মৃত বঙ্গবন্ধু জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে শক্তিশালী: প্রধান বিচারপতি

নিউজ২৪লাইন:

মৃত বঙ্গবন্ধু জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে শক্তিশালী বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। বিচারপতিরা বঙ্গবন্ধুকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার আসনে রেখে তার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার (১ জানুয়ারি) ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বাসভবন ঘুরে দেখেন প্রধান বিচারপতি। এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ননী, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধান বিচারপতি বলেন, আমার মনে হয় ৭৫ এর ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে বটে, তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন মানুষের মধ্যে এবং বাংলার আনাচে কানাচে আমরা বঙ্গবন্ধুকে অনুভব করি। মৃত বঙ্গবন্ধু এখন জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে ১৫ আগস্টে আমরা সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠান করেছি। প্রত্যেকটা বিচারপতি উনাকে (বঙ্গবন্ধু) শ্রদ্ধা নিবেদন করে কথা বলেছেন। এখান থেকে আমার মনে হয় জীবিত বঙ্গবন্ধুর থেকে মৃত বঙ্গবন্ধু অনেক অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধু মরেননি, আমাদের মনে জীবিত আছেন। এর আগে ৩০ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

 

 

অবহেলিত রাজনগর ইউনিয়ন’কে একটি উন্নত ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবেন আবু আলেম মাদবর।

 নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার রাজনগর ইউনিয়ন’কে নড়িয়া উপজেলার মধ্যে একটি উন্নত আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদে আনারস মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক গরীবের বন্ধু, আবু আলেম মাদবর।

রাজনগর ইউনিয়ন এর স্থানীয় একাধিক সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আনারস প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আলেম মাদবর একজন যোগ্য সৎ ও সমাজ সেবক নীতিবান ব্যক্তি। তিনি মহামারী, করোনা কালীন ও বন্যা,দূর্যোগের সময় অসংখ্য গরীব অসহায় মানুষের দারে দারে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে সাহায্য সহযোগিতা করেছে। এই অবহেলিত রাজনগর ইউনিয়নকে একটি উন্নত আধুনিক ইউনিয়ন করতে হলে একমাত্র আবু আলেম মাদবর ভাইকেই প্রয়োজন, তার বিকল্প কেহই নয়।

ইতিমধ্যে আনারস মার্কা প্রতীক নিয়ে আবু আলেম মাদবর, রাজনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে-গ্রামে, হাট-বাজার, সাধারণ মানুষের ঘরে গিয়ে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে আনারস প্রতীকে ভোট চাইছেন।
একই সাথে ছুটে বেড়াচ্ছেন, এক গ্রাম থেকে আর এক গ্রাম। এরই মধ্যে আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি এলাকায় নির্বাচনী আলোচনার ঝড় তুলেছেন।

একই সাথে রাজনগর ইউনিয়ন এর অসহায়, গরীব মানুষের পাশে থেকে সাহায্য সহায়তা প্রদান সহ মসজিদ, মাদ্রাসায় ও এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নের কর্মকান্ডে অবদান রেখেই যাচ্ছেন। এসব কারণেই সমাজ সেবক গরিবের বন্ধু, আবু আলেম মাদবরকে ইউনিয়নের একজন সৎ, নেয় নিষ্ঠাবান যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে রাজনগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ জনগন তাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসেন।

অবহেলিত ইউনিয়নের জনগণের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে তিনি রাজনগরের উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে বিজয়ের লক্ষ্যে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।

আবু আলেম মাদবর বলেন, আমি যদি জনগণের ভোটে বিজয়ী হতে পারি। তাহলে রাজনগর ইউনিয়নের, সমস্ত কাঁচা রাস্তাগুলি পাকা করে দিব। মানুষ যাতে চলাচল করতে পারে, সেই চিন্তা মাথায় রেখেই সর্ব প্রথম আমার কাজ হবে কাঁচা রাস্তা পাকা করা। জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে আমি বেঁচে থাকতে আমার ইউনিয়নের, একটি লোক অনাহারে একবেলা না খেয়ে থাকবে না ইনশাল্লাহ। জনগণের পাশে ছিলাম আছি ভবিষ্যতেও থাকবো। প্রশাসন আমাদের কে বলছে সুষ্ঠু ও সুন্দর নিরপক্ষ নির্বাচন হবে, যদি হয় তাহলে এই ইউনিয়নের আমজনতা আমাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে।

 

দেশের সকল উন্নয়নই শেখ হাসিনাকে ঘিরে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম

নিউজ২৪লাইন:
আমান আহম্মেদ সজিব /ভেদরগঞ্জ সংবাদদাতা :
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের সকল মানুষের স্বপ্নই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে। কারণ, তিনি স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখান, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেন। বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রনায়ক শেখ হাসিনা। তাকে ঘিরে সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ।

তিনি আগামী প্রজন্মকে নিয়ে ভাবেন বলেই, মহাপরিকল্পনা ডেল্টা প্লান ২১০০ প্রণয়ন করেছেন এবং বাস্তবায়নে কাজ করে চলছেন। একারণে শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয় বিশ্বনেতৃবৃন্দও মনে করেন- বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ।
শুক্রবার দিনব্যাপী উপমন্ত্রীর রত্নগর্ভা মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত বেগম আশ্রাফুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শরীয়তপুরের সখিপুরের দক্ষিণ তারাবুনিয়া, উত্তর তারাবুনিয়া, চরসেনসাস ও আরশিনগর ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান, হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলেন।

তারা ক্ষমতায় থাকতে দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছেন। তাদের দুঃশাসনের কথা মানুষ ভোলে নাই। এদেশের যা কিছু অর্জন তা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্যা, ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আল নাসীফ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এমএ কাইয়ুম পাইক, সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাসির আহমাদ সরদার, আলী আকবর পাইক, চরসেনসাস ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বালা, দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মাল, উত্তর তারাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস মোল্যা, আরশিনগর ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আলম সরদার, সখিপুর থানা যুবলীগের আহবায়ক খালেক খালাসী, যুগ্ম আহবায়ক রাসেল আহম্মেদ পলাশ, ছাত্রলীগের সভাপতি সোমেল সরদার ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান তুষার প্রমুখ।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, কোনোভাবেই এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করা যাবে না। কোনো মানুষকে হয়রানি করা যাবে না। কোন মানুষকে নাগরিক সেবার জন্য হয়রানি করা যাবে না। সরকারের উন্নয়ন জনগণের দ্বোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত-সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে। এসময় তিনি দক্ষিণ তারাবুনিয়ার মাল বাজারে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীণ ৮১ মিটার জয়বাংলা সেতুর কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।