৭ দিনের লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি: কী করা যাবে, কী যাবে না

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার থেকে ৭ দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার, যা পরিচিতি পেয়েছে কঠোর লকডাউন হিসেবে।

মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেয়া এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সোমবার থেকেই কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। তবে বাজেট অধিবেশন ও ব্যাংকের জুন ফাইনালের কারণে শনিবার সে অবস্থান থেকে সরে আসে কর্তৃপক্ষ।

এদিন সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক ভার্চুয়াল সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সোমবার থেকে দেশজুড়ে দেয়া হবে আংশিক লকডাউন। আর বৃহস্পতিবার থেকে দেয়া হবে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। সেটির প্রজ্ঞাপন হলো বুধবার।

২১ দফা নির্দেশনা
১. সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহনসহ সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলও বন্ধ থাকবে।
৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
৪. সকল পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।
৫. জনসমাবেশ হয় এই ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
৬. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদান সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, কার্গো ভেসেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র ও স্থল) এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিস এই নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা, শ্রমিকরা আসবে পায়ে হেঁটে

ঢাকা- করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বিস্তার রোধে ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই (বুধবার) মধ্যরাত পর্যন্ত মানুষের সার্বিক কার্যাবলী ও চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার।

এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রাখতে পারবে শিল্প-কারখানা। খোলা থাকবে পোশাক কারখানাও। এসময় হেঁটে, রিকশায় বা সাইকেল চালিয়ে কারখানায় যেতে হবে শ্রমিকদের।

বুধবার (৩০ জুন) বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

গার্মেন্টস খোলা রাখার বিষয়ে পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, যেহেতু মুভমেন্ট পাস নেই, সেহেতু যেসব শ্রমিক কারখানার পাশে থাকবে কেবল তারাই কারখানা প্রবেশ করতে পারবে।

তিনি বলেন, পায়ে হেঁটে, রিকশা বা সাইকেল চালিয়ে কারখানায় আসা যাবে। মালিকদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। যেসব মালিক কারখানার আশপাশে থাকবে কেবল তারাই কারখানায় প্রবেশ করতে পারবে। দূর থেকে কোনও শ্রমিক বা মালিক কোনও কারখানায় যাওয়া-আসা করবে না। তবে দূর থেকে কেউ আসতে হলে তাকে রিকশা অথবা সাইকেল চালিয়ে অথবা হেঁটে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাই। একই সঙ্গে আমরা কারখানা চালু রাখতে চাই। যেহেতু রাস্তায় যানবাহন চলবে না, সেহেতু সীমিত আকারে হোক আর পুরোপুরি হোক কারখানার আশপাশের শ্রমিকদের দিয়ে কারখানা চালু রাখতে হবে।
এ প্রসঙ্গে বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কারখানার ভেতরে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে। আর কারখানায় শ্রমিকদের আসা-যাওয়ার জন্য মালিকরা ব্যবস্থা নেবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সবাই আইডি কার্ড প্রদর্শন করে কারখানায় প্রবেশ করবে। মালিক ও কর্মকর্তারাও সার্বক্ষণিক আইডি কার্ড প্রদর্শন করে পুলিশের সঙ্গে কোমল ব্যবহারের মধ্য দিয়ে কারখানা প্রবেশ করবে। তবে ঢাকা বা গাজীপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়া আসা। অথবা নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা বা গাজীপুর যাওয়া আসা আপাতত বন্ধ থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বুধবার দেয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। এ সময় সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহনসহ যন্ত্রচালিত যানবাহন বন্ধ থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবায় জড়িত ব্যক্তিদের এই বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কৃষিপণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যদ্রব্য ও খাদ্যশস্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকাদান, রাজস্ব আদায়-সম্পর্কিত কার্যাবল যেমন, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তাব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালস অন্য জরুরি ও অত্যাবশকীয় পণ্য এবং সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর কর্মচারীরা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র দেখিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন।

এ ছাড়া পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, লরি, কাভার্ড ভ্যান, কার্গো ভেসেল নিষেধাজ্ঞা আওতার বাইরে থাকবে। যারা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা নেবেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে বাইরে বের হতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকায় বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট দেখিয়ে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন বলেও জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে।

সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জে গ্রামীণ অবোকাঠামো উন্নয়নে চলাচলের অনুপোযোগী রাস্তা করা হচ্ছে আধুনিকায়ন

