বাবার স্বপ্ন পুরনে বদ্ধপরিকর ডিএমখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসিম আহমেদ

নিউজ২৪লাইন:
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিম খালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় মারা যান ডিম খালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার জসিম উদ্দিন মাদবর। চতুর্থ ধাপে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ডি এম খালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য সন্তান নাসিম আহমেদ মাদবর। নাসিম আহামেদ বাবার রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে বদ্ধপরিকর।
তার ইচ্ছা বাবার মত মানুষের সেবা করার। তাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এলাকার জনগনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে খোঁজখবর নিছেন উদীয়মান এই তরুণ সমাজসেবক। তিনি মানুষের সাথে কুশল ও সালাম বিনিময় করে যাচ্ছেন। নিচ্ছেন দোয়া ও আশীর্বাদ। দিচ্ছেন বাবার রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার প্রতিশ্রুতি।

মাষ্টার জসিমউদদীন মাদবর মারা যাওয়ার পর ছেলে বিশিষ্ট সমাজ সেবক নাসিম মাদবর চলে আসেন গ্রামে। শুরু করেন বাবার মত মানুষের সেবা করা।

তার বাবা যেমন মানুষকে ভালোবেসে মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করতেন তিনি নিজেও সিদ্ধান্ত নেন দেশে থেকে বাবার মত দেশের মানুষের সেবা করার।

পারিবারীক ঐতিহ্য অনুযায়ী ধর্মীয় পরিবেশে কঠোর সংযম এবং সহজ সরল জীবন যাপনে অভ্যস্ত এক নিবেদিত প্রান নাসিম আহমেদ মাদবর । সদালাপী গরিবের বন্ধু নাসিম আহমেদ তার মূল্যবান সময় অতিবাহিত করতে চান মানুষের প্রয়োজনে।

নাসিম আহমেদ মাদবর বলেন, আমার বাবা মাস্টার জসীমউদ্দীন মাদবর দীর্ঘদিন যাবত ডিম খালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ডিএম খালি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ডিম খালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। আমার বাবা একজন আদর্শবান শিক্ষক, রাজনৈতিক ও চেয়ারম্যান ছিলেন। ডিম খালি বাসীর জন্য তিনি নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন। আমিও চাই ডিএম খালি ইউনিয়ন বাসীর পাশে থেকে বাবার মতো তাদেরকে সেবা করে যেতে।

তিনি আরও বলেন, আমার বাবাকে এবং তার নীতিকে আমি যেমন ভালোবাসি ঠিক তেমনি আমি আমার এই ডিএমখালী ইউনিয়নের সকল মানুষকে ভালোবাসি।
আমি চাই আমার ইউনিয়নকে সুন্দর করে সাজাতে। আমার ইউনিয়নের মানুষকে একটি সঠিক ও সুন্দর সাজানো গুছানো ইউনিয়ন উপহার দিতে। তাই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ডিএমখালী ইউনিয়নে আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকলের নিকট দোয়া কামনা করছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। বাবার দেয়া আদর্শ নিয়ে জনগণের সাথে থেকে তাদের সেবা করে যেতে পারি এবং জনগণকে পাশে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারি সে জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম সানা কে হারিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঋতুর চেয়ারম্যান নির্বাচিত

নিউজ২৪লাইন:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৬নং ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে আনারস প্রতীকের তৃতীয় লিঙ্গের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঋতুর কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম সানা।

রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী ঋতু বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের এই প্রার্থী পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৬৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের নজরুল ইসলাম সানা পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১৭ ভোট।

ভোটে জয়ী হয়ে মুঠোফোনে ঋতু বলেন, এ জয় ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নবাসীর। প্রতিটি মানুষের কাছে আমি ঋণী। কাজের মাধ্যমে মানুষের ঋণ শোধ করার চেষ্টা করব।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮২৫ জন ভোটার। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৫ হাজার ৩৭৪ জন এবং নারী ভোটার ৯২ হাজার ৪৫১ জন। ইউপি চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন, পুরুষ সদস্য পদে ৩১৫ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ইতোমধ্যে তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১নং সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের ওহিদুজ্জামান ওদু, ৭নং রায়গ্রাম ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আলী হোসেন অপু ও ৯নং বারবাজার ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

