উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ৪৩তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২১ শুভ উদ্বোধন

কক্সবাজারের উখিয়ায় বহুমুখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান প্রযুক্তি সমাহার ডিসপ্লে পরিদর্শন ও ৪৩ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ -২০২১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসাইন সিরাজী, উপজেলা শিক্ষা একাডেমির সুপারভাইজার বদরুল আলম, উপ কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আল মামুন, কুতুপালং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রুপন দেওয়ানজী’র সঞ্চালনায় ও আরো থাকছেন অপরাপর উপজেলা কর্মকর্তা সহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

 

“স্মার্টফোনে আসক্তি পড়াশোনার ক্ষতি” তাঁরোই অংশ বিশেষ উখিয়া বহুমূখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ৫ ও ৬ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিঃ দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন রকমারি সমাহারের ডিসপ্লে পরিদর্শন করার মধ্যে দিয়ে  ৪৩ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ -২০২১ পালিত হচ্ছে।

 

বিজ্ঞান প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন উপকরণ সমাহরের ডিসপ্লে প্রতিযোগীতা মূলক অংশ নিয়েছেন উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি  উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে থেকে

পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয়, কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়, উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বালুখালী কাশেমিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ,পালংখালী  সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মরিচ্যাপালং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ভালুকিয়া পালং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম নুরজাহান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, উখিয়া বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়, উখিয়া ডিগ্রি কলেজ, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মহিলা কলেজ, ফারির বিল মিনহাজুল কোরআন আলিম মদ্রাসা, নুরুল ইসলাম চৌধুরী গুলজার বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ও সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।

 

বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয় নিয়ে বিভিন্ন  আলোচনার বক্তব্যের আগে, বিজ্ঞান প্রযুক্তি সপ্তাহ অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করে, শেষে বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান প্রযুক্তির ডিসপ্লে সমাহারের পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দরা।

উখিয়ার বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের কম্বল বিতরণ

উখিয়া রাজাপালং ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের এতিমখানা ও হেফজখানার ছাত্রদের মাঝে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিজাম উদ্দিন আহমেদ এর সহযোগিতায়, বিতরণ করেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী’র পক্ষথেকে বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মৌলভী জাফর আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কন্ট্রাক্টর মুফিজ উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগনেতা মহিউদ্দিন জয় প্রমুখ।

যে সব জায়গায় বিতরণ করা হয়েছে-

টাইপালং দাখিল মাদ্রাসা হেফজ খানা, পশ্চিম দরগাহবিল তাহফিজুল কোরআন মডেল হেফজ খানা, জামতলী হেফজ খানা, পূর্ব দরগাহবিল হাতিমুরা হেফজ খানা, ফলিয়া পাড়া কেন্দ্রীয় হেফজ খানা ও মোহাম্মদ আলী ভিটা হেফজ খানায় এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

শরীয়তপুরে নির্বাচন কেন্দ্রে সাংবাদিক দের উপর হামলাও মটরসাইকেল পুড়ানোর অভিযোগ উঠেছে

নিউজ২৪লাইন: বেকিং নিউজ””

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নে সাংবাদিক দের উপর হামলা ও মটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে , কয়েকজন প্রথম শ্রেণীর গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের টার্গেট করে গুলি, বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে।
চিত্র: ৫ নং দুলুখন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ভোট কেন্দ্র, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন, নড়িয়া।

রুগীকে পছন্দ হলেই যৌন লালশায় মেতে উঠতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক ফিরোজা

, নিউজ২৪লাইন:

গাজীপুর: শহরের বহুল পরিচিত মাদক নিরাময় কেন্দ্রটি যেন ‘সর্ষের ভেতরেই ভুত’ প্রবাদটির সাথে তাল মিলিয়ে চালাচ্ছিলো চমকপ্রদ সব ঘটনা।

 

মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনের কেন্দ্রে চলতো শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন। কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কাছে থেকে হাতিয়ে নেয়া হত অতিরিক্ত টাকা। কোনো রোগী তাদের অভিভাবকদের কাছে নির্যাতনের অভিযোগ করলে তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যেত। মাদকাসক্তসদের চিকিৎসা করানোর বদলে তাদের ‘শান্ত’ রাখতে দেয়া হত মাদকের সাপ্লাই!

 

এমনকি, মাদকসেবীদের মাদকের অভ্যাস নিরাময়ের জন্য তৈরি কেন্দ্রটির মহিলা পরিচালক যৌন নির্যাতন চালাতেন কেন্দ্রে থাকা তার পছন্দের তরুন ও যুবকদের উপরে! ভেতরের এমন গোপন খবর প্রকাশ হবার পর এই কেন্দ্রটির চর্চা এখন সবার মুখে মুখে। এমন প্রশ্নবিদ্ধ ও অনৈতিক কার্যক্রম প্রকাশ্যে আসার পর ‘টক অব দ্যা টাউনে’ পরিণত হয়েছে বিষয়টি।

 

সম্প্রতি একজন তরুণ অভিনেতা মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে তার পরিবার কথিত নিরাময় কেন্দ্র ‘ভাওয়াল মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রে’ ​ভর্তি করান তরুনকে।

 

 

এরপর কৌশলে ফিরোজা নাজনীন বাঁধন তার শরীর ম্যাসাজ করে দিতে বাধ্য করেন তরুনকে। একপর্যায়ে তরুণের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চেষ্টা করেন। তরুণের বক্তব্য মতে এসব বিষয়ে সে রাজি না হলে প্রথমে মাদক (ইয়াবা সেবনের) লোভ দেখান। এতেও কাজ না হলে বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে কেন্দ্রের কর্মচারীদের দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করেন তরুণের উপর।
এর কদিন পর স্বজনেরা তার সাথে দেখা করতে এলে ঘটনার শিকার ঐ তরুন তার পরিবারকে সব খুলে বলেন। এরপর স্বজনরা বিষয়টি র‍্যাবকে জানায়।

