বিএমএসএফ’র শরীয়তপুর জেলা কার্যালয় উদ্বোধন

নিউজ২৪লাইন:
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) শরীয়তপুর জেলা শাখার কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় ফিতা কেটে কার্যালয় উদ্বোধন করেন বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর। পরে জেলা কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা সভাপতি ফারুক আহমেদ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদ ইসলাম পাইলট। জেলা সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর, সাংগঠনিক সম্পাদক সীমা খন্দকার, মোনালিসা মৌ, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পাবনা সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ কাদেরী। আরো বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, শোহাগ খান সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আলম, ভেদরগঞ্জ উপজেলার আহবায়ক নাসির খান, সদস্য সচিব আমান আহমেদ সজিব, সদস্য মনিরুজ্জামান খোকন, সাদ্দাম হোসেন, রুহুল আমিন, বাবু শিকদার প্রমুখ।

শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের পক্ষ থেকে২৫নংনাজিম পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী বিতরণ

আমান আহমেদ সজীব শরীয়তপুর প্রতিনিধি :
নিউজ২৪লাইন:
শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন এর পক্ষ থেকে ভেদরগঞ্জ উপজেলার ২৫নং নাজিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী বিতরণ।

শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের এর ভেদরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য যুব সমাজের আইকন মোঃ জুয়েল আহমেদ মোল্লা,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নিলিম কাজীর হাতে তুলে দেন।
এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ছয়গাঁও ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের ১৯৯৬ সালে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যানে সম্মানে সম্মানিত হওয়া মরহুম আলহাজ্জ করিম মোল্লা সাহেবের সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভেদরগঞ্জ উপজেলা সাখার সম্মানিত সাংগঠনিক সম্পাদক যুব সমাজের অহংকার মোঃ লিটন মোল্লা,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ছয়গাঁও ইউনিয়নের সহ- সভাপতি মোঃ মালেক সরদার সহ অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ স্থানীয় মুরব্বী গন উপস্থিত ছিলেন।। প্রধান অতিথি লিটন মোল্লা বলেন শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা ইতিপূর্বে দেখেছি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় সহ সাধারণ মানুষের মাঝে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিতরণ করা হয়েছে এবং দেশের দুর্যোগকালীন সময়গুলোতে শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আমরা শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়েছি এবং আমরা এটা উপলব্ধি করতে পেরেছি রাজনীতির বাইরে থেকেও কাজ করা যায় সাধারণ মানুষের জন্য।

জনাব মালেক সরদার বলেন শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক সংগঠন নাগরিক অধিকার আন্দোলন এর কার্যক্রম আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে ২৫নংনাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নীলিম কাজি বলেন শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সকল সদস্যদের কে ২৫নং নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকা গন এর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ মোল্লা বলেন শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কার্যক্রম সুধু র্শরীয়তপুর জেলার ভিতরে সীমাবদ্ধ নয় জেলার বাহিনীরে ও এর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে শরীয়তপুর নাগরিক অধিকার আন্দোলন একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এখানে সমস্ত দলের লোক দের জন্য উন্মুক্ত এই সংগঠন আমাদের নিজেদের পকেটের টাকায় চলে তাই সকল শ্রেণীর কি বলবো আসুন আমরা সকলে মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

যেমন ছিলেন, আমাদের প্রিয় নবী – রাসুল (সঃ)

এস এম আবুল কালাম আজাদ :

