মায়ের ভালোবাসা গোলাপের পাপড়ি স্নেহে ভরা

এস এম আবুল কালাম আজাদ
নিউজ ২৪লাইন:
মা শব্দটি অতি পরিচিত মা শব্দটি অতি মলিন মা শব্দটি আমাদের অস্তিত্ব একজন মা তার সন্তানকে দশ মাস দশ দিন মাত্র গর্ভে ধারণ করে হাজারো কষ্ট বেদনার মাঝে সুন্দর পৃথিবীর আলো দেখায় মা যার তুলনা শুধুই মা
মায়ের কাছে সন্তান কালো সাদা সুস্থ অসুস্থ সবই যেন তার কাছে সমান।

একজন মা তার সন্তানকে স্স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে লালন পালন করেন সন্তানের ভালোর জন্য নিজের জীবনের সমস্ত কিছু ত্যাগ স্বীকার করেন এরপরে হয়ে ওঠে একজন সন্তান
সন্তান যখন আস্তে আস্তে বড় হয়ে ওঠে মায়ের প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি পেতে থাকে সন্তান যখন সুস্থ সবল বালেক হয়ে ওঠে কর্মঠ মেধা বৃদ্ধি পায় মায়ের প্রতি ভালোবাসা আরো বৃদ্ধি পায়,
১/ ওই সন্তান যখন বিয়ের পিঁড়িতে বসে সুন্দর রমণী ঘরে ঢোকে সুন্দর রমণীর সাথে বাসর করার উদ্দেশ্যে দরজাটা আটকে দেয় সুন্দর রমণী ছোঁয়া পেয়ে / মায়ের ভালোবাসা লোভ পেতে থাকে / শাশুড়ি মায়ের ভালবাসা বৃদ্ধি পেতে থাকে গর্ভধারণী মায়ের ভালোবাসা লোপ পেতে থাকে / স্ত্রী গর্ভে যখন সন্তান আসে মায়ের ভালোবাসা আর একটু লোপ পেতে থাকে / শাশুড়ি মায়ের ফিসফিস শব্দ গুলো বেড়ে যায় / এরপরে ইস্ত্রি মা-বাবার প্রতি অনীহা তৈরি করে ফেলে।
/ সন্তান যখন সুন্দর পৃথিবীর আলো পায় স্ত্রী শাশুড়ির ফিসফিস শব্দ টা আরো বৃদ্ধি পায় /এবার নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে / মা-বাবার প্রতি দুর্ব্যবহার শুরু করে দেয় /বড়লোকদের বৃদ্ধাশ্রম গরিবদের রাস্তায় পড়ে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মা / হায়রে নিয়তি এই যদি হয় বাবা-মায়ের অবস্থা /যেই সময়ে বৃদ্ধ বাবা-মা নায় নাতকুর নিয়ে খেলাধুলা করবে সেই সময় সময় চোখের জলে বস্র ভিজে / সন্তান কি কখনো ভেবেছে আমি একদিন বৃদ্ধ হব আমারও হতে পারে এমন পরিনিতি।
বিদ্র : এই লেখাটা যদি কারো মনে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি অথবা লেখায় যদি ভুল ত্রুটি থাকে নিজ গুনে ক্ষমা করে দিবেন আল্লা হাফেজ।

কৃতীমান গবেষক, সাহিত্যসমালোচক, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক মোবাশ্বের আলী

নিউজ২৪লাইন:
কৃতীমান গবেষক, সাহিত্যসমালোচক, অনুবাদক এবং ভাষাসৈনিক মোবাশ্বের আলী
এম. কে. জাকারিয়া | একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কুমিল্লার কৃতী সন্তান অধ্যাপক মোবাশ্বের আলীর মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ৯ নভেম্বর।জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে।

পেশাগত সম্পৃক্ততা নির্বিশেষে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে যদি তাঁর অভ্যন্তরীণ সম্ভাবনা পরিমাপ করার জন্য নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি হিসেবে নেওয়া হয়, তবে সর্বোপরি অধ্যাপক মোবাশ্বের আলী এমন একজন হবেন যিনি নিজের যোগ্যতায় জনপ্রিয় ছিলেন।

সারা জীবন তিনি ভাষা ও সাহিত্যের ক্ষেত্র পাড়ি দিতেন। মূলত একজন শিক্ষাবিদ, পেশায় একজন শিক্ষক মোবাশ্বের আলী ঈর্ষণীয় স্বাতন্ত্র্যের সাথে ভাষা ও সাহিত্যের অনেক শাখায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন।

বহুমুখী সাহিত্যিক হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন বিশিষ্ট লেখক এবং আত্মদর্শী গবেষক ছিলেন।

প্রফেসর কবির চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, তার রচনাগুলো বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন মাত্রা যোগ করে সমাজ তথা জাতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে। মোবাশ্বের আলীর পৈতৃক বাড়ি কুমিল্লা শহরের বাগিচাগাঁওয়ে। তিনি ১ জানুয়ারি, ১৯৩১ সালে একটি সম্ভ্রান্ত, শিক্ষিত এবং উচ্চ আলোকিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আলীগড় মুসলিম কলেজের আইনে স্নাতক (পরে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়) মোবাশ্বের আলীর পিতা প্রয়াত নওয়াজেশ আলী ছিলেন প্রথম বি. এল. বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার।

তার দাদা প্রয়াত বজলুল হকও ছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার প্রথম স্নাতক। ব্রিটিশ শাসনামলে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছরে মোবাশ্বের আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

