২০২২ শিক্ষাবর্ষে ক্লাসের সূচি প্রকাশ

নিউজ২৪

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিকে নজর রেখে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন শিক্ষাবর্ষে (২০২২) প্রতিদিন কয়টি করে ক্লাস হবে, তার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রেণিভেদে সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে এসব ক্লাস হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এই সময়সূচি ঘোষণা করে।

 

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে প্রতিদিন চারটি বিষয়ের ওপর ক্লাস নিতে হবে। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে প্রতিদিন তিনটি বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে। অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে দুই দিন ক্লাস হবে। এই দুই দিনের প্রতিদিন তিনটি করে বিষয়ের ওপর ক্লাস নিতে হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে এক দিন তিনটি বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হবে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসারে প্রাথমিকের শ্রেণিগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চলবে বলে জানা গেছে।

 

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছিলেন, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি মার্চ পর্যন্ত দেখা হবে। এর মধ্যে সংক্রমণ না বাড়লে তারপর শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারে। করোনার সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর গত সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও স্বল্পপরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।

 

 

৩০ ডিসেম্বর এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

নিউজ২৪লাইন:

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। আজ মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) তিনি একথা বলেন। এর আগে গত মাসে পরীক্ষা শুরুর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছিলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এই পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয়েছিল ২৩ নভেম্বর।করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে নির্ধারিত সময়ের সাড়ে আট মাস পর এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২২ লাখের বেশি।

 

করোনার কারণে এবার ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্নভাবে অনুষ্ঠিত হয় এই পরীক্ষা। অন্যান্য বছরের মতো সব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি। শুধু গ্রুপভিত্তিক (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ইত্যাদি) তিনটি বিষয়ে সময় ও নম্বর কমিয়ে হয় এ পরীক্ষা। আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ের কোনো পরীক্ষা হয়নি। এসব বিষয়ে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে (ম্যাপিং করে) নম্বর দেওয়া হবে।

 

 

আমি স্বাধীনতা দেখিনি “”” ইমদাদুল হক মিলন

“””আমি স্বাধীনতা দেখিনি “””
ইমদাদুল হক মিলন

আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
দেখেছি স্বাধীন দেশের রক্তিম সূর্য টা।
আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
দেখেছি স্বাধীন পতাকা
চার দিকে সবুজ মাঝ খানে রক্তবেজা লাল ।
আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
দেখিনি ত্রিশ লক্ষ শহীদ দের
দেখেছি তাদের রেখে যাওয়া স্বাধীন বাংলা ।
আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
দেখিনি দুলক্ষ মা-বোন এর ইজ্জত হারানোর কষ্ট
শুনেছি তাদের আস্থ ত্যাগ বীরত্বের কথা
শেলুট জানাই তাদের হাজার বার।
আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
দেখেছি কত মায়ের বুক খালি হতে
শুনেছি মায়ের আহাযারি।
এটা স্বাধীনতার ছেয়ে কম কি?
আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
দেখিনি রাজাকার আলবদর দের
দেখেছি রাজাকার এর প্রতি ছবি ।
মুখোশ পরে থাকা ভালো মানুষ এর ভিতর কাফির দারজাল ।
আমি স্বাধীনতা দেখিনি ¡
শুনেছি মায়ের মুখের স্বাধীন ভাষা ।
আমি স্বাধীন ,
স্বাধীন।

কৃতীমান গবেষক, সাহিত্যসমালোচক, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক মোবাশ্বের আলী

নিউজ২৪লাইন:
কৃতীমান গবেষক, সাহিত্যসমালোচক, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক মোবাশ্বের আলী
এম. কে. জাকারিয়া | একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কুমিল্লার কৃতী সন্তান অধ্যাপক মোবাশ্বের আলীর মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ৯ নভেম্বর।জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে।

পেশাগত সম্পৃক্ততা নির্বিশেষে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে যদি তাঁর অভ্যন্তরীণ সম্ভাবনা পরিমাপ করার জন্য নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি হিসেবে নেওয়া হয়, তবে সর্বোপরি অধ্যাপক মোবাশ্বের আলী এমন একজন হবেন যিনি নিজের যোগ্যতায় জনপ্রিয় ছিলেন।

সারা জীবন তিনি ভাষা ও সাহিত্যের ক্ষেত্র পাড়ি দিতেন। মূলত একজন শিক্ষাবিদ, পেশায় একজন শিক্ষক মোবাশ্বের আলী ঈর্ষণীয় স্বাতন্ত্র্যের সাথে ভাষা ও সাহিত্যের অনেক শাখায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন।

