রোনালদোর পর এবার কোকের বোতল সরিয়ে রাখলেন লোকাতেল্লি

ইউরো-২০২০ আসরে সংবাদ সম্মেলনের টেবিল থেকে কোকাকোলার বোতল সরিয়ে রাখা সর্বশেষ খেলোয়াড় হলেন এবার ইতালির মিডফিল্ডার ম্যানুয়েল লোকাতেল্লি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো ‘অ্যাগুয়া’ (পানি) শব্দটিও ব্যবহার করেছেন লোকাতেল্লি। তবে সিআরসেভেন আগে কোকাকোলার বোতল সরিয়ে পরে পানির বোতল টেনে এনেছিলেন সামনে। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে লোকাতেল্লি করেছেন উল্টোটা।

সংবাদ সম্মেলনে এসে ২৩ বছর বয়সী লোকাতেল্লি বসার আগেই একটি পানির বোতল রাখেন ও কোকের দুটি বোতল সরিয়ে দেন। ইউরোর এবারের আসরে অফিসিয়াল স্পন্সর কোকাকোলা।

উল্লেখ্য, এর আগে পর্তুগাল-হাঙ্গেরির ম্যাচের আগে পর্তুগিজ অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো টেবিল থেকে কোকাকোলার বোতল সরিয়ে রাখেন। এরপর সবাইকে পানি পান করার আহ্বান জানিয়ে একটি পানির বোতল সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা।

পর্তুগিজ সুপারস্টারের এই কাণ্ডে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিখ্যাত কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার রিপোর্ট অনুযায়ী, রোনালদো কোকাকোলার বদলে পানি খাওয়ার আহ্বান জানানোর পর কোকাকোলার শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় প্রায় চার শ কোটি ডলার (বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা) হারিয়েছে কোম্পানিটি

সারা দেশের ন্যায় শরীয়তপুরে ও আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন

সজীব,শরীয়তপুর প্রতিনিধি।

ইসলাসিক স্কলার আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের সন্ধান চেয়ে শরীয়তপুরে সচেতন তরুণ সমাজ ও দ্বীনি তরুল সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । বৃহস্পতিবার ১৭ জুন দুপুর ১২টায় বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে চৌরঙ্গী মোড় ও জেলা প্রশাসক চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে দুই শতাধিক তরুন অংশগ্রহণ করেন।

সচেতন তরুন সমাজের পক্ষে বক্তব্য রাখেন রাকিব আহসান ও দ্বীনি তরুণ সমাজের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মো. শাখাওয়াত হোসেন শিখর। এসময় বক্তারা বলেন, আদনান কে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে তরুণ সমাজের পক্ষ থেকে সরকার ও প্রশাসনের কাছে আহবান জানাচ্ছি। এই ক্ষেত্রে প্রশাসনের কোন গাফেলতি থাকলে আমরা পরবর্তীতে আরও কঠিন কর্মসূচি আহবান করব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম সজীব,রাকিব হাসান ,নাজিম তালুকদার ,তাজমুল মাঝি, রাসেল মাঝি ,আবির হোসেন, সাব্বির হোসেন প্রমুখ।

জানাগেছে, গত ১০ জুন বৃহস্পতিবার আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান রংপুর থেকে গাড়ি নিয়ে ঢাকার উদ্যেশ্যে রওয়ানা হয়। ঢাকার গাবতী এলাকা পর্যন্ত তারা নেটওয়ার্কের মধ্যে ছিলেন। তার পর থেকে আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান তার গাড়ি চালক ও অন্যান্য দুইজন সফর সঙ্গীসহ মোট চার জন নিখোঁজ হন। অদ্যবধি তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী অধ্যাপক বাংলাদেশি বালক

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুবর্ণ আইজ্যাক বারী যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিস্ময় বালক’ হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে।

সে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, সন্ত্রাসবিরোধী ক্যাম্পেইন ও নিজের লেখা ‘দ্য লাভ’ গ্রন্থের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে চাইল্ড প্রডিজি হিসেবে পরিচিত। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় বারীকে একজন অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল নিউইয়র্কে জন্ম সুবর্ণের। পিএইচডি

স্তরের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের সমস্যাগুলো সমাধান করতে সক্ষম হওয়ায় খুব অল্প বয়সেই বিশ্বে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী এ অধ্যাপককে বিশেষ সম্মাননা জানিয়েছেন। কুমো বলেন, সুবর্ণ এমন একজন ব্যক্তি, যিনি খুব অল্প বয়সেই বিশ্বে ইতিবাচক পার্থক্য তৈরি করেছেন। গণিত ও

