মাদরাসাতুল হাকিম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে ২০২১ সালে হাফেজ ছাত্রদের মাঝে পাগড়ী প্রদান করা হয়।

 

নিজিস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানী বাড্ডার মাদরাসাতুল হাকিম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে হাফেজ ছাত্রদের মাঝে পাগড়ী প্রদান করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপত্বিত করেনঃ রাকিবুল হাসান (স্বপন)।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঃ আলহাজ্ব হরযত মাওলানা আবুল হাসান দাঃবাঃ।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঃ মাওলানা মুফতী আব্দুল মাজিদ দাঃবাঃ।

বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঃ আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম(কাউন্সিল ৩৭নং ওয়ার্ড,উত্তর সিটি কর্পেরশন)।এ ছাড়া ও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন মাওলানা মুফতী হারুন আর রশিদ সিদ্দিকী,মুফতী শাইখুল ইসলাম, সহ মানবাধিকার সংস্থা(হেল্প সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ফাইন্ডেশন) এর চেয়ারম্যান এ্যাডঃ হাসিব এবং হেল্প সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের বাড্ডা শাখা সভাপতিঃ লাইচ্ছুজামান,সাব্বির,রসূল আমিন রিন্টু,সামসুল আলম নাদিম সহ বিভিন্ন স্তরের জনগন।

‘বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ স্বীকার করতে লজ্জা হয়’ – আবদুল গাফফার চৌধুরী।

‘বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ স্বীকার করতে লজ্জা হয়’

একুশের গানের রচয়িতা স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী। 

আবদুল গাফফার চৌধুরী।

“শাল্লায় যে ঘটনাটি ঘটেছে এটা হেফাজতের কাজ নয়। হেফাজত উস্কানি দিয়েছে, কাজটা করেছে সাম্প্রদায়িক প্রশাসন, সাম্প্রদায়িক ক্ষমতাসীন দল। আমরা যে আওয়ামী লীগকে এখন ক্ষমতায় দেখছি এটা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দল নয়। এটা সাম্প্রদায়িকতার কাছে, ধর্মান্ধতার কাছে, আত্মসমর্পণকারী দল।

শাল্লায় আর নাসিরনগরে বা রামুতে সংখ্যালঘুদের ওপর যে নিপীড়ন হচ্ছে এটা শুধু ধর্মের জন্য না, সম্পত্তির জন্য নারীর দেহের জন্য। কারণ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি এবং নারীরা হচ্ছে সবচাইতে সহজলভ্য জিনিস এখন আমাদের সমাজে। এটা যতক্ষণ পর্যন্ত দূর করা না যাবে, এদেরকে মালাউন বলার প্রবণতা দূর করা না যাবে, এদেরকে সমান নাগরিক ইক্যুয়াল রাইটস না দেওয়া যাবে ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বা বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ একথা স্বীকার করতে আমার লজ্জা হবে।’

পরীক্ষা না হয় নিলেন, ক্লাস নেবেন কি অনলাইনে না অফলাইনে?

দেশে করোনা বাড়ছে। এই বৃদ্ধি আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বেশী ও ভয়াবহ। এর কারণ হলো মানুষ দায়িত্বহীন আচরণ করছে। সরকারী বিধিনিষেধের কোন প্রয়োগ নাই। তারচেয়েও আশংকাজনক হলো নতুন ধরনের ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। আমার একজন বড়ভাই, চিকিৎসক, টিকা কমপ্লিট করে ইউকে থেকে দেশে এসে ১ মাস পর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

 

আক্রান্তের সংখ্যায় রোজ রেকর্ড তৈরী হচ্ছে। করোনা ভাইরাস গত বছরের মতো আচরন করছে না। বহু আগেই ১০% ছাড়িয়ে ১৭% পর্যন্ত টেস্ট পজিটিভ হতে শুরু করেছে। প্রতিদিন ৪০ জনের বেশী মৃত্যুর সংখ্যা যা ভয়ংকর।

 