যেমন ছিলেন, আমাদের প্রিয় নবী – রাসুল (সঃ) ❤️

১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্রহাসি হাসতেন না
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি শতবার ক্ষমা প্রাথনা করতেন।
৭/ তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেএ ছাড়া কাউকেই আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরন করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃনা করতেন।
১৮/ তিনি উপহার গ্রহন করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহ কে সব সময় ভয় করতেন
২২/ হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩/ কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যাক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪/ বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫/ কথা বলার সময় সুস্পষ্ট ভাবে বলতেন যাতে শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬/ কথা, কাজ ও লেন- দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭/ নম্রতা কে পছন্দ করতেন।
২৮/ তার নিকট আগত ব্যাক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯/কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০/শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১/আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামত কে কদর করতেন।
৩২/খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
৩৩/ ক্ষমা কে পছন্দ করতেন।
৩৪/ সর্বদা ধৈর্য্য ধারন করতেন।
এবার আমরা আল-কুরআনের একটি আয়াত Study করি এবং উপরোক্ত Points গুলোর প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ করি,তাহলেই আমরা এই লেখার সত্যতা,বাস্তবতা,গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্যক উপলব্ধি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ,
* মহান আল্লাহ বলেন- তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্বরণ করে তাদের জন্য রাসূলের অনুসরণের মধ্যে রয়েছে উওম আদর্শ। (৩৩ আহযাব ২১)
তাই আসুন আমরা
রাসুল (সা.) এর আনুগত্য ও অনুসরণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি,যদিও তাঁর গুনাবলী বর্ননা করে শেষ করা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিএবান হওয়ার তাওফীক দান করুন।

প্রতি ৫ কি.মি-তে ভাড়া বাড়বে ২ টাকা ৯০ পয়সা – ছবি : সংগৃহীত

নিউজ২৪লাইন:
জাতীয় বিবিধ
নতুন প্রস্তাবে
প্রতি ৫ কি.মি-তে ভাড়া বাড়বে ২ টাকা ৯০ পয়সা

পরিবহন মালিকরা বাস বাড়ার যে নতুন প্রস্তাব দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন হলে প্রতি ৫ কিলোমিটারে ভাড়বে ২ টাকা ৯০ পয়সা। অর্থাৎ ডিজেলের দাম ২৩ শতাংশ বাড়লেও বাস ভাড়া বাড়বে ৪০ শতাংশ।

রোববার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে গণপরিবহনে ভাড়া পুনর্নির্ধারণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সাথে পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের বৈঠক থেকে এ প্রস্তাব দেয়া হয়।

নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দূরপাল্লার বর্তমান বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৪২ পয়সা, তা বাড়িয়ে ২ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ এতে কিলোমিটারপ্রতি যাত্রীকে বাড়তি ৫৮ পয়সা গুনতে হবে। ভাড়া বৃদ্ধির এ হার ৪০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। তাতে দেখা যাচ্ছে দূরপাল্লার একজন যাত্রীকে প্রতি পাঁচ কিলোমিটারে ২ টাকা ৯০ পয়সা বেশি ভাড়া দিতে হবে।

মহানগরে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা, প্রস্তাব হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা করার। এতে ৭০ পয়সা ভাড়া বাড়বে। বাড়তি ভাড়ার এ শতকরা হার ৪১ দশমিক ১৮ শতাংশ। ফলে মহানগর এলাকায় একজন বাসযাত্রীকে পাঁচ কিলোমিটার ভ্রমণের জন্য বাড়তি ৩ টাকা ৫০ পয়সা গুনতে হবে।

এছাড়া মহানগরে মিনিবাসের বর্তমান ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৬০ পয়সা। এটি বাড়িয়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা করার প্রস্তাব হয়েছে। এতে ভাড়া বাড়ে কিলোমিটারপ্রতি ৮০ পয়সা। ভাড়া বৃদ্ধির এ হার ৫০ শতাংশ। ফলে মহানগর এলাকায় চলাচলকারী মিনিবাসের ভাড়া পাঁচ কিলোমিটারে ৪ টাকা বাড়বে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বগতির কারণে ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ডিজেল-কেরোসিনের দাম পুনর্নির্ধারণ করে সরকার।

গত ৩ নভেম্বর রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়। নতুন দাম ভোক্তা পর্যায়ে ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়।

ডিজেল-কেরোসিনের দাম বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরদিনই পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর ৫ নভেম্বর সকাল ছয়টা থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু করে বাস, ট্রাকসহ পণ্যবাহী যানবাহনের মালিকেরা। এতে সারাদেশে মানুষকে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ধর্মঘট অনির্দিষ্টকালের হওয়ায় দুর্ভোগ কবে শেষ হবে, এ নিয়েও অনিশ্চয়তায় পড়ে মানুষ।

তবে তেলের দাম বাড়ানোর পর শুরু থেকেই পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্টরা বলছিলেন, ডিজেলের দাম না কমানো হলে গণপরিবহনসহ অন্যান্য পরিবহনে ভাড়া সমন্বয় করতে হবে। এনিয়ে গত ৪ নভেম্বর বিআরটিএকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি

৫,৬,নং ওয়ার্ড মহিলাদের নিয়ে উত্তর তারাবুনিয়া চেয়ারম্যান ইউনুছ সরকারের মতবিনিময় সভা

আমান আহমেদ সজীব //ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর উত্তর তারাবুনিয়ায় ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মহিলাদের নিয়ে রবিবার (০৭ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মোসাম্মদ নাসিমা সাদেক এর সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি মিসেস ফেরদৌসী আক্তার রুনা (ইউনুস) তিনি তার বক্তব্যে বলেন বর্তমানে ইউনুছ সরকার এলাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে যাচ্ছে এবং এলাকায় প্রতিটি উন্নয়ন মুলক কাজে তার অবদান রয়েছে। এছারাও তিনি এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ,বাল্যবিবাহসহ সকল অপরাধমুলক বিষয়ে প্রতিবাদী ব্যাক্তি নামে সুপরিচিত হয়েছেন।অসহায় মানুষরা তাকে ডাক দিলেই হাতের নাগালে পান। করোকালীন সময়ে তিনি গরীব দুখী মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে মানবতার ফেরীওয়ালা উপাধী পেয়েছেন। তিনি আরো জানান তিনি সৎ, মার্জিত, ভদ্র স্বভাবী,প্রতিবাদী হওয়ায় এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তার বিকল্প নেই।তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হলে সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। তাই ইউনুস সরকারের জন্য সকলেই দোয়া করবেন।

এসময় উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন বিশিষ্ট, সমাজসেবক, দানবীর, ধর্মপরায়ন,অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ব্যাক্তি,গরীব দুখী মানুষের আস্থাভাজন, বর্তমান সফল ইউপি চেয়ারম্যান ,ও সখিপুর থানা আওয়ামীলীগের ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক,
তিনি এই ইউনিয়নপরিষদে ৫ বছর ধরে সুনামের সহিত ইউপি চেয়ারম্যান’র দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। তিনি এলাকায় রাস্তা, ঘাট, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যপক উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন এবং হতদরিদ্রদেরকে ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতাসহ সরকারের সকল ধরনের সহায়তা সঠিক ভাবে প্রদান করে জনগনের আস্থা যুগিয়েছেন। সুবিধা বঞ্চিত হয়নি গরীব দুখী মানুষরা।
তিনি বেশ সুনামের সহিত দায়ীত্ব পালন করে আসছেন।তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ নেই। তাই তাকে পুনরায় নির্বাচিত করে যোগ্য পাত্রে অন্ন দান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় চেয়ারম্যান ইউনুছ সরকার মতবিনিময় সভায়
সকলের উদেশ্যে বলেন, এই উত্তর তারাবুনিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে এলাকায় মসজিদ,মাদ্রাসা, রাস্তা,ঘাট,শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ব্যপক উন্নয়ন হয়েছে,
এছাড়াও মাদক, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ মুক্ত হয়েছে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ হয়েছে,
হতদরিদ্রদেরকে ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতাসহ সরকারের সকল ধরনের সহায়তা সঠিক ভাবে প্রদান করা হয়েছে, আমি যদি আবারো আপনাদের মাঝে নির্বাচিত হয়ে আসতে পারি তাহলে
আমার যে অসমাপ্ত কাজগুলো রয়েছে সে গুলো সমাপ্ত
করবো। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা ও দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসিনা ইয়াছমিন সভাপতি উত্তর তারাবুনিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ,ও যুবমহিলালীগসহ ৫,৬ নং ওয়ার্ড এর হাজারো জনসাধারণ।

স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে সেই ছাত্রদল নেতার বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে উপজেলায় প্রেম করে বিয়ের পর ছাত্রদল নেতার অস্বীকার। তাই স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে বিষের বোতল হাতে নিয়ে প্রেমিক ইমরান খানের (৩১) বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক নারী (২৭)।

অভিযুক্ত ইমরান উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কার্তিকপুর গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে। তিনি ভেদরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক।

শনিবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে অনশন করেছেন ওই নারী। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য শিপল সিকদার, ছাত্রদল নেতা ইমরানের মামা মতিন সরদারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা সমাধানের আশ্বাস দিলে তিনি অনশন তুলে নেন। এর আগে রোববার (৩১ অক্টোবর) স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে শরীয়তপুর ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই নারী।

