একটি রিক্সা চালক কান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া -অসহায় পরিবারের আর্তনাদ

নিউজ২৪লাইন:
৩ সন্তান নিয়ে এখন যাবে কোথায় নোয়াখালীর কোহিনুর বেগম? খেয়ে না খেয়ে আর্থিকভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি। অবশেষে ভিটে বাড়ি ছাড়া হচ্ছে কোহিনুর। তার পাশাপাশি টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তার সন্তান হিফজু বিভাগের ছাত্র সাইফুল ইসলামের পড়া লেখা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাপরাশি বাড়ীর শহীদ উল্লার পুত্র রিকশা চালক মনির হোসেনের সাথে পাশ্ববর্তী সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা গ্রামের রিকশা চালক আবুল খায়েরের মেয়ে কোহিনুর বেগমের বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। বিয়ের সময় রিকশা ক্রয় করার জন্য বাবা আবুল খায়ের জামাইকে ত্রিশ হাজার টাকা দেয়। এ টাকা দিয়ে রিকশা ক্রয় করে। দিন ভর রিকশা চালিয়ে মনির কোন প্রকার সংসার পরিচালনা করে আসছিল। এরই মাঝে তাদের ৩ সন্তান জম্ম নেয়।বর্তমানে প্রথম সন্তান সাইফুল ইসলাম (৯) তাদের দ্বিতীয় সন্তার মরিয়ম বেগম (৬) তৃতীয় সন্তান কাউসার হোসেন(৪)। মরিয়ম বজরা নুরানী মাদ্রাসায় পড়ে। কহিনুর মনির দম্পতির প্রথম সন্তান সাইফুল ইসলাম (৯) সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইসলামীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। পবিত্র কুরআন মজিদের ২২ পারার হাফিজি অধ্যয়ন রত অবস্থায় আছে।এরই মাঝে ২০২০ সালের আগষ্ট মাসে মনির হোসেন কান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তার লেখা পড়া। মনির হোসেনসহ তারা তিন ভাই ও মা বাবা বসবাস করতেন আধা শতাংশের ছোট একটি ঘরে। ৪টি চৌকি রাখার মত কোন জায়গা নেই। তিনটি চৌকিতেই ৪টি পরিবার বসবার করতো।রাতের বেলায় সময় ভাগাভাগি করে ঘুমাত তারা।

এ দিকে মনির হোসেন মৃত্যুর পর তার বাবা মনিরের বিয়ের সময় কহিনুরের বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যাবার জন্য চাপ সৃস্টি করে কহিনুরকে। কিন্তু ৩ সন্তান নিয়ে কোথায় যাবে এ অসহায় নারী। এ নিয়ে একটি সালিশী বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে কোহিনুরকে ১ বছরের মধ্যে ঘর ছেড়ে দেয়ার জন্য সময় বেধেঁ দেয়। কিন্তু প্রায় ১ বছর গনিয়ে আসলে ও কোহিনুর কোন কিছুই করতে পারিনি। সময় পার হওয়ায় আগেই তাকে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘর চাড়তে হবে বলে মনিরের বাবা আগাম নোটিশ দিচ্ছে।

রিকশা চালক মনিরের পরিবারের করুণ কাহিনী
রিকশা চালক মনিরের পরিবারের করুণ কাহিনী

অন্য দিকে বিপদ পিছু চাড়ছেনা কহিনুরের। এক সময় বিভিন্ন স্থানে জির  কাছ কর্ম করে ২ বেলা ২ মুঠো ভাত খেয়ে জীবন যাপন করছিলেন সন্তানদেরকে নিয়ে তিনি। কিন্তু সম্প্রতি শ্বাসকষ্ট (অ্যাজমা) রোগে আক্রান্ত হয় কোহিনুর। এতে কাজ করতে পারছিলেন না তিনি।বর্তমানে ২ বেলা ২ মুঠো ভাত জোগাড় করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছে। এ দিকে প্রতিমাসে ছেলের জন্য ২ হাজার টাকা দিতে হয় হিফজু পড়া ও বোডিং খরচ। টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ছেলের হিফজু পড়া।