স্বপ্না আক্তার ,নীলফামারী।

গ্রামীণ অবোকাঠামো উন্নয়নে অধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলায়। চলাচে অনুপোযোগী রাস্তা গুলোতে মাটি দিয়ে সংস্কারের পরিবর্তন এনে করা হচ্ছে এইচবিবি করণ ও সিসি সোলিং। আর এই প্রযুক্তি ব্যবহারে বর্ষায় কাদা ও খানাখন্দকে ভরা উঁচু-নিচু রাস্তাসহ দূর হবে পথচারীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি । গ্রামীণ অবোকাঠামো উন্নয়নে সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ দূর হওয়ার পাশাপাশি গ্রাম রুপান্তর হবে শহরে। এবারের কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়নে নিচু এলাকার রাস্তা উঁচু, টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে ধারণা নীতিনির্ধাকদের।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টা সফল করেতে নিরলস পরিশ্রম করছে নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বরত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হাসনাত সরকার। কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৪২টি রাস্তায় করা হচ্ছে এইচবিবি করণ, সিসি সোলিং ও মাটি ভরাটের কাজ। চলতি অর্থ বছরে স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান আদেলের দেয়া বিশেষ বরাদ্দ কাবিটা প্রকল্পের প্রায় ১কোটি ১০লক্ষ টাকা ব্যায়ে চলছে চলাচলের অনুপোযোগী নিচু রাস্তা সংস্কারের কাজ। হাজারো মানুষ চলাচলের অনুপোযোগী বেহাল এই রাস্তায় দুই স্তর বিশিষ্ট সারিবদ্ধ ইটের উঁচুতে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামীণ আবোকাঠামো। এমনকি বাড়ছে রাস্তার স্থায়ীত্ব।
তবে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের করল্লাবেচা পাড়ার হাজারো মানুষ সবচেয়ে বেশী খুঁশি। চলালের অনুপোযোগী রাস্তায় ছিলো খানাখন্দকে ভরা আর বর্ষা মৌসুম এলেই যেনো পানি জমে থাকে হাটু পর্যন্ত। করল্লাবেচা পাড়ার আব্দুর রাজ্জাক, হাবিবুর রহমান, মহব্বত হোসেনসহ প্রায় ১শতাধিক মানুষ বলেন, মেয়ে বিয়ে দিতে গেলে রাস্তার কারণে ভালো ঘর জোটে না। বর্ষাকালে এক হাটু পানি জমে থাকে এমনকি কাদার জন্য রাস্তা ঘাট চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে যায়। খরা মৌসুমে তো খানাখন্দকে ভরা থাকে চলতে অনেক কষ্ট হয়। এখন আমরা অনেক আনন্দিত। আমাদের এই রাস্তাটা অনেক উঁচু করে ইট দিয়ে দুই স্তর বিশিষ্ট সলিং করা হয়েছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাদুবাদ জানাই আমাদের দীর্ঘদিনের এই অবহেলিত রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে।
সৈয়দপুরের বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের আব্দুল ওহাব বলেন, আগে এই রাস্তায় উচু নিচু খালখন্দক ছিলো। আর এই বর্ষায় কাদার জন্য অনেক পিছলা, এখন ইট দিয়ে দুই স্তর বিশিষ্ট সোলিং করে দিয়েছে চলাচলে অনেক শান্তি পাচ্ছি।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হাসনাত সরকার বলেন, গ্রাম হবে শহর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় প্রশাসনের সাথে পরামর্শক্রমে বেশীর ভাগ চলাচলের অনুপোগী রাস্তা করা হচ্ছে সংস্কার। এইচবিবি ও সিসি কারণ কাজ সম্পন্ন হলে অবহেলিত এলাকার মানুষ যাতায়াত, পণ্যপরিবহন, এ্যম্বুলেজ, ফায়ার সার্ভিস সহ সড়ক পথে বিভিন্ন সুবিধা পাবে।
নীলফামারী-০৪ আসনের সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান আদেল বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে আমার পাওয়া বরাদ্দের টিআর কাবিটা প্রকল্পের সিংহ ভাগেই খরচ করা হচ্ছে গ্রামীণ অবোকাঠামো উন্নয়ন মূলক কাজে। আর এই এইচবিবি ও সিসি সোলিং হচ্ছে প্রাথমিক ভাবে রাস্তা পাকা করণের ভিত্তি । এতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি বাড়বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

কাল থেকে সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। বুধবার (৩০ জুন) বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা, জনসমাবেশ হয় এমন কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না এই সময়ে।

বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২১টি শর্ত যুক্ত করে ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ হয়েছে বলে জানানো হয়।

প্রধামন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করেতে আওয়ামীলীগ এর বিকল্প নাই. উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম।

আমান আহম্মেদ সজীব :শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে পানিসম্পদ উপ-মন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম (এমপির) নির্দেশে উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলা গড়তে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগ কখনো অন্যায়ের কাছে আপোষ করেনা।
আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে চলছে।

বুধবার ( ৩০ জুন) সকালে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর বৃক্ষরোপন কর্মসূচির পালিত হয়।

এসময় এর নেতৃত্ব দিয়েছেন সখিপুর উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ ইউনুছ সরকার।

