আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে ২৫ বছরের নাতির সঙ্গে ৫৫ বছরের দাদির বিয়ে

নিউজ ২৪লাইনঃ-
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর ২৫ বছরের প্রতিবেশী নাতির সঙ্গে ৫৫ বছর বয়সী দাদির বিয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ১১ নম্বর বড়হিত ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে এই বিয়ের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়হিত ইউনিয়নের বিয়ের রেজিস্ট্রি কাজে নিয়োজিত কাজী মোহাম্মদ নুরুল্লাহ।

তিনি বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় নওপাড়া গ্রামে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ে পড়াতে গিয়ে জানতে পেরেছি নতুন দম্পতি সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদি-নাতি। বিয়েতে পাঁচ লাখ টাকার দেনমোহর ধার্য করা হয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দাদির স্বামী ৫ বছর আগে মারা গেছেন। তিনি আলাদা ঘরে একাই বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তার প্রতিবেশী নাতির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়েন দাদি। পরদিন শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মুরুব্বিরা সালিশে বসে নাতির সঙ্গে দাদির বিয়ের সিদ্ধান্ত দেন। বিয়ের সিদ্ধান্ত হওয়ার পরেই নাতি পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা দাদিকে নাতির বাড়িতে তুলে দিয়ে আসেন।

পালিয়ে থাকার একদিন পর রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নাতি বাড়ি ফিরেন। পরে ওইদিন আবারও স্থানীয়রা সালিশে বসে পরদিন বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

বড়হিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ জালাল মুঠোফোনে বলেন, আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে কেউ জানায়নি।

এ ঘটনার বিষয়ে ওই তরুণের বাবার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই নারী আমার ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি ছিল না। সালিশে থাকা লোকজন তবুও বয়স্ক নারীর সাথে জোর করে আমার ছেলের বিয়ে দিয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদির মিয়া সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে বয়স্ক দাদীর সাথে নাতির বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে, থানায় এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি।

মা-বাবাকে” বৃদ্ধাশ্রমে প্রেরণকারী সন্তানরা এক ধরনের বিষাক্ত ভাইরাস” মাহফুজ আহম্মেদ প্রবাসী

লেখক – মাহফুজ আহম্মেদ সৌদি প্রবাসী!