বহুমুখী সাহিত্যিক হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন বিশিষ্ট লেখক এবং আত্মদর্শী গবেষক ছিলেন।

প্রফেসর কবির চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, তার রচনাগুলো বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন মাত্রা যোগ করে সমাজ তথা জাতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে। মোবাশ্বের আলীর পৈতৃক বাড়ি কুমিল্লা শহরের বাগিচাগাঁওয়ে। তিনি ১ জানুয়ারি, ১৯৩১ সালে একটি সম্ভ্রান্ত, শিক্ষিত এবং উচ্চ আলোকিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আলীগড় মুসলিম কলেজের আইনে স্নাতক (পরে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়) মোবাশ্বের আলীর পিতা প্রয়াত নওয়াজেশ আলী ছিলেন প্রথম বি. এল. বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার।

তার দাদা প্রয়াত বজলুল হকও ছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার প্রথম স্নাতক। ব্রিটিশ শাসনামলে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছরে মোবাশ্বের আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

শিক্ষকতা পেশা বেছে নিয়ে যোগদান করেন তিনি নেত্রকোনা কলেজ, ময়মনসিংহে ১৯৫৩ সালে। ১৯৫৪ সালে তিনি যশোরের এম. এম. কলেজে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি ছিলেন চার বছর ।

এরপর তিনি যোগদান করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে । সেখানে তিনি ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন এবং পরে তিনি বি. এল. বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, খুলনায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে ট্রান্সফার হন এবং ১৯৮০ সালে চট্টগ্রামের এতিহ্যবাহী সরকারি কলেজ হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮৭ সালে অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন তিনি সেখানে।

বাংলা সাহিত্যে মোবাশ্বের আলীর ব্যক্তিগত অবদান ১৯৫৮ সালে শুরু হয় যখন রাশিয়ার নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বরিস পাস্তারনাকের ওপর তার আলোকিত প্রবন্ধটি একটি বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়- সমকাল প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক সিকান্দার আবু জাফর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও সম্পাদিত।

প্রফেসর মোবাশ্বের আলী বাংলার সমান্তরালে গ্রীক, ল্যাটিন ও ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মনসুর মুসা বলেন, অধ্যাপক মোবাশ্বের আলী বাংলা গবেষণাকে সমৃদ্ধ করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং জাতির জন্য অবদান তাঁর মৃত্যুর পরেও স্মরণ করা হবে।

তিনি চলচ্চিত্র পুরস্কার জুরি বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। প্রফেসর মোবাশ্বের আলী অনেক পুরস্কারের গর্বিত প্রাপক ছিলেন।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭৪), একুশে পদক (১৯৯২), মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৩), বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ পুরস্কার (১৯৯৩), মানবসম্পদ উন্নয়নে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য র্যা পোর্ট পুরস্কারসহ (২০০৪) অনেক পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। মৃত্যুর পর তাঁর অবদানের জন্য তিনি ভারত থেকে এমটিসি গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিলেন। আমরা আশা করবো প্রফেসর মোবাশ্বের আলীকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হোক। কুমিল্লায় তার নামে একটি সড়কের অন্তত নামকরণ করা হোক এবং তার যে কবরস্থান মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আছে সেটিকে স্থায়ী করা হোক।

লেখক

নির্বাহী পরিচালক (বিপণন) পিপলস ইনস্যুরেন্স কোম্প

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হালেন মাদ্রাসার ছাত্র জাকারিয়া

নিউজ২৪লাইন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া। তিনি রাজধানীর দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ঢাবিতে প্রথম হওয়ার সব কৃতিত্ব জাকারিয়া তার মাকে দিয়েছেন।

জাকারিয়া বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার জন্য যদি আমি কারও অবদান মনে করি সেটা হলো আমার মা। এর পেছনে তার অবদান শতকরা ৯৯ দশমিক ৯৯ ভাগ। তারপর রয়েছে এলাকাবাসী। তাদের উৎসাহ উদ্দীপনার কমতি ছিল না। আমার পরীক্ষার আগে এলাকাবাসী আমার জন্য মসজিদে মসজিদে দোয়ার আয়োজন করেছিল। তাদের এ ঋণ শোধ করার মতন নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটে প্রথম হওয়া মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, রাজনীতি আর পড়াশোনা এক সাথে কোনোদিন সম্ভব না। যে কারণে আমি ছাত্র অবস্থায় রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। আগে পড়াশোনা শেষ করতে চাই। তারপর নিজে স্বয়ং সম্পন্ন হবো। চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা। যেটা আমার মা বাবারও ইচ্ছা। আমি চাই তাদের ইচ্ছাকে পূরণ করতে।

