শরীয়তপুরে চাদার টাকা না পেয়ে শিক্ষিকার স্বামীর হাত ভেঙ্গে দিলো সন্ত্রাসীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার তালিক্কা কান্দি গ্রামের প্রাইমারী শিক্ষিকা মাহমুদা বেগমের স্বামী নুরুল আমিন মাঝির কাছে চাদা না পেয়ে তার হাত ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

গত ১৫ এপ্রিল সরজমিনে গিয়ে কথা হয় নুরুল আমিন মাঝির স্ত্রী মাহমুদা বেগমের সাথে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন,আক্তার সরকার, খোকা সরকার,শাহজালাল সরকার গং চাদার টাকা না পেয়ে আমার স্বামীকে মেরে হাত  ভেঙ্গে দিয়েছে।  

 

আমি একজন সহজ , সরল , আইন মান্যকারী লােক । অপরপক্ষে আক্তার সরকার গং গােয়ার , হারমাদ , লাঠিয়াল , জুলুমবাজ , চাঁদাবাজ , সন্ত্রাসী এবং আইন অমান্যকারী লােক  । আক্তার সরকার বিভিন্ন সময়ে আমার নিকট চাদা দাবী করিয়া আসিতে থাকে । ১ ম ঘটনার তারিখে অর্থাৎ ২২ / ০৮ / ২০২০ ইং সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় আমি আমার স্বত্ব দখলীয় বসত বাড়ীতে বিল্ডিং নির্মাণের কাজ শুরু করিলে আক্তার সরকার  আমার বসত বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আমার নিকট ৫,০০,০০০ / – ( পাঁচ লক্ষ ) টাকা চাঁদা দাবী করে । আমি তাদের দাবীকৃত ৫,০০,০০০ / – ( পাঁচ লক্ষ ) টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকার করিলে একপর্যায়ে আক্তার সরকারের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয় । তখন আক্তার সরকার আমাকে এলােপাথারী ভাবে কিল , ঘুষি মারিয়া মাটিতে ফেলে দেয় । আমি ডাক – চিৎকার দিলে আমার স্বামী আমাকে রক্ষা করার জন্য দৌড়াইয়া আসিলে সকল আসামীগণ চাঁদার দাবীতে তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়া এলােপাথালী ভাবে পিটাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে । উক্ত মারপিটের সময়ে আক্তার সরকার আমার গলায় থাকা ০১ ( এক ) ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন মূল্য অনুমান ৭০,০০০ / – ( সত্তর হাজার ) টাকা এবং আমার কানে থাকা ০৮ ( আট ) আনা ওজনের স্বর্ণের দুল মূল্য অনুমান ৩৫,০০০ / – ( পয়ত্রিশ হাজার ) টাকা খোকা সরকার ছিড়ে নিয়া যায় এবং যাওয়ার সময় আমাসীগণ আমাকে ও আমার স্বামীকে বিভিন্ন ভীতি ও হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। 

 

