ছাত্রলীগের মূলনীতি কে দুর্গতি বললেন ইউপি চেয়ারম্যান তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলও সমাবেশ

 

কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী ( M Gafur Uddin chy) নামক ফেইসবুক আইডি থেকে ছাত্রলীগের মূলনীতি নিয়ে লেখা বিরুপ স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তার প্রতিবাদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পালংখালী ইউনিয়ন শাখার পক্ষ থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। পরে উক্ত স্টেশনের আনোয়ারা টাওয়ারের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

২৩জুন (বৃহস্পতিবার)-২০২২ইং থ্যাংখালী স্টেশনে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি জুনায়েদের নেতৃত্বে ও ছাত্রলীগ নেতা শেখ নিশানের সঞ্চালনায় এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রলীগ নেতা মুবিন, ইমরান, জিশান নয়ন, মামুন,যুবলীগ নেতা মুফিদুল আলম মুফিজ, মৎস্যজীবী নেতা গিয়াস উদ্দিনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত প্রতিবাদে এসময় উপস্থিত ছাত্র লীগের নেতা কর্মীসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

 

সভাপতি জুনাইদের বক্তব্যে বলেন, আমরা ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা ছাত্র রাজনৈতিক করি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে। এটাই কি আমাদের অপরাধ? আমরা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা কোন দোষ করলে আমাদের কে শাসন করার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আছে। কিন্তু আমাদের দোষ কি ছিলো? আমাদের প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের স্লোগান নিয়ে কটুক্তি করে ফেইসবুকে পোস্ট দেওয়ার। সে যদি ফেইসবুক বা জনসম্মুখে এসে ক্ষমা না চাই তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্র লীগের বিরুদ্ধে কথা বলার জবাব দিব।

সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ বক্তব্যে বলেন, ছাত্রলীগ একটি সুশৃংখল আদর্শবান বৃহত্তর ছাত্র সংগঠন। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে কেউ বাজে মন্তব্য করলে আমরা দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব। চেয়ারম্যান সাহেব যদি ফেইসবুকে বা জনসম্মুখে এসে ক্ষমা না চাই তাহলে আমরা তার প্রতিবাদে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত আছি।

 

ইতি মধ্যে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদে তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী।

 

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তাঁকে বিএনপি সমর্থক বলে দাবী স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের।

 

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান তার ফেসবুক আইডি হ্যাক করা হয়েছে বলে দাবি করেন৷

ভেদরগঞ্জের সখিপুর চুরি করে গরু বিক্রি সেই টাকায় সমাধান

নিউজ২৪লাইন:

আমান আহমেদ সজীব  ( শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নের বেড়াচাক্কি গ্রামের বাসিন্দা
কাশেম খাঁন ও হানিফ ঢালীর বাড়ি থেকে দুটি গরু চুরি হয়। সোমবার (২০ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে, চার দিকে খোজা খুজির পরেও কোন সন্ধান মিলেনি গরু দুটির। এদিকে গরু না পেয়ে চোখে মুখে অশ্রু জরছে দুই পরিবারের।

স্থানীয়রা জানান একই রাতে দুই বাড়ি থেকে দুটি গরু চুরি হয়। নানিফ ঢালীর নিজের গরু হলেও কাশেম খাঁন কিন্তু নসিংহপুর বাসিন্দা ইসমাইল পাঠওয়ারীর কাছ থেকে গরুটি ভাগে লালন পালন করার জন্য কয়েক মাস আগে আনে।

সামনে ঈদুল আযহা বিক্রি করে কিছু টাকা পয়সা ভাগে পেলে হয়তো সুন্দর করে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাবাগি করে নিতে পারতো, হলোনা বুঝি তাদের আর ঈদ ও আনন্দ ভাগ করা। গরু টিই ছিলো একমাত্র সম্বল।

