কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের দ্রুত উন্নয়নের দাবীতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ, ডিজেলের দাম স্বাভাবিক রাখতে এবং কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের দ্রুত উন্নয়নের দাবীতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখা কতৃক আয়োজিত প্রতিবাদ সভা শুরু হয় সংগঠনের সদস্য করিম উল্লাহর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এবং উক্ত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি সমাজকর্মী শামসুল আলম কেলু।

 

সভায় ভারচুয়ালি প্রধান অতিথি হিসবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীন জননেতা সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য পংকজ ভট্টাচার্য।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জেলা শাখার সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় শুরুতে প্রধান অতিথি জননেতা পংকজ ভট্টাচার্য বলেন,

দেশের এই দুঃসময়ে তরুণরা পারে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে।

দ্রব্যমূল্য, ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে তিনি সরকারকে ভর্তুকি দেয়ার আহ্বান জানান।

এবং সামপ্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখতে সকল সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দেন।

কক্সবাজারের প্রধান সড়কের উন্নয়নের কাজের ধীরগতির ব্যাপক সমালোচনা করেন।

তিনি কক্সবাজার জেলা শাখার আগামী সকল কর্মকান্ডে নিজের একাত্মতা ঘোষনা করেন।

এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি বিশিষ্ট ব্যাংকার জাহেদ উল্লাহ, সহসভাপতি শওকত আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কাজি তামজিদ পাশা, শ্রমিক নেতা এম ইউ   বাহাদুর, মামুনুর রশীদ, রাশেদুল ইসলাম, ইসহাক হোসাইন প্রমুখ।

 

সভায় সাধারণ সম্পাদক বলেন প্রতিবছর স্কুলে পুনঃভর্তি প্রথা বন্ধ করতে হবে এবং বাসে ছাত্রছাত্রীদের জন্য হাফ পাস চালু করতে হবে।

সভাপতি সমাপনী বক্তব্যে বলেন অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে এবং কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের উন্নয়নের কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে।

অন্যথায় প্রধান সড়কের দ্রুত উন্নয়নের জন্য আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উখিয়া কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক, মোহাম্মদ করিম উল্লাহ, সাঙ্গঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল কাসেম।

উক্ত প্রতিবাদ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সদস্য মিজান সিকদার, শফিকুল ইসলাম, জাবেদ উল্লাহ মিয়া, শাকিল আজিজ, জ জ রাখাইন,করিম উল্লাহ সহ অনেকে।

খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দিতেও পারেন: হানিফ

নিউজ২৪লাইন:

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ক্ষমা নিয়ে খালেদা জিয়া বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। আজ আজ শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বিশ্ব সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও হলি আর্টিজান- মুম্বাই হামলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। হানিফ বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি রাজনীতি ও স্টান্টবাজি করছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে একজন দণ্ডিত আসামি বিএনপি তা ভুলে গেছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দেশের বাইরে যেতে পারেন না। তবে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চাইলে তিনি ক্ষমা করে দিতেও পারেন। কিন্তু সেটি না করে বিএনপি নিজেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি ও স্টান্টবাজি করছে। খালেদা জিয়ার সুস্থতার চেয়ে তাদের কাছে রাজনীতি বড়। সে জন্য খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা বিএনপিই।

হানিফ বলেন, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী সত্য। কিন্তু বিএনপি ভুলে গেছে খালেদা জিয়া একজন দণ্ডিত আসামি। তার পরও জননেত্রী শেখ হাসিনা মহানুভবতা দেখিয়ে তাকে বাড়িতে অবস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এর আগে জেলে থাকার সময় ব্যক্তিগত সহকারীকে (একজন নারী) রাখার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। হানিফ বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়েই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল। আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়েই মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। মহান স্বাধীনতার ওপর আঘাত মুক্তিযুদ্ধের পরেই আনা হয়। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়েই এর চূড়ান্ত রূপ পায়। পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় আসে, সেই অপশক্তিকেই তারা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সাহস দিয়েছিল।জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে পাকিস্তানের দোসরদের গাড়িতে তারা বাংলাদেশের পতাকা তুলে দিয়েছিল।

বিঝারি ইউনিয়নে উন্নয়নের রুপকার চেয়ারম্যান অাব্দুর রাজ্জাক

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারি ইউনিয়নের উন্নয়নের কারিগর একাধারে তিন বারের সফল চেয়ারম্যান অাব্দুর রাজ্জাক ৷ তিনি বিঝারি ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পূনরায় ইউনিয়ন বাসীর দোয়া প্রার্থী হয়েছেন ৷

অাসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিঝারি ইউনিয়নের ব্যাপক উন্নয়নের কারিগর চেয়ারম্যান অাব্দুর রাজ্জাক আগামী নির্বাচনেও একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তার অবদানের কথা বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন-আমি অাব্দুর রাজ্জাক বিঝারি ইউনিয়নে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে সততার সাথে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি ৷ অামি বিগত নির্বাচনে একাধারে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি ৷ অামি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই অত্র ইউনিয়নের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। জনগণ আসন্ন ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটের ব্যালটের মাধ্যমে এ উন্নয়ন কর্মকান্ডকে অারেক ধাপ এগিয়ে নিতে অামাকে পূনরায় নির্বাচিত করবে বলে অামি অাশা রাখি ৷

আমার অভিভাবক মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ভাই’র সহযোগিতা এবং তাঁরই অনুপ্রেরণায় বিঝারি ইউনিয়নের রাস্তা,ঘাট, বিভিন্ন পাকা সড়ক, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি । আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে মানুষের পাশে থেকে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ভাই এবং আমার নিজ তহবিল থেকে অসহায় জনসাধারণের জন্য অনেক সাহায্য সহযোগিতা করেছি। করোনাকালীন সময়ে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে সর্বদা অসহায় জনগণের পাশে দাড়িয়েছি। আমি আগামী পাঁচ বছর এই ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে প্রার্থী হয়েছি। অামি পুনরায় নির্বাচিত হইলে বিঝারি ইউনিয়নে উন্নয়নের ধারাকে বজায় রেখে অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করব ৷ এই ইউনিয়নে কোন দুর্নীতিবাজকে দূর্নীতি করতে দিবো না, কোনো রকমের অসামাজিক কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিবো না,মানুষ নির্ভয়ে নির্দ্বিধায় বসবাস করতে পারবে, মাদক সন্ত্রাস দুর করবো ৷ আমি আশাবাদী আগামী নির্বাচনে আমাকে জনগণ বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবে ৷ অামি পুনরায় নির্বাচিত হইলে এই বিঝারি ইউনিয়নের বাকি কাজ গুলা সম্পূর্ণ করে এই ইউনিয়নকে একটি অাধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে উপহার দিব, ইনশাআল্লাহ ৷

রংপুরে ছিনতাই হওয়া ১৭৯ বস্তা চিনি শ্রমিক লীগ নেতার গুদাম থেকে উদ্ধার

নিউজ২৪লাইন:, রংপুর- রংপুরের মিঠাপুকুরে শ্রমিকলীগ নেতা মমিনুল ইসলামের গুদাম ঘর থেকে ১৭৯ বস্তা চিনি উদ্ধার করেছে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ। এ ঘটনার পর গা ঢাকা দিয়েছেন ঐ শ্রমিকলীগ নেতা।

এদিকে বুধবার রাতে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন মিঠাপুকুর বাজার (গোসাইহাট) হতে ১১ লাখ টাকা মূল্যের চিনি আত্মসাত এ নাটকের অবসান ঘটিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে চিনি বহনকারী ট্রাক চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে।

মিঠাপুকুর থানা পুলিশ ও চিনির মালিক সূত্রে জানা যায়, ২০ নভেম্বর নরসিংদী থেকে ৩২০ বস্তা চিনি চন্দ্রপুরী ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ট্রাক নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট-২০-০৪৪৭ যোগে ঠাঁকুরগায়ের জাকারিয়া ট্রেডার্সে ট্রাকযোগে পাঠানো হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে চিনি গন্তব্যে না পৌছালে জাকারিয়া ট্রেডার্সের মালিক হোসাইন জাকারিয়া ট্রাক চালক নাজমুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন।

তখন চালক তাকে জানান, টাঙ্গাইলে ট্রাক বিকল হয়ে পড়েছে। মেরামত করে রওনা দেবো। এজন্য তিনি জাকারিয়ার নিকট বিকাশের মাধ্যমে ৭ হাজার টাকা নেন। টাকা দেওয়ার পরেও পাঠানো চিনি না পৌঁছায় আবারো যোগাযোগ করা হলে চালকের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

