শরীয়তপুরের নড়িয়ায় প্রতিপক্ষকে ফাসাতে নিজ দলের কর্মীকে গুলি করে হত্যা, গ্রেফতার-৪

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় প্রতিপক্ষকে ফাসাতে নিজ দলের কর্মীকে গুলি করে হত্যা, গ্রেফতার-৪
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজ দলের কর্মীকে গুলি, বোমা মেরে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাজিকর গাজীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে শরীয়তপুর জেলা ডিবি পুলিশ।

বুধবার ৮ সেপ্টেম্বর রাতে শরীয়তপুর ও ঢাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
শরীয়তপুর ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল আলম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন গাজী প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজ দলের কর্মী মালতকান্দি গ্রামের দলিল উদ্দিন মীর বহরের ছেলে আলমগীর হোসেন মীর বহরকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই জাহাঙ্গীর মীর বহর প্রতিপক্ষের ৫৪ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

সঠিক তদন্তের স্বার্থে শরীয়তপুর পুলিশ সুপার এস.এম আশরাফুজ্জামান স্যার মামলাটি ডিবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। আমরা মামলাটি হাতে নিয়ে (শরীয়তপুর জেলা ডিবি পুলিশ) আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াল থেকে রাজনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন গাজীকে, রায়েরবাগ থেকে একই ইউপি’র সদস্য জয়নাল মাদবরকে গ্রেফতার করে। সেই সাথে হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে রাতে রাজনগর এলাকা থেকে শহীদুল ইসলাম মীর বহর ও সাজ্জাদ সরদারকে গ্রেফতার করা হয়। আটকৃতদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম মীর বহর, সাজ্জাদ সরদারকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, জিজ্ঞসাবাদে আটকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

মাক্স পরিয়ে ফুল দিয়ে বরন করা হলো শরীয়তপুরের নড়িয়া বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।

নিউজ২৪লাইন:
মাক্স পরিয়ে ফুল দিয়ে বরন করা হলো শরীয়তপুর নড়িয়া বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।
শরীয়তপুর নড়িয়া বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ নরুল আমিন রতন এবং সহ-কারী শিক্ষক ফজলুর রহমান সহ সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকা মহদয় উপস্থিত থেকে আজকে দশম ও এস,এস,সি পরীক্ষার্থী ২০২১এই দুই শ্রেনীর সকল ছাত্র/ছাত্রীর তাপ মাত্রা পরীক্ষা করে নিজ হাতে মা�ক্স পরিয়ে ,ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করানো হয়েছে ।
শরীয়তপুর-২ আসনের এমপি পানি সম্পদ এর উপ মন্ত্রী এনামুল হক শামীম এর পক্ষ থেকে সবাই কে
মাক্স বিতরন করা হয় । ঐতির্য্যবাহী বিঝিরী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ,আজ ১২ই সেপ্টেম্বর রবি বার শিক্ষামন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযাই আজকে খুলে দেয়া হলো দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো।
৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি ঘোষনা অনুযায় আজ রবি বার অপেক্ষার পহর শেষ হলো দেশের প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে আজ আনন্দের বন্যা বইছে আনন্দে উল্যাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো ,দৃর্ঘ্য ১৮ মাস /প্রায় দেড় বছর পর খুলে দেয়া হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো । দৃর্ঘ্য দিন করোনার মহামারীর ভয় কে জয় করে আবার পাঠদান হবে প্রতিটা শ্রেনী কক্ষে আনন্দঘন পরিবেশে ।
সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে আজ থেকে শুরু হলো মূল পাঠ দান ।
এই মহামারীর কারনে দেশের অনেক শিক্ষার্থী হাল ধরেছে সংসারের। যে কচি হাতে বই খাতা আর কলম ধরার কথা সেই হাতে অনেকেই ধরেছে ভ্যান কিংবা অটোগাড়ির হ্যান্ডেল। অনেকেই বেছে নিয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ নানান পেশা। কেউ বা শিকার হয়েছে বাল্য বিয়ের। তাদের ফিরে আসা ও শিক্ষামুখী করা নিয়ে অনেকেই রয়েছেন সংশয় ও শঙ্কা।প্রতিটা অভিভাবকে নুটিশ দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে স্কুলে ফিরিয়ে
আনার চেষ্টা করা উচিৎ।
টানা প্রায় ১৮ মাস বন্ধের পর আজ রবিবার খুলেছে দেশের সব স্কুল ও কলেজ। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে উৎসবের আমেজ। শিক্ষক ও কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের স্কুলগুলোতে স্বাস্থবিধি মেনে প্রবেশ করছে। প্রাণোচ্ছল রুপ ফিরে পেয়েছে শিক্ষাঙ্গন। প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকবে সারপ্রাইজ
ভিজিট ,কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানায় অবহেলা করা হলে, সংশ্লিষ্টদের ও তার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে । কঠর হুশিয়ার মাধ্যেম
ছাত্র/ছাত্রী দের সচেতন করতে হবে ,মাক্স পরা,হাত ধুয়া ,হাতে স্যানেটাইজার ব্যবহার করা ,সামাজিক দুরত্ব
রেখে পাঠ দান করা সব কিছুর উপরে করা নজর রাখতে হবে ।

