শরীয়তপুরের জাজিরায় বজ্রপাতে ২জন কৃষক মৃত্যু। ।

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার দুটি গ্রামে বজ্রপাতে দুজন কৃষক নিহত হয়েছেন।

৫ জুন শনিবার দুপুরে উপজেলার জয়সাগর ও ডাক্তার মফিজ রাড়ির কান্দি গ্রামে ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের জয়সাগর গ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম খলিফা (৬২)। পালেরচর ইউনিয়নে ডাক্তার মফিজ রাড়ির কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মালেক পেদা (৪২)। নিহত ব্যক্তিরা দুজনই কৃষক।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। ওই সময় তাজুল ইসলাম ও মালেক পেদা জমিতে কাজ করছিলেন। বৃষ্টি ও বজ্রপাত দেখে তারা কাজ ফেলে বাড়ির দিকে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় বজ্রপাতে দুজন মারা যায়।

জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক হাবিবুর রহমান বলেন, দুপুরে বজ্রপাতে আঘাতপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের দুজনকে মৃত্যু অবস্থায় আনা হয়েছিল।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফুজ্জামান ভূইয়া বলেন, বজ্রপাতে দুজন কৃষকের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতের আলামত লক্ষ্য করা গেলে মানুষকে খোলা স্থানে থাকতে বারণ করা হয়। বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওযার জন্য সরকার নানা ধরণের সচেতনতামুলক প্রচারনা চালায়, তা মেনে চললে এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

রংপুরে গৃহবধুকে ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে গণধর্ষণ গ্রেফতার ৪।

রংপুর পীরগঞ্জে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের ধারণ করা ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ।এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার বাদি হয়ে পীরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।

গত বৃহষ্পতিবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার পাটগ্রাম থেকে অভিযুক্ত খালেক মিয়ার ছেলে রনি মিয়া(১৯), মকবুল মিয়ার ছেলে আখতার (২৫), আজগার মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২৬) ও শাহ আলমের ছেলে আলামিন (২২) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে উপজেলার বড়আলমপুর ইউনিয়নের পাটগ্রাম নামের ওই গ্রামে বিয়ে হয় ধর্ষিতা নারীর। তার ২ বছরের এক কন্যা সন্তান আছে। সম্প্রতি ওই গৃহবধূর সঙ্গে প্রতিবেশী রনি মিয়া (১৯) এর পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে গত ২১ জুন ওই গৃহবধূর সঙ্গে রনি অনৈতিক কাজে যুক্ত হয়। এবং সেই অপকর্ম ভিডিও ধারণ করে। পরে এলাকার আখতার, মামুন মিয়া ও আলামিন ওই ভিডিও গৃহবধূকে দেখিয়ে বলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া হবে। একপর্যায়ে বাঁচতে বাধ্য হয়ে ওই গৃহবধূ তাদের সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।

পরে বৃহষ্পতিবার ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে পীরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পরকীয়া প্রেমিক ও তার ৩ সহযোগীকে গ্রেফতার করে।

পীরগঞ্জ থানার ওসি সরেস চন্দ্র বলেন, ঘটনায় জড়িত ৪ আসামিকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে লুট করা: মির্জা ফখরুল

ঢাকা- সরকারের সব কর্মকাণ্ডের মূলে দুর্নীতি রয়েছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল থেকে আসা অর্ধেক টাকাই লুট করা হয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির উদ্যোগে ‘বৈশ্বিক দুর্যোগ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিশ্বে যে মহামারি দেখা দিয়েছে প্রকৃতির ওপর অন্যায় করার কারণে। প্রকৃতি এখন প্রতিশোধ নিচ্ছে। প্রকৃতির ওপর মানুষ যে অন্যায় করেছে, তাকে যেভাবে ধ্বংস করেছে, এখন সেই প্রতিশোধ নিচ্ছে।’