ছেলের এই অসাধারণ প্রতিভার জন্য আনন্দে আত্মহারা মা কাজী তাহেরা পারভিন জাকিয়া। আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে শোনান ছেলে জাকারিয়ার এই গৌরব অর্জনের কথা।

পারভিন জাকিয়া জানান, জাকারিয়ার জন্ম ২০০১ সালের ২ জুন। দুই ভাইয়ের মধ্যে জাকারিয়া বড়। ১৪ বছরের ছোট ভাই মো. জারিফ বর্তমানে জাকারিয়ার সাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডেমরা এলাকার দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বাবা মো. শহিদুল ইসলাম সেলিম মোল্লা গাজীপুর জেলার শ্রীপুর এলাকায় উইলস মার্কেটিং কোম্পানিতে মার্কেটিং অফিসার হিসাবে ১৯৯৮ সাল থেকে কর্মরত আছেন। মা কাজী তাহেরা পারভিন জাকিয়া বরিশালের বাকেগঞ্জের দুধলমৌ ফয়েজ হোসাইন ফাজিল মাদরাসায় ২০০৪ সাল থেকে সহকারী মৌলভী হিসাবে কর্মরত আছেন।

২০০২ সালে ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে তিনি অনার্স এবং মাস্টার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তার পরিবারের সবাই শিক্ষিত হওয়ায় ছেলেকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাড়ির পাশে দক্ষিণ বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। ওই স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাসে প্রথম হয় জাকারিয়া এবং ২০১১ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে।

জাকারিয়ার মা আরও বলেন, বাড়ি সংলগ্ন পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় ২০১২ সালে জাকারিয়াকে ভর্তি করানো হয়। পরের বছর তার বাবার কর্মস্থল গাজীপুরের মাওনা শ্রীপুর এলাকার জামিয়া ইসলামিয়া কওমি মাদরাসায় কোরানে হাফেজ করানোর জন্য হেফজখানায় ভর্তি করান। সেখান থেকে ২০১৫ সালে জাকারিয়া কোরানে হাফেজ উত্তীর্ণ হয়। এই ফাঁকে ৭ম শ্রেণির লেখাপড়া প্রাইভেট পড়ে সম্পন্ন করে। পরে তাকে আবার পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয় এবং সেখানে জাকারিয়া ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায়। যেটি ছিল দুমকী উপজেলার মধ্যে দ্বিতীয়। সেখান থেকে ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া এলাকার দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি করানো হয়। ওই ভর্তি পরীক্ষায়ও এক হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে জাকারিয়া তখন প্রথম হয়েছিল।

২০১৮ সালে দাখিল (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে ঢাকা বিভাগে প্রথম হয়েছিলেন জাকারিয়া। ২০২০ সালে আলিম (এইচএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে ঢাকা বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি।

গত ২ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন মোহাম্মদ জাকারিয়া। জাকিয়া জানান, ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সর্বদা নজরদারির মধ্যে রাখতে পেরেছি বলেই মহান রাব্বুল আলামিন আজ আমার মনের আশা পূর্ণ করেছেন।

জাকারিয়ার মা জানান, ছেলে হিসাবে কখনও আমার কাছে অতিরিক্ত কোনো আবদার করেনি। যখন যেভাবে পেরেছি ওর মন জয় করার চেষ্টা করেছি। যেহেতু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি ছিল সেকারণে স্থানীয়রাও ওকে দারুণ পছন্দ করতো। আমি

শু শিক্ষা চাই এর কমিটি ঘোষণা

নিজিস্ব প্রতিবেদকঃ

শিক্ষামূলক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কমিটি গঠিত হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি কর্পোরেশন অবস্থিত শিক্ষামূলক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ের দৃঢ় পরিকল্পনা থেকে নামকরণ করে ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন শিক্ষামূলক সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজ করে যাচ্ছে।

 