এই নিয়ে অনেকের বক্তব্য আছে যে হাসপাতালের বাইরে মৃত্যু ঠিকমত রেকর্ড করা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা আরো বেশী। এর মধ্যে স্বাস্থ্যের ডিজি সহ অনেক কর্মকর্তা নিজেরাই করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন।

 

সবকিছু জলের মতো পরিষ্কার হওয়ার পরেও দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ন্ত্রণকারী কর্তাব্যক্তিরা তাদের সিদ্ধান্তে অটল আছেন যে, ‘স্বাস্থ্যবিধি’ মেনে ২ এপ্রিলেই তারা ১ লক্ষ ২২ হাজার ৮৭৩ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নেবেন যেখানে কিনা দেশের বাকি সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আরো ২-৩ মাস পর।

 

তাদের সেই তথাকথিত স্বাস্থ্যবিধির নমুনা বিসিএস পরীক্ষার দিন সারা দেশের মানুষ দেখেছেন। তাদের নিজেদের দলে দলে করোনা হওয়া দিয়েও বোঝা যাচ্ছে। নিজেদের অফিসের স্বাস্থ্য বিধি কেমন পোক্ত!

 

তারা যুক্তি দিয়েছেন এখন পরীক্ষা না নিলে নাকি ৫ বছর পর পর্যাপ্ত ইন্টার্ন ডক্টর পাওয়া যাবে না।  অথচ তারা গত বছর মেডিকেলের প্রফেশনাল পরীক্ষা সময়মত না নিয়ে সেশন জট তৈরী করেছেন। প্রাইভেট মেডিকেলগুলিকে ৯ মাস এরও বেশী সময় ধরে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বেতন নিতে দিচ্ছেন আবার তারাই যখন ডাক্তার ছাটাই করেছেন ও বেতন কমিয়ে দিয়েছেন, তাদের বিষয়ে কোন ব্যবস্থাও নেন নাই।

 

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিয়ে রমজান মাস পার করে, আগের চেয়ে বেশী পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে এই পরীক্ষা নিলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো সম্ভব, পাশাপাশি ইন্টার্ন ডাক্তার না পাবার খোঁড়া যুক্তিটাও মোকাবেলা করা সম্ভব।

 

একজন পরীক্ষার্থী প্রশ্ন করেছে মেডিকেলে অলরেডি যারা পড়ছেন, সেই বড় ভাইয়া-আপুদের প্রফেশনাল পরীক্ষা যে ৭-৮ মাস পরে নেয়া হলো, সেক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ নিয়ে সমস্যা হবে না? শুধু এডমিশন টেস্ট ২ মাস পর নিলেই ইন্টার্নশিপের ঘাটতি এসে হাজির হচ্ছে?

 

১.মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন,বিধি মেনে নাকি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

 

তা কি আদৌ সম্ভব? যারা বিভাগীয় শহরে যাবে জেলা শহর থেকে,  তাদের পরীক্ষার আগের দিন বিভাগীয় শহরে যেতে হবে। গিয়ে একটা হোটেলে থাকতে হবে পরিবার সহ। তারপর পরের দিন তারা পরীক্ষা দিতে যাবে। আর এই পুরো আসা যাওয়ার কাজ টা হবে গণপরিবহনে। গণপরিবহন বা হোটেল গুলোতে কি স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব? আর তাছাড়া পরীক্ষার দিন পরীক্ষার্থী, অভিভাবক সহ বাইরে আশে পাশের কর্মজীবি মানুষজন থাকবে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা কিভাবে সম্ভব হবে?

 

শুধু তাই না হোটেল থেকে শুরু করে খাবার দোকান সব জায়গায় দু সপ্তাহ সব কিছু অর্ধেক করে ফেলতে বলা হয়েছে সরকারী নির্দেশে। সবাই খাবে কোথায় থাকবে কোথায়? কেন্দ্র ডাবল করলেন আর থাকা খাওয়ার জায়গা অর্ধেক। এটা হলো পায়জামা নিচে পরে হাফপ্যান্ট ওপরে পরার মতো হাস্যকর।

 

