প্রেম ও বিয়ে নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন দীঘি

বিনোদন ডেক্সঃ- শিশুশিল্পী দীঘির কথা কার না মনে আছে। মিষ্টি হাসি আর আর সংলাপে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা তো বহু বছর আগের কথা। দিন গেছে, দীঘিও হয়েছেন বড়। এখন তিনি পূর্ণাঙ্গ নায়িকা। ইতোমধ্যে তার অভিনীত একাধিক সিনেমাও মুক্তি পেয়েছে। হাতে রয়েছে আলোচিত কিছু সিনেমার কাজ।

পেশাগত কাজের পাশাপাশি এখন দীঘির ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নিয়মিত চর্চা হয়। অনুসারীদের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, তিনি নাকি ইউটিউবার তাওহীদ আফ্রিদির সঙ্গে প্রেম করেন। অনেকে জানতে চান, তারা বিয়ে করবেন কবে।

এত দিন এসব গুঞ্জনের ব্যাপারে কিছু বলেননি দীঘি। এবার মুখ খুললেন। একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রেম ও বিয়ে নিয়ে তার ভাবনা। বললেন, আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কটা অন্যরকম। দুই বছর ধরে আফ্রিদি আমার ভাল বন্ধু। অনেকেই লেখেন, আমি প্রেম করি। গুজব কান দেবেন না। প্রেমে জড়ালে আমার মুখ থেকেই শুনবেন। আর প্রেম না, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছি। বিয়েশাদি নিয়েও একদম ভাবছি না।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা রোমান্টিক কবিতা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। দীঘি বলেন, এগুলো আমার লেখা না, সংগৃহীত। কোনো কবিতা বা গানের লাইন ভালো লাগলে শেয়ার করি।

কুমিল্লায় শ্বশুর-শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যা, পুত্রবধূ আটক

নিউজ ২৪লাইনঃ কুমিল্লা: কুমিল্লার সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নে শ্বশুর-শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে শিউলী বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে তাকে আটক করে পুলিশ।

কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত কৃষ্ণ ধর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের সুবর্ণপুর গ্রামের মীর বাড়ির পল্লী চিকিৎসক সৈয়দ বিলাল হোসেন (৭৫) ও তার স্ত্রী সফুরা বেগম (৫৫)। রবিবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন বলেন, রবিবার মধ্যরাতে সাত থেকে আট জনের একটি দল বিলাল হোসেনের ঘরে ঢুকে কিছু একটা চেয়েছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদেরকে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিহতদের এক প্রতিবেশী বলেন, প্রায় দুই মাস আগে বিলাল হোসেনের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। লুট হওয়া মালামাল কিছুদিন পরে তার পুত্রবধূ শিউলী বেগমের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে শিউলী স্বীকার করে বলেছিলেন, ডাকাতির ঘটনা তিনিই সাজিয়েছেন। এরপর এমন কাজ আর কখনও করবেন না বলেও জানান।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কৃষ্ণ ধর বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিউলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

শরীয়তপুরে ডায়েরিয়া ওয়ার্ডে শিশু বাচ্চাকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন পুশ

নিউজ ২৪লাইনঃ

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর।
শরীয়তপুর ১০০শয্যা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি কৃত শিশু বাচ্চাকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন পুশ করেন কর্তব্যরত নার্স মাহমুদা আফরোজ। শরীয়তপুর সদর পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের বালুচড়া গ্রামের মিজানুর রহমান পাহাড় এর কন্যা শিশু আফিয়া সিদ্দিকা বয়স ১৮মাস পাতলা পায়খানা জনিত কারণে সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। গত ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২১রবিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শিশু বাচ্চা আফিয়া সিদ্দিকা কে তার বাবা মিজানুর রহমান পাহাড় সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়। ওই সময় ডায়রিয়া ওয়ার্ডে কর্তব্যরত নার্স ছিলেন মাহমুদা আফরোজ। বারবার পাতলা পায়খানা হওয়ার কারণে লবণ পানি শূন্যতা পূরণে শিশু বাচ্চাটি কে ৫০০এমএল ডেক্সট্রোজ স্যালাইন দেয় নার্স মাহমুদা আফরোজ। শিশু বাচ্চা আফিয়া সিদ্দিকার শরিরে স্যালাইনের অর্ধেকাংশ যাওয়ার পর বাচ্চার বাবা মিজানুর রহমান পাহাড় দেখতে পায় ব্যবহৃত স্যালাইন দুই মাস পূর্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। বাচ্চাটির বাবা মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেখার পর থেকেই দুশ্চিন্তা পড়ে গেছে। শিশু বাচ্চা আফিয়া সিদ্দিকার সুস্থতা নিয়ে বাবা এখন অনিশ্চয়তার ভিতরে আছে। আফিয়া সিদ্দিকার বাবা মিজানুর রহমান পাহাড় গণমাধ্যমকে বলেন আমার মেয়ের বয়স ১৮ মাস পাতলা পায়খানার কারণে সদর হাসপাতালে ভর্তি করাই। ডায়রিয়া ওয়ার্ডের কর্তব্যরত নার্স মাহমুদা আফরোজ আমার মেয়েকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেখার পর থেকে আমি এখন মেয়ের সুস্থতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। নার্স মাহমুদা আফরোজ এর দায়িত্ব অবহেলার কারণে আমার মেয়ের যদি কিছু হয়, তাহলে তাকে ছেড়ে দেবো না। আমি এই নার্সের বিচার দাবি জানাচ্ছি।
মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন ব্যবহারকারী নার্স মাহমুদা আফরোজ এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন আমার বিষয়টি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মুনির আহমেদ খান সব জানেন, আমি তার কাছে সব বলেছি। আমি কোন বক্তব্য দিতে পারবোনা বক্তব্য দিলে মুনির স্যার দিবে। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান কর্তব্য পরায়ন তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মুনির আহমেদ খান গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে বলেন শিশু বাচ্চাটির বাবা আমার কাছে অভিযোগ দিয়েছে। নার্স মাহমুদ আফরোজ মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেয়ার বিষয়টি সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে শোকজ করব।