প্রধানমন্ত্রী পক্ষে করোনায় কর্মহীন ৪’শত পরিবারকে খাদ্য বিতরণ করলেন.চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারী

শরীয়তপুর প্রতিনিধি :
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি এর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন করেন চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জিতু মিয়া বেপারী।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল ১১ টায় অত্র ইউনিয়ন পরিষদে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অত্র ইউনিয়নের অতি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপহার খাদ্য সহায়তায় ২শত পরিবারকে ৫ কেজি চাউল, ১ কেজি ডাউল, ১ কেজি আলু, ১ লিটার সোয়াবিন তৈল, অপর দিকে ২ শত পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাউল বিতরণ করা হয়।
এসময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ট্যাক অফিসার হিসেবে উপস্থিত মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, সখিপুর থানা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি ও চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জিতু মিয়া বেপারী, চরসেনসাস ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাল,
ইউপি সচিব মোঃ আবুল কাশেম, সাহাদাত হোসেন সরদার ,ইউপি সদস্য মোঃ কালন মাঝী, হানিফ চৌকদার, ও মনির হোসেন, যুবলীগ এর সহ-সভাপতি মালেক মীর ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল মাদবর, চরসেনসাস ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াদ আহমেদ রাজ সহ ,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ , যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

এই সময় জিতু মিয়া বেপারী বলেন , কোভিড-১৯ মোকাবেলায় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার৷ পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি মহদয়ের নির্দেশে চরসেনসাস ইউনিয়নের হত দরিদ্র ৪ শত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
উপমন্ত্রীর নির্দেশে চরসেনসাস ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে যাচাই বাছাই করে যারা খুবই অসহায় তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় এই হত দরিদ্র পরিবারের লোকজন জানান করোনার সময় আমাদের কোন কাজ নেই তাছাড়া বয়সও হয়েছে অনেকের। চাউল, ডাল, আলু, তৈল পেয়ে হাসি মুখে বলেন করোনা সময় কোন কাজ নেই। খুব কষ্টে দিনযাপন করছি। যা পেয়েছি তাতে কিছু উপকার হবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমাগো উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি মহেদয়ের জন্য দোয়া করি। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাদেরকে সব সময় সুস্থ রাখেন।

এছাড়া করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সচেতানতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারী, উপমন্ত্রীর নির্দেশে প্রতিটি ওয়ার্ড এ ঘুরে ঘুরে, নিজস্ব অর্থায়নে চাল,ডাল ও টাকা পয়সা দিয়ে যাচ্ছেন । এবং এ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলে জানান এবং সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বায়ক জানান।
তাই সবাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন, মাক্স পরিধান করুন, নিজে এবং পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

বিভিন্ন অপরাধে ডিএনসিসির একজন চাকুরিচ্যুত অপরজন সাময়িক বরখাস্ত

নিউজ২৪লাইন ডেক্স ঃ
সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন অপরাধে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে একদিনেই ০২ (দুই) জনের একজনকে চাকুরিচ্যুত এবং অপরজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
০৬ জুলাই, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের ৪৬.১০.০০০০.০০৫.৯৯.০৬২.২১.২৬০ নম্বর অফিস আদেশ মোতাবেক ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন ২৮ নং ওয়ার্ড এর দৈনিক মজুরী ভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কর্মী জনাব মোঃ জামাল হোসেনকে দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ ও দুর্নীতির দায়ে ০৬/০৭/২০২১ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে চাকুরীচ্যুত করা হয়।
একই তারিখের ৪৬.১০.০০০০.০০৫.৯৯.০৬২.২১.২৬১ নম্বর অফিস আদেশ মোতাবেক ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন ২৮ নং ওয়ার্ড এর পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক জনাব মোঃ মনিরুজ্জামানকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর্মচারী চাকরী বিধিমালা-২০১৯ এর ৪৯ (ক), (খ) ও (ঘ) উপবিধি মোতাবেক দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ ও অদক্ষতার দায়ে একই বিধিমালার ৫৫ এর (১) উপবিধি মোতাবেক চাকুরী হতে সাময়িক বরখাস্থ করা হয়। উক্ত অফিস আদেশ অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি শুধুমাত্র বিধি মোতাবেক খোরাকী ভাতা প্রাপ্য হবেন।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল ক্ষেত্রে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