স্থানীয়রা কাশেম খাঁন ও হানিফ ঢালীর কে জানান কাল তো উত্তর তারাবুনিয়া চেয়ারম্যান বাজার সেখানো একটু খোজে করে দেখো পাওয়া যায়কিনা৷ তাদের কথা অনুযায়ী উত্তর তারাবুনিয়া চেয়ারম্যান বাজারে আসে কাশেম খান ও তার গরুর মালিক ও হানিফ ঢালী। তার পরেও কোন সন্ধান মিলেনি, পরের দিন (২২জুন) বুধবার সখিপুর বাজার গো-হাটে আসে কাশেম খান ও তার গরুর মালিক ও হানিফ ঢালী, গরুর মালিকরা পরে নিজের গরু দুটি দেখতে পায় এক ব্যবসায়ীর কাছে,
তাকে জিজ্ঞেস করলে, সে তার কেনা রশিদ দেখান, এবং কে বিক্রি করেছে তার নাম উল্লেখ করেন। সেখানে রশিদের বিতরে দেখা যায়, চরসেনসাস ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রোস্তম আলী ভুইয়ার ছেলে হারুন ভুইয়ার নাম, পরে স্থানীয় লোকজনকে ঢেকে গরু দুটি আটক করা হয়।

বিষয়টি চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম আনোয়ার হোসেন বালাকে জানালে, তিনি উভয় পক্ষকে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় বিচারের আশ্বাস দেন। এবং বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বিকাল ৩ টায়
চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বালার নিজ বাড়িতে রোস্তম আলী ভুইয়ার ছেলে হারুন ভুইয়া (৪৫) কে চোর সাপদ্য করা হয়। এবং তার বিক্রির রশিদের উপর দুটি গরু ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা বিক্রি করা হয়েছে উল্লেখ থাকায়, সেই অনুযায়ী ঐ ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়েছে গরুর মালিকদের সাথে। এবং বিচার টি মেনে নিয়েছে হারুন ভুইয়ার পরিবার ও তার মুরুব্বিগন।

এবিষয়ে কাশেম খাঁন গণমাধ্যমকে মুটোফোনে জানান আমরা গরু চোর কে সনাক্ত করেছি, বিষয়টি আমাদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বালা কে জানানো হয়েছে বিকাল ৩ টায় বিচার করা হবে। বিচার শেষে তিনি আরো জানান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বালা গরু চোরের বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছে, আমাদের গরু যত টাকা বিক্রি করেছে, হারুন ভুইয়া, আমাদেরকো ঐ টাকাই দিয়া দিবো । আর কিছু জানিনা চেয়ারম্যান সাহেব সব জানে।

এবিষয়ে আক্তারুজ্জামান বালা গনমাধ্যমকে মুটো ফোনে জামান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বালা গন্যমান্য লোকজন কে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছে, গরুর রশিদে ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা উল্লেখ থাকায়, চোর হারুন ভুইয়াকে দুই গরুর মালিক কে ১ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা দিতে বলা হয়েছে । এবং টাকাটা দেওয়া হবে চরসেনসাস ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মফিজল হক মাদবরের মাধ্যমে।

এবিষয়ে নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ, বলেন গরু চুরির বিচার যদি এমন হয়, তাহলেতো মানুষ চুরি করবই । ধরা পরলেই বিক্রি অনুযায়ী টাকা দিয়ে সমাধান হয়ে যাবে। না পরলে নাই । চোরের তো কোন বিচার হয়নি। এদের পিছনে কালো হাত কারা জরিত। তাদের কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।

এবিষয়ে হারুন ভুইয়া বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব সব জানেন, তিনি সমাধান করে দিয়েছে, আমি আমার গরু বিক্রি করতে গিয়ে ছিলাম বাজার,
পরে ঐ গরুর মালিক গিয়ে বলে তাদের গরু। আমার সাথে সরযন্র চলতেছে। চেয়ারম্যান সাহেব দুই গরু যত টাকা বিক্রি করেছি, ঐ টাকাটা দিতে বলেছে, দিয়া দেবো। আমি কারো গরু চুরি করি নাই।

