শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০০৮ এর কর্মশালা।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন, এর উদ্যোগে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০০৮ এর উপর একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শরীয়তপুর জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ে
উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলার সম্মানিত জেলাপ্রশাসক জনাব মোঃ পারভেজ হাসান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসকগণ, উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ, সহকারী কমিশনার(ভূমি) গণ এবং কালেক্টরেটের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও সহকারী কমিশনারবৃন্দ।

উক্ত কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসাবে সেশন টি পরিচালনা করেন জনাব শাফিউল মাজলুবিন রহমান, সহকারী কমিশনার।

স্কুল খুললেই ১ হাজার টাকা পাবে শিক্ষার্থীরা

মঙ্গলবার (০১ জুন) গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও উপবৃত্তি প্রকল্প সূত্রের বরাতে একটি সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তবে করোনার কারণে যদি নির্ধারিত সময়ে স্কুল খোলা সম্ভব না হয় তাহলে জুনের মধ্যে এ টাকা পাবে শিক্ষার্থীরা।
এ প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা জানান, স্কুলের শিক্ষার্থীদের ২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ছয় মাসের উপবৃত্তি বিতরণ চলছে। এ বিতরণ শেষ হলে জুনের ১০ তারিখের পর জামা-জুতা কেনার জন্য কিডস অ্যালাউন্স বাবদ এক হাজার টাকা বিতরণ শুরু হবে।

দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে এ টাকা ১৩ জুনের পর দেয়া হবে। কোনো কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৩ জুন খোলা সম্ভব না হলেও এ টাকা বিতরণ করা হবে। এককালীন টাকা বিতরণের জন্য ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতর এ খাতের প্রয়োজনীয় অর্থও প্রস্তুত রয়েছে। সময়মত শিক্ষার্থীদের মায়ের নগদ অ্যাকাউন্টে এ টাকা পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এখন ২০২০ সালের শেষ ছয় মাসের উপবৃত্তি বিতরণ করা হচ্ছে। এটা শেষ হলেই ১৩ জুন স্কুল খুললে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসার উপহার হিসেবে জামা-জুতা কেনার জন্য এককালীন এক হাজার টাকা বিতরণ শুরু হবে। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, প্রায় এক বছর পর বিভিন্ন জটিলতা ও আর্থিক সঙ্কট কাটিয়ে গত বছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসের উপবৃত্তি পাচ্ছে এ বছর জুন মাসে। ২০২০ সালে বছরের প্রথম দিন নতুন বইয়ের সঙ্গে জামা-জুতা কেনার জন্য এককালীন এক হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছর অর্থ ছাড়ের জটিলতায় তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। আর ২০২১ সালের করোনার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে না এসে নতুন বই সংগ্রহ করেছে। ফলে এ বছরের প্রথম দিনে এ টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে প্রাথমিক স্কুলে কিডস অ্যালাউন্স পাওয়ার যোগ্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখের কিছু বেশি। এ শিক্ষার্থীর কিডস অ্যালাউন্স বাবদ প্রায় ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপবৃত্তির দুই কিস্তির বকেয়া পরিশোধ করা হচ্ছে।
প্রাথমিক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ২০২০ সালের উপবৃত্তির তিন কিস্তির ও এককালীন কিডস অ্যালাউন্স বাবদ ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়। এ টাকা থেকে প্রতি কিস্তি (তিন মাস অন্তর) উপবৃত্তি বিতরণ করতে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। সে হিসেবে প্রতি বছরে চার কিস্তিতে প্রয়োজন হয় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে জামা-জুতা কেনার জন্য এককালীন এক হাজার করে টাকা দেওয়া হবে। এতে আরও ১১০০ কোটি টাকা লাগবে।

শরীয়তপুরে ইঞ্জিনিয়ারের বাধা অমান্য করেই বৃষ্টির মধ্যে চলছে রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজ

শেখ নজরুল ইসলামঃ
শরীয়তপুরে ইঞ্জিনিয়ারের বাধা অমান্য করে বৃষ্টির মধ্যে চলছে রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের নর-বালাখানা এলাকায় বৃষ্টির ভেতর চলছে রাস্তার পিচ ঢালাই কাজ। পালং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ফকির বাড়ির ব্রীজ থেকে এতিমখানা বটতলা পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তার কাজ বাধা অমান্য করেই বৃষ্টির ভেতরে চালিয়ে যাচ্ছে বলে হতাশ প্রকাশ করেন ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম ৷

অভিযোগের ভিত্তিতে ১জুন বেলা ১টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখি-১ কিলোমিটার রাস্তার অনেকাংশে ইটের খোয়ার উপর মাটির প্রলেপ পরে আছে। দেখে মনে হয় মাটির রাস্তা। তার উপর তৈল মারা। তা আবার বৃষ্টিতে ধুয়ে গেছে। ইঞ্জিনিয়ার এর অনুপস্থিতিতে চলছে পিচ ঢালাইয়ের কাজ। জানা যায়, এই কাজের এসও জামাল হোসেন। তিনি মূলত সার্ভেয়ার থেকে এসও’র দায়িত্ব পালন করেন। তাকে রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের সময় পাওয়া যায়নি।

