স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি হচ্ছে ‘দুই দিন’

নিউজ২৪লাইন:
ঢাকা- সারাদেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু কমায় স্কুল-কলেজ খুলে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিল রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হচ্ছে। যা আগামী ২০২৩ সাল থেকে বাস্তবায়ন হবে।

জানা গেছে, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন শিক্ষাক্রমে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় ছুটির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই রূপরেখা অনুমোদন দিয়েছেন।

জানতে চাইলে এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামান বলেন, ‘২০২৩ সাল থেকে দুই দিন ছুটি হবে।’

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহে দুই দিন ছুটির বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলে শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের আগেও চালু করতে পারে।

পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় ২ দিন ছুটির প্রস্তাব করা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে নতুন শিক্ষাক্রমের একটি রূপরেখা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই রূপরেখার খসড়ায় অনুমোদন দেন। ওই দিন দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২২ সালে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং করা হবে। আর ২০২৩ সাল থেকে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৬ ও ২০২৭ সালে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে শিক্ষাক্রম পরিমার্জন প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ছুটি বাড়লেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি হবে না। তাদের লার্নিং আওয়ার কমবে না। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই এই প্রস্তাব করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক চাপ কমবে বলেও জানানো হয়।

এনসিটিবি জানায়, বিদ্যমান সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটি ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরে ক্লাস চলে ২১৫ দিন। শনিবার ছুটি হলে ক্লাস হবে ১৮৫ দিন।

নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় জানানো হয়, সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন ধরে প্রাক-প্রাথমিকে মোট শিখন ঘণ্টা শিক্ষাক্রম প্রণয়নের সময় নির্ধারণ করা হবে। প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির শিখন হবে ৬৮৪ ঘণ্টা। চতুর্থ থেকে পঞ্চম শ্রেণির হবে ৮৫৫ ঘণ্টা। এ ছাড়া মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির মোট শিখন ১ হাজার ৫০ ঘণ্টা, নবম ও দশম শ্রেণির ১ হাজার ১১৭ ঘণ্টা। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একাদশ ও দ্বাদশ ১ হাজার ১৬৭ ঘণ্টা হবে।

রূপরেখায় বলা হয়, জাতীয় দিবসগুলোতে বিদ্যালয় খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীদের দিবস পালনের কর্মসূচিও শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

কথাসাহিত্যিক সুলতানা দিল আফরোজের স্মৃতির আঙিনায়- শৈশব ও বাবাবেলা।

পাঠকের আনুগত্য ও আকর্ষণ কেবল লেখকের সৃষ্টিকর্মের মান ও উৎকর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তার জীবনাচার ও বিচিত্র বহুমুখী কর্মকান্ড় ও পালন করতে পারে একটা ভুমিকা। কারন, লেখকসত্বা কেবল লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, সেটি লেখকের জীবন ও সৃষ্টির ওপর যেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারে, তেমনই পারে পাঠকের অন্তর্গত কৌতুহল ও আকর্ষণকে আনুগত্যের নিগড়ে বাঁধতে। আবার, লেখকের জীবনে খন্ড় খন্ড় অভিঞ্জতার সমাবেশ ঘটে। সেই সমাবেশে নানা রঙ- আনন্দ, বেদনা, সুখ ও দুঃখের অনির্বচনীয় এক অনুরণন নানা বর্ণবিভায় উদ্ভাসিত হয়। সুর্নিদিষ্ট আকার বা মাত্রা অজানা, জানা থাকে না আগামীকালের কোনো বিন্দুর তিলমাত্র- তারপরও লেখক ফিরে তাকাতে চায় নিজের ফেলে আসা অমল স্মৃতির দিকে, এবং সে দেখতে পায় পারিবারিক, সামাজিক বহু রঙে তার জীবন ছেয়ে আছে। মুহুর্তের পরতে পরতে ছাওয়া অনিশ্চয়তামাখা দিনরাত্রির মাঝে মেঘ মেদুর বর্ণচ্ছটা ও কথকতা তার একার সঞ্চয় হলেও যখন তা প্রকাশিত হয় শব্দে- বাক্যে, তখন তা সমগ্রের হয়ে নিশ্চিত দাঁড়ায়। তেমনি কথা সাহিত্যিক সুলতানা আফরোজও এই ধারাবাহিকতার বাইরে নন।

