রামুতে ইউপি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : উপজেলা নির্বাচন অফিসার


নিজস্ব প্রতিবেদক, রামু
রামু উপজেলার এগার ইউপি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই ইউপি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক হবে বলে জানিয়েছেন, রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহফুজুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যলয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অবাধ নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী রামু উপজেলা নির্বাচন মাহফুজুল ইসলাম বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রামুতে এগার ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ হবে। এগার ইউনিয়নের ১০০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইউপি নির্বাচনে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। তাই নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই সতর্ক অবস্থানে থাকব। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে রামু উপজেলার এগারটি ইউনিয়ন ঈদগড়, গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, কাউয়ারখোপ, ফতেখাঁরকুল, জোয়ারিয়ানালা, রাজারকুল, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, খুনিয়াপালং, চাকমারকুল, রশিদনগর ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর। এই এগার ইউনিয়নে ৬৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ১১০ জন সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ও ৩৯১ জন সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮২৬ জন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে, পাঁচ জন রিটার্নিং অফিসার, ১১১ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৪৬২ জন সহকারি প্রিসাইডিং ও ৯৩৯ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের বিধিমতেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহফুজুল ইসলামের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক খালেদ শহীদ, নুরুল ইসলাম সেলিম, নীতিশ বড়ুয়া, সোয়েব সাঈদ, আল মাহমুদ ভূট্টো, শওকত ইসলাম, রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসের আইটি অফিসার পলাশ শর্মা ও মো. শোয়াইব।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রামুতে ইউপি নির্বাচন চলাকালে একাধিক ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করবেন। কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হচ্ছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ১৮টি ভোটকেন্দ্রকে চিহ্নত করা হয়েছে। এসব ভোট কেন্দ্রে আইপি ক্যামেরা বসানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ সম্পর্কে রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসার বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন ব্যবস্থা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের বিধি মোতাবেক সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

গোটা দেশ তোমার সঙ্গে আছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধী” শাহরুখ- খানকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডে প্রায় এক মাস জেলে থাকতে হয়েছে শাহরুখ-তনয় আরিয়ান খানকে। এই সময় খান পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কিং খান ভক্তরা। শাহরুখের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন সলমন খান, হৃতিক রোশন, কর্ণ জোহররা। শেষ পর্যন্ত আরিয়ান জামিন পেয়েছেন। দীপাবলির আগেই ফিরেছেন ‘মন্নত’-এ। এ বার প্রকাশ্যে এল, ওই কঠিন সময়ে শাহরুখ পেয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধীর চিঠি।

আরিয়ান তখন আর্থার রোড জেলে বন্দি। গত ১৪ অক্টোবর ‘মন্নত’-এ পৌঁছয় রাহুলের বার্তা। সূত্রের খবর, রাহুল শাহরুখকে জানিয়েছেন, ‘গোটা দেশ তোমার সঙ্গে আছে।’

২৮ অক্টোবর বম্বে হাই কোর্ট আরিয়ানের জামিন মঞ্জুর করে। কিন্তু আর্থার রোড জেলে জামিনের নথি পৌঁছতে পৌঁছতে দু’দিন পেরিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৩০ অক্টোবর বাড়ি ফেরেন আরিয়ান। আরিয়ানকে স্বাগত জানাতে সে দিন ভিড় উপচে পড়েছিল ‘মন্নত’-এর সামনে।

জাত-ধর্ম-বর্ণ নিয়ে ভাগাভাগির রাজনীতি চলছে, দিদি চাইলে ভোটে লড়ব: লিয়েন্ডার
প্রকাশ্যে শাহরুখকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ঘনিষ্ঠ হতে দেখা যায়নি। কিন্তু রাহুল গাঁধী, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথা শোনা যায়। এমনকি আইপিএল-এর শুরুর দিকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের খেলা দেখতে ইডেন গার্ডেন্সে শাহরুখের সঙ্গেই দেখা গিয়েছিল রাহুল-প্রিয়ঙ্কাকে। তার পর খুব বেশি একসঙ্গে দেখা যায়নি খান-গাঁধীদের। কিন্তু কঠিন সময় শাহরুখকে চিঠি পাঠিয়ে পাশে থাকার বার্তা বুঝিয়ে দিল, সু-সম্পর্ক এখনও অটুট।

এখনো সময় আছে ভালো হয়ে যান নোংরামি রাজনীতি ছেড়েদেন রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল

নিউজ২৪লাইন:
হুশিয়ার এবং সাবধান এখনো সময় আছে ভালো হয়ে যান নোংরামি রাজনীতি ছেড়েদেন।

মোঃ_রফিকুল_ইসলাম_কোতোয়াল,এর নামে যারা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন এখন ও সময় আছে আপনাদের বলতে চাই আপনাদের ইতিহাস মানুষ কিন্তু জানে নোংরা রাজনীতি পছন্দ করিনা পছন্দ করি না এবং কারো সম্পর্কে বলতেও চাই না যদি শুনতে চান তাহলে কিন্তু আমরা ২০১৬ সালে ফিরে যেতে চাই কারা প্রকৃত আওয়ামী লীগ কারা নব্য আওয়ামী লীগ করে।

২০১৬ সালে ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান কাদের হাত ধরে চেয়ারম্যান হয়েছিল সেই ইতিহাস কিন্তু শরীয়তপুরবাসী জানে?

রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল বলেন
সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে রাজপথে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যেতে হবে আমাদের ইনশাআল্লাহ। আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করে না আমিও করি না আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে কোন প্রতিহিংশা , বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ ক্ষমতা আছে বলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত হয়েছে এটা আমাদের ভুললে চলবেনা।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু,জয়তুন শেখ হাসিনা।

শরীয়তপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনায় বাধার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শেখ নজরুল ইসলাম,শরীয়তপুর

শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও তাঁর কর্মীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা,কর্মিদের মাইরধর, মাইক ভাঙচুর,পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন বিদ্রোহী প্রার্থী মো অানোয়ার হোসেন হাওলাদার ৷

আনোয়ার হোসেন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, অাংগারিয়া ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী অাসমা অাক্তার একজন বিএনপি পদধারি নেত্রী ছিলেন ! বর্তমানে তার পরিবারের সকলেই বিএনপির সাথে জরিত অাছে ! তিনি কিভাবে নৌকা পেলেন তা অামার মাথায় অাসে না ! অামি অামার সমর্থকদের নিয়ে প্রচারে নেমে নানা ধরনের হামলার শিকার হচ্ছি। অামার নির্বাচনী পোস্টার টানানোর সাথে সাথেই ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে । অামার দুই তিনটা প্রচার মাইক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। অামি এলাকায় ভোট চাইতে গেলে অামার উপর ককটেল নিক্ষেপ করে অামার সমর্থকদেরকে মাইরধর করা হয়েছে ৷
এ ছাড়া অাসমা অাক্তারের কর্মীরা এলাকায় মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে। এ ব্যাপারে অামি জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে অভিযোগ করলেও তারা কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি অাকর্ষণ করেন অানোয়ার হোসেন হাওলাদার।

ইউপি নির্বাচন নিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষঃ গুলিবিদ্ধ হয়ে নারীসহ নিহত তিনজন

নিউজ২৪লাইন: আজ বৃহস্পতিবার সকালে নরসিংদীর দূর্গম চরাঞ্চল আলোকবালিতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছে।

একই ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ৩৫ জন। সদর উপজেলার চরাঞ্চল আলোকবালী ইউনিয়নের নেকজানপুন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার আলোকবালি ইউনিয়নের নেকজানপুর গ্রামের পটু মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (৪৬), আবদুল জলিলের ছেলে আশরাফুল (২২) ও আবদুল মনু মিয়ার মেয়ে খুশী বেগম (৫০)। তারা সকলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন দীপুর সমর্থক।
স্থানীয়সুত্র এবং পুলিশ জানায়, আগামী ইউপি নির্বাচনে সদর উপজেলার দূর্গম চারাঞ্চল আলোকবালি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপু। একইসঙ্গে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আসাদউল্লাহ। এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পান বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপু। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন অ্যাড. আসাদউল্লাহ।

সর্বশেষ দলীয় চাপে গত ২৬ অক্টোবর দুপুর ৩টার দিকে বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দীপুকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয় অ্যাড. আসাদুল্লাহ। এতে আসাদুল্লাহ সমর্থকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছিল। ওইদিন কথাকাটাকাটির জের ধরে উভয় সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে উভয়পক্ষের ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।
ওই দ্বন্দ্বের জেরেই বৃহস্পতিবার সকালে আসাদউল্লাহর সমর্থকরা দীপু সমর্থদের উপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দীপুর সমর্থক আমির হোসেন, আশরাফুল ও খুশী বেগম নিহত হয়। ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়।

নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, ইউপি নির্বাচন নিয়ে আগে থেকেই দুইপক্ষের দ্বন্দ্ব ছিল। আজ সকালে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ জন নিহত হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দোসররা অনলাইনে দেশবিরোধী হিংসা-বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে’

নিউজ২৪লাইন: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নিজের দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দোসর ও ষড়যন্ত্রকারীরা আজও অনলাইনে দেশবিরোধী হিংসা-বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ এখন দৃঢ় অবস্থানে।

স্কটল্যান্ডে জলবায়ু বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন কপ-২৬ এ অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন সরকারি সফরে লন্ডনে অবস্থান করছেন।

ওয়েস্টমিনিস্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবার সময়ে লন্ডন শহরের সঙ্গে নিজের জীবনের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর ভিন্নখাতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তাদের দোসররা আজও দেশবিরোধী কুৎসা রটিয়ে চলেছে।

দুঃসহ সেসব স্মৃতি পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এখন বহুদূর এগিয়ে গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রায় প্রতিটি সূচকে দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

ছয় দিনের লন্ডন সফর শেষে ৯ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দ্বিপক্ষীয় সফরে ফ্রান্সের প্যারিস যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

বুধবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টারে ব্রিটিশ এমপিদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

বুধবার লন্ডনে স্থানীয় সময় রাতে বৃটিশ পার্লামেন্ট ওয়েস্টিমিনিস্টারে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাংলাদেশি বংশদ্ভুত বৃটিশ এমপি রুশনারা আলী এবং লর্ড জিতেশ গাথিয়া। ছোট বোন শেখ রেহানাসহ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেখ হাসিনার সঙ্গে।