এরই ধারাবাহিকতায় বর্ণিত ২ য় ঘটনার দিন , তারিখ ও সময়ে অর্থাৎ ২৮/০৩/২০২১ ইং মােতাবেক ১৪ ই চৈত্র ১৪২৭ বাংলা রােজ রবিবার বিকাল অনুমান ৩.০০ ঘটিকার সময়ে অমর স্বামী নুরুল আমিন মাঝি সখিপুর বাজারে কৃষি ব্যাংকের লেনদেন শেষ করিয়া সিড়ি নিচে নামলে সকল আসামীগণ পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া অতর্কিত ভাবে তাহার উপর হামলা করে এক আক্তার সরকারের হাতে থাকা লােহার রড দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে আমার স্বামীর মাথা লক্ষ্য করি ৰারি মারিলে আমার স্বামী উক্ত বারি বাম হাত দিয়া ফিরাইলে তাহার বাম হাতের কনুই , হতে ফেটে যায় । অতঃপর আক্তার সরকার,খোকা সরকার, শাহাজালাল সরকার,আলী হাওলাদার, আলীসলাম ফকির,কবির মিজি,চাঁদার দাবীতে গাছের ডাল ও বলে পিয়া আমার স্বামীকে এলােপাথারী ভাবে পিটাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে এক ১ নং আসামী বলে যে , তােদের নিকট আগে ৫,০০,০০০ / – ( পাঁচ লক্ষ ) টাকা চাঁদা চাইছি তা সেস নাই , এখন তুই যদি আমাদেরকে ৫,০০,০০০ / – ( পাঁচ লক্ষ ) টাকা চাঁদা না দিস তাহলে তােকে আজ প্রাণে শেষ করিয়া ফেলিব । আমার স্বামীর ডাকচিৎকারে লােকজন আসিলে আমার স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় সখিপুর বাজারে অবস্থিত কৃষি ব্যাংকের নীচে ফেলে রেখে চলিয়া যায় । আমি সংবাদ পাইয়া সাক্ষীদের সহায়তায় আমার স্বামীকে দ্রুত শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনিয়া ভর্তি করি এবং বর্তমানে আমার স্বামী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে । উক্ত বিষয় নিয়া সখিপুর থানায় মামলা করিতে গেলে সং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা গ্রহণ না করিয়া বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন ঘটনার সাক্ষী প্রমান আছে । অতপর আমি শরীয়াতপুর কোর্টে মামলা করি, মামলা নং৮৩/২০২১ 

আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।   

 

এব্যাপারে অভিযুক্ত আক্তার সরকার বলেন,এ ঘটনা সম্পুর্ন মিথ্যা বানোয়াট, আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য করা হয়েছে।আমি এর সাথে জড়িত না।

শরীয়তপুর ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের বিচার ৩ লক্ষ টাকা ১০ টা জুতার বাড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক।।  

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ৮ বছরের এক শিশু ধর্ষণের বিচার করেছে সমাজপতিরা। এতে ধর্ষককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০টি জুতাপেটার রায় দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা মওকুফ করে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় ও ১০টি জুতাপেটার আদেশ কার্যকর করে ধর্ষককে খালাস দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলার মাঝিরঘাট সংলগ্ন মাঝিরচরে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মার্চ ২০২১ইং তারিখ রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মাঝিরঘাট সংলগ্ন মাঝিরচরে ৮ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করে স্থানীয় মাঝিকান্দি বাইতুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসা’র প্রধান শিক্ষক আমির হামজা (৩০)। এরপর ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় সমাজপতিরা মিমাংসা করে দিবে বলে ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা করতে বাধা দেন।

 

পরে বৃহস্পতিবার এলাকার লোকজন নিয়ে বিচারে বসে সমাজপতিরা। উভয় পক্ষ ও উপস্থিত সকলে বিচার মানেন কি না জানতে চান সমাজপতিরা। পরে সমাজপতিরা ধর্ষককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০টি জুতাপেটার আদেশ দেন। পরে ৫০ হাজার টাকা মওকুফ করে বাকি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় ও ১০ টি জুতাপেটা কার্যকর করে বিচারকাজ শেষ করা হয়।

 

বিচারে ওহাব মাদবরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন রাজ্জাক মাঝি,বাচ্চু মাদবর, হারুন মেম্বার, জসিম মুন্সি প্রমুখ।       

 

সমাজপতি রাজ্জাক মাঝি বলেন, প্রায় ৫শ লোকের উপস্থিতিতে সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রায় ২০-২৫ জনের জুরিবোর্ড গঠন করে বিচারের রায় দেওয়া হয়েছে। এই রায়ে সকলেই সন্তুষ্ট হয়েছে। এরপরেও যদি কারো আপত্তি থাকে তাহলে আদালতে যেতে পারেন।

 

জাজিরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ডদন্ত) মিন্টু মন্ডল বলেন, এ বিষয়ে কারো পক্ষ থেকে থানাকে কিছু জানানো হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, সালিশ বৈঠকে ধর্ষণের বিচার করার কোন সুযোগ নাই। ভিকটিমকে থানায় পাঠান। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

রূপালী পর্দার ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী করোনায় মারা গেছেন