শ্রেণিকক্ষে ময়লা: অধ্যক্ষসহ মনিটরিং টিম সাময়িক বরখাস্ত

নিউজ২৪লাইন:, ঢাকা- দীর্ঘ দেড় বছর পর উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে আজ রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর)। এর প্রস্তুতি হিসেবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষগুলো আগে থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

তবে তা পালন না করে শ্রেণিকক্ষ অপরিচ্ছন্ন রাখায় আজিমপুর গভর্নমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবং তার নেতৃত্বে গঠিত মনিটরিং টিমের সদস্য শিক্ষকদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রথমদিন রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজ পরিদর্শনে যান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এসময় তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতি ও ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে কোনো অনিয়ম পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে এখানে এসেছি জানিয়ে। আমরা প্রায়শই জানিয়ে না জানিয়ে সব জায়গায় যাবো। কোথাও যদি কোনো নিয়মের ব্যত্যয় দেখি তাহলে সংশ্লিষ্ট যারা থাকবেন শিক্ষক কর্মকর্তা বা আমার অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হোন তাদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীপু মনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবার সচেতনতা একরকম নয়। যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যাবেন, তাদের একটু সচেতন থাকতে হবে। স্কুলের প্রতিটা আনাচে-কানাচে খুঁজে দেখতে হবে। কোথাও যেন ময়লা না থাকে। যতটা ভালো পারা যায়, আমরা চেষ্টা করছি।

তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য প্রত্যেক জেলায় একটি কন্ট্রোল রুম করা হয়েছে। পরে এর নম্বরগুলো প্রচার করা হবে। যে কেউ এসব নম্বরে ফোন করে যদি জানান, যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোনও রকম সমস্যা আছে; আমরা তা সমাধানে ব্যবস্থা নেবো।