২. বলা হয়েছে কেন্দ্র সংখ্যা দ্বিগুণ যার কারণে নাকি স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব।  কিন্তু এবার শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দ্বিগুণ। অংক শিক্ষায় অনুপাতের অংকের ক্লাস করানো দরকার। কি বলেন? অনুপাত এর উত্তর হবে ১:১।

 

৩. গণপরীক্ষার আয়োজন করে বাকি সব সুবিধা অর্ধেক করলে সেটা কি স্বাস্থ্যবিধি মানলেও স্বাস্থ্যের জন্য সুবিধাজনক? গণপরিবহনে ৫০% আসন । বাস কি দ্বিগুন হবে? তাহলে ৫০ জনের জন্য আগে একটা বাসের জায়গায় এবার দুটো বাস লাগবে। সেটা অফসেট করতে একদিনের জায়গায় দুদিন আগে রওনা দিতে হবে কাউকে কাউকে। খরচ, সময় ব্যয়, ঝুঁকি সবই বাড়বে।

 

৪. এর চেয়ে কম সংখ্যক পরীক্ষার্থী আছে এমন পরীক্ষাও পিছিয়েছে যেমন : এ, ও লেভেল পরীক্ষা, মৎস্য অধিদপ্তরের পরীক্ষা,সাত ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা, এবং বিসিএস পরীক্ষার ভাইভাও এই করোনার জন্য জুনে রাখা হয়েছে। তাহলে কেনো মেডিকেল পরীক্ষা এই মহামারীর ভিতরেই নেওয়া হচ্ছে?

 

৪.  শুধু পরীক্ষার ১ ঘণ্টার স্বাস্থ্যবিধি মানাই কি সব?

 

এবার শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেকে তাদের পছন্দের কেন্দ্রে আসন পায়নি। সে যেই বিভাগে কেন্দ্র পছন্দ করেছে সেই বিভাগের আসন বুকিং হয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই অন্য বিভাগে আসন দিয়েছে। একজনের বাড়ি পটুয়াখালী অন্যজনের বাড়ি কুয়াকাটা। তারা তাদের কাছে বরিশাল কেন্দ্র দিলেও তাদের একজনের কেন্দ্র পড়েছে গোপালগঞ্জ, অন্যজনের ফরিদপুর। এইরকম হাজারো শিক্ষার্থী রয়েছে।

 

এই পরীক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানসম। জোর করে এই সময় এই ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে সরকারী নির্দেশ অনুযায়ী গণজমায়েত সীমিত করে, করোনা নিয়ন্ত্রণে এনে সংক্রমনের হার অন্তত ৫% এর নীচে গেলে পরীক্ষা আয়োজন করাই সংগত। রমজান মাস পার করে ২ মাস থেকে ৩ মাস পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে করি।

 

মানুষকে হুকুমের দাস মনে করার এই ভাবনা থেকে বের হয়ে, দয়ার্দ্র মনে তাদের সন্তানের মতো ভালোবেসে, তাদের সুবিধা অসুবিধাগুলি বিবেচনা করেন। প্রাইভেট মেডিকেলের ব্যবসার চিন্তা মাথা থেকে সরান।

নিজেকে, নিজের সন্তানদের নিরাপদে রাখতে এই বিপদজনক সময়ে দুই এপ্রিলে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে অন্তত দুমাস থেকে তিনমাস পরে পরীক্ষা নেন।

 

পরীক্ষা নাহয় নিলেন। ভর্তির পর ক্লাস নেবেন কি অনলাইনে না অফলাইনে? হোস্টেলে সীট দিতে পারবেন? সময় মতো সব প্রফেশনাল পরীক্ষা নেবেন তো?

 

ফরেনসিক মেডিসিনের যে শিক্ষক নাই। মানসিক রোগের যে শিক্ষক নাই। অ্যানাটমি ফিজিওলজিতে যে শিক্ষক নাই। এগুলো নিয়ে একটু পরিকল্পনা কি সেটা বলবেন? খালি ভর্তি করেই দায়সারা? শাহমখদুমের কি করলেন? নর্দার্ণ এর?