ঘোষিত বাজেটের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই, জনগণের প্রতি তাদের দায়িত্বও নেই। দুদিন আগে একটা বাজেট দিয়েছে। সে বাজেটে দেখেন তো পরিবেশ প্রকৃতির ওপর কত টাকা বরাদ্দ করা আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ক্লাইমেট চেঞ্জের ওপর বিশ্ব ব্যাংকের একটা ফান্ড আছে। সে ফান্ড থেকে গত কয়েক বছর ধরে তারা ৭শ কোটি টাকা ফান্ডও পেয়েছে। তার অর্ধেক খেয়ে ফেলেছে, আর অর্ধেক ফেরত দিয়েছে। সরকারের কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল লুট করা। লুট করা ছাড়া তাদের আর কোনো কর্মকাণ্ড আমি দেখতে পাই না।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার বড় বড় মেগা প্রজেক্ট করছে। এই মেগা প্রজেক্টগুলো কেন? বারবার করে বলছি করোনা থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য নগদ টাকা সরবরাহ করতে। সেদিকে সরকারের কোনো লক্ষ্য নেই। তারা এই পারপাসে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। মেগা প্রজেক্টের জন্য এবারও দিয়েছে ৭৫ হাজার কোটি টাকা। যেটা এ মুহূর্তে কোনো প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে বড় প্রয়োজন মানুষকে বাঁচানোর।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে পৃথিবী ধ্বংস হচ্ছে। পৃথিবী অতি দ্রুত তার ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। কারণ উন্নত দেশগুলো তাদের স্বার্থে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভলপমেন্ট করেছে। কার্বনের কারণেও ওজন মন্ডল ফুটো হয়ে গেছে। যার ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা সৃষ্টি হয়েছে। এই উষ্ণতার ফলে পৃথিবীর সব ইকোসিস্টেম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এখানে বিশ্ব নেতাদের একটা কমিটমেন্ট প্রয়োজন। সে কমিটমেন্ট নিয়ে পৃথিবীকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়া পরিবেশের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তা ইকো ব্যালেন্স রক্ষা করার জন্য। এই যে উপকূলের সবুজ বেষ্টনি, সে সময় লাখ লাখ গাছ লাগানো হয়েছিল। রাস্তার ধারে গাছ লাগালে সামাজিক বনায়ন হবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জিয়াউর রহমান সাহেব যে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন তা তিনটা দিক ছিল। একটি হচ্ছে প্রকৃতিক পানি সংরক্ষণ করা ও সেখান থেকে ইরিগেশন করা, মাছের চাষ করা এবং খালের দুই ধারে বাগান তৈরি করা।

যার যতটুকু জায়গা আছে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষার জন্য গাছ লাগানোর মাধ্যমে সবুজ বাংলাকে আরও সবুজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, সবাই অন্তত একটি করে ফলদ, বনজ এবং ভেষজ গাছ লাগান।

শনিবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গণভবনে ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২১’ উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি গণভবন চত্বরে ডুমুর ও সোনালু গাছ রোপণের মাধ্যমে এ অভিযানের উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আমি নিজে বৃক্ষরোপণ করলাম। সেই সঙ্গে আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাব, যার যেখানে যতটুকু জায়গা আছে গাছ লাগান।

।তাের ছেলের নাম রাখবি জয়।

১৯৭১ সালের জুলাই মাস। ধানমন্ডি ১৮নং সড়কের একতলা একটা ছােট বাড়ি। এই বাড়িতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বন্দী করে রেখেছিল আমার মাকে। সাথে জামাল, রেহানা, রাসেল। আমিও আমার স্বামী, খােকা কাকা, চাচী ও তাদের ছেলে। আমি সন্তান সম্ভাবনা। মার্চ মাসের ২৩ তারিখ আব্বা যেদিন পতাকা তুললেন নিজের হাতে, সেদিন আমাকে বললেন, “তোর ছেলে স্বাধীন দেশের নাগরিক হবে। তাের ছেলের নাম রাখবি জয়।” জয় তখন চার মাসের পেটে। প্রথম সন্তান আমার কোলে আসবে। মাতৃত্বের প্রথম স্বাদ পেতে যাচ্ছি। সে এক অন্যরকম অনুভূতি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায়না।

সূত্র : শেখ হাসিনা রচনা সমগ্র- ২
প্রবন্ধ : আমি মা
পৃষ্ঠা : ৩৭৭

বিএনপি নির্বাচনের নামে বারবার গণতন্ত্রকে লাশ বানিয়েছিল।

ঢাকা- বিএনপি এদেশের ইতিহাসে গণতন্ত্রের হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন: বিএনপি নির্বাচনের নামে বারবার গণতন্ত্রকে লাশ বানিয়েছিল।

শনিবার ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব মন্তব্য করেন।

‘১৯৭৮ সালের ৩ জুন জিয়াউর রহমান কোন্ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিল?’ বিএনপি নেতাদের কাছে এমন প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল সেনাশাসক জিয়া।

তিনি বলেন, এর আগে ১৯৭৭ সালে হ্যাঁ-না ভোটের নামে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

বিএনপি নেতাদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তীব্র সমালোচনা আর মিথ্যাচারের তীর ছুঁড়ে এবং দলীয়ভাবে আপাদমস্তক অগণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রেখে কীভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বিএনপি?’

