জিতু মিয়া বেপারী কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় চরসেনসাস ইউনিয়ন বাশি

আমান আহমেদ সজীব // শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার আসন্ন চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিশিষ্ট সমাজসেবক, দানবীর, ধর্মপরায়ন,অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ব্যাক্তি,গরীব দুখী মানুষের আস্থাভাজন, বর্তমান সফল ইউপি চেয়ারম্যান সখিপুর থানা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি ও চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান , ২য় বারের মত পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

তিনি ঐ ইউনিয়নে ৫ বছর ধরে সুনামের সহিত ইউপি চেয়ারম্যান’র দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। তিনি এলাকায় রাস্তা, ঘাট, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যপক উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন এবং হতদরিদ্রদেরকে ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতাসহ সরকারের সকল ধরনের সহায়তা সঠিক ভাবে প্রদান করে জনগনের আস্থা যুগিয়েছেন। সুবিধা বঞ্চিত হয়নি গরীব দুখী মানুষরা।
তিনি বেশ সুনামের সহিত দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। চরসেনসাস ইউনিয়নের জনগন জানান
তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ নেই। তাই তাকে ভোট দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত করে যোগ্য পাত্রে অন্ন দান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন একাধিক ভোটাররা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য তাকে ভোট প্রদান করে বিজয় করার অঙ্গিকার করে জোট বেধেছে অধিকাংশ ভোটাররা। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় মসজিদ,মাদ্রাসা, রাস্তা,ঘাট,শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ব্যপক উন্নয়ন হবে।
এছাড়াও মাদক, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ মুক্ত হবে। গরীব দুখী মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল অক্ষুন্ন থাকবে। আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনকে ঘিরে তাকে নিয়ে পুনরায় ভাবতে শুরু করেছে ভোটাররা। তাকে ছাড়া অন্য কোন প্রার্থীকে ভাবতে পারছেনা ভোটাররা। চায়ের দোকান, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন তার গুনকীর্তন করছে জনগন। তাকে পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে ভোটাররা ইতিমধ্যে বিভিন্ন জল্পনা কল্পনা শুরু করেছে।

তিনি বর্তমানে এলাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে যাচ্ছে এবং এলাকায় প্রতিটি উন্নয়ন মুলক কাজে তার অবদান রয়েছে। এছারাও তিনি এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ,বাল্যবিবাহসহ সকল অপরাধমুলক বিষয়ে প্রতিবাদী ব্যাক্তি নামে সুপরিচিত হয়েছেন।

অসহায় মানুষরা তাকে ডাক দিলেই হাতের নাগালে পান। করোকালীন সময়ে তিনি গরীব দুখী মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে মানবতার ফেরীওয়ালা উপাধী পেয়েছেন। একাধিক ভোটাররা জানান তিনি সৎ, মার্জিত, শিক্ষিত, ভদ্র স্বভাবী,প্রতিবাদী হওয়ায় এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তার বিকল্প নেই।তিনি ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হলে সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

রাস্তা ঘাট. স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা সহ সকল প্রতিষ্ঠানের ব্যপক উন্নয়ন হবে এছাড়াও তিনি যোগ্যতার মাপকাঠীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রাপ্ত সকল পদেই সুনামের সহিদ দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। এক প্রবীন শিক্ষক জানান তিনি পুনরায় নির্বাচিত হলে কোন প্রভাবের কারনে অন্যায়কারীরা পার পাবেনা।
সমাজের অপরাধের হার পুরোপুরি কমে যাবে।

চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের সফল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনির জিতু মিয়া বেপারী জানান তিনি সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সকল ভোটারদের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে পুনরায় ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা করছেন। ভোটারদের মধ্যে তিনি পুনরায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন।
জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন। অবাধ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ন ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে পুনরায় শতভাগ বিজয় নিশ্চিৎ বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারী সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী শরীয়তপুর ০২ আসনের সংসদ সদস্য জনতেনা জনাব এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা ও দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক‌কে যাবজ্জীবন কারাদ‌ন্ড

নিউজ২৪লাইন:

পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী‌কে প্রাইভেট শে‌ষে বা‌ড়ি‌তে পৌঁ‌ছে দেওয়ার বাহানায় বাঁশ ঝা‌ড়ের আড়া‌লে নি‌য়ে ধর্ষণের অভিযোগে আ. সবুর (৩০) না‌মে এক প্রাইভেট শিক্ষক‌কে যাবজ্জীবন কারাদ‌ন্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থদ‌ন্ডের আদেশ দি‌য়ে‌ছে আদালত।

ঘটনার প্রায় আট বছর পর মঙ্গলবার (১৬ ন‌ভেম্বর) বিকা‌লে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল কু‌ড়িগ্রা‌মের বিচারক অম্লান কুসুম জিষ্ণু আসা‌মির উপ‌স্থি‌তি‌তে এ আদেশ দেন।
স্পেশাল পাব‌লিক প্রসি‌কিউটর (‌পি‌পি) আ. রাজ্জাক এ তথ‌্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।
সাজাপ্রাপ্ত আ.সবুর কু‌ড়িগ্রা‌মের উ‌লিপুর উপ‌জেলার উত্তর পান্ডুল গ্রা‌মের আ. নূ‌রের ছে‌লে। সাজা ঘোষণার সময় সে কাঠগড়ায় উপ‌স্থিত ছিল। রায় ঘোষণার পর তা‌কে কারাগা‌রে প্রেরণ করা হয়।