কোমলমতি তিন শিশু ও অসহায় নারি তাকিয়ে আছে দেশের মানুষের দিকে  বাসস্থান ও সন্তানদের লেখা পড়ার  সাহায্যে এগিয়ে আসবেন কি স্বদয়বান ব্যক্তিরা।

মায়ের ভালোবাসা গোলাপের পাপড়ি স্নেহে ভরা

এস এম আবুল কালাম আজাদ
নিউজ ২৪লাইন:
মা শব্দটি অতি পরিচিত মা শব্দটি অতি মলিন মা শব্দটি আমাদের অস্তিত্ব একজন মা তার সন্তানকে দশ মাস দশ দিন মাত্র গর্ভে ধারণ করে হাজারো কষ্ট বেদনার মাঝে সুন্দর পৃথিবীর আলো দেখায় মা যার তুলনা শুধুই মা
মায়ের কাছে সন্তান কালো সাদা সুস্থ অসুস্থ সবই যেন তার কাছে সমান।

একজন মা তার সন্তানকে স্স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে লালন পালন করেন সন্তানের ভালোর জন্য নিজের জীবনের সমস্ত কিছু ত্যাগ স্বীকার করেন এরপরে হয়ে ওঠে একজন সন্তান
সন্তান যখন আস্তে আস্তে বড় হয়ে ওঠে মায়ের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি পেতে থাকে সন্তান যখন সুস্থ সবল বালেক হয়ে ওঠে কর্মঠ মেধা বৃদ্ধি পায় মায়ের প্রতি ভালোবাসা আরো বৃদ্ধি পায়,
১/ ওই সন্তান যখন বিয়ের পিঁড়িতে বসে সুন্দর রমণী ঘরে ঢোকে সুন্দর রমণীর সাথে বাসর করার উদ্দেশ্যে দরজাটা আটকে দেয় সুন্দর রমণী ছোঁয়া পেয়ে / মায়ের ভালোবাসা লোভ পেতে থাকে / শাশুড়ি মায়ের ভালবাসা বৃদ্ধি পেতে থাকে গর্ভধারণী মায়ের ভালোবাসা লোপ পেতে থাকে / স্ত্রী গর্ভে যখন সন্তান আসে মায়ের ভালোবাসা আর একটু লোপ পেতে থাকে / শাশুড়ি মায়ের ফিসফিস শব্দ গুলো বেড়ে যায় / এরপরে ইস্ত্রি মা-বাবার প্রতি অনীহা তৈরি করে ফেলে।
/ সন্তান যখন সুন্দর পৃথিবীর আলো পায় স্ত্রী শাশুড়ির ফিসফিস শব্দ টা আরো বৃদ্ধি পায় /এবার নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে / মা-বাবার প্রতি দুর্ব্যবহার শুরু করে দেয় /বড়লোকদের বৃদ্ধাশ্রম গরিবদের রাস্তায় পড়ে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মা / হায়রে নিয়তি এই যদি হয় বাবা-মায়ের অবস্থা /যেই সময়ে বৃদ্ধ বাবা-মা নায় নাতকুর নিয়ে খেলাধুলা করবে সেই সময় সময় চোখের জলে বস্র ভিজে / সন্তান কি কখনো ভেবেছে আমি একদিন বৃদ্ধ হব আমারও হতে পারে এমন পরিনিতি।
বিদ্র : এই লেখাটা যদি কারো মনে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি অথবা লেখায় যদি ভুল ত্রুটি থাকে নিজ গুনে ক্ষমা করে দিবেন আল্লা হাফেজ।

যেমন ছিলেন, আমাদের প্রিয় নবী – রাসুল (সঃ)

এস এম আবুল কালাম আজাদ :