এবিষয়ে চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম আনোয়ার হোসেন বালা কে মোটোফোনে কল দিলে ফোনটি রিসিভ করে বলেন আমি মিটিং এ আছি
পরে আপনার সাথে কথা বলবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম আনোয়ার হোসেন বালা, আক্তারুজ্জামান বালা, মফিজল হক মাদবর, মেম্বার ইয়াছিন শেখ, শাখরুল বালাসহ স্থানীয় লোকজন প্রমুখ।।

ঢাকায় পদ্মা সেতুর আনন্দ র‍্যালী

নিউজ২৪লাইন:

নিজস্ব  প্রতিবেদক :

ঢাকায় পদ্মা সেতুর আনন্দ র‍্যালী
আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে  গুলিস্তান হতে জাতীয় প্রেস ক্লাব পর্যন্ত আনন্দ র‍্যালী  অনুষ্ঠিত হয়।
আনন্দ র‍্যালীতে ঢাকাস্থ শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন অংশগ্রহণ করেন।
এদের মধ্যে শরীয়তপুর সমিতি, দি ডেইলি গ্লোবাল ন্যাশন ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন গুলো সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বিভিন্ন বক্তারা স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

র‍্যালী শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল্লাহ হারুন পাশা, বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন ডা. শেখ ফারুক আহমেদ, পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্সের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিএম শওকত আলী,  শরীয়তপুর সমিতির সভাপতি মোঃ আনিসউদ্দীন পাহাড়,সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল বাসার রানা,   দি ডেইলি গ্লোবাল ন্যাশনের সম্পাদক ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, জাজিরা উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মোঃ ইউনুস আলী, শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি এসএম আবুল কালাম আজাদ, জাজিরা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ সামসুল হক খান, ডামুড্যা সমিতির সিনিয়ার সহ-সভাপতি মোঃ আবুল হাশেম, গোসাইরহাট সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান, ঢাকাস্থ শরীয়তপুর জেলা লেখক পরিষদের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহামন গ্রামসি, ঢাকা শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এফ রহমান রুপক, ভেদেরগঞ্জ ফোরামের নেতা মোঃ ইউনুস আলী সহ শরীয়তপুরের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

পাবনায় আনন্দ ও মোহনা টিভির প্রতিনিধিকে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে বিএমএসএফের মানববন্ধন

নিউজ২৪লাইন:

পাবনা, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন,২০২২: প্রতিনিধি: পাবনায় আনন্দ টিভি ও মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা, ক্যামেরা ছিনতাই ও লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) পাবনা জেলা শাখা আয়োজনে পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাবনা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ডা. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দৈনিক সালাম বাংলাদেশের প্রকাশক ও সম্পাদক প্রফেসর ড. এম এম কফিল উদ্দিন, বাসস ও ভোরের কাগজের পাবনা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম সুইট, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাবনা জেলা শাখার সহ-সভাপতি এমএ সালাম, যুগ্ম সম্পাদক শফিক আল কামাল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আর কে আকাশ, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাবনা জেলা শাখার পাবনা জেলা শাখার আইন উপদেষ্টা মীর ফজলুল করিম বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক জে.কে. প্রিন্স, দপ্তর সম্পাদক আদনান উদ্দিন, ইউএনএস পাবনার বার্তা সম্পাদক এসএ পারভেজ, মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি সুমন আলী, অপরাধ বিচিত্রার পাবনা ব্যুরো প্রধান মো. মাহমুদ হোসেন, সিএনএফ টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খালেদ আহমেদ, দৈনিক সমাচারের পাবনা জেলা প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম রনি; আলমগীর হোসেন অর্থ, দৈনিক গণকন্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি কায়সার আহমেদ প্রমূখ।

ঘটনার সাথে জড়িতদের অতিদ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে কর্মসূচীর সাথে একত্মতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলী কাদেরী, বিটিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম বাঁধন, দৈনিক খবর বাংলার প্রকাশক শামীম হোসেন, মাই টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম।

