উখিয়া কলেজের প্রতিষ্টাতা অধ্যক্ষ আলহাজ্ব এম ফজলুল করিমের অবসর গ্রহণ ও বিদায় সংবর্ধনা

কক্সবাজারের উখিয়া কলেজের প্রতিষ্টাতা অধ্যক্ষ আলহাজ্ব এম ফজলুল করিম মহোদয়ের অবসর গ্রহণ উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উখিয়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত দাশ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছেন অবসর গ্রহণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্টান।

 

২৪ জানুয়ারি ২০২২ ইং, সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টায় উখিয়া কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

 

উক্ত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উখিয়া কলেজ গভর্ণিংবডির সভাপতি, নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

 

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও অত্র কলেজ পরিবারের গভর্ণিংবডির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী।

 

অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কবি আদিল উদ্দিন চৌধুরী, উখিয়া কলেজ গভর্ণিংবডির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার ভুট্রো, উখিয়া শিক্ষা একাডেমির সুপারভাইজার বদরুল আলম, উখিয়া টেকনিক্যাল বিএম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিলন বড়ুয়া, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ফরিদুল আলম চৌধুরী, অধ্যাপক শাহআলম, অধ্যাপক সবুজ শাহরিয়ার, প্রভাসক আমানত উল্লাহ সাকিব, সাবেক উপ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ সিকদার, উখিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাঈদুল আমিন টিপু,

 

এছাড়াও উখিয়া কলেজের প্রতিষ্টাতা অধ্যক্ষ আলহাজ্ব এম ফজলুল করিম মহোদয়ের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে অনুষ্ঠানের অতিথি মহোদয়ের সাথে পুষ্পিত অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন কলেজ পরিচালনা কমিটি ও অত্র কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারি বৃন্দ।

শরীয়তপুরে পিতা-পুত্রের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিউজ২৪লাইন:

নুরুজ্জামান শেখ শরীয়তপুর থেকে।

সুবিচার পাওয়ার আশায় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এর সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিতা-পুত্র বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়ে মানববন্ধন করেন সাবেক নড়িয়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান বি এম মনির হোসেন ও তার পুত্র মালিক রাজ। এই সন্ত্রাসী হামলা কে কেন্দ্র করে ২৪ জনুয়ারি ২০২২ বেলা ১১টার সময় করোনাকালীন সময়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পিতা-পুত্রের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে।
মানববন্ধনে আহত বিএম মনির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন আমি একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারের মধ্যে স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। আমি ৯০ দশকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম,সাবেক নড়িয়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক নড়িয়া উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সভাপতি ছিলাম।আওয়ামী লীগের দুর্দিনের সময়ে শক্ত হাতে নৌকার বৈঠা ধরেছিলাম। এখন আমরা এই সময়ে নব্য আওয়ামী লীগ দ্বারা প্রকৃত আওয়ামী লীগরা নির্যাতিত। যেমন আমি নব্য আওয়ামী লীগ দাঁড়া আমি এবং আমার ছেলে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছি।তিনি আরো বলেন তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নড়িয়া উপজেলার মুক্তারের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বাদশা শেখ মোটরসাইকেল মার্কা এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহ আলম চকিদার চশমা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শাহ আলম চৌকিদারের পক্ষে আমি বিএম মনির হোসেন এবং আমার পুত্র মালিক রাজ নির্বাচন করি। এই নির্বাচনে বাদশা শেখ চেয়ারম্যান হিসেবে জয় লাভ করে। আমি শাহ আলম চৌকিদারের নির্বাচন করার কারণে বাদশা শেখ এবং তার পুত্র তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী গত ১৮ জানুয়ারি নড়িয়া বাজারের চৌরাস্তায় আমাকে এবং আমার পুত্রকে হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে। আহত অবস্থায় আমি এবং আমার পুত্র রাজ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি ছিলাম।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমি বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করি। ৬দিন গত হয়ে গেল নড়িয়া থানার প্রশাসন এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারে নাই। আসামিদের গ্রেপ্তারের নেই কোন তাদের তৎপরতা। আজ আমি বাধ্য হয়েছি সদর হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে সুবিচারের আশায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করতে।
নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ অবনী শংকর কর মুঠোফোনে আলাপকালে গণমাধ্যমকে বলেন এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি অভিযোগ পেয়েছি, মামলা হয়েছে প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