বাবা মা কে বৃদ্ধাশ্রমে প্রেরণকারী সন্তানরা এক ধরনের বিষাক্ত ভাইরাস!
উন্নত শিক্ষা নয় , প্রয়োজন প্রতিটি সন্তান কে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করা ।
আমরা উন্নত হচ্ছি,শিক্ষিত হচ্ছি,উন্নত জাতিতে পরিনত হয়েছি প্রযুক্তির এক সভ্য জাতি । মেশিনের কল কাঠিতে চলছে জিবন
মনুষ্যত্ব বিক্রি করে দিয়ে এ যেন রক্ত মাংস বিহীন এক
রবোট ,যে মায়ের মুখের থেকে কথা বলতে শিখি অ, আ ,ই,ঈ, বাবার হাতে আঙ্গুল ধরে হাটা শিখি এক পা দু পা করে ,যাদের যাদের রক্তরে কনিকা দিয়ে তৈরী আমাদের হাড় মাংশ তাদের প্রতি আমরা করি দুর্ব্যবহার আর যত অবহেলা । আমরা ভুলে যাচ্ছি অতীতকে, ভুলে যাচ্ছি শেকড়কে, যে মানুষগুলো ছিল আমাদের আশ্রয়স্থল, যাদের অস্তিত্ব ছাড়া আমাদের বেড়ে ওঠা ছিল অসম্ভব। আজ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল বৃদ্ধাশ্রম।
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে মা কি পরিমাণ যন্ত্রণা সহ্য করে সন্তানকে পৃথিবীতে আলো দেখিয়েছেন তা যদি সন্তান জানতো তাহলে বাবা মা এর শেষ আশ্রয়স্থল কখনোই বৃদ্ধাশ্রম হতো না। আমাদের দেশের শুশুর -শাশুড়ি কে কষ্টে রেখে ৯৭% বউ বাপের বাড়ি থাকে যত দিন একত্রে পিতা মাতা সংসারে থাকে,
এমন ও দেখা যায় সন্তান বা ছেলে বৌয়ের এক গ্লাস পানি পায় না শেষ বেলায় শশুর শাশুরী হায় রে নিয়তি । শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ লোকের কাছে আজ পিতা/মাতা বোঝা হয়ে দারিয়ে । একজন নারী যখন অন্যর ঘর করতে যায় তখন শুশুর /শাশুরীকে আপন করতে নিতে পারেন না এবং পিতা মাতা ও বৌ কে সহজে মেনে নিতে পারেন না আর ছেলে হয়ে যায় পাথরের মূর্তি ,না পারে বাবা/ মা কে কিছু বলতে না পারে বৌ কে কিছু বলতে আড়ালে গিয়ে চোখের পানি ফেলে, এ যেন এক ব্যর্থতার গ্লানী বয়ে নিয়ে বেড়ায় সারা জিবন । সন্তনের পিতা মাতা হারালে হয় এতিম আর পিতা/মাতা সন্তানের অবহেলায় হতে হয় গৃহ হারা
,দেশের অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রম গুলো এক করে দেয়া
উচিত এতে সন্তান পাবে বাবা মা এবং বাবা মা পাবে সন্তান কে ।পিতা মাতা দিবসে দেখা যায় জাতি কে গন মাধ্যমে লম্বা স্ট্যাটাস্ দিতে কিন্তু খোজ নেই নাই পিতা মাতা কি খেয়েছেন । ৩৬৫দিনের একদিন পালান করে
পিতা মাতা দিবস বাকি ৩৬৪ দিন হারিয়ে যায় বাবা মায়ের জিবন থেকে ।
খুব ইচ্ছা করে আমি একটা বৃদ্ধাশ্রম এর মালিক হবো, ফেলে রাখা জান্নাত গুলোকে আগলে রাখবো ,সেই তৌফিক মহান আল্লাহ পাক দিবে কি আমায়? পিতা মাতা হলো আল্লাহ পাকের দেয়া নেয়ামত তাই আমি বলবো ।
“থাকিতে পিতা-মাতা করিও যতন,
হারাইলে পিতা-মাতা বুঝিবে
সে দিন হারিয়েছো রতন ”

মুন্সীগঞ্জের ২ শতাধিক পরিবার খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

নিউজ ২৪লাইনঃ
মুন্সীগঞ্জ- মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গীবাড়িতে দিন দিন বন্যার পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এ দু উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক পরিবারের পাঁচ হাজার লোক এক সপ্তাহ ধরে এখনো মুন্সীগঞ্জ- মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গীবাড়িতে দিন দিন বন্যার পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এ দু উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক পরিবারের পাঁচ হাজার লোক এক সপ্তাহ ধরে এখনো বন্দি রয়েছেন।
ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও মসজিদ, মাদরাসা, স্কুলসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। উপজেলার চরাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বন্যায় পানি বন্দি হয়ে রয়েছে দুইশত পরিবার।

নদীর পানি ঢুকে যাওয়ায় চরাঞ্চলের সড়কগুলোসহ বিভিন্ন বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। এতে দুভোর্গে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অসহায় এ সকল সাধারণ মানুষ না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। অনেক পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে কিছু সংখ্যক পরিবারকে খাদ্য সহযোগিতা ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেওয়া হয়েছে।

টঙ্গীবাড়ির হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আলী আকবর ঢালী জানান, এখনো সরকার থেকে কোন ত্রানসামগ্রী পাইনি। উপজেলা প্রসাশন থেকে নামের তালিকা চেয়েছে। কিছু নামের তালিকা দিয়েছি। আরও ২ শত নামের তালিকা দিব। পানিবন্দি মানুষগুলো অসহায় দিন যাপন করছে। কোন বিবরণ উপলভ্য নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীন জানান, নদীগর্ভে বিলীন হওয়া অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে চাউল ও বিশুদ্ধ পানি করার জন্য ট্যাবলেট দেওয়া হয়েছে। যারা পায়নি তাদের তালিকা ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল আওয়াল বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে আমরা ইতিমধ্যে উপজেলা ও ইউনিয়ে ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে পানিবন্দি পরিবার দের তালিকা নিচ্ছি।

