নারায়ণগঞ্জে মিশর হত্যা মামলার রায় : একজনের ফাঁসি, দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিউজ২৪লাইন:

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগ‌ঞ্জের বন্দরে হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে আরও দুই আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান সোমবার সকাল পৌনে ১০ টায় এই রায় ‌দেন। রায় ঘোষনার সময় তিন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী নবীগঞ্জ এলাকার দেলোয়ার হোসনের ছেলে মিঠু আর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নোয়াদ্দা এলাকার মঞ্জুর হকের ছেলে মুন্না এবং নোয়াদ্দা এলাকার বংগার ছেলে শয়ন।বন্দরের কাইতাখালী এলাকার মৃত শফিউদ্দিন সিকদারের ছেলে মিজান সিকদার মিশর খু‌নের শিকার হন। সে গাজীপুরে একটি ডাইং কারখানায় কাজ করত। সে ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পাওনা মাত্র ৫০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মিজান সিকদার মিশরের সাথে তর্ক-বির্তক হয় নোয়াদ্দা এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মিঠুর । ২০১৯ সালে ২৩ জুলাই রাতে মশার কয়েল কিনতে দোকানে গেলে মিঠু ও তার সহযোগীরা মিজান সিকদার মিশরকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা উপজেলা কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রসিকিউশন শাওন শায়লা জানান, ঘটনার পর দিন নিহতের ভাই সানি বাদী হয়ে মিঠুকে প্রধান আসামি করে মামলা করে। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও ১২ জনের সাক্ষ্য–প্রমাণ শেষে মিঠুকে মৃত্যুদণ্ড, মুন্না ও শয়নকে যাবজ্জীবন প্রদান করেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের আরও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন, অনাদায়ে আরও ১ বছর সাজা প্রদান করেন।

মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই সানি জানান, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দ্রুত বিচার কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি। যাতে এই বিচার দেখে আর কেউ কোন মায়ের বুক খালি করার সাহস না পায়।

এদিকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুন্নার মা শাহিদা বেগম বলেন, আমার ছেলে অপরাধী না, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা ন্যায বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আদালতে যাবো।

শরীয়তপুরে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২২ পালিত

নিউজ২৪লাইন:
নুরুজ্জামান শেখ,শরীয়তপুর থেকে।

শরীয়তপুর জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হয়েছে। ৩ অক্টোবর ২০২২ সকাল ১১.০০ টায় বিশ্ব বসতি দিবস পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক এর সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিশ্ব বসতি দিবস পালন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো: পারভেজ হাসান, সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: মহিবুর রহমান, পিইঞ্জ, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, শরীয়তপুর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো: শাহজাহান ফরাজি, নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি, শরীয়তপুর, জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ডিডি মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক রনি, এই আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ এবং বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পের পরিচালকসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। প্রধান অতিথি হিসেবে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মো: পারভেজ হাসান গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন টেকসই স্থাপনা নির্মাণ করতে সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। এমন ভাবে বসতি নির্মাণ করতে হবে যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিরাপদে থাকতে পারে এবং এছাড়া গ্রামের সুবিধা এমভাবে নিশ্চিত করতে হবে যেন মানুষ শহরমূখী না হয়। গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মহিবুর রহমান, পিইঞ্জ, তাঁর বক্তব্যে বলেন ১৯৮৬ সাল হতে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এ বছর বিশ্ব বসতি দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে “বৈষম্য হ্রাসের অঙ্গীকার করি সবার জন্য টেকসই নগর গড়ি”। তিনি আরো বলেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই নগরী এবং সবার জন্য নাগরিক সুবিধা সম্বলিত আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। আলোচনা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২২ এর ব্যানারে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা গণপূর্ত বিভাগের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে বিএমএসএফ’র গভীর শোক

নিউজ২৪লাইন:

দৈনিক বাংলার সম্পাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থ হলে তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, শনিবার বেলা সাড়ে বারোটায় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে।

২০১৬ সালে একুশে পদক পাওয়া তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবনের শুরু ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে। ১৯৫৫ সালে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। এরপর ১৯৬৪ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হয় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি।
এরপর নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন তিনি।

ডামুড্যা ৬নং বিশাকুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে পুকুরের আজিজুলের বস্তাবন্ধী লাশ উদ্ধার