পদার্থবিজ্ঞানের মাধ্যমে, সন্ত্রাসবিরোধী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে, বইয়ের মাধ্যমে আপনি বিশ্বজুড়ে চাইল্ড প্রডিজি হিসেবে পরিচিত। গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে আপনার অর্জন প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, একজন বিজ্ঞানী হিসেবে বিশ্বের বর্তমান ঘটনা সম্পর্কে আপনার বিস্ময়কর সচেতনতা এবং বিশ্ব শান্তি প্রচারের জন্য সেই সচেতনতা ব্যবহার করার ইচ্ছা আমাকে মুগ্ধ করে। সুবর্ণকে

দেওয়া সম্মাননার স্বীকৃতিপত্রে নিউইয়র্ক গভর্নর লিখেছেন, সব নিউইয়র্কবাসীর পক্ষ থেকে আমি আপনার প্রশংসা করছি। কারণ, ‘দ্য লাভ’ গ্রন্থেয়ের মাধ্যমে আপনি সব ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি এবং সহনশীলতা জাগানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি এনে দিয়েছেন।

অভিনন্দন ও অব্যাহত সাফল্য এবং সুখের জন্য শুভকামনা। গত ১৭ অক্টোবর গভর্নরের পক্ষ থেকে সাড়ে আট বছর বয়সী বিজ্ঞানী সুবর্ণ আইজ্যাক বারীকে স্বীকৃতিপত্রটি দেন অ্যান্ড্রু কুমো। ২০১৮ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাকে স্বীকৃতি দেয় বিজ্ঞানী হিসেবে। নোবেল বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী দিল্লিতে তাকে বিজ্ঞানী হিসেবে ‘গ্লোবাল চাইল্ড প্রডিজি অ্যাওয়ার্ড’ দেন।

প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি এক বাবার কষ্টদায়ক চিঠি

প্রেম করে পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি এক বাবার বেদনা দায়ক চিঠি✍️📩
মা’রে!শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে আমার নিজের মা হারানোর ব্যাথাটা’ই ভুলে গিয়েছিলাম।

তোর মা ও তোকে মা ছাড়া অন্য নামে কখনো ডাকেনি।বিদ্যালয়ে প্রথম দিন,শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন।তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতেতোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম।

আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো..তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি।হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি

ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল, কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি।আমি তখন ভেতরে বসে রবের কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর ভাবছিলাম,

আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না।অপরদিকে তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি।

আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব…!জানিস মা তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস…..!কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে….মা’রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে

তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে,,বাবাদের_ভালবাসা_শামুকের_খোলসের_মতো মা-রে!বাবাদের ,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা কিন্তু খুব নরম হয়ে থাকে।বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা,
তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে।জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে।

কি করবো বল________???তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা না করেই প্রেম করিস।কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস, সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি,ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই

তোর_প্রেমে_পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম।আমি জানি মা,,, তোদের_সব_সন্তানদের_একটা_প্রশ্ন ??বাবারা কেন তোদের ভালো লাগাটাকে সহজে মানতে চায় না।উত্তর টা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো, তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তর টা পেয়ে যাবি..,,তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।

কিন্তু একটা বাবা বুঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন..!যেদিন তোর দাদুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম,সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,যদি মেয়ে হয় তাহলে,মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে
নিজের হাতে তুলে দিয়ে তবে’ই দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো।তাই তোর প্রতি এত অভিমান।মারে বাবার উপর রাগ করিসনা..!

তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস,তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হব না কেন??বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো।তারা যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোন প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো!তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারী থাকে।
যদি মন কাঁদে….. চলে আসিস….!বুক পেতে দেব……..!ঠিক আগে যেভাবে ভালো বেসেছিলাম………সেভাবেই বাসবো……..!অপেক্ষায় “””””” থাকলাম ”””’হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে
পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা। খুব।কষ্ট হচ্ছে রে…খুব কষ্ট হচ্ছে………!
ইতি
তোর জন্মদাতা “পিতা”
ভালবাসার গল্পকথক #
মতামত আশা #love

হঠাৎ উওপ্ত হয়ে ওঠে জাতীয় সংসদ আলোচনায় পরীমণি- মদ -জুয়ার ক্লাব

চিত্রনায়িকা পরীমণির সূত্র ধরে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব ও মদ -জুয়া নিয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় হঠাৎ কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাতীয় সংসদ। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সকালে অধিবেশনের শুরুতে এই অ-নির্ধারিত আলোচনায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও তরিকত ফেডারেশনের পাঁচ সংসদ সদস্য এই উত্তপ্ত আলোচনায় অংশ নেন।