 

আব্দুন নূর তুষার,

মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

শতভাগ বোনাস পাবেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা

শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখন থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো বেসরকারির শিক্ষক-কর্মচারীররাও দুই ঈদে শতভাগ বোনাস বা উৎসব ভাতা পাবেন।

 

এমন বিধান রেখে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১’ জারি করেছে সরকার। রোববার (২৮ মার্চ) স্বাক্ষরিত নীতিমালাটি সোমবার (২৯ মার্চ) প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

 

 

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষকরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের সমান বোনাস পাওয়ার কথা থাকলেও বেসরকারি শিক্ষকরা বোনাস পেতেন ২৫ শতাংশ আর কর্মচারীরা বোনাস পেতেন ৫০ শতাংশ।

 

নীতিমালার ১১ (৭) ধারায় বলা হয়েছে, ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন/বোনাসের নির্ধারিত অংশ/উৎসব ভাতার নির্ধারিত অংশ সরকারের ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেল/সরকার নির্ধারিত সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে অথবা সরকারের নির্দেশনার সঙ্গে মিল রেখে করতে হবে।’

 

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করেছে সরকার। অনেক প্রতীক্ষার পর সরকারের এই সিদ্ধান্তে শিক্ষকরা আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবেন।’

বোধ বন্দনা

 

কবি ও প্রাবন্ধিক নাসের ভুট্টো।

জীবন নদী গোপন বন্দরে থমকে গেলে

বোধেরা ভীষণ লজ্জা পায়,

অন্ধকারের ক’টা মানুষ টলতে টলতে…

হাতে হাত রাখে ব্যাকুল বৈঠায়।

 

আজও অগণিত জন্ম ঘুমিয়ে রয়েছে বলে

সমুদ্রেরও থাকে বিবর্ন ছায়া,

জলের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ঘুমন্ত ঢেউ

ছাড়েনা জোয়ারের চির মায়া।

 

জোয়ার- ভাটার গতিবিধি ঝুলে আছে

অন্তরের বিশুদ্ধ পেয়ালায়…..

বেছে নাও- নিতে হয়- ধ্যানের আসনে

সংরক্ষিত জীবনের বনছায়।

 

সকালের সূর্যস্নানে শুদ্ধ হবে, ভেবে যারা

মুখস্ত করে বিকেলের গান,

অনাগত সত্যের সুধা সঞ্চার মরুদ্যানে

হতে তো পারে বিরহ পূরাণ।

 

রাত্রির নৈঃশব্দে শূদ্ধতম ধূসর আঁধারে

যদি পাও জোনাকি পোকা,

প্রার্থনার প্রথম নকশিকাঁথা বিছিয়ে দাও

ভেবো না! তুমি যে বড় একা….. ।

 

লেখক,

কবি ও প্রাবন্ধিক

নাসের ভুট্টো

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ দীঘিভরা প্রাচীন মেঘ’।

শোক সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।   

দৈনিক রুদ্রবার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম পাইলট এর সেজ খালাম্মা ও শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মোক্তারের চর ইউপি’র সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ নূরুল হক বেপারির স্ত্রী মোছাম্মদ মাসুদা বেগম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮-৩০ মিনিটের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

 

(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

পুত্র দুই কন্যা সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। 

 

মোক্তারের চর ইউনিয়ন এর মহিষখোলা নিজ গ্রামে বাড়ীর নিকট মসজিদে বাদ আসর জানাজার নামাজ শেষে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। 

শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন,দেশ ২৪ নিউজ.কম এবং নিউজ ২৪.লাইন.কম তাহার মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশের সাথে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

 

ছাইস্বর্ণ অম্লজলে ভাসমান কবি মানিক বৈরাগী – কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক নাসের ভূট্টো।

