ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমি’র ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউজ২৪লাইন:

শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারের মঞ্চে ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমী,র ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ দ্বি-পর্বে অনুষ্ঠানে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান বরেণ্য কবি লেখক, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও গুণীজনদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল মিলনায়তন।১ম_পর্ব
প্রধান অতিথি হিসাবে-
জনাব, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটওয়ারী
যুগ্ম মহাসচিব,
মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম।

উদ্বোধন মোঃ শিহাব রিফাত আলম
জাগ্রত মহানায়ক, কবি ও সংগঠক।
প্রধান আলোচক জেনারেল ড. মোঃ জামাল উদ্দিন ফকির
উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ফিলিপাইন।
বিশেষ আলোচনায় বক্তব্য রাখেন এবিএম সোহেল রশিদ, কবি ও অভিনেতা,
প্রফেসর ড. মো. দেলোয়ার হোসেন, কবি ও কথাসাহিত্যিক,
লায়ন ছিদ্দিকুর রহমান, কবি ও সংগঠক।
বিশেষ অতিথি ড. মির্জা গোলাম সারোয়ার পিপিএম, কবি, কথা সাহিত্যিক ও কলাম লেখক,
কৃষিবিদ ডা. আব্দুল হাকিম, কবি ও সংগঠক,
কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম শামীম, কবি ও
কথাসাহিত্যিক, মোঃ সায়দুল হক, কবি ও ছড়াকার।
আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন জহিরুল হক বিদ্যুৎ,
কবি ও আবৃত্তিশিল্পী। তানিয়া পারভীন তামান্না এশিয়ার সাহিত্য অঙ্গনের একজন কিংবদন্তি, ব্যাবস্হাপনা পরিচালক মাষ্টার কিচেন বাই তানিয়া তামান্না, নারী উদ্যোক্তা, রন্ধন শিল্পী, রান্না প্রশিক্ষক, কবি, লেখক, আবৃত্তি শিল্পী, টিভি প্রোগ্রামার এবং ট্রেইনি শেফ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল এন্ড রিসোর্ট (এক্স শেরাটন হোটেল) ঢাকা।

উপস্থিত ছিলেন ডক্টর মাহবুবুর রহমান এডিটর দ্যা গ্লোবাল ন্যাশন নিউজ পেপার।

প্রধান অতিথি হিসাবে-
আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি
মাননীয় মন্ত্রী
মুক্তি যোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়।

উদ্বোধক-জ্ঞান তাপস প্রাকৃতজ শামীম রুমি টিটন
কবি, গবেষক ও বহুগ্রন্থ প্রণেতা।

প্রধান আলোচক কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী
কবি, গবেষক
সম্পাদক-
সভাপতি-জাতীয় কবিতা মঞ্চ।

বিমেষ অতিথি-ব্যারিস্টার পন্ডিত সুদর্শন দাস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য অঙ্গনের প্রধান সেনাপতি, এশিয়া মহাদেশের বিখ্যাত লেখক, গবেষক কবি ও সংগঠক শামসুল হক বাবু এবং মঞ্চে ছিলেন এশিয়া মহাদেশের বিখ্যাত লেখক, গবেষক ও কবি জহিরুল বিদ্যুৎ।

সার্বিক তত্বাবধানে
শ ম দেলোয়ার জাহান কবি
সংগঠক ও গবেষক
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমি।