সারাহ বেগম কবরী।

অসম্পূর্ণ অনেক কাজ, অনেক স্বপ্ন রেখেই চলে গেলেন কবরী। বাংলার অন্যতম সেরা অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। ঢাকার সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী সক্রিয় ছিলেন সিনেমায়। ক্যামেরার সামনে থেকে চলে গিয়েছিলেন পেছনে, পরিচালকের আসনে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৩ দিনের মাথায় তিনি চলে গেলেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার রাত ১২টা ২০মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। প্রথম আলোকে কবরীর ছেলে শাকের চিশতী খবরটি নিশ্চিত করেন।

 

খুসখুসে কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষায় দেন সারাহ বেগম কবরী। ৫ এপ্রিল দুপুরে পরীক্ষার ফল হাতে পেলে জানতে পারেন, তিনি করোনা পজিটিভ। ওই রাতেই তাঁকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ এপ্রিল দিবাগত রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। অবশেষে ৮ এপ্রিল দুপুরে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে কবরীর জন্য আইসিইউ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁকে লাইফ সাপোর্ট নেওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না।

 

 

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কবরীর। ১৯৬৫ সালে অভিনয় করেন ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’য়, ১৯৬৮ সালে ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘আবির্ভাব’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’। ১৯৭০ সালে ‘দীপ নেভে নাই’, ‘দর্পচূর্ণ, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বিনিময়’ ছবিগুলো।

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান তিনি। সেখান থেকে পাড়ি জমান ভারতে। কলকাতায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন কবরী। তখনকার স্মৃতি স্মরণ করে একবার কবরী বলেছিলেন, ‘সেখানকার এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অবস্থার কথা তুলে ধরেছিলাম। কীভাবে আমি মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন সবাইকে ছেড়ে এক কাপড়ে পালিয়ে সেখানে পৌঁছেছি, সে কথা বলেছিলাম। সেখানে গিয়ে তাদের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের দেশকে সাহায্যের আবেদন করি।’

 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন কবরী। শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ১৯৭৩ সালে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে ‘রংবাজ’ পায় বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

 

১৯৭৫ সালে নায়ক ফারুকের সঙ্গে ‘সুজন সখী’ ছাড়িয়ে যায় আগের সব জনপ্রিয়তাকে। এরপর কেবলই এগিয়ে চলা সামনের দিকে। জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘আগন্তুক’, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘সারেং বৌ’, ‘দেবদাস’, ‘হীরামন’, ‘চোরাবালি’, ‘পারুলের সংসার’। ৫০ বছরের বেশি সময় চলচ্চিত্রে রাজ্জাক, ফারুক, সোহেল রানা, উজ্জ্বল, জাফর ইকবাল ও বুলবুল আহমেদের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। ঢাকার চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ছিলেন রাজ্জাক-কবরী।

 

তাঁদের বিপুল জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কবরী বলছিলেন, ‘আমরা এতটাই আবেগ দিয়ে অভিনয় করতাম যে ছবির প্রতিটি দৃশ্যকেই জীবন্ত করে তুলতাম।’ অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননাসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা।

 

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার মঞ্চে ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ পাওয়া গুণী শিল্পী সারাহ্ বেগম কবরী

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার মঞ্চে ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ পাওয়া গুণী শিল্পী সারাহ্ বেগম কবরীছবি: প্রথম আলো

২০০৫ সালে ‘আয়না’ নামের একটি ছবি নির্মাণের মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন কবরী। এমনকি ওই ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তিনি অভিনয়ও করেছিলেন। এরপর রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যুক্ত হয়েছেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭-তে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’।

 

কবরী ও বুলবুল আহমেদ, বাংলাদেশে নির্মিত দেবদাস (১৯৮২)

কবরী ও বুলবুল আহমেদ, বাংলাদেশে নির্মিত দেবদাস (১৯৮২)

১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তাঁর আসল নাম ছিল মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা লাবণ্য প্রভা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। তারপর টেলিভিশন ও সবশেষে সিনেমায়। কবরী বিয়ে করেন চিত্ত চৌধুরীকে। সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন সফিউদ্দীন সরোয়ারকে। ২০০৮ সালে তাঁদেরও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। কবরী পাঁচ সন্তানের মা।