মামলার এজাহার সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, আসা‌মি আ. সবুর ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী‌কে বা‌ড়ি‌তে ডে‌কে নি‌য়ে প্রাই‌ভেট পড়া‌তো। ২০১৩ সা‌লের ১৯ মে রা‌তে আ. সবুর ওই ছাত্রী‌কে বে‌শি সময় ধরে প্রাই‌ভেট পড়া‌নোর পর রাত ৯ টার দি‌কে ওই ছাত্রী‌কে বা‌ড়ি‌তে পৌঁ‌ছে দেওয়ার কথা ব‌লে প‌থিম‌ধ্যে এক‌টি বাঁশ ঝা‌ড়ের আড়া‌লে নি‌য়ে ধর্ষণ ক‌রে। ঘটনা প্রকাশ কর‌লে ওই ছাত্রী‌কে প্রাণনা‌শের হুমকি দি‌য়ে বা‌ড়ি‌তে পৌঁ‌ছেও দেয় সবুর।

রা‌তে ওই ছাত্রী তার অভিভাবক‌কে কিছু না বল‌লেও প‌রের দিন সকা‌লে অসুস্থ‌্য হ‌য়ে প‌ড়ে সে। জিজ্ঞাসাবা‌দে ঘটনা প্রকাশ হ‌য়ে পড়‌লে ভুক্ত‌ভোগী ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হ‌য়ে সবুরকে আসা‌মি ক‌রে উ‌লিপুর থানায় মামলা দা‌য়ের ক‌রেন। আসা‌মির বিরু‌দ্ধে অ‌ভি‌যোগ প্রমাণিত হওয়ায় দীর্ঘ আট বছর পর মঙ্গলবার বিকা‌লে বিচারক আসা‌মি আ.সবুর‌কে যাবজ্জীবন কারাদ‌ন্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থদ‌ন্ডের আ‌দেশ দেন।

এই মামলায় রাষ্ট্র প‌ক্ষের আইনজীবী ছি‌লেন স্পেশাল পাব‌লিক প্রসি‌কিউটর (‌পি‌পি) আ. রাজ্জাক এবং আসা‌মি প‌ক্ষের আইনজীবী ছি‌লেন এ‌টিএম এনামুল হক চৌধুরী চাঁদ।

বিয়ের ৪ মাসের মাথায় পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন বধু

নিউজ২৪লাইন:
প্রায় চার মাস আগে বিয়ে হয় তাঁদের। ৭ নভেম্বর কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৃহবধূর একটি ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। নবজাতক নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হন দম্পতি। বাড়ি যাওয়ার পথে পৌরসভার আদমপুর এলাকার একটি ধানখেতে নবজাতকটি ফেলে চলে যান তাঁরা। সেই নবজাতক এখন পুলিশের হেফাজতে। ওই দম্পতি সব স্বীকার করলেও শিশুটি নিতে রাজি হচ্ছেন না।

ঘটনাটি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার। আজ মঙ্গলবার দম্পতিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বিকেল ৫টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ছামেদুল হক জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নবজাতক ও গ্রেপ্তার দম্পতির ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম বাদী হয়ে গত সোমবার রাতে কেন্দুয়া থানায় শিশু আইনে (শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার অপরাধ) মামলা করেন। মামলায় শিশুটির অভিভাবক বলে স্বীকার করা বাবা-মা, দাদি ও নানিকে আসামি করা হয়েছে। মামলার ১ ও ২ নম্বর আসামি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার দম্পতি প্রায় চার মাস আগে বিয়ে করেন। এ অবস্থায় ৭ নভেম্বর কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁদের একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। নবজাতককে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান তাঁরা। লোকলজ্জার ভয়ে পৌরসভার আদমপুর এলাকার একটি ধানখেতে নবজাতকটিকে ফেলে যান তাঁরা। কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয়রা শিশুটিকে দেখতে পায়। বর্তমানে শিশুটি কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। এরপর উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার দপ্তর শিশুটির অভিভাবক ও স্বজনদের খোঁজে এলাকায় মাইকিং করাসহ বিভিন্নভাবে প্রচার চালায়। এরই মধ্যে নবজাতকটিকে দত্তক নিতে অন্তত সাত দম্পতি উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন।

অবশেষে এক দম্পতির খোঁজ মেলে। গতকাল সোমবার তাঁদের থানায় ডেকে আনা হয়। আজ বিকেলে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে রোগী ভর্তি রেজিস্টারেও ওই দম্পতির নামের মিল পাওয়া গেছে। গতকাল তাঁদের সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হয়। নবজাতকটি নিজেদের বলে স্বীকারও করেন তাঁরা। কিন্তু তাকে নিতে অস্বীকার করেছেন। ওসির কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মইনউদ্দিন খন্দকার, কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইউনুস রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, নবজাতকটির প্রতি নিষ্ঠুরতা চালানোর অপরাধে মামলা হয়েছে। এরই মধ্যে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে পাঠানো হয়। মামলার অপর দুই আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তার দম্পতি শিশুটিকে নিজেদের বলে স্বীকার করলেও তাঁরা তাকে নিতে রাজি হচ্ছেন না। এরপরও অভিভাবক নির্ধারণে আরও নিশ্চিত হতে নবজাতকসহ ওই দম্পতির ডিএনএ পরীক্ষা করানো করা হবে।