উক্ত আয়োজনের প্রতিষ্ঠাতা শ ম দেলোয়ার জাহান, কবি, সংগঠক ও গবেষক এর
সঞ্চালনা করেন জাহানারা রেখা, কবি, শিক্ষক ও আবৃত্তিশিল্পী ও
বিবি ফাতেমা, কবি ও মানবাধিকার সংগঠক।
এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুদূর প্রবাসী (৫ম বার) গিনেস ওয়ার্ল্ড হোল্ডার রেকর্ডধারী ব্যারিস্টার পন্ডিত সুদর্শন দাস,
চেয়ারম্যান, তবলা এন্ড ঢোল একাডেমি, লন্ডন।
কবি, গবেষক ও বহুগ্রন্থ প্রণেতা মাহমুদুল হাসান নিজামী আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন
মোঃ মোসলেহ উদ্দিন, কবি ও সংগঠক, মোঃ আমিনুল ইসলাম, কবি ও সংগঠক, মোঃ মোশাররফ হোসেন মুছা, কবি, শিক্ষক, গবেষক ও সঙ্গীতশিল্পী।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অধ্যাপক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান, নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান,
কৃষিবিদ মাহবুব কবির তুষার, কবি ও সংগঠক,
মোঃ নুরুল আবছার ইমন, ইউপি চেয়ারম্যান, নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান,
মোঃ বেল্লাল হাওলাদার, কবি ও সংগঠক,
ড. মো. হাফিজুর রহমান লিটু, কবি, সংগঠক ও গবেষক,
কৃষিবিদ আব্দুস সালাম, উপ-পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর,
মোঃ আশরাফুল ইসলাম রানা, কবি ও সংগঠক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন কবি ও আবৃত্তিশিল্পী তাসনোভা তুশিন
এবং অনুষ্ঠানে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন ও বরণ করে নেন কবি, সংগঠক ও মানবাধিকার কর্মী বিবি ফাতেমা।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সম্মানিত কবি ও গুণিজনকে সম্মাননা স্মারক, পদক, সনদপত্র ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।
বেশ কয়েকজন গুণিজনেরা বক্তব্য রাখেন ও কবিতা আবৃত্তি করেন। এছাড়া গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হোল্ডার ব্যারিস্টার পন্ডিত সুদর্শন দাসের নিকট হতে লন্ডন হতে বিশেষ সম্মাননায় সনদ ও মেডেল পেয়ে ভূষিত হলে ডাক বাংলার সাহিত্য একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শ ম দেলোয়ার জাহান ও নির্বাহী সভাপতি বিবি ফাতেমা।
সঞ্চালনায় ছিলেন জাহানারা রেখা, কবি, শিক্ষক ও আবৃত্তি শিল্পী
এবং তাসনোভা তুশিন, কবি ও সংগঠক।
পরিশেষে সভাপতি শ ম দেলোয়ার জাহান অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দিয়ে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্রে এনামূল হকের হ্যাটট্রিক

 

নিউজ২৪লাইন:

সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্রে এনামূল হকের হ্যাটট্রিক

গল্পকার, লেখক এ এইচ এম এনামুল হকের ‘আর্জি’ চলচ্চিত্রটি এবার সরকারি অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি অনুদানের সিনেমায় হ্যাট্রিক করলেন গল্পকার এ এইচ এম এনামুল হক।

কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের ‘হৃদিতা’ উপন্যাসের চলচ্চিত্ররূপ দিয়ে শুরু। ২০১৯- ২০২০ অর্থবছরে ‘হৃদিতা’ নামের চলচ্চিত্রটি সরকারি অনুদান পায়। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক জুটি ইস্পাহানি আরিফ জাহান।

এনামুল হক রচিত ‘জলরঙ’ চলচ্চিত্রটি সরকারি অনুদান পায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন কবিরুল ইসলাম রানা। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ‘আর্জি’ নামের তৃতীয় চলচ্চিত্রটি সরকারি অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে তার। এই ছবিটির মাধ্যমে হ্যাট্রিক রেকর্ড করলেন তিনি। নির্মিতব্য ‘আর্জি’
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপু।

এনামুল সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা রহস্য উপন্যাস ‘ঘাট বাবু’র নাট্যরূপ দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য একক নাটক ‘জুনিয়র আর্টিষ্ট’, ‘তৃতীয় স্ত্রীর ভাগ্যলেখা’, টেলিফিল্ম, ‘প্রেমের পান্ডুলিপি’ ধারাবাহিক
নাটক ‘প্রফেশন’ দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল, যেগুলো পরিচালনা করেছেন
নির্মাতা মেহেদী হাসান সোমেন।