গোসাইরহাট উপজেলার দলীয় প্রতীক ছাড়া জনগণের সুষ্ঠু ভোটে ৭ জন চেয়ারম্যান বিজয়ী

নিউজ২৪লাইন:
আমাদের প্রতিনিধি আশিক আহমেদ
গোসাইরহাট উপজেলার দলীয় প্রতীক ছাড়া জনগণের সুষ্ঠু ভোটে ৭ জন চেয়ারম্যান বিজয়ী

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীক ছাড়া আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র ০৭(সাত) জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু করে বিকাল ৪টা পর্যন্ত গোসাইরহাট উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একযোগে ভোটগ্রহণ হয়। তৃতীয় ধাপের স্থানীয় নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে সকল ভোটারদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্দ্বিধায় নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীদেরকে বেছে নিয়েছেন স্থানীয় নিজ নিজ ইউনিয়নের ভোটাররা।

কুচাইপট্রি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: নাছির উদ্দিন স্বপন(আনারস), গোসাইরহাট ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আসাদুজ্জামান রিপন(আনারস), নলমুড়ি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মাহফুজুল হক(মোটর সাইকেল), সামন্তসার ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: রব সরদার (রজনীগন্ধ্যা), নাগেরপাড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোজাম্মেল হক(আনারস), কোদালপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান (চশমা) এবং আলাওলপুর ইউনিয়ন পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: ওসমান গনি বেপারী (চশমা) মার্কা নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

কৃষি সাংবাদিকতায় ফেলোশিপ পেলেন ৬ গণমাধ্যমকর্মী

কৃষি সাংবাদিকতায় ফেলোশিপ পেলেন ৬ গণমাধ্যমকর্মী

খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করায় “এফএফবি মিডিয়া ফেলোশিপ ২০২১” পেলেন ৬ সাংবাদিক।কৃষিতে নানাবিধ সংকট, মা ও শিশুর অপুষ্টি এবং দারিদ্রপীড়িত অঞ্চলের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সরেজমিনে সংবাদ সংগ্রহে ভূমিকা রাখেনএই ৬ সাংবাদিক।

আজ ঢাকায় একটি কনফারেন্স সেন্টারে ফার্মিং ফিউচার বাংলাদেশ (এফএফবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফেলোশিপ জয়ী ৬ সাংবাদিককে ক্রেস্ট এবং ৫০,০০০ টাকা সম্মানী তুলে দেয়া হয় ।

এফএফবি কর্তৃক প্রদত্ত এ বছরের মিডিয়া ফেলোশিপ পেয়েছেন ৬ জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিকবৃন্দঃ সাহানুয়ারে সাইদ শাহীন (বণিকবার্তা), আব্বাস উদ্দিন (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড), আ ন ম মহিবুব উজ জামান (দ্য ডেইলি সান), আল আমিন (নিউ নেশন), মেহেদীআল আমিন (দ্য বিজনেস পোস্ট), এবং শাহ মুহাম্মদ নাজমুস সাকিব (দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস)।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক বলেন, “এ ধরনের সম্মানজনক মিডিয়া ফেলোশিপ বাংলাদেশেরসাংবাদিকদের কৃষির সংকট ও তার বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান নিয়ে সংবাদ প্রচারে অনুপ্রেরণা যোগাবে। জনগণের কাছে খাদ্য, পুষ্টি এবংউদ্ভাবনী কৃষিব্যবস্থা নিয়ে নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচারের কোন বিকল্প নেই।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুষ্টি পরিষদের পরিচালক ডঃ খলিলুর রহমান এবং কৃষি তথ্য সার্ভিসেরপরিচালক মোঃ শাহজাহান আলী বিশ্বাস।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, “এসডিজি দ্বিতীয় যে লক্ষ্যমাত্রাটি আছে, সেটি অর্জনে সকলের জন্য পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য অপরিহার্য।সাংবাদিকরা খাদ্য নিরাপত্তার সংকট ও সম্ভাবনা সম্পর্কে আমাদের সজাগ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।”