ডামুড্যা থেকে
নিউজ২৪লাইন:

ডামুড্যা মুসলিম হাই স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষক মরুহুম
আলী হোসেন স্যারের ছোট ছেলে আজিজুল ইসলাম (মাসুম) বয়স ৪০ গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ কোথায় ওতারে খুঁজে পাওয়া যায় নাই। তার পরিবার পরিজন কোথায় ও খুজে পায় নাই আজ ০২/১০/২০২২ রোজ রবি বার সকালে বিশাকুড়ি ৬নং প্রাইমারী সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত পুকুরে বস্তা বন্ধি লাশ পাওয়া গেছে । ডামুড্যা থানার প্রশাসন বিভাগ ডামুড্যা উপজেলা চেয়ার ম্যন জনাব ,আলমগীর মাঝী উপস্থিত থেকে ডোবা থেকে বস্থা বন্ধি লাশ উঠানো হয় ।কে বা কাহারা এই নির্মম ভাবে তারে হত্যা করছে এখন ও জানা যায় নাই প্রশাসন বিভাগ তদন্ত করতেছেন ।ভক্তভূগি পরিবার
এই হত্যার বিচার এর দাবী জানাছেন ।

সন্ত্রাসী হামলার শিকার উত্তর কৃষকলীগের সভাপতি

নিউজ২৪লইন:
নিজস্ব প্রতিবেদক।।

সন্ত্রাসী খলিল বাহীনির হামলা থেকে জীবন নিয়ে বেঁচে ফিরেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর কৃষকলীগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মো. মাকসুদুল ইসলাম ।
এই হামলার ঘটনায় মো. মাকসুদুল ইসলাম সহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে রাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এতে ক্ষত স্থানে ২৪টি সেলাই দিতে বাধ্য হউন চিকিৎসক।
শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াই টায় পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-ই, বাউনিয়াবাধ, শতক পাম্পের পশ্চিম পাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
পরে রাতে পল্লবী থানা পুলিশের সহায়তায় মো. মাকসুদুল ইসলাম ও তার পার্টনার ফারুক হাসানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসর জন্য ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন মো. মাকসুদুল ইসলাম ও তার পার্টনার ফারুক হাসান।
ঘটনার পরদিন মো. মাকসুদুল ইসলাম বাদী হয়ে পল্লবী থানায় ১৮ জন সহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মাকসুদুল ইসলাম বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত অনুমান ০২.৩০ ঘটিকায় খলিলুর রহমান খলিল (কসাই খলিল), তারেক, বুলবুল মল্লিক, মান্নান, জাহিদ, সাদ্দাম (কসাই সাদ্দাম), কামাল আজিজ (কালা আজিজ), বিল্লাল, জালাল, রিপন, সফিক, মাইছা খলিল, শেখ ফরিদ (বাইট্টা ফরিদ), নুর হোসেন, সানি, মো. খোকন (রিক্সা খোকন), কালু সহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন বে-আইনী জনতাবদ্ধে হাতে চাপাতি, লোহার রড, কাঠের বিট নিয়া পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-ই, বাউনিয়াবাধ, শতক পাম্পের পশ্চিম পাশে নিম্নে তফসিল বর্ণিত আমার মালিকানাধীন জমির ভিতরে অনধিকারভাবে প্রবেশ করে আমার কেয়ারটেকার সাদ্দাম’কে ডেকে আমার কাছ থেকে চাঁদার টাকা সংগ্রহ করে রাখছে কিনা জিজ্ঞাসা করে। কেয়ারটেকার চাঁদার টাকা দিতে মানা করলে খলিল বাহীনি আমার ক্রয়কৃত বর্ণিত জমি জোরপূর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। কেয়ারটেকার সাদ্দাম তাদেরকে এহেন কাজে বাধা দিলে তার উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায় এবং এলোপাতারীভাবে মারপিট করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। সংবাদ পেয়ে আমি আমার বন্ধু শেখ শওকত (৫০), আমার পার্টনার ফারুক হাসান (৫৩) তাদেরকে সাথে নিয়া তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়া সন্ত্রাসী খলিল বাহীনির মারামারিতে বাধা দিলে তারা আমাদেরকের মারধর করে। ১নং বিবাদী তাহার হাতে থাকা ধারাল চা-পাতি দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথার উপর কোপ মারিয়া গুরুতর রক্তাক্ত কাটা জখম করে। ২ নং বিবাগদী তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া আমার পার্টনার ফারুক হাসানের ডান পায়ের উপর বারি মেরে হাড় ভাংগা জখম করে। ৩নং বিবাদী তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া আমার ডান পায়ের উপর বারি মারিয়া নীলাফুলা জখম করে। ৪নং বিবাদী তার হাতে থাকা রড দিয়া আমার ডান কানের উপর আঘাত করে নীলাফুলা জখম করে তাদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়া আমার মাথায়, বুকে, পিঠে, দুইহাতে ও দুই পায়ের উপর এলোপাতারীভাবে পিটাইয়া নীলাফুলা জখম করে। তাহাদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার বন্ধু শেখ শওকতের মাথায়, বুকে, পিঠে, দুই হাতে ও দুই পায়ের উপর এলোপাতারীভাবে পিটাইয়া নীলাফুলা জখম করে। আমার পার্টনার ফারুক হাসানের মাথায়, বুকে, পিঠে, দুই হাতে ও দুই পায়ের উপর এলোপাতারীভাবে পিটাইয়া নীলাফুলা জখম করে। অন্যান্য অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা তাহাদের হাতে থাকা কাঠের বিট দিয়ে আমার কেয়ারটেকার সাদ্দামের মাথায়, বুকে, পিঠে, দুই হাতে ও দুই পায়ের উপর এলোপাতারীভাবে পিটাইয়া নীলাফুলা জখম করে। ১নং বিবাদী আমার গলায় থাকা ৩ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন মূল্য অনুমান ২,৩২,০০০/- (দুই লক্ষ বত্রিশ হাজার) টাকা নিয়া যায়। ২নং বিবাদী আমার গাড়ীতে থাকা একটি সাইড ব্যাগ যাহার মধ্যে থাকা নগদ ৫,৫০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়া যায়। আমার বন্ধু শেখ শওকত কৌশলে পালাইয়া গিয়া ৯৯৯ নম্বরে ফোন করিলে পল্লবী থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইলে বিবাদীরা পরবর্তীতে আমাকে সুযোগমত পাইলে প্রানে শেষ করে দিবে বলে হুমকী দিয়া চলে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উদ্ধার করে আনে।
আমি যেন খলিল ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে কনো মামলা না করি সে জন্য আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করা হয়েছে যার প্রমান আমার অফিসে থাকা সাংবাদিক বৃন্দরা তারা সে সময় আমার অফিসে উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ পারভেজ ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন সেকশন-১১, ব্লক-ই, বাউনিয়াবাধ, শতক পাম্পের পশ্চিম পাশের জায়গাটি দুই পক্ষ দাবি করছিল রাতের বেলায় এক পক্ষ কাজ করছিল পরে মাকসুদুল ইসলাম ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশকে সাথে নিয়ে ঘটনা স্থলে গেলে দুইজনের মধ্যে মারামারি হয়, একপর্যায়ে দুই পক্ষই আহত হয়। পরে দুই পক্ষ থানাতে অভিযোগ দিলে দুই পক্ষরি মামলা আমরা নিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা খলিলে পক্ষের একজনকে গ্রেফতার করেছি এবং বিষয়টির তদন্ত চলমান রয়েছে।

জাজিরায় মা ইলিশ সংরক্ষণ নিয়ে জনসচেতনতা মূলক সভা

নিউজ২৪লাইন:

রতন আলী মোড়ল, জেলা প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ছাত্তার মাদবর ও মঙ্গল মাঝীরঘাটে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২২খ্রীঃ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাজিরা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৯-সেপ্টেম্বর) বেলা এগারোটায় সচেতনতা মূলক উক্ত সভা শুরু হয়ে বেলা বারোটায় তা শেষ হয়।

পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন খার সভাপতিত্বে উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ কামরুল হাসান সোহেল, জাজিরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল বাশার এবং মাঝীরঘাট নৌ-পুলিশ ফাড়ির আইসি মোঃ জহিরুল হক।

উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পূর্ব নাওডোবার মাদবর পরিবারের মুরুব্বি নেছার উদ্দিন মাদবর, পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ ও জেলেগন।

সভায় আরও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ মা ইলিশ সংরক্ষণে সবাইকে অধিকতর সচেতন থাকার পাশাপাশি ৭-২৮ অক্টোবর মোট ২২দিন মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ি- ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