ধর্ষণ করতে আশা যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলো গৃহবধূ

নিউজ২৪লাইন:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন গৃহবধূ ও তার স্বজনরা।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে শনিবার (২২ জানুয়ারি) সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় যুবককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে ধর্ষণ থেকে বাঁচতে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বজনরা।

আহত যুবক উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের বাসিন্দা।

লিখিত অভিযোগে ওই গৃহবধূ উল্লেখ করেন, তার স্বামী ব্যবসার কাজে বাড়ির বাইরে থাকেন। এ সুযোগে তাদের প্রতিবেশী যুবক দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছে। এ বিষয়ে অভিযুক্তকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে অভিযুক্ত যুবক গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে গৃহবধূকে জাপটে ধরলে তার মেয়ে ও মেয়ের জামাতা একত্রিত হয়ে যুবককে ধরে বেঁধে ফেলেন। এরপর ব্লেড দিয়ে গোপনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দেন।

এদিকে গোপনাঙ্গ হারানো যুবক ধর্ষণ করতে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, শত্রুতার জেরে কৌশলে তাকে ডেকে নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

নড়িয়ায় বিএম মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

নিউজ২৪লাইন:
শেখ নজরুল ইসলাম

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, নড়িয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নড়িয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি বিএম মনির (৫৩) ও তার ছেলে রাজ বেপারীর (২১) উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। বুধবার বিকেলে নড়িয়া-জাজিরা সড়কে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে মোক্তারের চর ইউনিয়নের শতাধিক মানুষ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মোক্তারের চর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌকিদার ও বিএম সিরাজ।

এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নড়িয়া বাজারের চৌরাস্তার মোড়ে হামলার শিকার হন বিএম মনির ও তার ছেলে রাজ।
বিএম মনির অভিযোগ করে বলেন, আমি একটি মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়ে রিকল জমা দেওয়ার জন্য নড়িয়া থানায় গিয়েছিলাম। রিকল দিয়ে থানা থেকে আমি ও আমার ছেলে বাড়ি ফেরার পথে নড়িয়া বাজারের চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছলে মোক্তারের চর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বাদশা শেখের লোকজন আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় আশপাশের লোকজন আমাকে ও আমার ছেলেকে হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা করে। পরে আমি ট্রিপল নাইনে কল করলে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। বর্তমানে আমি ও আমার ছেলে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

সমাবেশে মোক্তারের চর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌকিদার বলেন, মোক্তারের চর ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএম মনির আমার পক্ষে নির্বাচন করায় বাদশা শেখ তার লোকজন দিয়ে বিএম মনির সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। বিএম মনির সেই মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বাদশা শেখের লোকজন তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিএম মনির ও তার ছেলে রাজ গুরুতর আহত হন। তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেইসাথে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ভবিষ্যতে যদি আমার কোন লোকজনের ওপর ফের হামলা করা হয় তাহলে তার উচিত জবাব দেওয়া হবে।

মোক্তারের চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাদশা শেখ বলেন, আমার কোন লোকজন বিএম মনিরের উপর হামলা করেনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএম মনির ও তাদের লোকজন আমার লোকদের উপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর্ কর বলেন, বিএম মনির ও তার ছেলের উপর হামলার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্ত্রীকে গ্রাম ঘুরিয়ে এনে গলা কেটে হত্যা করলেন স্বামী

নিউজ২৪লাইন:

রাজবাড়ীর পাংশায় স্ত্রীকে নতুন কাপড় পরিয়ে একসাথে গ্রাম ঘুরে ঘরে নিয়ে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী রুবেলের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ১৫ বছর আগে গ্রামের আকুল সরদারের ছেলে রুবেল সরদারের (৩২) সঙ্গে কলিমহর ইউনিয়নের সাজুরিয়া গ্রামের এলেম শেখের কন্যা লিপি খাতুনের (২৭) পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। লিপি খাতুন তিন সন্তানের জননী।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী মো. রিপন বলেন, সকালে রুবেলের বাড়ীতে চিৎকার সুনে এসে দেখি ঘরের দরজা আটকিয়ে বউকে মারধর করছে। আমরা দরজা ভাঙার চেষ্টা করেছি। আমরা ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধারের চেষ্টা করেছি পারিনি। একপর্যায়ে দরজার একপাশ ভেঙে গেলে ভাঙা দরজার মধ্য দিয়ে রুবেল একটি রক্তমাখা দা বের করে। তখন আমরা ভয় পেয়ে ঘরের দরজা বাহির থেকে আটকিয়ে ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশকে খবর দেই।