কবি মানিক বৈরাগীর কাব্য মানসের বৈশিষ্ট অন্যত্র, সমকালীন কাব্য সতীর্থ থেকে পৃথক। আধুনিক কবির রোমান্টিক গীতি ধর্মিতার চেয়ে মহাকবির ক্লাসিক ধৈর্য্ তাঁর মানস গঠনে বিশিষ্টতা দিয়েছে তাই প্রতিটি গ্রন্হের জন্য একটি পৃথক এবং সামগ্রিক চেতনা ধারনে তিনি তৎপর। একটি কাব্যগ্রন্হের জন্যে সামগ্রিক চেতনা রূপায়ন আধুনিক বাংলা কাব্য পরিত্যাগ করেছিল- কবি মানিক বৈরাগী তা পুনর্বিবেচনা করেছেন। কবি মানিক বৈরাগীর কবিতার মৌল প্রবণতা তার ইতিহাস চেতনা মহাকালের ইশারা থেকে উৎসারিত যে সমাজ সময়চেতনা – সে সময়ের মধ্যে সংস্হাপিত মানুষের জৈবিক অস্তিত্ব এবং পরিণতি লিপিবদ্ধ করা। কবি মানিক বৈরাগী যে কারনে আলাদা সেটি হল- এ জনপদের ভয়াল শ্বাপদ রূপের পাশাপাশি সম্ভাবনাও তিনি আবিস্কার করেছেন। চিত্রের যেদিকটি আবিস্কার করেছিলেন এস,এম সুলতান- কবি মানিক বৈরাগী তাঁর কবিতায় সেই কাজটি করেছেন। সুলতানের চিত্রকলায় আমরা পাই, কৃষি নির্ভর সমাজের পেশীবহুল মানুষ, সেই সময়ের সংগ্রামশীলতা। কবি মানিক বৈরাগীর কবিতা পড়ুয়ার পাঠ-অভিজ্ঞতাকে মাঝে মাঝে অতিক্রম করে যেতে চায়। মানিক বৈরাগী বৈচিত্র পিয়াসীমন, তাঁর একটি গ্রন্হ থেকে আরেকটি গ্রন্হ সৃষ্টিগ্রাহ্যভাবে আলাদা হয়ে যায়। যদিও পরিণামের একটি লক্ষ্যে তাঁর অভিজ্ঞতা মানিক বৈরাগী’র কাব্যগ্রন্হের নাম বিবেচনায় সে সত্য ধরা পড়েঃ ‘গহিনে দ্রোহ নীল’, ‘শুভ্রতার কলংঙ্ক মুখস্হ করেছি’, ‘নৈনিতালের দিন’, ‘শের এ মানিক বৈরাগী’ এবং এবারের বইমেলার চুড়ান্ত রূপায়ণের আত্বজ কাব্য বৃক্ষ ‘ ছাইস্বর্ণ অম্লজলে ‘। গ্রন্হটি আগামী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত। বইটি উৎসর্গ করেন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বাংলার নদীমাতৃক কবি মোহাম্মদ রফিক কে। নান্দনিক প্রচ্ছদ করেছেন রাজীব দত্ত। বইটির ফ্লেপ লিখে কাব্যটি সমৃদ্ধ করেছেন দরিয়া পাড়ের নিভৃতচারী কবি আলম তৌহিদ।
মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক পরিবারের সন্তান মানিক বৈরাগী মূলত খেলাঘর আসর ও উদীচী শিল্পগোষ্টীর হাত ধরে কৈশোর বয়সেই লেখালেখি শুরু করেন। তার রচনার মধ্যে শিশুতোষ গ্রন্হঃ ‘ বন বিহঙ্গের কথা’, ‘ ইরাবতী ও কলাদান’ এটি ইংরেজী ও বার্মিজ ভাষায় প্রকাশিত হয়। তিনি সম্পাদনও করেন ছোট কাগজ ‘ গরাণ’।
কবির ক্ষেত্রে কোন বিবেচনা চুড়ান্ত নয়। মানব মনের বিচিত্রমুখী চেতনার সবটুকু সে ধারন করতে চায়। একই দর্শনে স্হিতি থাকা কবির ধর্ম নয়।