সুলতানা দিল আফরোজা এ সময়ের একজন নিবিষ্ট ও নির্জন কথা সাহিত্যিক। স্মৃতিচারণ নয়, যেন হৃদয়ক্ষরণের বিষাদ বাঁশি বাজিয়ে যাচ্ছেন অপূর্ব শিল্পমুগ্ধতায়। প্রাত্যহিক পরিচর্যায় এঁকে যাচ্ছেন যাপিত জীবনের মর্মলিপি। লেখকের প্রথম গ্রন্হ ‘ আমার শৈশব, আমার বাবাবেলা ‘। এখানে লেখকের বাবার বিশাল জীবনের ব্যাখা ও বিস্তৃতি উঠে এসেছে। মূলত এটি পারিবারিক পুরাণ। সেই পুরাণের পরতে পরতে শব্দের গাঁথুনি সম্পূর্ন স্বতন্ত্র এবং সাম্প্রতিকতা ও চিরন্তনতার এক অনন্য সম্মিলনের প্রতীক। তাঁর বইয়ের ভেতরে একই সাথে প্রেম, ক্রান্তিকালের দহন, মৃত্যুচিন্তা এবং কালচেতনা সব সংমিশ্রিত হয়ে অবির্ভূত হয়ে থাকে যা একমাত্র লেখকদের জন্য সম্ভব। তাই যে পৃথিবীতে সব সম্পর্কই রক্তের শিরাময়, ছায়াময়, মায়াময়, সব সম্পর্কই নিদারুণ স্বপ্নকাতর, সেই পৃথিবীর জন্যেই কথাসাহিত্য সুলতানা দিল আফরোজ বেশী কাতর। সেই কাতরে অবলীলায় সৃষ্টি করেন দ্বিতীয় গ্রন্হঃ ‘ স্মৃতির আঙিনায় ‘। এটি শুধু আত্বজৈবনিক প্রবন্ধই নয়, একটি নান্দনিক দলিল। লেখকের প্রজ্ঞা, জীবনবোধ আর মর্মস্পর্শী বর্ণনা এই বইটিকে করে তুলেছে অনন্য।

কথাসাহিত্যিক সুলতানা দিল আফরোজ তাঁর বইতে নাগরিক প্রবণতায় যথোপযুক্ত দান করেছেন আর এগিয়ে নিয়েছেন বোধের সীমানাকে। প্রখরভাবে নাগরিক তিনি, নাগরিক বৈশিষ্ট্য তার মৌলুউপজীব্য কিন্তু সেটা কায়েম করতে গিয়ে ফিরিয়ে নিয়েছেন পাঠককে চিরন্তন ও চিরায়ত মুগ্ধতার প্রকৃতিতে। লেখক এতে চিত্ররূপে বর্ণিল, অঙ্কনে আবীরময়, বহুবর্ণাভায় প্রতীকায়িত, সমৃদ্ধময়। উপযুক্ত মানস- বিষয়ীতে, আধার ও আধেয়র আবর্তে। দীর্ঘদিন পরিচর্যায় তিনি সৃষ্টি করেছেন- ‘ আমার শৈশব আমার বাবাবেলা’ র পর ‘ স্মৃতির আঙিনায় ‘। পাঠক মহলে যথেষ্ট সাঁড়া তুলেছে প্রকাশিত এই বই দুটি। তিঁনি বসে নেই, কলম চলছে দ্রুত গতিতে। পাঠককে উপহার দিতে চান তথ্যবহুল সমৃদ্ধ আরো অজানা বিষয় নিয়ে নতুন কিছু, প্রতিক্ষণে সৃষ্টিঘোরে আচ্ছন্ন এ কথাসাহিত্যক। সৃষ্টির শৈল্পিক অঙ্গীকারে আবদ্ধ থেকে দর্শন এবং সৌন্দর্যের নান্দনিক সংমিশ্রণে নব নির্মাণে প্রাগ্রসর। তাঁর লেখায় সংহত উচ্ছারণ ও বহুমাত্রিক ভাবে বৈচিত্র্যে ফুটে উঠেছে আত্বক্ষরণের সর্বৈব মানচিত্র, তাই শাশ্বত সত্য হয়ে অন্তর্লীণ অনুভূতির অভিঘাতে মর্মরিত।