মোঃ শাহজাহান আলী বিশ্বাস বলেন, “আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত কৃষিই আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলি বুঝতে এবংমোকাবেলা করতে সহায়তা করবে।”

অনুষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফার্মিং ফিউচার বাংলাদেশ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী পরিচালক মোঃ আরিফহোসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকরা আমাদের জাতীয় কৃষির সার্বিক পরিস্থিতি আমাদের সামনে তুলে ধরেন, তাদেরকাজের মাধ্যমে। খাদ্য ও পুষ্টি সংকটে সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে সতর্ক করেন । মিডিয়া ফেলোশিপের মাধ্যমে তাঁদের অবদানকেভবিষ্যতেও স্বীকৃতি দেবে এফএফবি।”

ফার্মিং ফিউচার বাংলাদেশ (এফএফবি) বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান, যার মূল লক্ষ্যবাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদনে জৈবপ্রযুক্তিসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ক সচেতনতা বাড়ানো। যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যালায়েন্স ফর সাইন্স’ এর পৃষ্ঠপোষকতায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ফার্মিং ফিউচার বাংলাদেশ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

নাকফুল দিয়ে ভোট চাইলেন প্রার্থী

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইলেন প্রার্থী। একইসঙ্গে নারীদের হাতে নাকফুল ও টাকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনই ঘটনা ঘটেছে উপজেলার ১নং সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে।

 

জানা গেছে, সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মহাদেবপুর এলাকার বিউটি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে ভোট চাইলেন ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আমির হোসেনের ভাই সাইফুল হোসেন। এ সময় তিনি হাতের মধ্যে একটি নাকফুল ও ১০০ টাকা দেন। এ ছাড়াও দুর্গাপুর গ্রামে প্রমীলা রানীর বাড়িতে গিয়ে নাকফুল দেন প্রার্থী আমির হোসেন নিজেই।

 

মহাদেবপুর গ্রামের বিউটি খাতুন নিউজ24লাইনের প্রতিবেদককে  বলেন, গতকাল শুক্রবার ( ২৬ নভেম্বর) সকালে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আমির হোসেনের ভাই সাইফুল এসে তার হাতে একটি সোনালি রঙের নাকফুল ও ১০০ টাকা দেন। এরপর ফুটবল মার্কায় ভোট দিতে বলা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই তাদের কাছে নাকফুল ও ১০০ টাকা ফেরত দেন।

 

দুর্গাপুর গ্রামের প্রমীলা রানী বলেন, আমির হোসেন বাড়িতে এসে ‘বল’ মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য বলেন। এরপর সে নিজ হাতে দুইটি নাকফুল দেন।

 

তিনি আরও বলেন, নাকফুল আমার লাগবে না। তখন আমির হোসেন মেয়েকে দিতে বলেন। গ্রামের বিভিন্ন নারীদের এ নাকফুল দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই নারী।

 

এ ব্যাপারে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী আমির হোসেন প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিপক্ষরা এর আগেও ষড়যন্ত্র করেছে। এবারও তার প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্র করে এগুলো করেছে। কাউকে টাকা দিয়ে ভোট করব না।

 

১নং সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার মধুসূদন সাহা আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, নাকফুল দেওয়ার ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।

 

উল্লেখ্য, আগামী ২৮ নভেম্বর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের দ্রুত উন্নয়নের দাবীতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ, ডিজেলের দাম স্বাভাবিক রাখতে এবং কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের দ্রুত উন্নয়নের দাবীতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখা কতৃক আয়োজিত প্রতিবাদ সভা শুরু হয় সংগঠনের সদস্য করিম উল্লাহর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এবং উক্ত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি সমাজকর্মী শামসুল আলম কেলু।