ভারতে বিধানসভায় নামাজের ঘর বরাদ্দ; ক্ষেপে রাস্তায় নামলো বিজেপি

অনলাইন ডেস্ক :
ভারতে বিধানসভায় নামাজের ঘর বরাদ্দ; ক্ষেপে রাস্তায় নামলো বিজেপি !
ভারতের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় নামাজের ঘর বরাদ্দ দেয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। মুসলিম বিধায়ক আর কর্মীদের নামাজের জন্য স্পিকার একটি ঘর ব্যবহারের অনুমোদন দেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নামে বিজেপি। উল্টো বিধানসভা ভবনে মন্দির স্থাপনের দাবি জানায় তারা। এর জেরে বিভিন্ন রাজ্যে নামাজ ঘর আর মন্দির নির্মাণের দাবিতে সরব হয়েছেন অনেকে। বিধান সভা চলাকালিন মুসলিম বিধায়ক দের নামায যেন কাজা না হয় এই জন্য স্পীকার এর কাছে নামায ঘরের আবেদন করাহয় পরে স্পীকার রবিন্দ্রনাথ মাহাত্ম এতে ক্ষেপে যায় বিজিপি
এই সময় বিধান সাভা ভবনের উল্টো হনুমান মন্দির করে দেয়ার দেয়ার দাবী জানান বিজিপি ।
রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ এবং বিক্ষোব করেন বিজিপি এর জের ধরে রাজ্য ক্ষমতায় থাকা ঝারখণ্ড মুক্তি মোঞ্চা।
ঝাড়খণ্ড এই টানা পরনের মধ্যেই উত্তর প্রদেশ ও বিহারে বিধান সভা ভবনে মসজিদ ও মন্দির জায়গা বরাদ্দের দাবী উঠেছে । বিজিপি বিধায়ক বলছেন কোন একটা শ্রেনীর জন্য নামায ঘর করে দেয়ার সিদ্দান্ত গনতান্ত্রীক মূল্যবোধের সাংঘষিক ,
ভারতের সংবিধান কে অমান্য করা হয়েছে ,নামাযের জন্য যদি ঘর হয় তবে পূজার জন্য মন্দির কেন পাইবো না বলছেন বিজিপির সমার্থক , ভারতে মুসলিম চর্চা বন্ধের জন্য বিজিপির এই অপচেষ্টা বলছেন মুসলিম বিধায়াক ভারতের এতো মন্দির গীর্জা নির্মান হয়েছে
তখন তো কোন প্রশ্ন তুলেনাই কেউ তাহলে এখন কেন বিজিপি বিতর্ক ছড়াছে ,একজন মুসলিমের দৈনিক পাচঁ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয় বাদ দেয়ার কোন সুযোগ নেই তাই বাদ যেন না যায় তাই এই জন্য বিধান সভায় নামায ঘর রাখা হয়েছে ।এর মধ্যেই ঝাড়খণ্ড বিধান সভা উদ্দগের বিরোধিতা করে মামালা দায়ার করা হয়েছে কিন্ত স্পীকার দাবী করেছেন আগের ভবনে ও মুসলিম কর্মচারীদের জন্য একটি নামায ঘর ছিলো,তাই নতুন ভবনেও নামায ঘর রাখা হয়েছে
এছাড়া বিহারের বিধানসভাতে ও নামাযের জায়গা

দেড় বছর পর শ্রেণিকক্ষে ফিরল প্রাণ

নিউজ২৪লাইন:, ঢাকা- অবসান হলো ৫৪৩ দিনের দীর্ঘ অপেক্ষার। খুললো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গেটের তালা। করোনার সংক্রমণ কমে আসায় আজ সকাল থেকেই রাজধানীসহ সারা দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। দেড় বছর পর ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে প্রতিটি শিক্ষাঙ্গন।

শুরু হয়েছে শ্রেণীকক্ষে সশরীরে পাঠদান। অনেকটা উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। চিরচেনা দৃশ্যের দেখা মিলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।

সরেজমিনে রাজধানীর সিটি কলেজ, ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল এবং ঢাকা কলেজ ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে সকাল থেকেই ভিড় করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন পর ক্লাস শুরু হওয়ার প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর সঙ্গেই এসেছেন অভিভাবকরাও। মূলত শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে উদ্বিগ্নতার কথা জানান তারা।
তবে সংশ্লিষ্ট স্কুল ও কলেজ প্রশাসন বলছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনেই ক্লাস শুরু করা হচ্ছে। আগে যে সব শ্রেণিকক্ষে একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী বসে ক্লাস করত সেখানে এখন ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। শ্রেণিকক্ষের সংখ্যাও বাড়ান হয়েছে।

এছাড়াও প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখেই ছিল স্বাস্থ্যবিধির কড়াকড়ি। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিশ্চিত করে এবং বডি থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাপার পরই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছিল শিক্ষার্থীদের।