এসময় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক শামীম এমপি আরো বলেন দেশের যে কোনো ক্রান্তিলগ্নে এদেশের আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে । যে ঐতিহ্য ও অবদান রয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা বাংলাদেশের ইতিহাস।প্রতিটি নেতাকর্মীকে এমনভাবে আচরণ করা উচিত যাতে এ সংগঠন একটা মর্যাদাপূর্ণ হয় এবং দেশ ও জাতির কাছে আস্থা অর্জন করে চলতে পারে। তাই জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করেতে।
আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে চলছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ইউনুছ সরকার, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেহেদী হাসান সিপন বেপারী, উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়নের সদস্য বৃন্দ সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময় উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ সরকার বলেন মহামারী করোনা ভাইরাস সারাদেশে ছরিয়ে পরেছে লকডাউন এবং সাড ডাউন। ঘোষনা করেছে। তাই উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপির নিদের্শনা মোতাবেক আমাদের বাজারের সকল ব্যবসায়ীসহ ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সকলকে মাক্স পরিদার করতে হবে। নিয়ম নিতি মেনে চলতে পারলে হয়তো আমাদের ইউনিয়নকে সুরক্ষিত করতে পারবো।
তাই আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী র নির্দেশ অনুযায়ী উপমন্ত্রীকে স্বরন করে। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বায়ন জানাচ্ছি। সবাই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমের সার্বিক সহযোগিতায়
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে পানিসম্পদ উপ-মন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম (এমপির) নির্দেশে উওর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হবে।
গাছে গাছে সবুজ দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশের।
গাছ লাগান পরিবেশ বাচান।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়স ৩২ করার দাবি সংসদে

মহান জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়স ৩২ করার দাবি করেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির উপনেতা জিএম কাদের এবং বিএনপির নেতা হারুনুর রশীদ।

আজ মঙ্গলবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এ দাবি জানান দুই দলের দুই নেতা।

জিএম কাদের বলেন, করোনা মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সে কারণে উচ্চশিক্ষার শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারেননি। আবার লকডাউনের কারণে অফিস-আদালতের কার্যক্রম সীমিত হওয়ায় সরকারি চাকরির নিয়োগ কার্যক্রম থমকে আছে। এসব কারণে অনেকের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নির্ধারিত বয়স ৩০ পার হয়েছে, অনেকের পার হওয়ার পথে। এসব কারণে তারা চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধি করে ৩২ বছর করার দাবি জানান তিনি।

২০২১-২২ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে টাকার অংকে বর্তমান বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেও জিডিপির অনুপাতে কমছে উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, চলতি অর্থবছরের ২.০৯ শতাংশ চেয়ে শিক্ষাখাতে প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরে বরাদ্দ জিডিপির আনুপাতিক হার ২.০৮ শতাংশ। মহামারি কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দূরশিক্ষণ কার্যক্রম প্রবর্তন করা প্রয়োজন। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তিগত সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে ডিজিটাল যন্ত্র তুলে দেয়ার বিষয়টি বাজেটে নেই।

তিনি আরও বলেন, বাজেটে উচ্চশিক্ষায় ১৫ শতাংশ কর আরোপ করা (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল শিক্ষা) হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এ খরচ শিক্ষার্থীদেরই বহন করতে হবে। এতে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বেড়ে যাবে, উচ্চশিক্ষার প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে। এই কর আরোপ না করার সুপারিশ করছি।

বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ সাল থেকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। সুতরাং আজকে যাদের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে, তারা অস্থির অবস্থায় আছে। এটা বিবেচনায় রেখে অন্ততপক্ষে কোভিডকালে যতক্ষণ পর্যন্ত করোনামুক্ত হচ্ছি, তার জন্য এই সময়ে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর দাবি করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জাতিকে এ ব্যাপারে একটা আশ্বাস দেবেন।
অর্থবিল পাসের আগে বিলের সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে হারুনুর রশীদ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, আবার দলের প্রধান। সুতরাং উনাকে নিয়ে যেমন প্রশংসা হবে, পাশাপাশি উনাকে নিয়ে সমালোচনাও হবে। এটি গণতন্ত্রের অর্নামেন্ট (অলঙ্কার)। সমালোচনা করতে গিয়ে তাদের যদি কারাগারে যেতে হয়, তাদের যদি নিপীড়ন ভোগ করতে হয় এটা দুঃখজনক। এটি প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। ভিন্নমত প্রকাশের ক্ষেত্রে যারা আলোচনা-সমালোচনা করতে চায় সেটা সেভাবে নিয়ে আসতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সখিপুর থানা পুলিশের কঠোর তৎপরতা

আমান আহমেদ সজিবঃ
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার (২৮জুন) থেকে সরকার যে আংশিক লকডাউন ঘোষনা করেছেন সেটা যেনো হযথাযথ ভাবে পালন করা হয় সেই জন্য শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানা পুলিশ কঠোর ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মাঠে।

সারা দেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ছাড়া সব ধরনের গণপরিহন বন্ধ থাকবে তাই শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামানর এর দিক নির্দেশনায় পুরো জেলাতেই কঠোর তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ (২৯ জুন) মঙ্গলবার সকাল থেকেই সখিপুর থানার ওসি, আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মাঠে।

সখিপুর থানার ওসি, আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার নিজেই থানা পুলিশসহ নিয়মিত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। নিয়মিত টহলের মধ্য দিয়ে রাস্তায় থেকে বিষয়গুলো নিশ্চিত করছেন।

জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সবাই ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন। নিজে এবং পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

1 2 3 36