উপমন্ত্রী শামীম এর নির্দেশে চরসেনসাস ইউনিয়নে ১ হাজার মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

 

আমান আহমেদ সজিব।। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকায় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপির পক্ষ থেকে বস্ত্র সামগ্রী (শাড়ি ) বিতরণ করা শুরু হয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৭মে) দুপুর ১২ টায় শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের চরসেনসাস ইউনিয়নের ১ হাজার মানুষের মাঝে এসব বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে এ ইউনিয়নের মানুষের মাঝে এবং শরীয়তপুর-২ আসনের নড়িয়া উপজেলা ও সখিপুর থানার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে তার পক্ষ থেকে বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন। সখিপুর থানা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি ও চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জিতু মিয়া বেপারী।

এসময় চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপির পক্ষ থেকে সখিপুর থানা ও চরসেনসাস ইউনিয়ন বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সখিপুর চরসেনসাস ইউনিয়নের বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বালা, সচিব আবুল কাশেম চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদ, মফিজুল হক মাদবর, তরন বেপারী, শাকুল ইসলাম বালা, শামীম বালা, হারুন অর- রশিদ,
হাসিবা বালা,ফাহমিদ বালা, তুষার ইমরান সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

শরীয়তপুর চরসেন্সাস ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জিতু মিয়া বেপারী

 

আমান আহমেদ সজিব।
শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার   চরসেন্সাস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সখিপুর থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জিতু মিয়া বেপারী  বলেন, চরসেন্সাস ইউনিয়নের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আমি চরসেন্সাস ইউনিয়নের অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি।

জিতু মিয়া বেপারী আরও বলেন, মাসব্যাপী কঠোর সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের জীবনে এক স্বর্গীয় শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের উৎসব মুসলমানদের নিবিড় ভাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। মাসব্যাপী রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত। দেশের বিদ্যমান ক্রান্তি-লগ্নে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঈদের আনন্দ নিজেদের ভাগ করে নিতে হবে। তাই ঈদুল ফিতরের শিক্ষা থেকে আমাদের অঙ্গীকার হোক সব হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ন্যায়, সাম্য, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, দয়া, সহানুভূতি, মানবতা ও মহামিলনের এক ঐক্যবদ্ধ ও ভালোবাসাপূর্ণ সমাজ এবং দেশ গঠনের জন্য একযোগে কাজ করা।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের আঘাতে এবারে হয়তো পূর্বের ন্যায় সবাইকে নিয়ে ঈদের আনন্দ উদযাপন করা সম্ভব হবে না। তবুও আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন ঘনিষ্ঠজন, নিকটজনসহ সবাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেব। কোনো অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে সেজন্য যারা সচ্ছল ব্যক্তি তারা যেন তাদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, যাতে নিরন্ন মানুষরাও ঈদের আনন্দের অংশীদার হতে পারে।

জিতু মিয়া বেপারী বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারিতে এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজ করছে নিরানন্দ, ভয় ও আতঙ্ক। এ অদৃশ্য আততায়ী করোনার কবল থেকে মানুষকে রক্ষা করতে আমি কায়মনোবাক্যে মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া করি।

তিনি বলেন, পবিত্র এ দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরে আমি এই কামনা করি।