সিনেমা নাটকের পাশাপাশি গানও লিখে থাকেন এই চিত্রনাট্যকার। ড্রিমস শিরোনামের অডিও অ্যালবামের বেশ কটি গান লিখেছেন তিনি। কণ্ঠ দিয়েছেন প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী স্বপন চৌধুরী ও কানু। ‘ফিরে ফিরে চায়’ অ্যালবামের
সবকটি গান তার লেখা। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ইস্তাকুল হক রিপন। সঙ্গীত পরিচালক কাজী শরিফ আহমেদের সুরে প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী সুবির নন্দীর গাওয়া ‘রঙের মেলা’ গানটিও তার লেখা। ‘যত আরাধনা’ শিরোনামে তপন চৌধুরীর গাওয়া গানে সুর দিয়েছেন তিনি।

লেখালেখির পাশাপাশি সুবচন নাট্য সংসদের সদস্য হিসেবে মঞ্চে নিয়মিত অভিনয় করতেন এনামুল। প্রয়াত কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত ‘সবুজ সাথী’ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে টিভি মিডিয়ায় তার পথচলা শুরু। প্রয়াত নাট্য ব্যক্তিত্ব আব্দুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত ‘জীবন ছবির আলো আঁধার’
এবং ‘আপনজন’ নাটকেও অভিনয় করেন তিনি। উন্মাদ সম্পাদক আহসান হাবিব রচিত
‘আলীবাবা চল্লিশ স্মাগলার’ মিনহাজুর রহমান পরিচালিত ‘শিকার’ রোকেয়া প্রাচী পরিচালিত ‘কবি ও কবিতা’ তে সুঅভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন।

প্রয়াত চলচ্চিত্র পরিচালক জিল্লুর রহমানের ‘ইমানদার মাস্তান’ ও ‘স্বপ্নের ভালোবাসা’, মনোয়ার খোকন পরিচালিত ‘প্রেম সংঘাত’, শাহিন সুমন পরিচালিত ‘খালাস’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন।

এনামুল হক প্রয়াত মোহাম্মদ সামছুল হক ও জাহানারা বেগমের তিন পুত্র ও চার কন্যা সন্তানের মধ্যে সবার বড়। ১৯৬৭ সালের ৪ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার অধীনস্থ বুড়িচং থানার অর্ন্তগত ঐতিহ্যবাহী শংকুচাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

গোসাইরহাটে বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় পিচ ঢালাই, এলাকাবাসীর ফেসবুকে পোস্ট

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুর প্রতিনিধি :
শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় সোমবার বৃষ্টির মধ্যেই সড়কে পিচ ঢালা হয়েছে৷ এতে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷
সোমবার ৩০/৫/২০২২বেলা ১০ টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সজীব দে নামক আইডি বৃষ্টির ভিতর কাজ চলছে তার ছবি দিয়ে একটি পোস্ট করা হয় যা মুহূর্তের ভিতর ভাইরাল হয়ে যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, গোসাইরহাট উপজেলার সামন্তসার ইউনিয়নের লাবনকাঠি এলাকায় গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায়, শ্রমিকেরা বৃষ্টির ভিতর সড়কে পাথরের কণা ও বিটুমিনের গরম মিশ্রণ ফেলছেন৷ পড়েই সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়া উড়ছে। সড়কে পড়ে গরম পিচের মিশ্রণটি জমাট বাঁধার আগেই বৃষ্টির পানিতে ঠান্ডা হয়ে জমে যাচ্ছে।
এ সময় কাজের দেখভালের জন্য সরকারি কোন লোকজন ছিলোনা, সরকারি লোক অনেক পরে এসেছে। তিনি এসে দেখেন ঠিকাদারের লোকজন কাজ করতেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজান ও মো. ফারুক বলেন, সড়কে দুই ইঞ্চি পুরু পিচ ঢালার কথা৷ কিন্তু ঢালা হচ্ছে এক ইঞ্চির মতো৷ আবার পিচ ঢালার আগে গর্তও ভরাট করা হচ্ছে না৷ বৃষ্টির মধ্যেই পিচ ঢালা হচ্ছে৷ ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই সড়ক আগের অবস্থায় ফিরে আসবে৷ বৃষ্টির ভিতর পিচ ঢালার অনেক পরে রোলার আইছে। অল্প অল্প পিচ ঢেলে রাস্তার দুই পাশের এজেন্ট রোলার দিয়ে মাটির নীচে দাবিয়ে দিছে,যাতে বেশী বুঝা যায়। রাস্তায় যখন খোয়া ফেলেছিলো তখনো দুই নাম্বার ইট ব্যবহার করা হয়েছিলো।
একজন প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বৃষ্টির পানির মধ্যে সংস্কার করা এ সড়ক টিকবে না। কারণ, পিচের প্রধান শত্রু পানি।
গোসাইরহাট উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলের উপজেলা প্রকৌশলী দশরথ কুমার দাশ বলেন , ‘বর্ষার বৃষ্টির সময় সড়কের কাজ করা নিষিদ্ধ। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটা কেন করছে বা করল, তা খতিয়ে দেখছি।শুনেছি বৃষ্টি নামার আগেই কিছু কার্পেটং রেডি করা হয়েছিলো তা ই ঢালছে। আর কাজ করতে দেই নি।