যেমন ছিলেন, আমাদের প্রিয় নবী – রাসুল (সঃ) ❤️

১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্রহাসি হাসতেন না
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি শতবার ক্ষমা প্রাথনা করতেন।
৭/ তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেএ ছাড়া কাউকেই আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরন করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃনা করতেন।
১৮/ তিনি উপহার গ্রহন করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহ কে সব সময় ভয় করতেন
২২/ হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩/ কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যাক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪/ বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫/ কথা বলার সময় সুস্পষ্ট ভাবে বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬/ কথা, কাজ ও লেন- দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭/ নম্রতা কে পছন্দ করতেন।
২৮/ তার নিকট আগত ব্যাক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯/কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০/শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১/আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামত কে কদর করতেন।
৩২/খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
৩৩/ ক্ষমা কে পছন্দ করতেন।
৩৪/ সর্বদা ধৈর্য্য ধারন করতেন।
এবার আমরা আল-কুরআনের একটি আয়াত Study করি এবং উপরোক্ত Points গুলোর প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ করি,তাহলেই আমরা এই লেখার সত্যতা,বাস্তবতা,গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্যক উপলব্ধি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ,
* মহান আল্লাহ বলেন- তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্বরণ করে তাদের জন্য রাসূলের অনুসরণের মধ্যে রয়েছে উওম আদর্শ। (৩৩ আহযাব ২১)
তাই আসুন আমরা
রাসুল (সা.) এর আনুগত্য ও অনুসরণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি,যদিও তাঁর গুনাবলী বর্ননা করে শেষ করা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিএবান হওয়ার তাওফীক দান করুন।

মা-বাবাকে” বৃদ্ধাশ্রমে প্রেরণকারী সন্তানরা এক ধরনের বিষাক্ত ভাইরাস” মাহফুজ আহম্মেদ প্রবাসী

লেখক – মাহফুজ আহম্মেদ সৌদি প্রবাসী!

বাবা মা কে বৃদ্ধাশ্রমে প্রেরণকারী সন্তানরা এক ধরনের বিষাক্ত ভাইরাস!
উন্নত শিক্ষা নয় , প্রয়োজন প্রতিটি সন্তান কে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করা ।
আমরা উন্নত হচ্ছি,শিক্ষিত হচ্ছি,উন্নত জাতিতে পরিনত হয়েছি প্রযুক্তির এক সভ্য জাতি । মেশিনের কল কাঠিতে চলছে জিবন
মনুষ্যত্ব বিক্রি করে দিয়ে এ যেন রক্ত মাংস বিহীন এক
রবোট ,যে মায়ের মুখের থেকে কথা বলতে শিখি অ, আ ,ই,ঈ, বাবার হাতে আঙ্গুল ধরে হাটা শিখি এক পা দু পা করে ,যাদের যাদের রক্তরে কনিকা দিয়ে তৈরী আমাদের হাড় মাংশ তাদের প্রতি আমরা করি দুর্ব্যবহার আর যত অবহেলা । আমরা ভুলে যাচ্ছি অতীতকে, ভুলে যাচ্ছি শেকড়কে, যে মানুষগুলো ছিল আমাদের আশ্রয়স্থল, যাদের অস্তিত্ব ছাড়া আমাদের বেড়ে ওঠা ছিল অসম্ভব। আজ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল বৃদ্ধাশ্রম।
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে মা কি পরিমাণ যন্ত্রণা সহ্য করে সন্তানকে পৃথিবীতে আলো দেখিয়েছেন তা যদি সন্তান জানতো তাহলে বাবা মা এর শেষ আশ্রয়স্থল কখনোই বৃদ্ধাশ্রম হতো না। আমাদের দেশের শুশুর -শাশুড়ি কে কষ্টে রেখে ৯৭% বউ বাপের বাড়ি থাকে যত দিন একত্রে পিতা মাতা সংসারে থাকে,
এমন ও দেখা যায় সন্তান বা ছেলে বৌয়ের এক গ্লাস পানি পায় না শেষ বেলায় শশুর শাশুরী হায় রে নিয়তি । শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ লোকের কাছে আজ পিতা/মাতা বোঝা হয়ে দারিয়ে । একজন নারী যখন অন্যর ঘর করতে যায় তখন শুশুর /শাশুরীকে আপন করতে নিতে পারেন না এবং পিতা মাতা ও বৌ কে সহজে মেনে নিতে পারেন না আর ছেলে হয়ে যায় পাথরের মূর্তি ,না পারে বাবা/ মা কে কিছু বলতে না পারে বৌ কে কিছু বলতে আড়ালে গিয়ে চোখের পানি ফেলে, এ যেন এক ব্যর্থতার গ্লানী বয়ে নিয়ে বেড়ায় সারা জিবন । সন্তনের পিতা মাতা হারালে হয় এতিম আর পিতা/মাতা সন্তানের অবহেলায় হতে হয় গৃহ হারা
,দেশের অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রম গুলো এক করে দেয়া
উচিত এতে সন্তান পাবে বাবা মা এবং বাবা মা পাবে সন্তান কে ।পিতা মাতা দিবসে দেখা যায় জাতি কে গন মাধ্যমে লম্বা স্ট্যাটাস্ দিতে কিন্তু খোজ নেই নাই পিতা মাতা কি খেয়েছেন । ৩৬৫দিনের একদিন পালান করে
পিতা মাতা দিবস বাকি ৩৬৪ দিন হারিয়ে যায় বাবা মায়ের জিবন থেকে ।
খুব ইচ্ছা করে আমি একটা বৃদ্ধাশ্রম এর মালিক হবো, ফেলে রাখা জান্নাত গুলোকে আগলে রাখবো ,সেই তৌফিক মহান আল্লাহ পাক দিবে কি আমায়? পিতা মাতা হলো আল্লাহ পাকের দেয়া নেয়ামত তাই আমি বলবো ।
“থাকিতে পিতা-মাতা করিও যতন,
হারাইলে পিতা-মাতা বুঝিবে
সে দিন হারিয়েছো রতন ”

আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে

এস এম আবুল কালাম আজাদ “সম্পাদক নিউজ ২৪ লাইন ঃ
আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে,
আজ ভয়াল ২১ আগস্ট—বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ কলঙ্কময় দিন।দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নেতৃত্বশূন্য করার জঘন্য অপচেষ্টার দিন।

ভয়াবহ, নৃশংস, নিষ্ঠুর-নির্মম গ্রেনেড হামলায় স্প্লিন্টারের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন আমার শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় ভালো লাগার ভালো বাসার প্রিয় তুমি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আস্থাভাজন ঘনিষ্ঠ সহচর,মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,একাধিক বার বিভিন্ন জেলা থেকে বার বার নির্বাচিত সাংসদ,
সাবেক সফল পানি সম্পদ মন্ত্রী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য,বিশ্ব শান্তি পরিষদের সহ সভাপতি, বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি,আধুনিক শরীয়তপুরের রূপকার জাতীয় বীর প্রয়াত জননেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব।

আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ে।

বিশ্বাস করো আর নাই বা করো তুমি তোমার, আজ আমি আমার টাই বলবো,তুমি সোনবে কি সোনবে না তোমার ব্যাপার, আমাদের ছোট্ট একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান
গুলশান ডিসিসি মার্কেট এ ৩৫ বছর হবে আমি প্রায় ২১/২২ বছর ধরে এখানে আছি, তখন এখানে বাংলাদেশের এ ক্লাসের মানুষ গুলো বাজার করতো, প্রতিদিন অনেক কাস্টমার আসতো , অনেকেই চিনতো না শরীয়তপুর জেলা তখন আমি বলতাম আব্দুর রাজ্জাক সাহেব কে চিনেন ও রাজ্জাক সাহেবের শরীয়তপুর, আমি একদিন তর্কে জড়িয়ে গেলাম শেখ পরিবারের একজন বৃদ্ধ মহিলার সাথে, সে আমাকে বলেই দিলো তুমি আমাকে চিনো, না আপনাকে চেনার কি আছে আমি শেখ পরিবার এর লোক,শেখ হাসিনা আমার এটা হয়, তখন আমি ও বলে দিলাম আমার নেতা- আব্দুর রাজ্জাক ও তাইতো তুমি রাজ্জাক ভাই এর লোক বলে এমন চটং চটং কথা বলো।
এর পর ঔ থেকে ভদ্রমহিলা, মার্কেটে আসলে আমার থেকে বাজার কেনাকাটা করতে।