রাস্তার কাজের বিষয় এলাকাবাসী বলেন-৩ দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টির ভেতর চলছে রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজ। কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও ঠিকাদার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে । এলাকাবাসী অারও বলেন-এই রাস্তাটা বেশিদিন টিকবো না ! সবঐ পচা ইটের খোয়া দিছে রাস্তাটায়,রাস্তাটা ঠিক মত ডলেও নাই,তেল অল্প দিছে,এভাবেই তৈরি করতাছে রাস্তাটা।

ঠিকাদার আমিনুল ইসলাম এর কাছে এলাকাবাসীর অভিযোগ এর কথা বললে তিনি অকথ্য ভাষায় বলেন-কে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। রাস্তার কোথাও কোন সমস্যা থাকলে আপনারা নিউজ করেন।

উল্লখ্য;ইতিমধ্যে ঠিকাদার আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিন্মমানের কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী ঠিকাদারের নিন্মমানের কাজের বাধা দিয়েও কোন সুফল পায়নি।

এবিষয়ে সদর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম মুঠোফোনে বলেন-বৃষ্টির ভেতর কোন কাজ হবে না। আমি লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এখন জদি কাজ চলে তাহলে বিষয়টি আমি দেখতেছি। এই বলে ফোন কেটে দেন। এদিকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাজ চলছেই।

খুলনায় জনগণের তাড়া খেয়ে পালালেন এমপি (ভিডিও)

এক সংসদ সদস্যকে জনতার তাড়া-খুলনার কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়নের দশহালিয়া এলাকায় কপোতাক্ষ নদের ভে-ঙে যাওয়া বাঁ-ধ মেরামত দেখতে গিয়ে জনতার তা-ড়া খে-য়েছেন সংসদ সদস্য মো. আক্তারুজ্জামান বাবু। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘট-না ঘ-টে।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর বাঁ-ধ ভেঙে মহারাজপুর ও পাশের বাগালী ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লা-বিত হয়। নিয়মিত জোয়ারভাটা আসা-যাওয়ার কারণে ওই বাঁধ এখনও মে-রামত ক-রা সম্ভব হয়নি। তাই স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁ-ধটি মে-রামত করছিলেন এলা-কার কয়েকশ মানুষ।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি ট্রলার নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সাংসদ মো. আক্তারুজ্জামান। এ সময় বাঁধে কাজ করা উত্তেজিত জনতা সংসদ সদস্যকে দেখেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। কাঁদা ছুড়ে মারতে থাকেন ট্রলারের

দিকে। বাধ্য হয়ে সেখান থেকে ট্রলার নিয়ে চলে যান আক্তারুজ্জামান। পরে অবশ্য তিনি ফিরে আসেন। এ বিষয়ে মো. আক্তারুজ্জামান এমপি গণমাধ্যমকে বলেছেন, স্থানীয় মানুষ চান টেকসই বেড়িবাঁধ। প্রতিবছর ভা-ঙনে তারা ব্যা-পক ক্ষ-তিগ্রস্ত হন। ভা-ঙন এলাকায় কাজ

করছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। সেখানে গেলে তাকে (সংসদ সদস্য) দেখে মা-নুষ ক্ষো-ভ প্রকাশ করে টেকসই বে-ড়িবাঁধের দা-বিতে বিক্ষোভ করেছেন। ‘তাদের ওই দাবি যৌ-ক্তিক। বারবার বাঁ-ধ ভা-ঙে আর বারবার স্বে-চ্ছাশ্রমে তা-দের কাজ করতে হয়। এ কারণে

এলাকার এমপির ওপর তা-দের ক্ষো-ভও বেশি।’ পরে ওই এলাকায় নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাঁ-ধের কা-জও ক-রেছেন বলে জানান তিনি। তবে তাকে বহ-নকারী ট্রলারে কাঁ-দা ছু-ড়ে মা-রা হয়নি বলে দা-বি ক-রেছেন সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান।

দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্ত্রী ৬ টুকরো হত্যার।

মহাখালী থেকে উদ্ধার হওয়া ময়না মিয়ার ছয় টুকরো মরদেহটির রহস্য উদঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ময়না মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্ত্রী তাকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহটি ছয় টুকরো করে ফেলে দেন।