ঢাকা কলেজে প্রবেশমুখে ও প্রতিষ্ঠানের ভেতরে বেসিন, সাবান এবং পানির ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও প্রবেশ মুখে ও আশেপাশে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুনে সশরীরে ক্লাসের নির্দেশনাও টানিয়ে দেওয়া হয়।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি ও পরবর্তী বছরের এসএসসি-এইচএসসি এবং সমমানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাস করবে আর বাকিরা করবে সপ্তাহে একদিন। নির্দেশনা অনুযায়ী ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে ক্লাস শুরু হয় সকাল ৮টায়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, স্কুলে ক্লাসের ক্ষেত্রে সকালে ১৯টি শিফটের ক্লাস ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেলে ১১টি শিফটের ক্লাস ১২টা ২০ থেকে ৩টা ৪০ পর্যন্ত চলবে। তবে কোনো কক্ষেই বসানো হচ্ছে না ৩০ জনের অধিক শিক্ষার্থী।

রাজধানীর ঢাকা কলেজেও সকাল ৮টায় শুরু হয় উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস। দীর্ঘদিন পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফেরায় লাল গোলাপ দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় ঢাকা কলেজের পক্ষ থেকে। এরপর আগত শিক্ষার্থীদের শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হয়। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে পুরো ক্যাম্পাসের সব ক্লাসরুম জুড়েই শিক্ষার্থীদের বসানো হয়।

ঢাকা কলেজের পাঠ পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক পুরঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন পর কলেজে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে পুরো ক্যাম্পাস জুড়েই শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা বাড়ান হয়েছে। কোনো কক্ষে আমরা ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী বসাইনি।

এছাড়াও শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মনে করেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আইকে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর সশরীরে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এখানে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি খেয়াল রেখেই যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

হারানো মোবাইল খুঁজে পাওয়ার জাদুকর কাদের; উদ্ধার করেছেন ৩ হাজারের বেশি

নিউজ২৪লাইন:
কেউ তাকে ডাকেন মোবাইল কাদের, কেউবা মোবাইলের যাদুকর । তিনি গুলশান থানার এএসআই আব্দুল কাদের। হারানো মোবাইল খুঁজে বের করাই যার অন্যতম নেশা। কর্মজীবনে ছিনতাই অথবা হারিয়ে যাওয়া অন্তত তিন হাজার মোবাইল খুঁজে তিনি তুলে দিয়েছেন প্রকৃত গ্রাহকের হাতে।

মোবাইল হারানোর সাধারণ ডায়েরি হলেই ডাক পড়ে তার। মরুভূমিতে সুই খোঁজার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন তিনি। কর্মক্ষেত্রের ব্যস্ততায় কখন সকাল গড়িয়ে দুপুর বা বিকেল হয় তা খুব একটা টের পান না।

২০০৫ সালে কনস্টেবল হিসেবে কর্মজীবন শুরু কাদেরের। ষোল বছরের চাকরি জীবনের অর্ধেকের বেশী সময় পার করেছেন হারানো মোবাইল উদ্ধারের নেশায়। কোনোটিতে সময় নিয়েছেন পাঁচ দিন, কোনোটির জন্য লেগে ছিলেন দুই বছর। মোবাইল খোঁজার ক্ষেত্রে বাজারমূল্য তার কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, অনেকসময় গরীব রিক্সাওয়ালা কিংবা শ্রমিকরা তাদের হারানো ফোন উদ্ধারের আশায় আমার কাছে এসে জিডি করেন। সমান গুরুত্বের সাথেই আমি তাদের হারানো মোবাইল উদ্ধারের চেষ্টা করি।

২০১৩ সাল থেকে প্রায় তিন হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধার করেছেন তিনি। বিগত আড়াই বছরে শুধু গুলশান থানার জিডির বিপরীতেই ৬০০ মোবাইল গ্রাহককে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, অনেক দামি জিনিস হারানোর চাইতে মোবাইল হারানোর কষ্ট অনেক বেশি। জিডি করার পর ফোন উদ্ধার করে ভুক্তভোগীকে ফোন দিলে তারা অনেকে বিশ্বাসই করতে চায় না।

প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঁচ শতাধিক অভিযোগ আসে কাদেরের কাছে। নিজ থানা ছাড়াও নানা স্থান থেকে হারানো মোবাইল খুঁজে পেতে ভুক্তভোগীরা আসেন গুলশান থানায়।