উপসহকারী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন বলেন,গোসাইরহাট উপজেলার সামন্তসার ইউনিয়নের ৯ওয়ার্ডের হাসান সরদারের বাড়ি থেকে লাবনকাঠি মাদ্রাসা পর্যন্ত১২৫০ মিটার সড়কের ওপর দুই ইঞ্চি পুরু পিচ ঢালাইয়ের কাজের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম/এস তালুকদার এন্টারপ্রাইজ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫৫৫৯৫৭টাকা। তবে নিষেধ করা সত্বেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বৃষ্টির মধ্যে মধ্যেই কাজ করেছে।পরে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এম/এস তালুকদার এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী মিরাজ তালুকদার বলেন, কাজটি যদিও আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কিন্তু কাজটা করতেছেন গোসাইরহাটের আবেদ বেপারী তার সাথে যোগাযোগ করুন।

কবি নাসের ভূট্টো’র ‘কবিতা সমগ্র’ ও সামগ্রিক চেতনা – আলী প্রয়াস

কবি নাসের ভূট্টো’র কাব্য মানসের বৈশিষ্ট অন্যত্র, সমকালীন কাব্য সতীর্থ থেকে পৃথক। আধুনিক কবির রোমান্টিক গীতি ধর্মিতার চেয়ে মহাকবির ক্লাসিক ধৈর্য্ তাঁর মানস গঠনে বিশিষ্টতা দিয়েছে তাই প্রতিটি গ্রন্হের জন্য একটি পৃথক এবং সামগ্রিক চেতনা ধারনে তিনি তৎপর। একটি কাব্যগ্রন্হের জন্যে সামগ্রিক চেতনা রূপায়ন আধুনিক বাংলা কাব্য পরিত্যাগ করেছিল- কবি নাসের ভূট্টো তা পুনর্বিবেচনা করেছেন। কবি নাসের ভূট্টো’র কবিতার মৌল প্রবণতা তার ইতিহাস চেতনা মহাকালের ইশারা থেকে উৎসারিত যে সমাজ সময়চেতনা – সে সময়ের মধ্যে সংস্হাপিত মানুষের জৈবিক অস্তিত্ব এবং পরিণতি লিপিবদ্ধ করা। কবি নাসের ভূট্টো যে কারনে আলাদা সেটি হল- এ জনপদের ভয়াল শ্বাপদ রূপের পাশাপাশি সম্ভাবনাও তিনি আবিস্কার করেছেন। চিত্রের যেদিকটি আবিস্কার করেছিলেন এস,এম সুলতান- কবি নাসের ভূট্টো তাঁর কবিতায় সেই কাজটি করেছেন। সুলতানের চিত্রকলায় আমরা পাই, কৃষি নির্ভর সমাজের পেশীবহুল মানুষ, সেই সময়ের সংগ্রামশীলতা। কবি নাসের ভূট্টো কবিতা পড়ুয়ার পাঠ-অভিজ্ঞতাকে মাঝে মাঝে অতিক্রম করে যেতে চায়। নাসের ভূট্টো বৈচিত্র পিয়াসীমন, তাঁর একটি গ্রন্হ থেকে আরেকটি গ্রন্হ সৃষ্টিগ্রাহ্যভাবে আলাদা হয়ে যায়। যদিও পরিণামের একটি লক্ষ্যে তাঁর অভিজ্ঞতা নাসের ভূট্টো’র কাব্যগ্রন্হের নাম বিবেচনায় সে সত্য ধরা পড়েঃ ‘অনিবার্য ধুলো রোজই ওড়ে, দীঘিভরা প্রাচীন মেঘ, অন্তঃস্হ স্মৃতির কোঁচড়, ঈশ্বর এবং অন্ধকার সমুদ্র, বিনয়াবনত, সুন্দরের অনন্ত বৈভব এবং এবারের বইমেলার চুড়ান্ত রূপায়ণের আত্বজ কাব্য বৃক্ষ ‘ কবিতা সমগ্র ‘। গ্রন্হটি তৃতীয় প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত।  বইটি উৎসর্গ করেন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বাংলার নদীমাতৃক মানুষ প্রয়াত কৃষিবিদ জামাল আহমদ কে। নান্দনিক প্রচ্ছদ করেছেন রাশেদ আলম।