ঘটনায় অভিযুক্ত ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের সময় ফাতেমার কাছ থেকে বোরকা, নিহতের রক্তমাখা জামাকাপড়, ধারালো ছুরি, ধারালো দা, বিষাক্ত পেয়ালা ও শীল-পাটা উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।
তিনি বলেন, ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সাকলায়েন ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) রেজাউল হক টিম নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ঘটনাটির রহস্য উন্মোচন করেন। এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি নিহতের প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হারুন-অর-রশীদ বলেন, রোববার (৩০ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় একটা নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। এরপর রাত ১১টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে খণ্ডিত দুটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল পুলিশ।

এ বিষয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ইউনিটের সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ ভিকটিমের পরিচিতি
ঘটনার বিবরণ দিয়ে মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ফাতেমা জানান, গত ২৩ মে থেকে তার স্বামী ময়না মিয়া কড়াইল এলাকায় তার বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়ার সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরবর্তীতে টুকরো টুকরো করে মরদেহ ফেলে দেন।

ভেদরগঞ্জে’র পৌরসভায় ভেকু দিয়ে ফসলি জমি কাটছে প্রভাবশালীরা.!

ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি
শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অনুমোদন ছাড়াই মাছ চাষের জন্য ভেকু দিয়ে রাতারাতি ফসলি জমিতে ইচ্ছে মতো পুকুর খনন করছে প্রভাবশালী মহল। এতে ক্রমেই কমছে চাষের জমি।

জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ পৌরসভার কিছু ফসলি জমি রয়েছে।শ্রেণিভেদে প্রায় সব জমিতেই সারা বছরই কোনো না কোনো ফসলের আবাদ হয়।

৩০মে (রবিবার) রাতে ১০ টার দিকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় ৪নং ওয়ার্ড(পুটিয়া মৌজার) পুটিয়া গ্রামে প্রতি রাতে প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ১ টি ভেকু মেশিন দিয়ে কৃষি জমি খনন করে পুকুর করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের আবাদি ফসল ও ক্রমাগত কমে আসছে।

সোমবার (৩১ মে) এ বিষয় ভেকু মালিক হাবিব হোসেনর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি জানান, ফসলি জমিতে ভেকু চালানোর কোন অনুমতি পত্র নেই। আমি ভেদরগঞ্জ মেয়র আবুল বাশার চোকদারের কাজ করি। সকল সেক্টর ম্যানেজমেন্ট করেই কাজ করি। আপনি স্বপন সিকদারের সাথে যোগাযোগ করুন।

সোমবার (৩১ মে) সন্ধা ৮ টায় মুঠোফোনে আলাপকালে স্বপন সিকদার বলেন গতকাল রাতে ভেকু চালাতে পারছি।আজকে বৃষ্টি হওয়ার কারনে ভেকু বন্ধ।

একইদিনে ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবুল বাশার চোকদারের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন আমি মিটিংএ আছি পরে এ বিষয় কথা বলি।

উপজেলা কৃষি অফিসার সালমা আক্তার বলেন, প্রতিবছরই বাড়ছে পুকুরের পরিধি, কমে যাচ্ছে ঊর্বর আবাদি জমি। একই সঙ্গে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন এবং সরকারি জলাশয় দখল ও ভরাট করায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ককর্মকর্তা তানভীর আল নাসীফ বলেন, এ বিষয়ে শুনেছি। একবার অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আবার যদি রাতে গোপনে ভেকু চালায় তাহলে অবশ্যই অভিযান চালানো হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাবুনগরীর কমিটি অবৈধ ঘোষনা, মধুপুর পীরের ।

ঢাকা- হেফাজতে ইসলামের নতুন আহ্বায়ক কমিটি বৈধ না বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের মধুপুর পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামিদ।

রোববার (২৮ মে) রাতে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিশেষ ঘোষণায় মধুপুরের পীর তার এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ওই ঘোষণাপত্রে হেফাজতের প্রয়াত আমীর আল্লামা আহমদ শফীর নীতি আদর্শে অবিচল থাকারও ঘোষণা দেন তিনি।

সোমবার (৩১ মে) বিকালে মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ গণমাধ্যমকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ঘোষণাপত্রে তিনি বলেন, আমি মাওলানা আবদুল হামিদ (পীর সাহেব, মধুপুর) শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফীর নীতি ও আদর্শের ওপর অবিচল আছি এবং আজীবন থাকব ইনশাআল্লাহ।

আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি, হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই এবং নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির প্রতিও আমার কোনো সমর্থন নেই। এই কমিটিকে আমি বৈধ মনে করি না।

মাওলানা আবদুল হামিদ আরও বলেন, আমি হেফাজতে ইসলামের মোদি বিরোধী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জের মধুপুরে অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলীর জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

বিশেষ করে আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন মেজর জেনারেল আবুল কালাম হুমায়ুনের আম্মার আহত হওয়ার খবর শুনে অত্যন্ত দুঃখিত ও ব্যথিত হয়েছি। বিশেষ করে মেজর জেনারেল সাহেবের বাড়িঘরসহ অন্যান্যদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

1 2