যুক্তরাষ্ট্রেও গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বাংলাদেশকেh

নিউজ২৪লাইন:
যুক্তরাষ্ট্রেও গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বাংলাদেশকে। তবে এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণাধীন কার্গো স্টেশন পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। এর আগে সকাল ৯ টায় বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেট সফরে আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উপস্থিত সাংবাদিকদের, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশের আমন্ত্রণ না পাওয়া প্রসঙ্গে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “এইগুলা নিয়ে আপনারা এতো চিন্তায় কেন ? সম্মেলন তো শত শত হয় দুনিয়াজুড়ে। নতুন বাইডেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন…বেচারা খুব কষ্ট করে হোয়াইট হাউসে এসেছেন। যা ঝামেলা হয়েছিল, আপনারা জানেন না ? এখনও ক্যাপিটালে (কেইস নিয়ে) ঝামেলা যাচ্ছে। এরকম একটা পরিপক্ব গণতান্ত্রিক দেশ আমেরিকা, সেখানেই ঝামেলা হয়েছে। আমরা সেদিক থেকে ভালো আছি। আর গণতন্ত্র অন্য কেউ শেখাবে না, আপনার দেশের লোকই শেখাবে।” তিনি বলছেন, ‘কে দাওয়াত দিল না দিল এগুলো সেকেন্ড বিষয়।’ এছাড়া তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও সুশাসনের কথা বলে বিভিন্ন দেশকে চাপে রাখতে চাওয়াই আমেরিকার রাজনীতি। আগামী গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশ ডাক পাবে কি না তা জানতে সাংবাদিকরা চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে কখনো গনতন্ত্রের কথা বলে, কখনো সুশাসনের কথা বলে, কখনো সন্ত্রাসবাদের কথা বলে চাপে রাখতে চায়, সেটাই তাদের রাজনীতি। তাই গণতন্ত্র সম্মেলনে ডাক পাওয়া বা না পাওয়া নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
তিনি বলেন, এসব নিয়ে চিন্তা না করে নিজেরা কিভাবে ভালো করা যায়, সেটা নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। যদি আমাদের দুর্বলতা থাকে, সেটা দূর করার চেষ্টা করবো এছাড়া, ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীতে নির্বাচনে একটি লোকও যাতে মারা না যায় সে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়া মন্ত্রী বলেন, “আমরা গত অনেক বছরে খুব স্থিতিশীল গণতন্ত্র…সব দেশেই আপনার কিছু ব্যত্যয় আছে, উইকনেস (দুর্বলতা) আছে। এ দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে আমরা দিনে দিনে যাতে আরও ভালো করতে পারি, আমরাই ঠিক করবো। অন্যের ফরমায়েশে আপনার ভালো হয় না। এইগুলো শুধু মুখে বললেই হবে না। এইজন্যে মনমানসিকতা দরকার, আমাদের দেশে সহনশীলতা আরও বাড়াতে হবে। এটার একটু অভাব পরিলক্ষিত হয়। বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনে, এমনকি তাঁর শত্রু যিনি, উনার অপজিশন (বিপক্ষ) নেতা উনার সাথে ছিলেন। একবার দিল্লি­ থেকে, আপনারা উনার (বঙ্গবন্ধু) বই যদি পড়েন, একবার দিল্লি থেকে ফিরছেন, উনার অপজিশনের লোকের টিকেট ছিল না। উনি (বঙ্গবন্ধু) উনারটা দিয়ে দিয়েছিলেন যে ওঁর হয়তো জরুরি দরকার আছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের সহনশীলতা বাড়াতে হবে। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই বলে থাকেন যে, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে হবে। আমরা সবাই এই দেশেরই লোক। সম্প্রতি মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই উপদেশই দিয়েছেন। সহিষ্ণুতা বাড়াতে হবে। আমরা আমাদের গণতন্ত্র ঠিক করবো। আগামীতে আমাদের দেশে যখন নির্বাচন হয়, যাতে একটি লোকও মারা না যায়। সেটার জন্য আমরা প্রচেষ্টা চালাবো। আমাদের কোথাও যদি ব্যত্যয় হয়, আমরা নিশ্চয়ই সেটা ইমপ্রুভ (উন্নতি) করার চেষ্টা করবো। সেগুলো নিয়েই বরং চিন্তা করেন।’ সিলেট-১ আসনের সাংসদ বলেন, “এ দেশে একসময় গণতন্ত্র ছিল না, এ দেশের লোকই গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে। আগামীতে এই গণতন্ত্রকে আরও পরিপক্বতা অর্জনের জন্য আমরাই চেষ্টা করবো, অন্য কেউ করতে পারবে না। আর আমেরিকায় দেখলেনই তো গণতন্ত্রের নমুনা। সুতরাং আর কাদেরকে দাওয়াত দিয়েছে সেগুলো আর দেখছি না। আর ওটা তাদের দায়দায়িত্ব; কাকে দাওয়াত দেবে না দেবে সেটা তাদের দায়দায়িত্ব।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন।সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, ওসমানী বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ, সিসিক কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ, জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি প্রমুখ।