সুইং সরেজমিনবার্তা

শরীয়তপুর শহরের ফায়ার সার্ভিস থেকে কাজিরহাট পর্যন্ত ফোর লেন সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করায় , ইকবাল হোসাইন অপু এম পির ,আবেগে ভরা স্টেটাস

শরীয়তপুর শহরের ফায়ার সার্ভিস থেকে জাজিরা উপজেলার কাজিরহাট পর্যন্ত ফোর লেন সড়ক নির্মান কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা (শ্রদ্ধেয় আপা) শরীয়তপুর জেলাকে নিয়ে আপনার এই উন্নয়ন ভাবনাকে স্বাগত জানাই, হৃদয়ের গভীর থেকে জানাই আমার ও শরীয়তপুর বাসির পক্ষ থেকে অফুরান কৃতজ্ঞতা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আছেন বলেই বিশ্বাস নিয়ে স্বপ্ন দেখি। উন্নয়নেয়র ছোঁয়া লেগেছে শরীয়তপুরেও। খুব অচিরেই হয়তো সমস্ত নাগরিক সুবিধা নিয়ে শয়ীয়তপুর বাসি উন্নত জিবনযাপন করবে।শরীয়তপুর বাসির কাছে আপনি মৃত্যূঞ্জয় হয়ে থাকবেন।
আবার‌ও আপনাকে জানাই ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও বিনম্র শ্রদ্ধা।

বাবার লাশ রেখেই সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছেন ৫ সন্তান

বাড়ির উঠানে বাবার লাশ রেখেই সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছেন ৫ সন্তান। এমনকি সম্পত্তির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত লাশ দাফনেও বাধা দেন ৪ সন্তান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় মৃত্যু হলেও আজ বুধবার (৭ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত বাড়ির উঠানেই পড়ে থাকে লাশ। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং গণ্যমান্যরা দফায় দফায় সালিশের মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ ঘণ্টা পর সন্তানরা লাশ দাফনের সিদ্ধান্তে উপনীত হন। কিন্তু ততক্ষণে খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ এসে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি থানায় নিয়ে যায়।
বৃদ্ধের সন্তানদের এমন কীর্তিতে হতবাক হয়ে গেছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ চর পাঁচুরিয়ার অম্বলপুর গ্রামে। মৃত ব্যক্তির নাম ইয়াছিন মোল্লা (৮৫)। তার ২টি ছেলে ও ৩টি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু ইয়াসিন মোল্লা ইতোপূর্বে তার বসতবাড়ি ও মাঠের জমিজমাসহ মোট ৬০ শতাংশ জমি তার ছোট ছেলের নামে লিখে দেন।
স্থানীয়রা জানান, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ইয়াছিন মোল্লার ৫ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে বাবলু মোল্লা, ফুলবড়ু বেগম, রাবেয়া বেগম ও মমতাজ বেগমের সঙ্গে ছোট ছেলে রহমান মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের কারণে রহমান বাড়িতেও টিকতে পারেননি। তিনি গোয়ালন্দ পৌর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
এ বিরোধের জেরেই মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন না করে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে দীর্ঘ ২২ ঘণ্টা পর দেবগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাফিজুল ইসলামের হস্তক্ষেপে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হলেও স্থানীয়দের খবরে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে জিডি মূলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী মর্গে পাঠায়।
মৃত ইয়াছিন মোল্লার বড় ছেলে বাবলু মোল্লা, মেয়ে ফুলবড়ু বেগম, রাবেয়া বেগম ও মমতাজ বেগম অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বাবা ছোটভাই রহমান মোল্লার কাছে থাকেন। সেই সুযোগে সে বাবাকে ফুঁসলিয়ে তার সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়েছে।
এ নিয়ে রাজবাড়ীর আদালতে আমরা একটা মামলাও করি। সেই মামলায় গত ৫ জুলাই আদালত বাবাকে হাজির হতে নির্দেশ দিলেও অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।
অসুস্থতার খবরে আমরা বাবাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে চাইলেও ছোটভাই আমাদের কথা না শুনে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা করায়। আমাদের ধারণা, ছোটভাই রহমান ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবাকে মেরে ফেলেছে।
এ প্রসঙ্গে মৃত ব্যক্তির ছোট ছেলে রহমান মোল্লা বলেন, গত শুক্রবার হঠাৎ করে বাবা অসুস্থ হলে তাকে গোয়ালন্দে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে ডাক্তার দেখাই। এ সময় ডাক্তার কিছু টেস্ট ও ওষুধ লিখে দেন এবং বাবাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা করাতে বলেন। আমি সেই অনুযায়ী বাবাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা করাচ্ছিলাম।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে বাবা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। অসুস্থতাজনিত কারণে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আমার ভাই-বোনেরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমার বাবা সুস্থ অবস্থায়-সজ্ঞানে আমার নামে বাড়ি ও জমি লিখে দিয়ে গেছেন।
এ প্রসঙ্গে দেবগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এ ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ঘটনাস্থলে যাই। লকডাউনের পরে তাদের জমি-জমার বিষয়টির সমাধান করে দেব বলে আশ্বস্ত করি। পরে স্ট্যাম্পে ৫ ভাই-বোনের স্বাক্ষর নিয়ে মৃত ইয়াছিন মোল্লার দাফনের সিদ্ধান্ত নেই। এ সময় ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে মৃত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে জিডি মূলে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শরীয়তপুরে ফোন দিলেই পৌঁছে যাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার, ডাঃ খালেদ শ‌ওকত আলী