প্রথাবিরোধী লেখক নাসের ভূট্টো মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি তীব্র আকর্ষন। সাহিত্য- সংস্কৃতি- সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যুক্ত আছেন বিভিন্ন সংঘঠনের সাথে। নিয়মিত বর্ণচাষ করেন জীবন বিকাশের মতো ধীরে ধীরে। নাসের ভূট্টো মূলত নব্বই দশকের কবি। তিঁনি তার কাব্যসমগ্রে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন- উত্তাপ স্পর্শে ঘুরে যাওয়া গতিপথ, নির্বাসনে অর্জন করা আত্বশুদ্ধি ও মানুষের বিশ্বাসের অন্তঃসারশূন্যতা।

কবির ক্ষেত্রে কোন বিবেচনা চুড়ান্ত নয়। মানব মনের বিচিত্রমুখী চেতনার সবটুকু সে ধারন করতে চায়। একই দর্শনে স্হিতি থাকা কবির ধর্ম নয়।

কবি নাসের ভূট্টো কবিতায় জীবনযাপন লক্ষ্য করা গেলেও তাঁর হাহাকার তাঁর কাছে বর্তমানের মুল্য সর্বাধিক কারন তার মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যত নির্মাণের প্রতিশ্রুতি। কবি নাসের ভূট্টো’র কাছে অতীতের যে মুল্য তা ইতিহাসের ধাম্ভিকতার মধ্যে রয়েছে। নাসের ভূট্টো মানুষের ক্রমিক উন্নতির সম্ভাবনার আস্হাশীল। কবিকে হতে হবে বর্তমানের প্রতি দায়িত্ববান এবং ভবিষ্যতের দ্রষ্টা। ষষ্ট পর্বে বিভক্ত ‘কবিতা সমগ্র’ কাব্যগ্রন্হটি। সব মিলিয়ে দুইশত আটাশি টি কবিতার সমাহারে অনন্য মাত্রায় অভিযোজিত হয়েছে। স্বোপার্জিত অভিঞ্জতা, স্বতন্ত্র মনোভঙ্গি কাব্যটিকে নিশ্চয় পাঠকের দরবারে বিশেষ মর্যাদা লাভে অভিষিক্ত করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

মানুষের জীবনে খন্ড় খন্ড় অভিজ্ঞতার সমাবেশ। সেই সমাবেশে নানা রঙ – আনন্দ, বেদনা, সুখ ও দুঃখের অনির্বচনীয় এক অনুরণন। সময়ের ক্যানভাসে এইসব অনুরণন নানা বর্ণবিভায় উদ্ভাসিত হয়। তেমনি ‘কবিতা সমগ্র’র কাব্যগ্রন্হের ‘ বিরহ সমুদ্র’ কবিতার প্রথম স্তবকটি গভীর আবেগে একবার পড়তে চাই-