আজ অনেক বেশি মনে পড়ে তোমায়, আব্দুর রাজ্জাক।,

এমন হাজার ঘটনার মাঝে ছোট একটি ঘটনা,
প্রায় ১২ বছর তো হইবে, নোয়াখালী জেলা তে একটি চাইনিজ হোটেলএর জন্য আমার দোকান থেকে কিছু মালামাল কেনাকাটা করছিলো,।
তাদের সাথে কথা ছিল আমি মালামাল পৌঁছে দিব, যেমন কথা তেমন কাজ একটা পিকআপভ্যানের ভিতরে মালা মাল গুলো লোড করতে রাত দেড়টা বেজে গেছে, নোয়াখালীতে যাওয়ার পরে মালা মাল নামাতে সকল ৮ টা লেগে যায়।
আমরা ২ঘন্টা রেস্ট নিয়ে রোয়েনা দিলাম গাড়ি চলছে তো চলছেই আমারা ফেনীর কাছাকাছি আসার পর আমাদের গাড়ি টি অন্য একটি গাড়ির পেছনের দিকে লাগিয়ে দিয়েছে সত্যি বলতে কি দোষ টা ছিলো আমাদের ড্রাইভার এর, আমাদের গাড়ি টি আটকে দিলো জনতা পুলিশ মিলে, প্রায় ১৫/২০ মিঃ পড়ে ঐ রাস্তা দিয়ে আওয়ামিলীগের প্রবীন নেতা, জয়নাল হাজারী সাহেব যাচ্ছিলেন, লোক জনের ভির দেখে গাড়ি থেকে নেমে বল্লেন কি হয়েছে এখানে, যা-ই হোক অনেক কথায় পড়ে, জিজ্ঞেস করলেন ঐ ছেলে তোমাদের বাড়ি কোথায়, আমি বললাম আমাদের বাড়ি শরীয়তপুর আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের এলাকা, ও তোমার বাড়ি রাজ্জাক ভাইয়ের এলাকায়, আমি বললাম হা স্যার, এবার আমাদের কে চা বিস্কুট এনে দিলে এক লোক আমরা দুই জন খেলাম, হাজারী সাহেব বললেন বাবা তোমরা চলে যাও চলে যাও , আমাদের কোন টাকা পয়সা দিতে হয়নি,শুধু একটি নাম আমাদের কে সম্মানের সাথে বিদায় দিলো।
আর কেউ নায় শরীয়তপুরের অহংকার আমাদের ভালো বাসার ভালো লাগার মানুষ জাতীয় বীর আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক সাহেব।
বিদ্রঃ ভুল ত্রুটি খমা চোখে দেকবেন।

পুরুষ

“”””””পুরুষ “”””””
ইমদাদুল হক মিলন

পুরুষ মানুষ বড় স্বার্থপর
হে,
পুরুষ স্বার্থপর !
কারণ সে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে অন্য কে সুখি করে।
পুরুষ মানুষ নিলজ্জ, বেহায়া!
যে মানুষ নিজের কথা চিন্তা না করে
অন্যের মুখে খাবার তুলে দেয় ,
যে মানুষ নিজের বিপদের কথা চিন্তা না করে
অন্যের বিপদে এগিয়ে আসে ।
যে পুরুষ না থাকলে
আজ তুমি আমি এই পৃথিবীর মুখ দেখতে পারতাম না
সে পুরুষ স্বার্থপর
তাই তোমাকে আমাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে।
আমরা মানুষ হিসেবে নিজেকে দাবি করি
আমরা অনেক জ্ঞানী !
কিন্তু সম্মান করতে জানি না
যে পুরুষ বট বৃক্ষের মতো ছায়া হয়ে থাকে ।
সে হয় কারো বাবা, ভাই, চাচা, মামা
একটু সুখের আশায়
পরিবারে সবাই কে ছেড়ে
পরে থাকে দূরে কোথাও ।
সে পুরুষ নিলজ্জ
সে পুরুষ বেহায়া স্বার্থপর !
এসব কথা শোনার পরেও ছায়া দেয়
পাশে থাকে, আলো দেয়
সে মানুষ টি পুরুষ
পুরুষ মানুষ এমনি হয়।

আত্মার কান্না

«”””””আত্মার কান্না “””””«
ইমদাদুল হক মিলন (নেত্রকোনা)

