নীলফামারীতে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন।

স্বপ্না আক্তার, নীলফামারী \ দেশের প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জিডিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা ও রূপকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে অসহায় দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৭জুলাই) সকালে দিবসটি উপলক্ষে নীলফামারী জেলা শাখার স্বেচ্ছাসেবক লীগের পার্টি অফিসে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। বিকেলে পুলিশ লাইন্স স্কুল মাঠে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়। পরে ৪শতাধিক অসহায় দুস্থদের মাঝে চাল,আটা,আলু, লবণ ও তেল বিতরণ করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক,যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাইদ মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাপক আবু হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আমিন স্বপন প্রমুখ।

ফেসবুকে পোস্ট দেখে খাবার নিয়ে অসহায় দম্পত্তির বাড়িতে ওসি শরীফ আহমেদ

আশিকুর রহমান হৃদয়।।

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিধুলকুড়া ইউনিয়নের আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী কাকন নয় বছর যাবত ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছেন।

দীর্ঘ নয় বছরে তাদের কোন সন্তানাদি নেই। কাগজ কুড়িয়ে তা বিক্রি করে আব্দুল করিম সংসার চালান। বর্তমান পরিস্থিতিতে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় সংসার চালানো তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সাংবাদিক মিরাজ সিকদার একটি ভিডিও পোস্ট করে।

বিষয়টি চোখে পড়ে ডামুড্যা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদের। তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। অসহায় দম্পত্তিকে খাবার ও নগদ অর্থ দিয়ে সাহায্য করেন।

এছাড়াও গন্তব্যে ফেরার পথে এক বাক প্রতিবন্ধীকেও খাদ্য সহায়তা দেন মানবিক অফিসার ইনচার্জ শরিফ আহমেদ।

পুলিশের এই সহায়তা পেয়ে কাঁদো কাঁদো কন্ঠে আব্দুল করিম বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী সত্যি কৃতজ্ঞ। আমার কোন সন্তান নেই। বৃদ্ধ বয়সে কাগজ কুড়িয়ে এবং তা বিক্রি করে আমার স্ত্রীকে নিয়ে জীবনযাপন করি। কিন্তু কঠোর বিধিনিষেধে তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমার পক্ষে দু’বেলা দুমুঠো খাবার যোগাড় করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আজ ওসি স্যারের সহায়তা পেয়ে কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। তিনি আমাকে ভবিষ্যতে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছেন। আমি তার এই উপকারে কথা কোন দিন ভুলবো না।

এ সময় ডামুড্যা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফ আহমেদ বলেন, আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও দেখি সেখানে এক অসহায় দম্পত্তির কথা তুলে ধরে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছিলো। সেটা দেখে আমি খুবই মর্মহত হয়েছি এবং তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী দিয়েছি এবং ব্যক্তিগত ভাবে কিছু নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করি। তারা ভবিষ্যতে কোন অর্থ সংকট বা খাদ্য সংকটে পড়লে আমার কাছে জানাতে বলেছি আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো।
তিনি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে যতটুকু খাদ্য ও অর্থ দেওয়া হয়েছে তাতে হয়তো কয়েকদিন চলবে। তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়াতে এলাকার বৃত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি।

কুরবানীর মাংস রান্না করার সময় ভেসে উঠলো আল্লাহর নাম!

(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: মাঝে মধ্যেই পৃথিবীতে কিছু অতি প্রাকৃতিক ঘটনা আমরা দেখতে পাই সেগুলোকে অনেকেই বলেন আল্লাহ্ পাকের অলৌকিকতা। তেমনি একটি অলৌকিকতার ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে কুরবানীর মাংস রান্না করার সময় একে একে ২ টুকরো মাংস রান্নার পাতিলে ভেসে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এক নজর সেই মাংসের টুকরো দেখার জন্য মুহুর্তেই সীমা খাতুনদের বাড়িতে লোকজনের ভিড় জমে যায়।

পৌর শহরের মনিরামপুর মহল্লার মৃত আব্দুল মালেকের বাড়িতে তার পুত্রবধু সীমা খাতুন মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের সবার জন্য আত্মীয়ের দেওয়া কুরবানীর মাংস রান্না করার সময় এই অলৌকিক ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৃত আব্দুল মালেকের বাড়িতে স্থানীয় এলাকার জনসাধারণ ভিড় জমিয়েছে। এসময় মাংসের দুটি টুকরোয় আল্লাহু লেখা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
সীমা খাতুন জানান, আমি রান্না করার সময় পাতিলের উপরের দিকে মাংসের টুকরো দুটি ভেসে ওঠে। তখন আমার শাশুরিকে ডেকে দেখাই এবং তিনি বলেন মাংসের টুকরো দুইটি আলাদা রাখতে।

আল্লাহু লেখা মাংসের টুকরো দুইটি কি করবেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আলেমদের কাছে জিজ্ঞাসা করে পরবর্তীতে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আইনজীবীদের আবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে জরুরি অবস্থা জারি করতে

নিউজ২৪লাইনডেস্ক- করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধ ও জনগনের জীবন রক্ষায় সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে জরুরি অবস্থা জারির জন্য রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদন করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম আলী জুনু।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বিকালে ই-মেইল যোগে এ আবেদন পাঠান।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মধ্যে হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। করোনার সংক্রমণ থেকে দেশের মানুষকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, স্পেন, কানাডা ও বেলজিয়ামে জাতীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিল। জরুরি অবস্থা পালনের ফলে দেশগুলো করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে অনেকাংশেই সফল হয়। ফলে অনেক উন্নত দেশে এখন আর লকডাউনের প্রয়োজন হচ্ছে না। সেসব দেশের মানুষ স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার ও করোনার সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। দফায় দফায় লকডাউন দিতে হচ্ছে। কিন্তু দিন দিন করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, বাড়ছে মৃত্যু হার। লকডাউন পালনে দেশের অনেক মানুষের মাঝে উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। করোনার ভয়াল সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কোনোভাবেই নিম্নমুখী করা যাচ্ছে না।

এছাড়া, করোনা আক্রান্তরা অনেকেই তথ্য গোপন করে জনসম্মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে কোনভাবেই কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনে বাধ্য করা যাচ্ছে না না। ফলে করোনাভাইরাসের এই ভয়াল সংক্রমণ থেকে দেশ ও জাতিকে কোনোভাবেই রক্ষা কারা যাচ্ছে না। এছাড়া সরকার বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু অনেকেই নিয়ম না মেনে জনসম্মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, বিদেশি ক্রেতারা পোশাক খাতের ক্রয় আদেশ বাতিল করার ফলে দেশের অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১৪১ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে ১২০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হলে দেশ ও জাতি আসন্ন বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে পারে।