বিএনপি নাকি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, কর্মীরা প্রাণ দিচ্ছে, সর্বশেষ জাতীয় প্রেসক্লাবে তাদের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি দেশবাসী দেখেছে! আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবারও বিএনপির কাছে জানতে চেয়ে বলেন, এভাবেই কি তারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে?

২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, গুম করেছিল- ওবায়দুল কাদের তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বিএনপি অতীত ভুলে গেলেও দেশের মানুষ ঠিকই মনে রেখেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বিএনপির কাছে ক্ষমতা ভোগের বস্তু, ক্ষমতা ফিরে পেতে তাইতো মরিয়া হয়ে আছে। আর আওয়ামী লীগের রাজনীতি ত্যাগের, এজন্যই জনগণ শেখ হাসিনার প্রতি আস্থাশীল।

পাকিস্থানের চিড়িয়াখানায় দেখা মিললো অর্ধেক শিয়াল, ঊ মানুষের! (ভিডিও সহ)

পাকিস্থানের চিড়িয়াখানায় দেখা মিললো অর্ধেক শিয়াল, ঊ মানুষের! (ভিডিও সহ)

এমন শিয়ালের দেখা মিলছে করাচিতে। সেখানে চিড়িয়াখানায় আছে এই শিয়াল, যার অর্ধেক শরীর আবার মানুষের। আজব এই প্রাণীকে দেখতে গত ৪০ বছর ধরে নাকি ভিড় উপচে পড়ছে করাচি চিড়িয়াখানায়। মমতাজ বেগম, করাচির চিড়িয়াখানায়

থাকা এমন মানুষের এই নামকরণ করেছেন কর্তৃপক্ষ। মমতাজের শরীরের অর্ধেকটা শিয়ালের। গত চল্লিশ বছর ধরে করাচি চিড়িয়াখানাই ঠিকানা মমতাজের। কী ভাবে মমতাজের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল তা কর্তৃপক্ষ ট্রেড সিক্রেটের মতো চেপে আছেন।

মমতাজকে দেখতে রোজই ভিড় উপচে পড়ে করাচির এই চিড়িয়াখানায়। মমতাজের জন্য আবার বিশেষ ধরনের খাঁচাও বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে মাথায় ঘোমটা দিয়ে দর্শকদের সঙ্গে মোলাকাত করেন মমতাজ।

মমতাজের সবচেয়ে ভালো লাগে ছোটদের সঙ্গে কথা বলতে। ছোটরা হাজারো রকম সওয়াল করে তাঁর এই বিস্ময়কর চেহারা নিয়ে। মমতাজ দর্শনে টিকিট মূল্য মাত্র ১০ টাকা। ভিড় এতটাই যে তা সামাল দিতে নাভিশ্বাস ওঠে চিড়িয়াখানা কর্মীদের। এত দিন মত্‍স্যকন্যা থেকে অশ্বমানুষের কথা শোনা গেছে। যদিও, বাস্তবে এঁদের কারও দ’র্শ’ন পাওয়া যায়নি। সেখানে শিয়াল-মানুষ! চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে চেপে ধরতেই বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

জানা গিয়েছে চিড়িয়াখানার শিয়াল মানুষটি অভিনয় করা। আসলে, বেদির উপরে শিয়ালের চেহারার মডেল রেখে তার মাথার কাছে মমতাজের মাথা রাখা হয়েছে। বেদির নীচে আছে সিক্রেট চেম্বার। যেখান থেকে শুয়ে মাথাটা বেদির বাইরে বের করে দেন মমতাজ। মাথার সঙ্গে ওড়না জড়িয়ে রাখায়া শিয়ালের দেহাংশের সঙ্গে মানুষের দেহাংশের পার্থক্য সহজে ধরা পড়ে না।

বিস্ময়ের আরও বাকি। কারণ, মমতাজ বেগম বলে যাকে ডাকা হচ্ছে তাঁর আসল নাম মুরাদ আলি। ৪০ বছর আগে চিড়িয়াখানায় মমতাজের চরিত্রটি তৈরি করা হয়েছিল। মুরাদের আগে তাঁর বাবা এই কাজ করতেন। বাবার অকাল মৃ’ত্যু’তে ১৬ বছর আগে এই কাজ ধরেন মুরাদ। রোজ টানা ১২ ঘণ্টা এভাবেই অর্ধেক মানুষ ও অর্ধেকের শেয়ালের ভূমিকায় অভিনয় করেন মুরাদ।

1 2 3