সুলতানা দিল আফরোজ একজন গৃহিণী। ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা জনাব জামাল আহমেদ পেশায় একজন কৃষিবিদ। তিনি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। মাতা হাবিবুন নাহার একজন গৃহিণী। তিন ভাইবোনদের মধ্যে তিনি সবার বড়। পিতার বদলিযোগ্য চাকরির সুবাদে শৈশবে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়িয়েছেন, আহরণ করেছেন প্রকৃতির নিবিড় পাঠ, দিগন্তের আভা আর মানুষের বুনিয়াদি আঁকর। কৈশোরে চলে আসেন বার আউলিয়ার দেশ চট্রগ্রামে। পড়ালেখা করেন চট্রগ্রাম গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজে। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা জনাব এস এম আশরাফুল ইসলামের সাথে বিবাহে আবদ্ধ হন। আবার শুরু হয় ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল চষে বেড়ানো আর বাস্তবতার ঘোর ঠেলে খুঁজে ফেরা চরাচরব্যাপী সন্মোহনী প্রাকৃতিক বিলোড়ন। লেখিকার এক কন্যা, এক পুত্রসন্তান এবং স্বামীকে নিয়ে তাঁর গেরস্থলী।

লেখিকার অপূর্ব অনুরাগ মাখা স্বপ্নময় নানারবাড়ীর স্মৃতিচারণ, অতৃপ্ত আবেগে দাদারবাড়ীর রক্তে রাঙা রূপসী বাংলা,প্রিয় বাবার সঙ্গে নিবিড় সান্নিধ্য যা পাঠক পাবে খন্ড় খন্ড় স্মৃতিচারণের ভেতরে অখন্ড় আখ্যানের চমকপ্রদ স্বাদ। আছে ব্যাক্তির জীবন, রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের মানুষ ও সমাজ বাস্তবতার টুকরো উপলব্দি। জীবনের প্রয়োজনে আমরা এগিয়ে যাই সামনে কিন্তু হারানো অতীত স্মৃতিগুলো মনের কোণে ফিরে আসে বারবার, সেই অদম্য স্মৃতিরা এক সময় মিছিল করতে করতে পত্রপল্লবে বিস্তৃতি হয়ে জন্ম নেয় একেকটি গ্রন্থ। যার প্রতিফলন লেখিকা সুলতানা দিল আফরোজের অন্তর্লোক থেকে উৎসারিত ‘আমার শৈশব,আমার বাবাবেলা’ ও ‘স্মৃতির আঙ্গিনায়’।

তাছাড়াও গ্রন্থের গোপনে যতনে আছে- চারপাশের বাস্তবতার এই প্রতিরূপায়নের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে প্রতিদিনের চেনা দৃশ্যকে চোখের সামনে তুলে ধরে লেখিকা আমাদের তথাকথিত প্রগতিশীলতার মুখোশের অন্তরালে যে সমাজতান্ত্রিক ব্যাক্তিমানুষের বসবাস তাকে চপেটাঘাত করেছেন। প্রতিটি পর্বে দেখতে পাই স্বচ্ছতা, স্পস্টতা রূপায়নের ফলেই আমরা পেয়ে যাই লেখিকার ধ্যানের সমস্ত আয়োজন। যা পাঠকদের মুগ্ধচৈতন্যে গুঞ্জন তুলবে অহর্নিশ।

বাংলাদেশে লেখকের লেখায় সে প্রসিদ্ধ কালোত্তরে আরও চর্চিত যেমন হবে তেমনি নতুন পাঠকও তৈরিতে সক্ষম হবে। আমাদের এ যুগের ভাবচিন্তায় তিনি সন্ত, হৃদ্য। গ্রন্থ দুটির বহুল প্রচার ও প্রসার কামনা করছি।