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: নড়িয়াতে হলো অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন। ফোন আসলেই বিনামূল্যে পৌঁছে দিবে অক্সিজেন সিলিন্ডার, পৌঁছে দিবে যুবলীগ।

করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে সেবা দিতে নড়িয়াতে অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) নড়িয়া মাজেদা হাসপাতালে এই অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন করা হয়।

মহামারী করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য হচ্ছে অক্সিজেন সরবরাহ । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারন সম্পাদক আলহাজ মাইনুল হোসেন খান নিখিলের আহবানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা খালেদ শওকত আলীর উদ্দ্যোগে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়াতে চালু হলো অক্সিজেন ব্যাংক।

বুধবার (৭ জুলাই) বিকাল ৪ টায় শরীয়তপুরের নড়িয়ায় মাজেদা হাসপাতালে বিনামূল্যে এই অক্সিজেন ব্যাংকের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আওয়ামী যুবলীগের টেলিমেডিসিন টিমের প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা.খালেদ শওকত আলী।

আরও পড়ুন: খোলা আকাশের নিচে বাবার লাশ, জমি ভাগাভাগিতে ব্যাস্ত ৫সন্তান!

এ উদ্যোগের বিষয়ে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা.খালেদ শওকত আলী বলেন, মানবিকতার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আজকের যুবলীগ মানবিক যুবলীগে পরিণত হয়েছে।

মানবিক নেতা শেখ ফজলে শামস পরশ এবং আলহাজ মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নেতৃত্বে সমগ্র বাংলাদেশে হাজার হাজার যুবলীগ নেতা কর্মী আজ অসহায় মানুষের জন্য যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে কাজ করে চলছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুর জেলার যে কোন প্রাম্ত থেকে ফোন আসলেই নিজস্ব এম্বুলেন্সে যুবলীগের নেতা কর্মীরা বিনা মূল্যে ঘরে পৌঁছে দিয়ে আসবে অক্সিজেন সিলিন্ডার, সেই সাথে সরকারী হাসপাতালকেও প্রয়োজনে সাপোর্ট দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বা উপসর্গের কারণে বেশিরভাগ রোগী শ্বাসকষ্টসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে অনেক রোগী হাসপাতালসহ নিজ বাড়িতেই চিকিৎসকের পরাপর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন।

এ অবস্থায় অনেক করোনা রোগীর হঠাৎ করেই দেহের অক্সিজেন ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় বুঝে ওঠার আগেই রোগী অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে মৃত্যুবরণও করছেন।

তাদের কথা চিন্তা করেই শরীয়তপুর ২ আসনের ৬বারের সাবেক এমপি সাবেক ডেপুটি স্পিকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম কণেল অবঃ শওকত আলী সুযোগ্য সন্তান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডাঃ খালেদ শওকত আলীর উদ্যোগে ২৫ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে শরীয়তপুর জেলাব্যাপী এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

যাদের অক্সিজেন প্রয়োজন কল করুন ডা. খালেদ শওকত আলীর উদ্যোগে শরীয়তপুরে যুবলীগের করোনাকালীন অক্সিজেন সেবা প্রদানের হট লাইনে +৮৮১৭৭৪১১৭৭২০ ফোন করলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে বিনামূল্যে পৌঁছে যাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার আপনার বাড়িতে।