দিনের শুরুতে এই অনির্ধারিত আলোচনার সূত্রপাত করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে একজন চিত্রনায়িকার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা বোট ক্লাব। কে করল এই ক্লাব? এই ক্লাবের সদস্য কারা হয়? শুনেছি, ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা দিয়ে এ ক্লাবের সদস্য হতে হয়। এত টাকা দিয়ে কারা ক্লাবের সদস্য হন? আমরা তো ভাবতেই পারি না।

রাজধানীর কয়েকটি ক্লাবের নাম উল্লেখ করে মুজিবুল হক বলেন, এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়। জুয়া খেলা হয়। বাংলাদেশে মদ খেতে হলে লাইসেন্স লাগে। সেখানে গ্যালন–গ্যালন মদ বিক্রি হয়। লাইসেন্স নিয়ে খেতে হলে এত মদ তো বিক্রি হওয়ার কথা নয়। তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকারি কর্মকর্তারা কীভাবে এসব ক্লাবের সদস্য হন? এত টাকা কোথা থেকে আসে?

মুজিবুল হক আরও বলেন, গুলশান-বারিধারা এলাকায় ডিজে পার্টি হয়। সেখানে ড্যান্স হয়। নেশা করা হয়। মদ খাওয়া হয়। এসব আমাদের আইনে নেই, সংস্কৃতিতে নেই, ধর্মে নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন, কেন এসব হচ্ছে? কেন এগুলো বন্ধ করা হবে না? ওই সব ক্লাবের সদস্য কারা হয়?

মুজিবুল হকের বক্তব্যের পর সংসদে ফ্লোর নেন সরকারি দলের জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি বলেন, এ তো বোট ক্লাব। জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান আবার দিয়েছিলেন। হিজবুল বাহার করেছিলেন। যারা অপরাধের শুরু করেছেন, তাদের আগে বিচার করা উচিত। ওখান থেকে ধরতে হবে।

শেখ সেলিমের বক্তব্যের জবাবে বিএনপির এমপি হারুনুর রশীদ বলেন, আমাদের বিরোধীদলের এক সংসদ সদস্য (মুজিবুল হক) একটা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সিনিয়র এক সদস্য (শেখ সেলিম) কোথায় চলে গেলেন?’

হারুন আরও বলেন, বিদেশি কূটনীতিক, ডোম ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য জিয়াউর রহমান মদের বৈধতা দিয়েছিলেন। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন যে জিয়াউর রহমান মুসলমানদের জন্য মদের লাইসেন্স দিয়েছেন, তাহলে আমি সংসদ সদস্য পদ ছেড়ে দেবো।

হারুন বলেন, মন্ত্রী-এমপিরা নন, সব থানার পুলিশ এসব ক্লাব থেকে টাকা নেয়। এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

হারুনের বক্তব্যের জবাবে আবার সংসদে ফ্লোর নেন শেখ সেলিম। তিনি বলেন, ‘লাকী খানের নাচের কথা কি ভুলে গেলেন? হিজবুল বাহার? জিয়াউর রহমান এগুলো করেছিলেন। এসবের জন্য বিএনপি দায়ী। সত্যকে স্বীকার করে নিতে হবে।’

এরপর তরিকত ফেডারেশনের সাংসদ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, হারুন সাহেবের সদস্যপদ আজই ছেড়ে দেওয়া উচিত। উনি বললেন, জিয়াউর রহমান মুসলমানদের মদ খাওয়ার পারমিশন দেননি। উনি দেখাক, আইনে কোথায় বলা আছে, মুসলমানরা মদ খেতে পারবেন না। আইন এখানে এনে দেখাক। পদ ছেড়ে দিক।

এরপর আলোচনায় যুক্ত হন জাতীয় পার্টির সদস্য ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ। বলেন, বঙ্গবন্ধু লাইসেন্স দেননি। তারপর আইনটার অপব্যবহার হচ্ছে। একজন চিকিৎসক দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়, জীবন বাঁচানোর জন্য প্রতিদিন মদ খেতে হবে। তারপর লাইসেন্স নেওয়া হয়। বিএনপি এই লাইসেন্স দিয়েছিল।