লেখক-

কবি ও প্রাবন্ধিক নাসের ভূট্টো।

১২ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে

নিউজ ২৪লাইন:, মানিকগঞ্জ: স্কুল-কলেজের ১২ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌর ভবনে মানিকগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নকল্পে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১২ থেকে ১৭ বছরের যারা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তাদের জন্য খুব দ্রুত সময়ের ভিতর ফাইজারের টিকা দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে এবং শিল্প কারখানা সচল রয়েছে বলে অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সঙ্গে ১০ কোটি টিকার চুক্তি করা হয়েছে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ৮টি দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখন সেখান থেকে আমাদের দেশের নাম বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত আমরা আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছি। করোনা নিয়ন্ত্রণে নাই বলে সোমেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষমতা হারিয়েছে এবং থাইল্যান্ডের সরকার প্রধানের অবস্থাও সূচনীয়।

এ সময় পৌর মেয়র মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু ও সাধারণ সম্পাদক অতিন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লবসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

হলদিয়া পালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ;

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ হলদিয়া পালং  ইউনিয়ন শাখার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির উদ্যোগে মরিচ্যা বাজার উত্তর স্টেশনের জিএম কমিউনিটি সেন্টারে হলদিয়া পালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার সিকদারের সভাপতিত্বে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হলদিয়া পালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বাবু শেখর বড়ুয়া, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ ইসমাইল, যুগ্ন আহ্বায়ক খুরশেদ আলম, সদস্য সচিব বেলাল উদ্দীন, সিনিয়র সদস্য সাইফুল ইসলাম সিকদার, তাওসিফ চৌধুরী, জিফার মাহমুদ, সাইদ মোহাম্মদ নোবেল, মেহেদী হাসান, শফিউল আলম, ভুলু বড়ুয়া, মহিউদ্দিন, ফয়েজ,  আসাব উদ্দিন  সহ আরো অনেকে।

সদস্য সচিব বেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন হলদিয়া পালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির লীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বাবু শেখর বড়ুয়া, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ ইসমাইল, যুগ্ন আহবায়ক খোরশেদ আলম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সিকদার, জিফার মাহমুদ,  সাইদ মোহাম্মদ নোবেল, তাওচীফ চৌধুরী।

সভায় বক্তারা সকলের নিজ নিজ পরিচয় তুলে ধরেন তুলে ধরার পাশাপাশি ওয়ার্ড ও ইউনিট কমিটি দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দেন। একইসাথে অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড মুক্ত স্বেচ্ছাসেবক লীগ গঠন করার ওপর জোর দাবী জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আনোয়ার সিকদার বলেন, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সকল সদস্যদের নিজ নিজ ওয়ার্ডের কমিটি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যে যে ওয়ার্ড থেকে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য কমিটির তালিকা প্রণয়ন করবেন। যাচাই-বাছাই করে যোগ্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে । অনুপ্রবেশকারীদের কোন ধরনের জায়গা দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের বিজয়ের প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক নৌকা’কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক কাজ করতে হবে। তবে সদস্যদের নিজ নিজ যদি কোনো পছন্দের প্রার্থী থাকে দলের হাইকমান্ডের কঠিন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তাদের পছন্দের প্রার্থীর সাথে কাজ করতে পারবে। সর্বক্ষেত্রে দলের সিদ্ধান্তকে প্রাধান্য দিতে হবে। হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের পাশাপাশি দুইটি ইউনিট কমিটি গঠন করা হবে। ইউনিট কমিটি গুলোর মধ্যে একটি মরিচা বাজার ইউনিট কমিটি আরেকটি পাতাবাড়ি বাজার ইউনিট কমিটি। দলীয় গঠনতন্ত্রের বাইরে কোন ধরনের কমিটি গঠন করা যাবে না।

উক্ত পরিচিতি সভা অনুষ্ঠানে হলদিয়া পালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পক্ষ থেকে উখিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক স্বপন শর্মা রনি ও সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সুজন ভাইয়ের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।