নানা স্থান সফর করে দীর্ঘ ২৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

 

শিক্ষানুরাগী এ দানবীর তাঁর অর্থ দিয়ে বহু বিদ্যাপিঠ স্থাপন করে গেছেন। হুগলিতে ‘হুগলি মহসিন কলেজ’ ও ‘চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ’ প্রতিষ্ঠার সময় মহসিনের ওয়াকফকৃত অর্থ ব্যবহৃত হয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠে ‘দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’।

 

১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন এবং সরকারি তহবিলে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। ১৮০৬ সালে তিনি ‘মহসিন ফান্ড নামক তহবিল প্রতিষ্ঠা করেন।

 

এ তহবিল ধর্মীয় কর্মকাণ্ড, পেনশন, বৃত্তি ও দাতব্য কর্মকাণ্ডের জন্য বরাদ্দ করা হয়।

 

১৮১২ সালে এ ধার্মিক দানবীর হুগলিতে ইন্তেকাল করেন। তাঁকে হুগলির ইমামবাড়ায় দাফন করা হয়।

 

উল্লেখ্য,ইতিহাসে দাতা হাজী মুহাম্মদ মহসিনের নাম চিরস্মরণীয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের নাম তাঁর স্মরণে রাখা হয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাটির নাম বিএনএস হাজী মহসিন।

এছাড়াও মহসিন ফান্ডের অর্থে অসংখ্য দরিদ্র ছাত্রদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয় ভারত ও বাংলাদেশে। কিন্তু আশ্চর্য, এমন একজন মহান ব্যাক্তির জন্মদিন নীরবে চলে যাচ্ছে! অথচ এখনও হাজার হাজার ছাত্র তাঁর রেখে যাওয়া টাকার স্কলারশিপ নিচ্ছে। ইতিহাসের এই মহান ব্যাক্তিকে কেন ভুলে গেল বাঙালি?

1 2 3 4