ইসলামিক বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান মশিউর রহমান। পরীমণির মামলার পর গ্রেফতার জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিষয়ে তিনি বলেন, একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিচার হবে। দোষী হলে শাস্তি হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্র সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্বপন সরকার নামে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্র সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।
৮ জুন টাঙ্গাইল কোর্টে এফিডিভিটের মাধ্যমে স্বপন সরকার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ঘোষণা দেন। ধর্ম ত্যাগের পর স্বপন সরকার নাম পরিবর্তন করে আব্দুল্লাহ আল সিয়াম রেখেছেন।
স্বপন সরকার মির্জাপুর পৌর এলাকার ৪নম্বর ওয়ার্ড বাওয়ার কুমারজানী গ্রামের সাধন সরকারের ছেলে।
স্বপন সরকার করটিয়া সা’দত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।লেখাপড়ার পাশাপাশি সে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানীতে চাকুরি করেন।
আব্দুল্লাহ আল সিয়াম জানান, ছোট বেলা থেকেই ইসলাম ধর্মের রীতি-নীতি, ধর্মীয় বিধি-বিধান তার ভাল লাগত। গত ছয় মাস পূর্বে থেকে তিনি নিজে নিজে ইসলাম ধর্মের নিয়ম কানুন পালন করতে থাকেন। ১১ জুন দেওহাটা আল ইহসান বালিকা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও জামিয়া আরাবিয়া মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মুফতি মাওলানা আশরাফুজ্জামানের হাতে হাত রেখে কালেমা তায়্যিবা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” এবং কালেমা শাহাদৎ “আশহাদুআল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু” পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।ধর্ম গ্রহণের পর তিনি সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কষ্টি পাথরসহ চোরাকারবারি চক্রের ৬ সদস্য আটক

গোপালগঞ্জে মূল্যবান কষ্টিপাথরসহ চোরাকারবারী ও দালাল চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব। র‍্যাব-৮ মাদারীপুর কোম্পানীর একটি বিশেষ আভিযানিক দল কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের চোরা কারবাবারী পিযুষ বাড়ৈর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি ৭৮০ গ্রাম ওজনের একটি কষ্টি পাথরসহ ৬ জনকে আটক করে।

এ সময় র‍্যাব সদস্যরা কষ্টি পাথর ক্রয় বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ৮টি মোবাইল, ১০টি সীমকার্ড ও ক্রয় বিক্রয়ের নগদ ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে।

কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলামের নেতৃত্বে বুধবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় র‍্যাব সদস্যরা তাদের আটক করেন।

আটককৃতরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের প্রেমচাঁদ বাড়ৈর ছেলে পিযুষ বাড়ৈ(৫০), একই উপজেলার উনশিয়া গ্রামের গৌরাঙ্গ কর্মকারের ছেলে গোবিন্দ কর্মকার(২৭), বুরুয়া গ্রামের অমল গাইনের ছেলে মহাদেব গাইন(২৪), মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার আমগ্রামের মৃত দেবেন্দ্র নাথ মোড়লের ছেলে প্রশান্ত কুমার মোড়ল ওরফে কির্ত্তনীয়া (৬০), একই গ্রামের গৌরাঙ্গ বালার ছেলে কাশী বালা (৩৭) এবং মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার কোলচরী স্বস্থাল গ্রামের মৃত মোমিন উদ্দিন মোল্লার ছেলে মোঃ নান্নু মোল্লা (৪৫)।

কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, মূল্যবান কষ্টি পাথর ক্রয় বিক্রয়ের সময় হাতে নাতে ওই ৬ চোরাকারবারীকে আটক করা হয়। এসময় আটকৃতদের কাছ থেকে ৪ কেজি ৭৮০ গ্রাম ওজনের ১টি কষ্টি পাথর, কষ্টি পাথর ক্রয় বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ৮টি মোবাইল সেট, ১০টি সীমকার্ড ও ক্রয় বিক্রয়ের নগদ ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

আটক আসামীরা চোরাকারবারী, দালাল, ঠক, প্রতারক, বাটপার ও ধূর্ত প্রকৃতির বলে কলাবাড়ি গ্রামবাসী র‍্যাবকে জানিয়েছে। আটক আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে দেশের মূল্যবান কষ্টি পাথর চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে পাচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানের সাধারণ মানুষকে চাকরি, বদলি, ব্যবসা ও ঠিকাদারী পাইয়ে দেয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আসছে বলে স্বীকার করেছে। এছাড়া তারা ঠক ও প্রতারণার কাজে জড়িত রয়েছে বলেও র‍্যাবকে জানিয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরো জানান, বৃহস্পতিবার আটক ৬ চোরাকারবারীকে উদ্ধারকৃত মূল্যবান কষ্টি পাথর ও অন্যান্য আলামতসহ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।