নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রংধনু গ্রুপের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ

নিউজ২৪লাইন:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী রংধনু গ্রুপের উদ্যোগে মহামারী করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত, অসহায় দরিদ্র ৫ হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়াস্থ্য চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয়ে এসব খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করেন রংধনু গ্রুপ ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের আলহাজ্ব মো. রফিকুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংধনু গ্রুপের পরিচালক ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মিজানুর রহমান, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম খান, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল আউয়াল, আওয়ামীলীগ নেতা করিম পাঠান, হাজী আলাউদ্দিন, আলতাফ হোসেন, তারিকুল ইসলাম, আলী আজগর, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিলন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূইয়া, যুবলীগ নেতা হাজী সফিকুল ইসলাম, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মহিউদ্দিন ব্যাপারী, ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান মুন্না, আশফাকুল ইসলাম তুষার, আশরাফুল আলম ভুইয়া জেমিন, মহিলালীগ নেত্রী স্বপ্না আক্তার, ইয়াছমীন আক্তার প্রমুখ।

খাদ্য সামগ্রীর মাঝে ছিল চাল, আটা, তেল, চিনি, আলু, পেয়াজ ও ডাল।

সামগ্রী ও টাকা বিতরণকালে আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম বলেন, মহামারী করোনার শুরু থেকে অদ্যাবধি রূপগঞ্জের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় রংধনু গ্রুপের সহায়তা পৌছে দেয়া হয়েছে। উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ ধাপে ধাপে রংধনু গ্রুপের পক্ষ থেকে নগদ টাকা, খাদ্য সামগ্রী, পরিধেয় বস্ত্র পেয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এই খাদ্য সহায়তা ও নগদ টাকা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যে কোন ধর্মীয় উৎসব, প্রাকৃতিক দূর্যোগ আর অভাবী মানুষের পাশে রংধনু গ্রুপ ছিল আছে এবং থাকবে। তিনি আরও বলেন, রূপগঞ্জের সন্তান হিসেবে আল্লাহ আমাকে যতোদিন সুস্থ্য রাখেন ততোদিন কায়েতপাড়া তথা রূপগঞ্জের একটি পরিবারও অনাহারে দিন কাটাবে না।

ওমরা করতে যাওয়া বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটাররা হলেন- তাসকিন আহমেদ, নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ওমরাহ শেষে আগামী ২১ তারিখ ফেরার টিকিট নিশ্চিত করে দেশ ছেড়েছেন তারা।

এই পাঁচ ক্রিকেটারের বাইরে তাদের সঙ্গে আরও দুই ক্রিকেটার ওমরাহ করতে যাবেন। তারা হলেন- তাইজুল ইসলাম ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জাকির হাসান। এই ৭ ক্রিকেটারের সঙ্গী হবেন পেসার তাসকিন আহমেদের বাবা আব্দুর রশিদ।

এরপর দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন বিশ্বকাপে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা। ছুটি শেষ হলে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে নেমে পড়তে হবে। যদিও দেশে আনুষ্ঠানিক অনুশীলনের সূচি রাখেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ৪ অক্টোবর ওমানে গিয়ে সেখানে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করবেন সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা।

মঙ্গলকান্দিতে বিধবাকে ভিটেছাড়া করতে অমানবিক নির্যাতন

আমান আহমেদ সজীব /মাহফুজ আহম্মেদ :

সোনাগাজীর মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নে স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবাকে ভিটে ছাড়া করতে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ওই গৃহ বধুকে ঘুমের ঘরে বালিশ চাপা দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করতে ব্যার্থ হয়ে ইট দিয়ে পিটিয়ে মাথা থেতলে দেয়া হয়েছে। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের উকিল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।বর্তমানে ওই গৃহবধু হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়ে আসামীদের অব্যাহত হুমকি ও প্রাণ নাশের ভয়ে শহরের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

