মালালার বিয়ে মানতে পারছেন না তসলিমা

নিউজ২৪লাইন:
বিয়ে করেছেন শান্তিতে সর্বকনিষ্ঠ নোবেলজয়ী ও নারীশিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। যুক্তরাজ্যের বাড়িতে অনাড়ম্বর আয়োজনের মধ্য দিয়ে জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেছেন এ পাকিস্তানি তরুণী। মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) টুইটারে নিজের বিয়ের কথা জানান মালালা। সেই টুইটে স্বামী ও মা-বাবার সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেছেন তিনি।

টুইটারে উচ্ছ্বসিত মালালা লিখেছেন, আজ আমার জীবনের মহামূল্যবান একটি দিন। আসার ও আমি সারাজীবনের জন্য গাঁটছড়া বেঁধেছি। আমরা বার্মিংহামের বাড়িতে বিয়ের ছোটখাটো আয়োজন করেছিলাম। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। সামনের পথটুকু একসঙ্গে চলতে অধীর হয়ে রয়েছি।

Today marks a precious day in my life. Asser and I tied the knot to be partners for life. We celebrated a small nikkah ceremony at home in Birmingham with our families. Please send us your prayers. We are excited to walk together for the journey ahead. : @malinfezehai pic.twitter.com/SNRgm3ufWP

অল্প বয়সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে আসা মালালা ইউসুফজাইয়ের নতুন জীবন শুরু হওয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু তার এই বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। মালালার বিয়ে নিয়ে বুধবার (১০ নভেম্বর) সকাল থেকে একের পর এক টুইট করছেন তিনি।

Quite shocked to learn Malala married a Pakistani guy. She is only 24. I thought she went to Oxford university for study, she would fall in love with a handsome progressive English man at Oxford and then think of marrying not before the age of 30. But..

এক টুইটে তসলিমা বলেছেন, মালালা পাকিস্তানি ছেলেকে বিয়ে করেছেন জেনে খুব অবাক হয়েছি। তার বয়স মাত্র ২৪। আমি ভেবেছিলাম তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে গেছেন, সেখানে কোনো সুদর্শন প্রগতিশীল ইংরেজ পুরুষের প্রেমে পড়বেন এবং ৩০ বছর বয়সের আগে বিয়ের কথা ভাববেন না। কিন্তু…

Some misogynist talibans are happy with Malala because she married a Muslim, a Pakistani and she married when she is very young.

আরেক টুইটে আলোচিত এ লেখিকার দাবি, কিছু ‘নারীবিদ্বেষী তালেবান’ মালালার বিয়েতে খুশি। কারণ তিনি ‘খুব অল্প বয়সে’ একজন পাকিস্তানি মুসলিমকে বিয়ে করেছেন।

নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার আগে বিয়ে করা উচিত নয় মন্তব্য করে এদিন আরও একটি টুইট করেছেন তসলিমা নাসরিন। যদিও সেই টুইটে মালালার নাম উল্লেখ ছিল না।

শরীয়তপুর গোসাইরহাট ইউপি নির্বাচনে,বোমা আতঙ্কে আট নং ওয়ার্ড বাঁসি

নিউজ২৪লাইন:
শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘটছে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা। বিশেষ করে ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণের মাঝে আতংক বিরাজ করছে
নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা হওয়ার সাথে সাথে নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় বহিরাগত লোকজনের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বহিরাগত লোকজন সাধারন ভোটারদেরকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। গত ১৩ অক্টোবর রাতে ৮ নং ওয়ার্ডের দপ্তরী বাড়ীর সামনে একদল স্হানীয় ও বহিরাগত যুবক সেখানে বোমা হামলা চালিয়ে আতংক সৃষ্টি করে বজলুর চৌধুরীর দোকানে হামলা করে তাহার টিভি,ফ্রিজ, ও মোবাইল ভাংচুর করে, বজলুর চৌধুরীর প্রায় ১১৫০০০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন। বজলুর চৌধুরী তার দোকানে হামলার বিষয়ে গোসাইরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যাহার নাম্বার -৭ উক্ত মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত রাখা হয়েছে। স্হানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছু অতিউৎসাহী লোকজন অশান্তি সৃষ্টি করার পায়তারা করতেছে।

নির্বাচনের আগে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাতে এবং কেন্দ্র দখল করতে কুচক্রী মহল বহিরাগত শত শত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আনার প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতিমধ্যে ভোট ডাকাতি ও কেন্দ্র দখলের জন্য পাশের জেলার লোকজন দিয়ে কেন্দ্র দখল কমিটি গঠন করা হয়েছে।

৭,৮,৯ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদ প্রার্থী সুমি আক্তার বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার মধ্যে ৮ নং ওয়ার্ডই ঝুকিপূর্ণ, এখানে বাহিরের লোকজনের আনাগোনা একটু বেশি।

নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী বেনজির ঢালী
বলেন, ভোটের দিন অনেক সন্ত্রাসীকেও সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণের কার্ড দিয়ে কেন্দ্র দখলসহ ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন। তিনি প্রশাসনের প্রতি ভোটারদের কেন্দ্রে আসার নিশ্চয়তা, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা, নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিসহ সংঘাতবিহীন একটি নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা দেওয়ার পর থেকে বহিরাগত লোকজন প্রকাশ্য দিবালোকে বোমা ও অস্ত্র নিয়ে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে হুমকি দিচ্ছে।

উল্লেখ আগামী ১১ নভেম্বর নাগেরপাড়া ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, ৮নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র হল ২৬ নং নাগেরপাড়া ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এই কেন্দ্রটি নাগের পাড়া বাজার লাগোয়া। এই বাজারে সবসময় বিভিন্ন এলাকার লোকজন আসা যাওয়া করেন।

গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন,যে যে কেন্দ্র গুলো ঝুকিপূর্ণ, সেখানে আমরা বাড়তি ফোর্স দিবো এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রাখবো।