 

সভায় ভারচুয়ালি প্রধান অতিথি হিসবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীন জননেতা সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য পংকজ ভট্টাচার্য।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জেলা শাখার সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় শুরুতে প্রধান অতিথি জননেতা পংকজ ভট্টাচার্য বলেন,

দেশের এই দুঃসময়ে তরুণরা পারে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে।

দ্রব্যমূল্য, ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে তিনি সরকারকে ভর্তুকি দেয়ার আহ্বান জানান।

এবং সামপ্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখতে সকল সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দেন।

কক্সবাজারের প্রধান সড়কের উন্নয়নের কাজের ধীরগতির ব্যাপক সমালোচনা করেন।

তিনি কক্সবাজার জেলা শাখার আগামী সকল কর্মকান্ডে নিজের একাত্মতা ঘোষনা করেন।

এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার জাহেদ উল্লাহ, সহসভাপতি শওকত আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কাজি তামজিদ পাশা, শ্রমিক নেতা এম ইউ   বাহাদুর, মামুনুর রশীদ, রাশেদুল ইসলাম, ইসহাক হোসাইন প্রমুখ।

 

সভায় সাধারণ সম্পাদক বলেন প্রতিবছর স্কুলে পুনঃভর্তি প্রথা বন্ধ করতে হবে এবং বাসে ছাত্রছাত্রীদের জন্য হাফ পাস চালু করতে হবে।

সভাপতি সমাপনী বক্তব্যে বলেন অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে এবং কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের উন্নয়নের কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে।

অন্যথায় প্রধান সড়কের দ্রুত উন্নয়নের জন্য আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উখিয়া কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক, মোহাম্মদ করিম উল্লাহ, সাঙ্গঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল কাসেম।

উক্ত প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সদস্য মিজান সিকদার, শফিকুল ইসলাম, জাবেদ উল্লাহ মিয়া, শাকিল আজিজ, জ জ রাখাইন,করিম উল্লাহ সহ অনেকে।

খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দিতেও পারেন: হানিফ

নিউজ২৪লাইন:

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ক্ষমা নিয়ে খালেদা জিয়া বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। আজ আজ শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বিশ্ব সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও হলি আর্টিজান- মুম্বাই হামলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। হানিফ বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি রাজনীতি ও স্টান্টবাজি করছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে একজন দণ্ডিত আসামি বিএনপি তা ভুলে গেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দেশের বাইরে যেতে পারেন না। তবে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চাইলে তিনি ক্ষমা করে দিতেও পারেন। কিন্তু সেটি না করে বিএনপি নিজেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি ও স্টান্টবাজি করছে। খালেদা জিয়ার সুস্থতার চেয়ে তাদের কাছে রাজনীতি বড়। সে জন্য খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা বিএনপিই।

হানিফ বলেন, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী সত্য। কিন্তু বিএনপি ভুলে গেছে খালেদা জিয়া একজন দণ্ডিত আসামি। তার পরও জননেত্রী শেখ হাসিনা মহানুভবতা দেখিয়ে তাকে বাড়িতে অবস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এর আগে জেলে থাকার সময় ব্যক্তিগত সহকারীকে (একজন নারী) রাখার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। হানিফ বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়েই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল। আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়েই মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। মহান স্বাধীনতার ওপর আঘাত মুক্তিযুদ্ধের পরেই আনা হয়। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়েই এর চূড়ান্ত রূপ পায়। পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় আসে, সেই অপশক্তিকেই তারা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সাহস দিয়েছিল।জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে পাকিস্তানের দোসরদের গাড়িতে তারা বাংলাদেশের পতাকা তুলে দিয়েছিল।

1 2 3 14