রিদয় হাসান সুমন :
শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুরের নড়িয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় একজনের মৃত্যুর ঘটনায় ওই গ্রামের নিরপেক্ষ ও আসামীদের বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুট-পাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার (২৮) সেপ্টেম্বর শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মোক্তারের চর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মৃধা কান্দী গ্রামে জমির বিরোধ নিয়ে মৃত করিম মুন্সীর ছোট ছেলে মতু মুন্সী (৩০) কে কুপিয়ে হত্যা করে একই গ্রামের আবু মৃধার ছেলে ইকবাল মৃধা(৩২),মোখলেস মৃধা(৩৮), বাদল মৃধা(২৭) সহ আরো ১০/১৫ জন তারই সুত্রে ধরে নিহত মতু মুন্সির দলের লোকেরা ওই গ্রামের নিরপেক্ষ লোকের বাড়ি সহ আসামীদের ১৫ টি বাড়ি- ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেন এবং বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় এতে বাড়িতে থাকা নারী শিশুদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করে। অনেক বাড়ি ঘরের লোক তাদের বাড়ি ছেরে অন্যত্রে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী প্রবাসী রফিক মৃধা মোবাইল ফোনে বলেন,আমরা ৩ ভাই প্রবাসে থাকি বাড়িতে পুরুষ মানুষ কেউ থাকে না দুই গ্রুপের কোন পক্ষের সাথেই আমরা দল বা সমর্থন করি না কিন্তু গতকাল মতু মুন্সি নিহত হওয়ার পরে আমাদের ৩ ভাইয়ের ঘরে চান মিয়া হাওলাদার এর ছেলে রমজান হাওলাদার ও আল আমিন হাওলাদার,নুর ইসলাম হাওলাদার এর ছেলে সেলিম হাওলাদার ও নাসির হাওলাদার,আনু কাজির ছেলে নুর ইসলাম কাজি সহ সাথে আরো ২০ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে হামলা চালায়।এ সময় তারা সাথে থাকা বোমা ঘরে মেরে বিস্ফোরিত করে ও চাপাতি,ছেন,আরো বিভিন্ন ধরনের ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘর কুপিয়ে ভাংচুর করে পরে ভাংচুর ঘরের তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে ৩ ঘর থেকে ১৮ ভরি, স্বর্ন, ২ টি মোবাইল, ১ টি ল্যাপটপ, নগদ দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় ।অন্যদের সাথে ঝামেলার সুত্র ধরে তারা আমাদের প্রবাসি বাড়ি ফাকা পেয়ে হামলা চালায়। হামলা হবে সেই খবর আগে শুনে শরিয়তপুর এর এসপি সাইফুল হক ও নড়িয়া থানার ওসিকে জানালেও তারা কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ করে নাই।

ছত্তর মৃধার স্ত্রী মাসুদা বেগম বলেন,আমার ছেলেরা ঢাকা ও বিদেশে থাকে কেউ দেশে থাকে না। আমরা কোন দলের সাথে নাই। কিন্তু মতু মুন্সি নিহত হওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় আমাদের বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে মতু মুন্সি দলের লোকেরা। তারা আমার ঘর কুপিয়ে যাওয়ার সময় আমার গোয়াল ঘরে থাকা ২ টি গরু সহ বাড়ির আরো ৬ টি গরু লুট করে নিয়ে গেছে।

এবিষয়ে চান মিয়া হাওলাদারের বাড়িতে গেলে বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি।

নড়িয়া থানার ওসি তদন্ত মোঃ আবির হোসেন বলেন, মতু মুন্সি নিহতের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই রিপন মুন্সি বাদী হয়ে ৩৮ জনের অভিযোগ দেন সেই অনুযায়ী মামলা হয়েছে। মতু মুন্সি নিহত হওয়ার পরে এসপি স্যার আমাকে রফিক মৃধা ব্যাপারে বলেন আমারা সঙ্গে সঙ্গে সে খান যাই কিন্তু আমরা রফিক মৃধা বাড়িতে না গিয়ে ভূলে অন্য রফিক মৃধার বাড়ি চলে যাই তাই এমন হামলা লুটপাট চালাতে পেরেছেন। তবে লুট হওয়া গরুর মধ্যে আমরা ২ টি গরু উদ্ধার করে মালিকে বুজিয়ে দিয়েছি।

1 2 3 336