বসুন্ধরা ও রংধনু গ্রুপের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বসুন্ধরা ও রংধনু গ্রুপের উদ্যোগে করোনায় বিপর্যস্ত প্রায় ৫ হাজার পরিবহণ শ্রমিকের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়ন, ভোলাবো এবং দাউদপুর ইউনিয়নের ইজিবাইক, রিকসা, সিএনজি, ট্রাক ও বাস চালকদের মাঝে এ ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল মুরগী, চাল, ডাল, তেল, সেমাই, চিনি, পেয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনী পণ্য সামগ্রী। পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেওয়া কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের মনোনয়নপ্রত্যাশী মিজানুর রহমান মিজানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিতরণ কার্যক্রমে আরো উপস্থিত ছিলেন- রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন ভুইয়া, দাউদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, রূপগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান রমজান আলী মন্ডল, ইউপি সদস্য রিটন প্রধান, আব্দুল আল মামুন দোলন, আলমগীর হোসেন, আ.লীগ নেতা গোলাম রসুল, আল-আমিন মাসুদ, যুবলীগ নেতা আজিজ মিয়া, আবুল খায়ের, নিজাম উদ্দিন প্রমূখ।

বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, করোনায় গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় পরিবহণ শ্রমিকরা খুব কষ্টে ছিল। ঈদের পরিবহণ শ্রমিক ভাইদের কষ্ট লাঘব করতে পরিবহণ শ্রমিকদের জন্য বসুন্ধরা ও রংধনু গ্রুপের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রীর বিতরণ করা হচ্ছে। রূপগঞ্জে কোন পরিবহণ শ্রমিক না খেয়ে থাকবে না। পাশ্ববর্তি দেশ ভারতে করোনা পরিস্থিতি খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে আমাদের দেশে করোনা পরিস্থিতি অনেক ভাল রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের সাথে সাময়িকভাবে সীমান্ত বন্ধ ঘোষণা একটি যুগোপুযোগী সিদ্ধান্ত। করোনা দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পড়ে চলতে হবে

শরীয়তপুর পৌর বাসীকে ইকবাল হোসেন অপু এম পি,এর পক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন প্যানেল মেয়র বাচ্চু বেপারী

টিটুল মোল্লা।। 

শরীয়তপুর পৌর বাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক, অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি।

 

মাসব্যাপী কঠোর সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের জীবনে এক স্বর্গীয় শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের উৎসব মুসলমানদের নিবিড় ভাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। মাসব্যাপী রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত। দেশের বিদ্যমান ক্রান্তি-লগ্নে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঈদের আনন্দ নিজেদের ভাগ করে নিতে হবে। তাই ঈদুল ফিতরের শিক্ষা থেকে আমাদের অঙ্গীকার হোক সব হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ন্যায়, সাম্য, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, দয়া, সহানুভূতি, মানবতা ও মহামিলনের এক ঐক্যবদ্ধ ও ভালোবাসাপূর্ণ সমাজ এবং দেশ গঠনের জন্য একযোগে কাজ করা হোক আমাদের অঙ্গিকার।

 

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের আঘাতে এবারে হয়তো পূর্বের ন্যায় সবাইকে নিয়ে ঈদের আনন্দ উদযাপন করা সম্ভব হবে না। তবুও আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন ঘনিষ্ঠজন, নিকটজনসহ সবাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেব। কোনো অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে সেজন্য যারা সচ্ছল ব্যক্তি তারা যেন তাদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, যাতে নিরন্ন মানুষরাও ঈদের আনন্দের অংশীদার হতে পারে।

করোনা ভাইরাসের মহামারিতে এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজ করছে নিরানন্দ, ভয় ও আতঙ্ক।

এ অদৃশ্য আততায়ী করোনার কবল থেকে মানুষকে রক্ষা করতে আমি মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া করি। এ দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা।

জমিতে ছাগল যাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

শাহাদাত হোসেন,ভেদরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

রানী বেগমকে মারধর ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নাসির ছৈয়ালের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার চারভাগা ইউনয়িনে ৯নং ওয়ার্ডে মাঝি কান্দি গ্রামে। এঘটনায় সখিপুর থানায় একটি নারী নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন,নাসির ছৈয়াল(৪০),রিয়া আক্তার,সাহিনা বেগম।

রানী বেগম বলেন, আমার ছাগল নাসির ছৈয়ালের জমিতে ছাগল গিয়েছিলো তাই আমার ছাগলের বাচ্চাকে মারে। আমি বাধা দিতে গেলেই আমাকে লাঠি দিয়ে বেধম ভাবে মারধর করে ও মেরে ফেলবে বলে রামদা নিয়ে তাড়া করে। আমার মাথায় আঘাত করে নাসির মল্লিক ও তার বউ সাহিনা।পরে আমাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসা নিয়ে এখন বাড়িতে বিশ্রামে আছি।এ ভয়ে আমি সখিপুর থানায় একটি নারী নির্যাতনের অভিযোগ করেছি।

সরোজমিনে গেলে অভিযুক্ত নাসির ছৈয়ালকে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন কল করেও কোন সারা দেয় পাওয়া যায়নি।

এ বিষয় সখিপুর থানার থানার ওসি আসসাদুজ্জামান হাওলাদার, আমাদের কাছে একটি অভিযোগ আসছে ছাগল জমিতে যাওয়া নিয়ে বিরোধের মারামারি হয়েছিলো। একটি নারী নির্যাতনের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।