‘ যদি কেউ ভুলেও এই নষ্ট চোখে রাখে

আন্দোলিত চোখ

সে আর দেখবেনা পৃথিবীর সবুজ’।

কবি নাসের ভূট্টো’র প্রেম ও বিদ্রোহের মধ্যে কোন বিরোধ নেই, বরং তা একই উৎসের দুই পরিপূরক প্রতিভাস। যে আন্তর – প্রেরণায় তিনি অধরা নারীকে পাবার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন, ব্যর্থতায় হয়ে পড়েন বিষন্ন, সেই একই প্রেরণায় সত্য-সুন্দর-মঙ্গল প্রতিষ্টায়, স্বাধিকারের বাসনায় তিনি উচ্ছারণ করেন প্রেমের অমুল্য বাণী। প্রেমের অঙ্গনে অধরা নারীর জন্য নিরুদ্দেশ যাত্রা শুরু হয়েছে কাব্যচর্চার প্রারম্ভ থেকেই, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ যেমন স্পর্শ করতে পারেন না রহস্যময়ী অপরিচিতার শাড়ির আঁচল, তেমনি পারেন না কবি নাসের ভূট্টোও। কিন্তু এতকাল এই ব্যর্থতার জন্য তাঁর তীব্র হাহাকারবোধ নেই বরং অভিঞ্জতালব্দ- দর্শনাশ্রিত হয়ে আবিস্কার করেছে প্রেমের শ্বাশত-সত্য। অপ্রাপ্তির যন্ত্রনার জন্য এখন আর হাহাকার নেই, নেই ব্যাকুলতা কিংবা বেদনার অলজ্জ চিংকার- বরং এখানে পাই তত্বলোকের উত্তীর্ণ হবার প্রশান্ত প্রতীতিঃ

‘আমার ভেতরে বিদ্যমান

এক আশ্চর্য রকমের কবরস্হান’।

মৃত্যুচেতনা রোমান্টিক কবির স্বভাব লক্ষণ। ‘কবিতা সমগ্র’ কাব্যের ‘নেপথ্যে নির্ঘাস’ কবিতায় নাসের ভূট্টোর মৃত্যুভয় ধরা পড়েছে। পাঠকের আনুগত্য ও আকর্ষণ কেবল একজন কবির সৃষ্টিকর্মের মান ও উৎকর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং তাঁর জীবনাচার ও বিচিত্র বহুমুখী কর্মকান্ড় ও পালন করতে পারে একটা বড় ভুমিকা। কারণ, লেখকসত্বা কেবল লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, সেটি লেখকের জীবন ও সৃষ্টির ওপর যেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারে, তেমনই পারে পাঠকের অন্তর্গত কৌতুহল ও আকর্ষণকে আনুগত্যের নিগড়ে বাঁধতে। নন্দিত ও নিন্দিত লেখক নাসের ভূট্টো তেমনই একজন, যিনি খুব কাছ থেকে মৃত্যুকে দেখেছেন। জোট শাসনামলে কারাবরন করেন। তারপরও সত্যকে মিথ্যার মোড়কে আবদ্ধ করেন নি। এখানে কবি প্রজ্ঞাশাসিত এবং অভিজ্ঞতালদ্ধ মানসতার স্পর্শে এসে হয়ে উঠেছে সংঘত, সংহত এবং শূন্যতা তথা বেদনার প্রতীকি- ধারক। যেমনঃ

‘ নাগরিক কৌমুদীর পশ্চাতে

আমিও তোমাতে কিছুটা বিলীন’

প্রকৃতির কবিকে প্রতীক রূপে ব্যবহার না করে চিত্তলোকে ঠাই দেওয়া একজন কবির আজন্ম স্বভাব। কবি নাসের ভূট্টো ‘কবিতা সমগ্র’ কাব্যের ‘বিধুবদন’ কবিতায় সমুদ্র যাপণের নষ্টালজিয়ায় সিক্ত হয়েছেন অকাল প্রয়াত প্রেমিকার সাথে। জিকিরে জিকিরে কবির সত্বা প্রকাশ বিশেষ লক্ষনীয়।

কবি নাসের ভূট্টো কবিতা অনেকাংশে সরল, আধুনিক জটিলতা যা এসেছে তা সরলতাকে অবগাহন করতে যেয়ে। তাই জীবনান্দীয় যে নগর জটিলতাঃ ‘কখনো যেন আমাদের মনও নিজের নয়’, কিংবা কবি শামসুর রহমানের মায়ের কাছে অচেনা ভদ্রলোকের যে মানসিক নির্মিত প্রতিকৃতি।