বক্তব্যকালে বক্তাগণ পাবনায় আনন্দ টিভির প্রতিনিধি সেলিম মোর্শেদ রানা ও মোহনা টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি হুজ্জাতুল হীরাকে ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা ডিগ্রী কলেজে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা, মোবাইল ক্যামেরা ছিনতাই ও লাঞ্ছিত করার সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা গ্রহন, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। না হলে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আগামীতে দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচী দেয়ার ঘোষণা দেয়।

উল্লেখ্য, ১৯ জুন রোববার দুপুরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা ডিগ্রী কলেজে সংবাদ সংগ্রহকালে কলেজের অধ্যক্ষের লেলিয়ে দেয়া দুষ্কৃতিকারি মুরাদ গংদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন আনন্দ টিভি ও মোহনা টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি।
দুষ্কৃতিকারিরা তাদের লাঞ্ছিত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মোবাইল ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। সাংবাদিকরা বিষয়টি পাবনার পুলিশ সুপারকে অবহিত করলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুষ্কৃতিকারিদের কাছ থেকে সাংবাদিকদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মোহনা টিভির সাংবাদিক হুজ্জাতুল্লা হীরা, আনন্দ টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি সেলিম মোর্শেদ রানা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এসময় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের পাবনা জেলা প্রতিনিধি খালেকুজ্জামান পান্নু, চ্যানেল ২৩ রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি হুমায়ুন রাশেদ, ঢাকা পোস্টের পাবনা প্রতিনিধি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, পাবনা বার্তা ২৪ ডটকমের অ্যাডমিন প্রকৌশলী শামসুল আলম, দৈনিক উপাচারের পাবনা প্রতিনিধি তৌফিকুর রহমান, বাংলা খবর প্রতিদিনের আমানউল্লাহ আমান, পাবনার আলোর সংবাদদাতা মো. হুমায়ুন, রেহানা পারভীন, ইমতিয়াজ আবির, কেএম আতিক হোসেন, দোলন, মোহাম্মদ নবীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আ’লীগ ক্ষমতায় আছে বলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল—–মেজর (অবঃ) আতমা হালিম

বিধান মন্ডল,সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

 

আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আছে বলে দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। আওয়ামীলীগের ইতিহাস গৌরবের ইতিহাস। বাংলাদেশ নামক দেশ সৃস্টিতে আওয়ামীলীগের ভুমিকাই মূখ্য ভূমিকা। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর স্বাধীনতা অর্জন সহ সকল অর্জনের পিছনে আওয়ামীলীগের কৃতিত্বই কাজ করেছে। ফরিদপুরের সালথায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মেজর (অবঃ) আতমা হালিম এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানে আজ আমরা পৃথীবির বুকে বাংলাদেশ নামক একটি মানচিত্র পেয়েছি। স্বাধীনতা বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারলেও, তার আদর্শ কে হত্যা করতে পারেনি, স্বাধীনতাকে হত্যা করতে পারেনি, গনতন্ত্র কে হত্যা করতে পারেনি।গনতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারেনি। তাই আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করার আহব্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২৩জুন) দুপুরে মেজর (অবঃ) আতমা হালিমের নিজ উদ্যোগে তার নিজ বাড়ি বল্লভদী ইউনিয়নের সোনাতন্দী গ্রামে আলোচনা সভা, কেককাটাসহ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদের সদস্য ইয়াসিন মিয়া, এসএম শুক্কুরু জামান, নুরুল আমিন, আসনাত জামান, আকবর আলী, নুরুল ইসলাম, আবু বক্কার সিদ্দিক, আসাদ মিয়া, শাহ আলম মিয়া, রামকান্তপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইশারত হোসেন, বল্লভদী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লুলু, আ’লীগ নেতা হাজী শফিকুর রহমান মিলন মিয়া, যুবলীগ নেতা রাসেল খান প্রমুখ। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেতুর দুই প্রান্তে র‍্যাবের নিরাপত্তা