নির্যাতিত গৃহবধু জানান, প্রথম স্ত্রী তিন সন্তানকে রেখে চলে যাওয়ার পর মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের লক্ষীপুর এলাকার হাবিব উল্লাহ অসহায় হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে পারিবারিক সিদ্ধান্তে হাবিব ফেনী ওই ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে আরজু আক্তারকে বিয়ে করেন। ওই সংসারে তাদের ২টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিগত সনের ১৪ ডিসেম্বর হাবিব বিভিন্ন রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর গৃহবধু আরজুকে শশুর বাড়ির লোকজন বাড়ি ছাড়া করতে নানা ষড়যন্ত্র ও নির্যাতন শুরু করে। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই নারী দুই মেয়েকে নিয়ে স্বামীর ঘরে খাটের উপর শুয়ে থাকা অবস্থায় তার সৎ ছেলে ওসামা ইবনে হাবিব (১৯) বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। দস্তাদস্তির এক পর্যায়ে ওই গৃহবধুকে হত্যা করতে ব্যার্থ হয়ে ইট দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে মাথা থেতলে দেয়া হয়। তাৎক্ষণিক নির্যাতিত গৃহবধুর শোর চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সৎ ছেলে ইবনে হাবিবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এঘটনায় নির্যাতিতার ভাই ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ হাবিবকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। কিন্তুু পরদিনই (১২ সেপ্টেম্বর) আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে যায় হাবিব। গৃহবধু জানান, কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে হাবিব ও তার স্বজনরা গৃহবধুকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিচ্ছে। দুই মেয়ে নিয়ে স্বামীর ভিটায় উঠলে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। এমতাবস্থায় তিনি দুই সন্তান নিয়ে জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছেন। ভয়ে স্বামীর বাড়িতে না গিয়ে ফেনী শহরের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এ বিষয়ে নির্যাতিত গৃহবধু ফেনীর পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মঙ্গলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদল নির্যাতিত মহিলার সাথে কথা বলেছেন । তাকে তার ঘরে আসার জন্য বলেছিলেন । তার নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করবেন । মহিলার উপর অন্যায়ভাবে কেউ কিছু করলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন । নির্যাতিত মহিলার পাশে থাকবেন বলে ভরশা দিয়েছিলেন।

পবিত্র মক্কা এবং মদিনায় দীর্ঘ ২ বছর পর জমজমের পানি সরবরাহ চালু

অনলাইন ডেস্ক :, সৌদিআরব প্রতিনিধি : বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনায় দীর্ঘ প্রায় ২ বছর যাবত জারে করে জমজমের পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে অবশেষে পবিত্র দুই মসজিদে আবারও জারে জমজমের পানি সরবরাহ শুরু করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ।

হারামাইন ডটইনফো এর প্রতিবেদনের বরাত জানা যায় যে, গত মঙ্গলবার থেকে মদিনার মসজিদে নববি থেকে জারের মাধ্যমে জমজমের পানি সরবরাহ শুরু করা হয়েছে। প্রতিদিন ৬০০ জারের মাধ্যমে ঠাণ্ডা ও গরম জমজমের পানি সরবরাহ করছে সেখানকার নিয়োজিত সেবকরা। এবং গতকাল থেকে পবিত্র কাবা শরিফেও ২৫০ জারের মাধ্যমে জমজমের পানি সরবরাহ শুরু করেছে। জারে পানি সরবারাহের আগে জমজমের পানিও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন দিন-রাত শিফটিং ডিউটির মাধ্যমে ১০৭৭ জন দক্ষকর্মী পানি সরবরাহ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন ।

ইতিমধ্যে প্রতিদিনই পবিত্র নগরী মক্কা-মদিনায় ওমরাহ ও জিয়ারতকারী উপস্থিতিও বেড়ে চলছে। তাই জিয়ারতকারীদের সুবিধার্থে বোতলের পরিবর্তে সারি সারি সাজানো জারের মাধ্যমে জমজমের পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপত্র হানি বিন হুসনি হায়দার জানান,পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালনকারীদের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিদিন ৭০ হাজার করা হয়েছে। আর ওমরাহ ও জিয়ারতকারীদের জন্য জমজমের পানি সরবরাহও বাড়ানো হয়েছে। প্রতিদিন ৩ লাখ বোতলে জমজমের পানি সরবরাহ করা হবে বলে তিনি জানান।