রুবেলের ভাবি শিউলি খাতুন বলেন, ওদের সংসারে মাঝে মধ্যেই ঝগড়াঝাটি হতো। রুবেল নেশা করে। প্রায়ই বউকে মারপিট করতো। এজন্য রুবেলের বউ বাবার বাড়ীতে চলে যায়। গত তিন দিন আগে রুবেল বউকে বাড়ী নিয়ে আসে। আজ সকালে এই ঘটনা ঘটায়।

ইউপি সদস্য মো. মোন্তাজ আলী বলেন, আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি রুবেল সকালে বউকে নতুন কাপড় পরিয়ে একসঙ্গে গ্রামের কয়েকটি বাড়ী ঘুরে বেরিয়েছে। পরে বাড়ী এসে বউকে ঘরের মধ্যে নিয়ে দরজা আটকিয়ে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটায়।

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, আমরা ৯৯৯ এর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। পরে ঘটনাস্থলে এসে রুবেলকে আটক করি। এবং লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠাই।

সুএ:সময়ের কন্ঠসর

ফরিদপুরে সাংবাদিক উন্নয়ন সমিতি নামে কমিটির আত্মপ্রকাশ”সভাপতি আরিফ,সাধারণ সম্পাদক রাজিব”

টিটুল মোল্লা,, 

ফরিদপুর সাংবাদিক উন্নয়ন সমিতির ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি আত্মপ্রকাশ করেছে। রবিবার (১৬ই জানুয়ারী) দুপুর ২ টার দিকে শহরের একটি স্বনামধন্য পুলিশ ক্যাফে রেস্তোরাঁয় “দৈনিক আলোকিত সকাল”র জেলা প্রতিনিধি পার্থ প্রতীম ভদ্র এর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত সকলের নিজ নিজ মত প্রকাশের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে “দৈনিক নওরোজ পত্রিকা”র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এম,এ, মুঈদ হোসেন (আরিফ) সভাপতি ও “দৈনিক গণকন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও আজকের কন্ঠ ডট কমের সম্পাদক মোঃ রবিউল হাসান (রাজিব) কে সাধারণ সম্পাদক করে ফরিদপুর সাংবাদিক উন্নয়ন সমিতি নামে একটি কমিটি ঘোষণা করে আত্মপ্রকাশ করা হয়।

 

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মোঃ জিল্লুর রহমান রাসেল (দি ডেইলী ট্রাইব্যুনাল), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-নিরঞ্জন মিত্র (দৈনিক উষার বানী, দৈনিক নাগরিক বার্তা), কোষাধ্যক্ষ-মোঃ আ: রাজ্জাক (রাজা) (সম্পাদক মাসিক কাশফুল)। কর্তৃপক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে কার্যকরী সদস্যবৃন্দ হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দীন মোল্লা (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক আজকের সারাদেশ), পার্থ প্রতীম ভদ্র (দৈনিক আলোকিত সকাল), মোঃ সেলিম মোল্লা (সম্পাদক, দৈনিক বাঙ্গালী সময়), আনোয়ার জাহিদ (প্রকাশক ও সম্পাদক সাপ্তাহিক মেধা ও প্রতিনিধি দৈনিক ইনকিলাব), এস,এম রুবেল (সম্পাদক দৈনিক কুমার), বিজয় পোদ্দার (ফ্রিলেন্স রিপোর্টার), হাচান মাতুব্বর (শ্রাবণ) (দৈনিক স্বাধীন সংবাদ),

 