নিউজ২৪লাইন:

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুর
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিয়ে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘পদ্মা সেতুর আশপাশ আমরা তদারক করছি। এখানে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা নেই। তার পরও সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছি। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেকে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রতিটি জায়গায় নজর রাখছি।’

আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত ও সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে মাদীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নাশকতাসহ যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় র‍্যাবের প্রতিটি টিম সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। ইতিমধ্যে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে ঘিরে গুজব, উসকানিমূলক তথ্য প্রচার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, সেতুর দুই প্রান্তে র‍্যাবের নিরাপত্তা, সমাবেশস্থল টোল প্লাজা ফলক উন্মোচন, হেলিপ্যাডসহ সর্বস্তরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড মাঠে কাজ করবে। এ ছাড়া র‍্যাবের এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে বলে জানান তিনি।

ভেদরগঞ্জের সখিপুর ঠিকাদারের অবহেলায় নৌকায় পারাপাড়ে ভোগান্তিতে জনসাধারণ

নিউজ২৪লাইন:

আমান আহমেদ সজীব // শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নে একটি পুরাতন ব্রিজ ভেঙে ঠিকাদার উধাও হয়েগেছে। তালিক্কা কান্দি গ্রামের খালের ওপর একটি নতুন ব্রিজ নির্মানের টেন্ডার হলেও দীর্ঘ সময় ধরে কোন প্রকার উদ্যোগ নেই এলজিডির কিংবা ঠিকাদারের। এছাড়া পুরাতন ব্রিজ ভাঙলেও করা হয়নি বিকল্প কোন যাতায়েতের পথ। ফলে চরম ভোগান্তিতে পরেছে ঐ ইউনিয়নটির তালিক্কা কান্দি, বাহাউদ্দীন মুন্সীর কান্দি বেপারী কান্দিসহ ৪ গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা।
ভেদরগঞ্জ এলজিইডি ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে সখিপুর ইউনিয়নের তালিক্কা কান্দি গ্রামের খালের উপরের পুরাতন ব্রিজটি দিয়ে প্রতিনিদিন কয়েক হাজার লোক যাতায়েত করে থাকে। কিছুদিন আগে ঐ স্থানে একটি নতুন ব্রিজের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি । ৩৬ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটির ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মেসার্স কেকে এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড মিজান এন্টারপ্রাইজ নামে একটি জয়েন্ট প্রতিষ্টান ব্রিজটি নির্মানের দায়িত্ব পায়। আগামী ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে ব্রিজ নির্মানের সম্পুর্ন্নের কথা। ইমন নামে এক উপঠিকাদার ওই ব্রিজ সম্পুর্ণের দায়িত্ব নেয়। বর্ষার পুর্ব মুহূর্তে বিকল্প কোন যাতায়েত ব্যবস্থা না করেই পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ফেলেছে ওই উপঠিকাদার। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের কোন অগ্রগতি নেই। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই এলাকার ছাত্রছাত্রী শিশু, ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ। সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মানিক সরদার বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে ঠিকাদারকে বার বার বলা হয়েছে যাতায়াতের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা করতে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ঠিকাদার যদি যাতায়াতের ব্যবস্থা না করে তবে আমরাই নিজস্ব উদ্যোগে একটি যাতায়েত ব্যবস্থা করব।

এবিষয়ে উপঠিকাদার ইমন কে মোট ফোনে একাদিক কল দেওয়ার পর কলটি রিসিভ করেন নি পরে কল রিসিভ করে বলেন ঐ খানে কাজ চলমান রয়েছে, আমি এখন ব্যস্ত আছি পরে আপনার সাথে কথা বলবো।

এবিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অনুপম চক্রবতী বলেন ঐ কাজের ঠিকাদার কে যাতায়েতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছিলো।

1 2 3 311