কবি মানিক বৈরাগীর কবিতায় জীবনযাপন লক্ষ্য করা গেলেও তাঁর হাহাকার তাঁর কাছে বর্তমানের মুল্য সর্বাধিক কারন তার মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যত নির্মাণের প্রতিশ্রুতি। কবি মানিক বৈরাগী’র কাছে অতীতের যে মুল্য তা ইতিহাসের ধাম্ভিকতার মধ্যে রয়েছে। মানিক বৈরাগী মানুষের ক্রমিক উন্নতির সম্ভাবনার আস্হাশীল। কবিকে হতে হবে বর্তমানের প্রতি দায়িত্ববান এবং ভবিষ্যতের দ্রষ্টা।
পঞ্চম পর্বে বিভক্ত ‘ ছাইস্বর্ণ অম্লজলে’ কাব্যগ্রন্হটি। যথাক্রমে ‘ চাঁদমারি বনে জোসনার প্লাবনে’, ‘ দীপ্র চেতনা পুড়ে সবুজ রশ্মিতে’, ‘ হায় ফেরারী জীবন’, ‘ পরাণ কাঁদে গহীন গাঙ্গে’, ও ‘ অবরূদ্ধ সময়ের কবিতা- ধরিত্রীমাতার আহবান’,। সব মিলিয়ে উনাশিটি কবিতার সমাহারে অনন্য মাত্রায় অভিযোজিত হয়েছে। স্বোপার্জিত অভিঞ্জতা, স্বতন্ত্র মনোভঙ্গি কাব্যটিকে নিশ্চয় পাঠকের দরবারে বিশেষ মর্যাদা লাভে অভিষিক্ত করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
মানুষের জীবনে খন্ড় খন্ড় অভিজ্ঞতার সমাবেশ। সেই সমাবেশে নানা রঙ – আনন্দ, বেদনা, সুখ ও দুঃখের অনির্বচনীয় এক অনুরণন। সময়ের ক্যানভাসে এইসব অনুরণন নানা বর্ণবিভায় উদ্ভাসিত হয়। তেমনি ‘ ছাইবর্ণে অম্লজলে’র কাব্যগ্রন্হের ‘ বসন্তের বুনো রাতে’ কবিতার প্রথম স্তবকটি গভীর আবেগে একবার পড়তে চাই-
‘ বসন্তের গভীর রাতে মুখোমুখি দুজনে
চোখে চোখ রেখে গলা ডুবিয়ে পান করবো’।
কবি মানিক বৈরাগীর প্রেম ও বিদ্রোহের মধ্যে কোন বিরোধ নেই, বরং তা একই উৎসের দুই পরিপূরক প্রতিভাস। যে আন্তর – প্রেরণায় তিনি অধরা নারীকে পাবার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন, ব্যর্থতায় হয়ে পড়েন বিষন্ন, সেই একই প্রেরণায় সত্য-সুন্দর-মঙ্গল প্রতিষ্টায়, স্বাধিকারের বাসনায় তিনি উচ্ছারণ করেন প্রেমের অমুল্য বাণী। প্রেমের অঙ্গনে অধরা নারীর জন্য নিরুদ্দেশ যাত্রা শুরু হয়েছে কাব্যচর্চার প্রারম্ভ থেকেই, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ যেমন স্পর্শ করতে পারেন না রহস্যময়ী অপরিচিতার শাড়ির আঁচল, তেমনি পারেন না কবি মানিক বৈরাগীও। কিন্তু এতকাল এই ব্যর্থতার জন্য তাঁর তীব্র হাহাকারবোধ নেই বরং অভিঞ্জতালব্দ- দর্শনাশ্রিত হয়ে আবিস্কার করেছে প্রেমের শ্বাশত-সত্য। অপ্রাপ্তির যন্ত্রনার জন্য এখন আর হাহাকার নেই, নেই ব্যাকুলতা কিংবা বেদনার অলজ্জ চিংকার- বরং এখানে পাই তত্বলোকের উত্তীর্ণ হবার প্রশান্ত প্রতীতিঃ
‘ হাসপাতালের বেড়ে ব্যথাতুর দেহ
সচল মস্তিস্ক নিয়ে যায় ব্যাবিলনে
মনে পড়ে শামস কাবরিজি,
মনে পড়ে রুমির জীবন,