ওই নারী বলেন, ২০১৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা ইমরানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে বন্ধুত্ব, এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২০ সালের ১৫ মে স্থানীয় কাজি অফিসে গিয়ে তারা গোপনে বিয়ে করেন। ওই নারী বিয়ের বিষয়টি তার পরিবারকে জানালেও ইমরান তার পরিবারকে জানাননি। বিয়ের পর ইমরানের সঙ্গে ওই নারীর গোপনে যোগাযোগ ও সম্পর্ক চলতে থাকে।

এভাবে এক বছর হয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠান করে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেওয়ায় চাপ প্রয়োগ করেন ওই নারী। ইমরান বিষয়টি নিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। এক পর্যায়ে ওই নারীকে অস্বীকার করেন ইমরান।

ওই নারীর ভাষ্য, ‘ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী কাজির মাধ্যমে গোপনে ইমরান আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর তার ভাইকে ইতালি পাঠাবে বলে আমার কাছ থেকে দুই ধাপে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে। তার কথায় এক বছর বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখি। আমি স্ত্রী হিসেবে তার বাড়িতে থাকতে চাওয়ার পর থেকে সে আমাকে অস্বীকার করছে। বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইমরানের এলাকার নেতাদের বিষয়টি জানালে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাই স্ত্রীর মর্যাদা পেতে অনশনে বসেছেন।

এ বিষয়ে ইমরানের মামা মতিন সরদার ও ইউপি সদস্য শিপল সিকদার জানান, ইমরান আমাদের না জানিয়ে গোপনে ওই মেয়েকে বিয়ে করেছে। বিষয়টি যেহেতু জানলাম উভয় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে। জানতে চাইলে ইমরান খান বলেন, আমি তাকে বিয়ে করেছি ঠিক আছে। কিন্তু তার সঙ্গে আমার সংসার করা সম্ভব নয়।

ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য আমাকে ফোন করেছিল। ওই নারীর অনশনের বিষয়টি আমি শুনেছি। ওই নারী লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা হচ্ছে: জয়

নিউজ২৪লাইন: ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দেশে সম্প্রতি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ২০১৩ সালে দেশে ডিজেলের মূল্য ছিল লিটার প্রতি ৬৮ টাকা, পরবর্তীতে ২০১৬ সালে লিটার প্রতি ৩ টাকা কমিয়ে ৬৫ টাকা করা হয়। এরপর গত সাড়ে পাঁচ বছরে দেশে ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি হয়নি।

শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ও কিছু তথ্য গুজব থেকে দূরে থাকুন- সত্য তথ্য জানুন’ শিরোনাম দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় আরও লিখেছেন, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। এর ফলে ডিজেলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হয়।

তিনি বলেন, এবছরের জুন মাসে লিটার প্রতি ২.৯৭ টাকা, জুলাই মাসে ৩.৭০ টাকা, আগস্টে ১.৫৮ টাকা, সেপ্টেম্বরে ৫.৬২ টাকা এবং অক্টোবরে ১৩.০১ টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। এতে গত সাড়ে পাঁচ মাসে ডিজেলের জন্য বিপিসির লোকসান হয়েছে প্রায় ১১৪৭.৬০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে ডলারের মূল্য ২০১৬ সালে ৭৯ টাকা থেকে চলতি মাসে ৮৫.৭৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে ডলারে মূল্য পরিশোধে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ভারতে জ্বালানি তেলের মূল্য কমার পরও পশ্চিমবঙ্গে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৯০ রুপি বা ১০৪ টাকা, দিল্লিতে ৯৮.৪২ রুপি বা ১১৪ টাকার সমান। নেপালেও এই মূল্য ১১২.৩৯ নেপালি রুপি বা ৮১ টাকা। প্রতিবেশী এসব দেশের চেয়ে আমাদের মূল্য কম রয়েছে। একারণে আবার চোরাকারবারিরা এখান থেকে প্রতিবেশী দেশে ডিজেল পাচার করছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ক্রমাগতভাবে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এর ফলে এদেশে দাম কম থাকায় বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, যা রোধকল্পে এই মূল্যবৃদ্ধি এবং এ নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।