এ কে রফিকউদ্দিন আহাম্মেদ (দিপু) (দৈনিক আমার সংবাদ), শেখ ফারুক আহম্মেদ (বাবলু) (নিউজ টুডে), হারুন-অর-রশীদ (বাংলা নিউজ ২৪ডট কম), মোঃ রিফাত ইসলাম (দৈনিক আমাদের কন্ঠ), চৌধুরী আশরাফ মাহমুদ টুটু (দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা), মোঃ আতিয়ার রহমান (বাঙালি সময়), জাকির হোসেন (দৈনিক খোলাচোখ), লাবলু মিয়া (বাঙালি সময়)। এ সময় সাংবাদিকরা, এই সংগঠন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনসহ সাংবাদিক অধিকার আদায় ও উন্নয়নে সোচ্চার থাকার কথা জানান। এ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন “দি ডেইলী ট্রাইব্যুনাল” এর জেলা প্রতিনিধি মোঃ জিল্লুর রহমান রাসেল।

 

শরীয়তপুরে কিশোরী বধুর হত্যা কে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

নিউজ২৪লাইন: মোঃ শাহিন আলম:

গত ১৭-১০-২০২১ইং শরীয়তপুর জেলার পালং থানাধীন ধানুকা গ্রামে স্বামীর পরিবারের সদস্য কর্তৃক আছমা আক্তার নামক এক গৃহবধুকে হত্যা করে গলায় দড়ি লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ০৫/০৬/২০১৬ইং তারিখে দুপুর অনুমানিক ১.০০ ঘটিকায় আছমা আক্তারকে মোঃ নাছির উদ্দিন ও তার কিছু সহযোগী অপহরণ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করেন। এ ব্যাপারে আসমা আক্তারের পিতা আবুল হোসেন সদরঘাট থানায় একটি মামলা করেন (ধারা- ২০০৩ এর ৭/৩০, তারিখ: ১০/০৬/২০১৬ইং) তারপর নাছিরের সাথে কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ হয়।

বিবাহের কিছুদিন পর আছমা আক্তার গর্ভবতী হলে জোর পূর্বক তাকে গর্ভপাত করানো হয় এবং আছমা আক্তার রাজি না থাকায় তাকে গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়, এসময় আছমা আক্তারের চিৎকারে আশে-পাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে, এতে আছমা আক্তার অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে তার বোন ও মা দেখতে যান, এসময় আছমা আক্তারের শ্বশুর বাড়ীর লোকজন তাদের উপর আক্রমণ করে এবং তাদের অলঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। এ ব্যপারে আছমা আক্তারের বোন পাখী আক্তার বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় একটি মামলা করেন- (ধারা- ৩৮০/৩২৫/৩৫৪/৩০৭, তারিখঃ ২৩/১০/২০১৬ইং)।
উল্লেখিত মামলার পর আসমা আক্তারের পিতা ও শ্বশুর পক্ষের মধ্যে একটি পারিবারিক বৈঠকের মাধ্যমে আপস-মিমাংসা করা হয়। অতপর আসমা আক্তারকে তার শ্বশুর বাড়ী গ্রাম- ধানুকা, পোঃ পালং, থানা- পালং, জেলা- শরিয়তপুরে নিয়ে যান কিন্তু সেখানেও আসমা আক্তারকে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে জানা যায় যে, শশুর বাড়ীতে নেওয়ার পথে ফেরি থেকে ফেলে আছমা আক্তারকে হত্যার চেষ্টা করা হয় এতে ব্যর্থ হয়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্মম নির্যাতন করা হয়, তাতে সে ঘোরতর অসুস্থ হলে পালং সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পরবর্তীতে বাড়িতে এনে গত ১৭/১০/২০২১ইং নাছির তার শ্বশুর বাড়ি ফোন দিয়ে বলেন,তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
উক্ত ঘটনার তিনমাস পরে আসমা আক্তারের পিতা আবুল হোসেন সরদার শরীয়তপুর এসে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন।সংবাদিক সম্মেলনে আবুল হোসেন সরদার বলেন,তার মেয়েকে নাছির ও তার বাবা মা হত্যা করেছে, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি।আমার মেয়ে আমাকে সব সময় বলতো যে তারা খুব নির্যাতন করেন।আমার মেয়েকে প্রচুর মারধোর করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তারপর কয়েক দিন পর বাড়ি নিয়ে বলতেছে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ আমার কাছ থেকে জোড় করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখেন।পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের সাথে রহস্যজনক আচরন করেছে। আমার মেয়ে কে যেমন ফাঁস দিয়ে মারা হয়েছে, তেমনি আসামী নাছিরের ফাঁসি চাই।

1 2 3 276