শিক্ষকতা পেশা বেছে নিয়ে যোগদান করেন তিনি নেত্রকোনা কলেজ, ময়মনসিংহে ১৯৫৩ সালে। ১৯৫৪ সালে তিনি যশোরের এম. এম. কলেজে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি ছিলেন চার বছর ।

এরপর তিনি যোগদান করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে । সেখানে তিনি ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন এবং পরে তিনি বি. এল. বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, খুলনায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে ট্রান্সফার হন এবং ১৯৮০ সালে চট্টগ্রামের এতিহ্যবাহী সরকারি কলেজ হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮৭ সালে অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন তিনি সেখানে।

বাংলা সাহিত্যে মোবাশ্বের আলীর ব্যক্তিগত অবদান ১৯৫৮ সালে শুরু হয় যখন রাশিয়ার নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বরিস পাস্তারনাকের ওপর তার আলোকিত প্রবন্ধটি একটি বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়- সমকাল প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক সিকান্দার আবু জাফর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও সম্পাদিত।

প্রফেসর মোবাশ্বের আলী বাংলার সমান্তরালে গ্রীক, ল্যাটিন ও ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মনসুর মুসা বলেন, অধ্যাপক মোবাশ্বের আলী বাংলা গবেষণাকে সমৃদ্ধ করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং জাতির জন্য অবদান তাঁর মৃত্যুর পরেও স্মরণ করা হবে।

তিনি চলচ্চিত্র পুরস্কার জুরি বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। প্রফেসর মোবাশ্বের আলী অনেক পুরস্কারের গর্বিত প্রাপক ছিলেন।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭৪), একুশে পদক (১৯৯২), মধুসূদন একাডেমি পুরস্কার (১৯৯৩), বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ পুরস্কার (১৯৯৩), মানবসম্পদ উন্নয়নে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য র্যা পোর্ট পুরস্কারসহ (২০০৪) অনেক পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। মৃত্যুর পর তাঁর অবদানের জন্য তিনি ভারত থেকে এমটিসি গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিলেন। আমরা আশা করবো প্রফেসর মোবাশ্বের আলীকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হোক। কুমিল্লায় তার নামে একটি সড়কের অন্তত নামকরণ করা হোক এবং তার যে কবরস্থান মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আছে সেটিকে স্থায়ী করা হোক।

লেখক

নির্বাহী পরিচালক (বিপণন) পিপলস ইনস্যুরেন্স কোম্প

কান্নায় ভেঙে পড়লেন মেয়র জাহাঙ্গীর

নিউজ২৪লাইন: গাজীপুর- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তির দায়ে গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের এমন সিদ্ধান্তের পর চুপ থাকলেও শনিবার সকলের সামনে আসেন মেয়র জাহাঙ্গীর।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাসার নিচ তলায় নামেন মেয়র জাহাঙ্গীর। তখন উপস্থিত সাধারণ জনগণ ও নেতা-কর্মীদের কান্না দেখে মেয়রও কান্না করেন। তার কান্না দেখে উপস্থিত লোকজন উচ্চস্বরে কান্না শুরু করেন।

উল্লেখ্য, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ উঠেছিল গত সেপ্টেম্বরে। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের নিয়ে জাহাঙ্গীর অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

প্রায় দুই মাস ধরে জাহাঙ্গীরের শাস্তির দাবিতে ক্ষমতাসীন দলের একাংশের বিক্ষোভের মধ্যে শুক্রবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তাকে আওয়ামী লীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি হারাতে হচ্ছে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদও।

ছয়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে ৫নং ওয়ার্ডর মেম্বার প্রার্থী জাহাঙ্গীর মোল্লা ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন

: ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে সামনে ৫ নংওয়ার্ড মেম্বার প্রাথী মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা ভোটার দের সাথে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন এসময় ৫নংওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা
জনসেবার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে সু-পরিচিতি লাভ করেছেন এবং একজন উদীয়মান, দানবীর, ধর্মপরায়ন,অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ব্যাক্তি,গরীব দুখী মানুষের আস্থাভাজন
সমাজ সেবক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন, সাধারণ মানুষের সেবায় । সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করে যাচ্ছে সাধারণ মানুষদের । মহামারী করােনায় ছিলেন সাধারণ মানুষের পাশে । করােনার এই মহা দুর্যোগেও তিনি শুরু থেকে তার সাধ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে থেকে
খোজ খবর নিতেন, এবং বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযােগিতা করে গেছেন । তিনি নিজেকে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করে দিতে চান।

স্থানীয়রা বলেন জাহাঙ্গীর ভাই মেধাবী ও সুশিক্ষিত আমাদের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন । রাত – দিন যখনই ডাকি আমরা তাকে পাশে পাই । :জাহাঙ্গীর মোল্লার এর আগে ও ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে গিয়েছিলেন তাই আমরা চিন্তা ভাবোনা করে দেখেছি শিক্ষিত মানুষ ছারা সমাজের উন্নয়ন করা সম্ভব না তাই আমরা ৫ নং ওয়ার্ড বাশি এবার জাহাঙ্গীর মোল্লা কে ভোট দেবো ইনশাআল্লাহ

একাধিক ভোটাররা জানান তিনি সৎ, মার্জিত, শিক্ষিত, ভদ্র স্বভাবী,প্রতিবাদী হওয়ায় এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তার বিকল্প নেই।