কিসের এত মায়া, কিসের এত মহবত
আজ তোমাকে সবাই চিনে
আজ তোমার এতো সম্মান
কি হবে এসব দিয়ে?
যদি দেহে প্রাণ না থাকে ।
আমি এক দিন হঠাৎ
দেখলাম আমার পাশে কেউ একজন শুয়ে আছে
দেখতে আমার মতো
আমি না তো
আমি তো এইখানে !
আমি তো এইখানে
তাহলে ও ওকে।
আমি তার কাছে গেলাম
তাকে ডাকলাম কে ভাই আপনি ?
এখানে কেন এসেছে ?
তাও আমার বিছানায় !
সে নড়ে না কোন উত্তর দেয় না
একি তার শরীর তো ঠান্ডা।
আমি আমার ছোট বোন কে ডাকলাম
কিন্তু কেউ আসেনি
আমি ঘরের এক কোনে বসে কান্না করছি ।
কিছুক্ষণ পর মা এলো
খোকা উঠ নাস্তা করবি না
কিন্তু আমি তো ঘরের এক কোনে বসে আছি
মা কে বলছি মা আমি এইখানে
মা আমার কথা শুনলো না
মা ঐ লাশটাকে ডেকেই চলেছে
আমি চিৎকার করে বলছি মা আমি এইখানে কিন্তু মা আমার কথা শুনেনি
আমি মায়ের কাছে গেলাম
মাকে স্পর্শ করতে চাইলাম
কিন্তু স্পর্শ করতে পারছিনা ,
মা আমাকে ডেকেই চলেছে
মা ঐই লাশ টার গায়ে হাত দিল
দেখে শরীর ঠান্ডা এমনি মা চিৎকার দিয়ে উঠলো ¡
তোরা কইরে আমার হুত তো আর নাইরে!
এক সাথে বাড়ির সব মানুষ জড়ো হয়ে গেলো
বাবা -মা,ভাই-বোন, কাকা-কাকি, কাজিন সবাই কান্না করছে
আমি চিৎকার করে বলছি আমি এইখানে আমি এইখানে
তোমরা কেন কাঁদচো
আমি তো মরিনি
এই যে আমি
আমার ডাকে কেউ সারা দেয়না
দুই জন লোক এসে লাশটা বাহিরে নিয়ে এলো
কেউ আমাকে দেখছে না
সবাই লাশ নিয়ে ব্যস্ত
আমি কান্নায় কাতর
আস্তে আস্তে বাড়ি ভরে গেলো
আত্মীয় স্বজন সব চলে এলো
সবাই মিলে বাবা-মা,ভাই-বোন দের শান্তনা দিচ্ছে
এক দল লোক বাঁশ কাটতে গেলো
কেউ কবর খুঁড়তে গেলো
কেউ বড়ই পাতা গরম পানি করছে
এক জন এসে লাশ এর মাফ নিয়ে গেলো
এসব হচ্ছে কি আমি কিছু বুঝতে পারছি না
কেউ আমার ডাক শুনছে না কেন?
আমি যাকেই ছোতে চাই ছোতে পারি না কেন?
কি হয়েছে এখানে?
কেউ আবার আমার নাম নিচ্ছে
আমি নাকি মারা গেছি
কিন্তু আমি এইখানে আমি তো মরিনি !
কি বলছে এসব¡
এইযে আমি ,আমি তো মরিনি
সবাই ব্যস্ত আমার ডাক কেউ শুনে না
চার জন লোক মসজিদ থেকে খাটিয়া নিয়ে এলো
এটা কেন আনলো
মসজিদে ইমাম এলো
এক দল মেয়ে ঐ লাশ এর পাশে কোরআন তেলাওয়াত করছে
মসজিদে মাইকিং করা হলো আমার নামে
কি যে হচ্ছে আমি কিছু বুঝতে পারছি না ।
আমি একা একা কান্না করছি কেউ আসে না আমার কাছে
সবাই লাশ নিয়ে ব্যস্ত
কি অপরাধ করেছি আমি
একটা সময় নির্ধারন করা হলো
আজান ছাড়া নামাজ হবে
এক পর্যায়ে লাশ টাকে কবরে রাখার জন্য নিয়ে যাচ্ছে
কবর দেওয়া শেষ ।
এক সময় আমার বোন এলো
এই ভাইয়া উঠবি না
সেহেরির সময় হয়েছে
আমি থতমতো হয়ে ঘুম থেকে উঠলাম ।
সোমা বললো কখন থেকে তোমাকে ডাকছি
কি হয়েছে তোমার?
তুমি কাঁদছ কেন?
কি দেখেছ তুমি?
স্বপ্ন দেখেছিরে বোন খুব খারাপ স্বপ্ন ।

1 2 3 5