আমাদের সময়ের বহুমাত্রিক আলোকমানুষ কবি নাসের ভূট্টো। এই কবির কাব্যমানসে রয়েছে ব্যক্তিমানুষ, জাতিমানুষ ও বিশ্বমানুষের সমীকৃতি ও প্রতীতি। কবিরূপে বহুল নন্দিত তিনি। এই অসাম্প্রদায়িক কবি সমকালিন জাতীয় পর্যায়েও এক তাৎপর্যপূর্ন কারুকৃৎ। চৈত্রের দুপুরে জলের তৃঞ্চায় কবি কিছু চাননা। হৃদয় যদি স্পর্শ করে হৃদয়, তবে কবি পৃথিবীতে উৎসর্গ করতে পারেন তাঁর ‘কবি বন্ধু’র জন্য। কবি প্রশ্ন করে খুঁজতে থাকেন, ভাত না ভালোবাসা মানুষের মৌলিক সমস্যা? কবি সন্দিহান তিনি কার জগতে বসবাস করেন। তাই তিনি অকপটে বলেন-

‘ঈশ্বর জানে না

তার ব্যাখাও বিস্তৃতি

অথচ মানুষ ঈশ্বর বিশ্বাসী’

কবি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে চান সমগ্র ধরায়, কারনঃ তিঁনি ভালোবাসার কাঙ্গাল। ভালোবাসা দিতে গিয়ে বারবার প্রতারিত হয়েছেন ঈশ্বরের কাছে। যখন ব্যর্থতা স্পর্শ করেছেন তখন তিনি বেদনাহত হৃদয়ে উচ্ছারণ করেছেন ‘আমি মানুষ ভালোবাসি’। ‘মানুষ ও ঈশ্বর’ কবিতায় শাশ্বতিক বিরহকে তিনি আবিস্কার করতে পেরেছেন বলেই উপলব্দি করেছেন ‘মানু্ষ মানুষের জন্য’। তাই কবি নাসের ভূট্টো বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রেমের জগত প্রাপ্তি নয়, বরং অপ্রাপ্তি- মিলন নয় বরং বিরহই চিরায়ত সত্য,শাশ্বত প্রাপ্তি।

প্রত্যেক মহৎ কবি তাঁর নিজস্ব রাজধানীর সঙ্গে গভীর বিজড়িত থাকেন এবং প্রত্যেক সৃষ্টিকর্মেই তাঁর নিজস্ব নগরের একটা বিশেষ রূপ ধরা পড়ে – যা স্বতন্ত্র্য প্রাতিস্কিতায় অতুলনীয়। প্রত্যেক কবিতারই থাকে একটা নিজস্ব চরিত্র, স্বতন্ত্র্য, জলবায়ু, আলাদা বৈশিষ্ট, চাল-চলন,যানবাহন,খাবার-দাবার, স্বতন্ত্র্য ভুগোলের অবকাঠামোর কবিতার চালচিত্র তাঁর আত্মার এ স্বরূপ আমরা চিত্রিত দেখি- তার প্রকাশিত কাব্য ‘কবিতা সমগ্র’। কবির চুড়ান্ত শব্দ- ভালোবাসা। ভালোবাসার আলো-আঁধারী পথে চলতে গিয়ে কবি নাসেে ভূট্টো নিরন্তর নিজেকে ভাংচুর করে প্রবলভাবে নিজেকে তৈরী করেন। বারবার ভালোবাসার শীৎকারে কাতর হয়ে তেলাওয়াত করেন ইবাদতের স্বাদ মন ও মননে। কবি নাসের ভূট্টোর ‘দাখিলা’ কবিতার শেষ স্তবক একবার তেলাওয়াত করতে চাই পরম পবিত্রতায়।

‘ ডাকঘর ফাঁকা…

কেন কাঁদে নিঃসঙ্গ ভেতরের অন্তরঙ্গ মানুষ’