এক সপ্তাহে ১৭ হাজার প্রবাসীকে গ্রেফতার করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী

মাহফুজ আহম্মেদ পাঠানো নিউজঃ সৌদিআরব থেকে
নিউজ ২৪লাইনঃ
বসবাসে অযোগ্য, কর্মক্ষেত্রে এবং সীমান্তে বিশৃঙ্খলার দায়ে এক সপ্তাহে ১৭ হাজার প্রবাসীকে গ্রেফতার করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এখবর দিয়েছে আরব নিউজ।

২৬ আগস্ট থেকে ১লা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জানানো হয়েছে, মোট গ্রেফতার ১৬ হাজার ৬৩৮ জনের মধ্যে ৫ হাজার ৮০০ জন বসবাসের আইনের লঙ্ঘন, ১ হাজার ৪৫৫ জন শ্রম আইনের লঙ্ঘন এবং ৯ হাজার ৩৮৩ জন সীমান্ত আইনের লঙ্ঘনে আটক হন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদিতে প্রবেশের সময় ৮৪৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ ইয়েমেনি নাগরিক, ৪৩ শতাংশ ইথিওপীয় এবং ২ শতাংশ অন্যান্য দেশের।

এছাড়াও ১৯ জনকে প্রতিবেশী দেশে প্রবেশের চেষ্টা করার জন্য এবং ১১ জনকে আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন এবং আশ্রয় দেওয়ার সাথে জড়িত থাকার কারণে গ্রেফতার করা হয়।

‘পানি পানি বলে ছটফট করলেও কেউ তাকে পানি দেয়নি’

নিউজ ২৪ লাইনঃ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: ঘটনার সময় তারা কয়েকজন ঘটনাস্থলের আশপাশে ছিলেন। গুলি খেয়ে সিনহা মো. রাশেদ খান মাটিতে (রাস্তায়) লুটিয়ে পড়ে। তখন তিনি জীবিত ছিলেন। তিনি তখন পানি পানি বলে ছটফট করছিলেন। কিন্তু কেউ তাকে পানি দেয়নি। উল্টো টেকনাফের দিক থেকে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনাস্থলে এসে সিনহার বুকে লাথি মারেন। গামবোট দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরে সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ৪ নম্বর সাক্ষী সিএনজি চালক কামাল হোসেন তার দেওয়া সাক্ষ্যে আদালতে এসব কথা বলেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার সাথে জড়িত একাধিক আইনজীবী।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের দ্বিতীয় দিনে একমাত্র তারই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। সকাল সোয়া ১০টায় এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে পুলিশের প্রিজনভ্যানে করে মামলার ১৫ আসামিকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বলেন, সোমবার তিনজন সাক্ষী হাজির ছিলেন। কিন্তু একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরাতেই আদালতের সময় শেষ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন বিচার কাজের পাঁচদিনে মাত্র ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ করা সম্ভব হয়েছে। মঙ্গলবার পঞ্চম সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত বলেছেন, সাক্ষী কামাল হোসেন যে সিএনজি চালক তার কোন প্রমাণ নেই। আদালতকে তিনি যা বলছেন তা ইতোপূর্বে তদন্ত কর্মকর্তাকে বলেননি।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিনদিনে মামলার বাদি, মেজর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস ও ঘটনার সময় সিনহার সাথে থাকা সাবেক সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছিল। রোববার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন এই হত্যা মামলার ৩ নম্বর সাক্ষী মোহাম্মদ আলী।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় গত বছর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদি হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলার তদন্ত ভার দেয়া হয় র‍্যাবকে। ঘটনার ৬ দিন পর ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ ৭ পুলিশ সদস্য আত্মসমপর্ণ করেন। ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

পরে র‍্যাব পুলিশের দায়ের মামলার ৩ সাক্ষি এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে। সর্বশেষ গত ২৪ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব।

গত বছর ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারি পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষি করা হয় ৮৩ জনকে।