বিগত দিনগুলোতে সংগঠনটি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি, কাগজ-কলমসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, করোকালীন মহা-দুর্যোগে জনসচেতনতা মুলক প্রচার প্রচারণা, সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাক্স বিতরন, প্রতি বছর ঈদে দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেমাই চিনি ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, অতি দরিদ্র শিশুদের ঈদের পোশাক বিতরণ, সহ নানামুখী উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছে।

 

গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১২টায় সংগঠনের কার্যালয়ে উপদেষ্টা মন্ডলীদের উপস্থিতি পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান রুমেল ইসলাম শান্ত (বাবু), মহাসচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন শরীফ তৈরি হচ্ছে পাকিস্তানে

ইসলাম ডেস্ক- পবিত্র কোরআন এক বিস্ময়কর গ্রন্থ। পবিত্র কোরআনে কারিমের মহান লক্ষ্য হলো- মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেয়া এবং মিথ্যার প্রতিরোধ করা।

পবিত্র কোরআনের অলংকারিক সৌন্দর্য, বাগ্মীতা ও প্রজ্ঞা কোরআনেরই মোজেজা বিশেষ। আর জ্ঞানীদের জন্য কোরআন এক অলৌকিক সম্পদ ভান্ডার। আইন প্রনেতাদের জন্য এটি সবচেয়ে সামাজিক আইনের আধার। কোরআনে রয়েছে দুনিয়াবাসীর জন্য নজিরবিহীন সব নীতি।

তাই সংক্ষেপে বলা যায়, পবিত্র কোরআন সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য এমনসব বাস্তবতা ও রহস্যের আকর- যে বাস্তবতাগুলো মানুষ কোরআন ছাড়া কখনও উদঘাটন করতে পারবে না।

সর্বদা বিশ্ববাসী কোরআনের অসীম সৌন্দর্যে অভিভুত ও বিমুগ্ধ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পবিত্র কোরআন নিয়ে চলে নানাবিধ গবেষণা। হয় কোরআন নিয়ে স্বপ্নময় অনেক কাজ। যেসব কাজের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনে কারিমের মহত্ত্ব আরো প্রজ্জ্বোল হয়ে উঠে।

তেমনি এবার বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের পবিত্র কোরআন শরীফ তৈরি করা হচ্ছে পাকিস্তানে। করাচি আর্ট কাউন্সিলের উদ্যোগে এই কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।

২০১৭ সাল থেকে এ প্রকল্পে কাজ করছেন কমপক্ষে ২০০ আর্টিস্ট। তারা স্বর্ণের প্রলেপ দেয়া অ্যালুমিনিয়ামের সুতা দিয়ে অক্ষর বিন্যাস করছেন। এর তত্ত্বাবধান করছেন শহীদ রাশাম। ২০২৬ সালের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পবিত্র এই কোরআন শরীফের দৈর্ঘ্য হবে ৮.৫ ফুট। আর প্রস্থ ৬.৫ ফুট।

বলা হচ্ছে এই কোরআন বিশ্বরেকর্ড করবে। কারণ এর আগে সবচেয়ে বড় মাপের কোরআন শরীফের দৈর্ঘ্য ছিল ৬.৫ ফুট। প্রস্থ ৪.৫ ফুট। এই কোরআন শরীফটি ২০১৭ সালে তৈরি করা হয়েছিল আফগানিস্তানে। বর্তমানে সেটি রাশিয়ার কাজান শহরে কুল শরীফ মসজিদে রাখা আছে। সেই হিসেবে পাকিস্তানে তৈরি এই কোরআন শরীফের আকার অনেক বড় হবে।

শহীদ রাশামের মতে, ইসলামের কমপক্ষে ১৪০০ বছরের ইতিহাসে তারাই প্রথম অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে পবিত্র কোরআনের অক্ষর বিন্যাস করছেন। এর আগে পবিত্র কোরআনে কাঠ, কাগজ, পশুর চামড়া এবং কাপড়ে ক্যালিগ্রাফি করা হয়েছে। তাতে ক্লাসিক আর্ট প্রদর্শন করা হয়েছে।
কিন্তু রাশাম বলেন, এই প্রকল্পটি আমার সারাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। শহীদ রাশামের বয়স ৪৯ বছর। তিনি তার সহযোগীদের নিয়ে গত দুই বছরে পবিত্র কোরআনের প্রথম দুটি পৃষ্ঠার অক্ষর বিন্যাস করেছেন। আর গত কয়েক মাসে তিনি দিনে গড়ে ১০ ঘন্টা সময় দিয়েছেন এ প্রকল্পে।

1 2 3 18