কবির মানসলোকে তেলাওয়াতের ধরণ ভিন্ন হলেও এ কবিতায় ইবাদতের পরমসত্য অনন্ত-মধুর রূপে গ্রহন করেছেন এবং সমস্ত জাহানের সৌন্দর্যসন্ধানকেই আপন কবিসত্তার মৌল ব্রত। সাহিত্য অঙ্গনে শাশ্বত পরমার্থকে আবিস্কার, নিজস্ব প্রকৃতিবোধ এবং গীতল কাব্যরস সৃজনে কবি নাসের ভূট্টোর ‘কবিতা সমগ্র’ একটি বিশিষ্ট কাব্য। কেবল ভাবগত দিক থেকেই নয়, প্রকরণ- প্রকৌশলের দিক দিয়েও একথা সমান প্রযোজ্য। বিষয়ানুগ ভাষা-ব্যবহার, উপমা- রূপক- উৎপ্রেক্ষা ও সমাসোক্তি অলন্কারের শিল্পিত সৃজন এবং ভাবের অন্তরাশ্রয়ী গীতোময় গতিবেগে ‘কবিতা সমগ্র’ কাব্য নাসের ভূট্টোর- কাব্যধারার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নির্মাণ।

 

লেখক

আলী প্রয়াস 

কবি ও প্রকাশক।

ইসলামিক বিশ্ববিদ্যাল” মফিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক প্রেমিকা ১০জোরা আটক

নিউজ২৪লাইন:
সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে বাবা-মার কতইনা মাথার ঘাম পায়ে পড়ে তা শুধু বাবা-মায়ের বুঝে সন্তানকে কখনোই বুঝতে দেয়না তাদের লেখাপড়ার খরচ টা কত কষ্ট করে বাবা-মা সংগ্রহ করে
ইবি:  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ‘মফিজ লেক’ এলাকায় অভিযানে ১০ জোড়া বহিরাগত নাবালক প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা।

ক্যাম্পাস প্রশাসন সুত্র জানিয়েছে, আটককৃত প্রেমিক যুগলের অধিকাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক ও স্কুল পড়ুয়া। তাদের বাড়ি ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এলাকায়। পরে তাদের নিজ নিজ পরিবারকে জানিয়ে পরবর্তীতে ছেলেমেয়েরা এমন কর্মকাণ্ড না করার প্রতিশ্রুতি দিলে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয় ।

সহকারী প্রক্টর ড. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মফিজ লেক’ এলাকায় সকালে অভিযান চালায়। এ সময় সহকারী প্রক্টর ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা রোজদার আলী রুপম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সহকারী প্রক্টর ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক এলাকায় বহিরাগত স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত খবর পেয়ে আমরা সেখানে যায়। এরপর তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আমাদের উচিত আমাদের সন্তানরা কে কোথায় যায় সেটা দিকে আমাদের নজর রাখা তারা লেখাপড়ার ফাঁকে কি কাজগুলো করে সেগুলো আমাদের অনুসন্ধান করা শুধু সন্তান তার কোন বন্ধুর সাথে চলাফেরা করে একটু আমাদের খেয়াল রাখা দরকার তাহলেই আমাদের সন্তানরা ভালো কিছু করার সম্ভাবনা আছে আমাদের সন্তানরা স্কুল-কলেজে যাবে এটা হতে পারে না ঈদের সব সময় আমাদের খোঁজখবর নেওয়া উচিত।

সুশিক্ষা চাই (সুশিচা) কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

নিজিস্ব প্রতিবেদকঃ

শিক্ষামূলক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কমিটি গঠিত হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি কর্পোরেশন অবস্থিত শিক্ষামূলক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ের দৃঢ় পরিকল্পনা থেকে নামকরণ করে ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন শিক্ষামূলক সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজ করে যাচ্ছে।

 

বিগত দিনগুলোতে সংগঠনটি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি, কাগজ-কলমসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, করোকালীন মহা-দুর্যোগে জনসচেতনতা মুলক প্রচার প্রচারণা, সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাক্স বিতরন, প্রতি বছর ঈদে দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেমাই চিনি ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, অতি দরিদ্র শিশুদের ঈদের পোশাক বিতরণ, সহ নানামুখী উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছে।

(০১ মার্চ ২০২২) মঙ্গলবার রাত ১২টায় সংগঠনের কার্যালয়ে উপদেষ্টা মন্ডলীদের উপস্থিতি পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান হয়েছে সাবেক ছাত্রনেতা শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায় লক্ষ রুমেল ইসলাম শান্ত (বাবু), মহাসচিব মোঃ আনিসুল ইসলাম (আনিস) নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।

1 2 3 19