রুমিও চরম নিঃসঙ্গ ছিল,
গড্ডালিকা সমাজ প্রিয় পুত্রকে রেখেছিল দখলে’।
মৃত্যুচেতনা রোমান্টিক কবির স্বভাব লক্ষণ। ‘ছাইস্বর্ণ অম্লজলে’ কাব্যের ‘আমি মানুষ, দাস না’ কবিতায় মানিক বৈরাগীর এই বেঁচে থাকার লড়াই ধরা পড়েছে। তিনি শারীরিক ভাবে অসুস্হ। তারপরও ভুলেন নি হাসপাতালের বেড়ে শুয়ে রুমির নিঃসঙ্গ জীবন। পাঠকের আনুগত্য ও আকর্ষণ কেবল একজন কবির সৃষ্টিকর্মের মান ও উৎকর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং তাঁর জীবনাচার ও বিচিত্র বহুমুখী কর্মকান্ড় ও পালন করতে পারে একটা বড় ভুমিকা। কারণ, লেখকসত্বা কেবল লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, সেটি লেখকের জীবন ও সৃষ্টির ওপর যেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারে, তেমনই পারে পাঠকের অন্তর্গত কৌতুহল ও আকর্ষণকে আনুগত্যের নিগড়ে বাঁধতে। নন্দিত ও নিন্দিত লেখক মানিক বৈরাগী তেমনই একজন, যিনি জীবদ্দশায় ছাত্ররাজনীতি করতে গিয়ে দুইবার হামলায় পতিত হন। জোট শাসনামলে কারাবরন করেন। তারপরও সত্যকে মিথ্যার মোড়কে আবদ্ধ করেন নি। এখানে কবি প্রজ্ঞাশাসিত এবং অভিজ্ঞতালদ্ধ মানসতার স্পর্শে এসে হয়ে উঠেছে সংঘত, সংহত এবং শূন্যতা তথা বেদনার প্রতীকি- ধারক। যেমনঃ
‘ দৃশ্যত মাসউদ শাফি আজ আর নাই
আমিও আর রাতের সমুদ্রের রূপ দেখি নাই’
প্রকৃতির কবিকে প্রতীক রূপে ব্যবহার না করে চিত্তলোকে ঠাই দেওয়া একজন কবির আজন্ম স্বভাব। কবি মানিক বৈরাগী ‘ ছাইস্বর্ণ অম্লজলে’ কাব্যের ‘ঘুমনগর’ কবিতায় সমুদ্র যাপণের নষ্টালজিয়ায় সিক্ত হয়েছেন অকাল প্রয়াত কবি মাসুদ শাফির সাথে। জিকিরে জিকিরে কবির সত্বা প্রকাশ বিশেষ লক্ষনীয়। কবি মানিক বৈরাগীর কবিতা অনেকাংশে সরল, আধুনিক জটিলতা যা এসেছে তা সরলতাকে অবগাহন করতে যেয়ে। তাই জীবনান্দীয় যে নগর জটিলতাঃ ‘কখনো যেন আমাদের মনও নিজের নয়’, কিংবা কবি শামসুর রহমানের মায়ের কাছে অচেনা ভদ্রলোকের যে মানসিক নির্মিত প্রতিকৃতি।
আমাদের সময়ের বহুমাত্রিক আলোকমানুষ কবি মানিক বৈরাগী। এই কবির কাব্যমানসে রয়েছে ব্যক্তিমানুষ, জাতিমানুষ ও বিশ্বমানুষের সমীকৃতি ও প্রতীতি। কবিরূপে বহুল নন্দিত তিনি। এই অসাম্প্রদায়িক কবি সমকালিন জাতীয় পর্যায়েও এক তাৎপর্যপূর্ন কারুকৃৎ। চৈত্রের দুপুরে জলের তৃঞ্চায় কবি কিছু চাননা। হৃদয় যদি স্পর্শ করে হৃদয়, তবে কবি পৃথিবীতে উৎসর্গ করতে পারেন তাঁর ‘কবি বন্ধু’র জন্য। কবি প্রশ্ন করে খুঁজতে থাকেন, ভাত না ভালোবাসা মানুষের মৌলিক সমস্যা? কবি সন্দিহান তিনি কার জগতে বসবাস করেন। তাই তিনি অকপটে বলেন-
‘ মানুষ প্রাণী দিয়েছে মায়াবী যাতনা
কারনঃ আমি মানুষ ভালোবাসি’
কবি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে চান সমগ্র ধরায়, কারনঃ তিঁনি ভালোবাসার কাঙ্গাল। ভালোবাসা দিতে গিয়ে বারবার প্রতারিত হয়েছেন মানুষের কাছে। যখন ব্যর্থতা স্পর্শ করেছেন তখন তিনি বেদনাহত হৃদয়ে উচ্ছারণ করেছেন ‘আমি মানুষ ভালোবাসি’। ‘তুল্যমূল্য’ কবিতায় শাশ্বতিক বিরহকে তিনি আবিস্কার করতে পেরেছেন বলেই উপলব্দি করেছেন ‘মানু্ষ মানুষের জন্য’। তাই কবি মানিক বৈরাগী বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রেমের জগত প্রাপ্তি নয়, বরং অপ্রাপ্তি- মিলন নয় বরং বিরহই চিরায়ত সত্য,শাশ্বত প্রাপ্তি।
প্রত্যেক মহৎ কবি তাঁর নিজস্ব রাজধানীর সঙ্গে গভীর বিজড়িত থাকেন এবং প্রত্যেক সৃষ্টিকর্মেই তাঁর নিজস্ব নগরের একটা বিশেষ রূপ ধরা পড়ে – যা স্বতন্ত্র্য প্রাতিস্কিতায় অতুলনীয়। প্রত্যেক কবিতারই থাকে একটা নিজস্ব চরিত্র, স্বতন্ত্র্য, জলবায়ু, আলাদা বৈশিষ্ট, চাল-চলন,যানবাহন,খাবার-দাবার, স্বতন্ত্র্য ভুগোলের অবকাঠামোর কবিতার চালচিত্র তাঁর আত্মার এ স্বরূপ আমরা চিত্রিত দেখি- তার প্রকাশিত কাব্য ‘অম্লস্বর্ণ ছাইজলে’। কবির চুড়ান্ত শব্দ- ভালোবাসা। ভালোবাসার আলো-আঁধারী পথে চলতে গিয়ে কবি মানিক বৈরাগী নিরন্তর নিজেকে ভাংচুর করে প্রবলভাবে নিজেকে তৈরী করেন। বারবার ভালোবাসার শীৎকারে কাতর হয়ে তেলাওয়াত করেন ইবাদতের স্বাদ মন ও মননে। কবি মানিক বৈরাগীর ‘তেলাওয়াত’ কবিতার শেষ স্তবক একবার তেলাওয়াত করতে চাই পরম পবিত্রতায়।
‘ তুমিই আমার আখের জাহান
তোমাতেই করি ইবাদত….
তোমাতেই তেলাওয়াতে আল কোরআন’
কবির মানসলোকে তেলাওয়াতের ধরণ ভিন্ন হলেও এ কবিতায় ইবাদতের পরমসত্য অনন্ত-মধুর রূপে গ্রহন করেছেন এবং সমস্ত জাহানের সৌন্দর্যসন্ধানকেই আপন কবিসত্তার মৌল ব্রত। সাহিত্য অঙ্গনে শাশ্বত পরমার্থকে আবিস্কার, নিজস্ব প্রকৃতিবোধ এবং গীতল কাব্যরস সৃজনে কবি মানিক বৈরাগীর ‘ছাইস্বর্ণ অম্লজলে’ একটি বিশিষ্ট কাব্য। কেবল ভাবগত দিক থেকেই নয়, প্রকরণ- প্রকৌশলের দিক দিয়েও একথা সমান প্রযোজ্য। বিষয়ানুগ ভাষা-ব্যবহার, উপমা- রূপক- উৎপ্রেক্ষা ও সমাসোক্তি অলন্কারের শিল্পিত সৃজন এবং ভাবের অন্তরাশ্রয়ী গীতোময় গতিবেগে ‘ ছাইস্বর্ণ অম্লজলে’
কাব্য মানিক বৈরাগী-
কাব্যধারার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নির্মাণ।
রচনাকালঃ চৌদ্দই মার্চ দুইহাজার একুশ।
লেখক-
নাসের ভুট্টো
কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক।
1 2 3 13