 

এসব তথ্যের উপর গুরুত্ব দিয়ে গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গাজীপুর জেলা শহরের ভুরুলিয়া এলাকায় ‘ভাওয়াল মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র’ নামের ঐ প্রতিষ্ঠানে র‍্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় ওই পুনর্বাসন কেন্দ্রের মালিক ফিরোজা নাজনীন বাধনসহ পাঁচজনকে আটক করেছে র‍্যাব-২  ।

 

ওই কেন্দ্র থেকে ৪২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও বন্দি অবস্থায় ২৮ জনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই নিরাময় কেন্দ্রের মালিক ফিরোজা নাজনীন বাঁধনসহ প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কর্মচারীকে আটক করে র‍্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ টিম। একইসাথে কেন্দ্রটি সিলগালা করে দেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

 

উদ্ধারের পর একাধিক যুবক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, এখানো চিকিৎসার নামে বিত্তশালী পরিবারের সন্তানদের মাদক সেবনের সুযোগ দেওয়া হতো। নিরাপদে মাদক পাওয়ায় তারা নিরাময় কেন্দ্র ছেড়ে যেতে চাইতো না। মালিক বাধন প্রায়ই রাতে নিরাময় কেন্দ্রে থাকতেন।

 

কোনো যুবককে পছন্দ হলে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে শরীরসহ স্পর্শকাতর স্থান ম্যাসেজ বা কখনো যৌন সম্পর্কে বাধ্য করাতেন। রাজি না হলে মাদকের লোভ দেখিয়ে তা সেবনও করাতেন এবং নিজেও সেবন করতেন। অনেক মাদকাসক্ত যুবক এসব লোভনীয় ফাঁদে সহজেই সাড়া দিতেন। অন্যদিকে যারা অস্বীকৃতি জানাতেন তাদের উপরে চলতো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

উদ্ধারের পর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘটনার শিকার এক যুবক জানিয়েছেন তাকে সহ অনেককে পরিস্কার করতো নোংরা বাথরুম এমনকি নোংরা টয়লেট পর্যন্ত পরিস্কারে বাধ্য করা হত তাদের।

 

 

নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেয়া বাধন নামের ওই কথিত নারী ২০০৯ সাল থেকে ওই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রটি পরিচালনা করে আসছেন। অনুমোদন ছাড়াই শুরু করলেও পরে অনুমোদন নেয়া হয়। এরপর কোনো প্রকার নিয়ম-কানুন না মেনে কেন্দ্রটি পরিচালনা করতে থাকেন।

 

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, মাদকাসক্ত নয় এমন সুস্থ ব্যক্তিদেরও জোর করে এখানে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সময় মারধরও করা হয়েছে। শরীরে জখমের দাগ পাওয়া গেছে এমন সাত জনকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। যেসব সেবাগ্রহীতা এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলতে চেয়েছে তাদেরকে সন্ত্রাসী দিয়ে পেটানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অভিযান সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন র‍্যাব-২ এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ওই নিরাময় কেন্দ্রে ভোর থেকে অভিযান চালানো হয়। নিরাময় কেন্দ্রের আড়ালে এটি মূল একটি বন্দি ও নির্যাতনশালা। ২০ জনের অনুমোদন থাকলেও ভর্তি রাখা হতো অনেক বেশি মাদকাসক্তদের। বেড ছাড়াই ৪-৫টি কক্ষের মেঝেতে রাখা হতো গাদাগাদি করে। ঠিক মত দেওয়া হতো না খাবার। করানো হতো রান্নাবান্না-ধোয়ামোছার কাজ।

 

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসার নামে চালানো হতো শারীরিক-মানসিক ও যৌন নির্যাতন। নির্যাতনের জন্য আলাদা কক্ষ পাওয়া গেছে। সেখানে নির্যাতন সামগ্রীও পাওয়া গেছে। ভর্তি রোগীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা থাকলেও করা হতো না। কোনো ডাক্তারও নেই সেখানে। কয়েকজন মাদকসেবীকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা হতো।

খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রতিষ্ঠানের মালিকও মাদকাসক্ত। অভিযানের সময় নিরাময় কেন্দ্রে ৪২০ পিচ ইয়াবা পাওয়া গেছে। অথচ এখানে মাদক থাকার কথা নয়। কেন্দ্রে আসার পর একজন মাদকাসক্তকে ২৮ দিনের বেশি রাখার নিয়ম নেই। অথচ কেউ কেউ এক থকে তিন বছর ধরে এখানে আছে। নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে এটি চলে আসছিল।

 

অভিযানের পর উদ্ধারকৃতদের স্বজন বা অন্য নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হবে। তাদের মধ্যে সাতজন নির্যাতন অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই নিরাময় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা হত। জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে হাতে রেখে নিরাময়ের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে নির্যাতনে এই কেন্দ্রে একজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিলো বলে জানা যায় ।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী অভিভাবক বলেন, তার স্কুল পড়ুয়া একমাত্র ছেলেকে সাত মাস আগে এই কেন্দ্রে ভর্তি করেন। এ পর্যন্ত দেড় লাখ টাকা দিতে হয়েছে। কিন্তু ছেলের চিকিৎসার কোনো উন্নতি হয়নি। ছেলের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হতোনা পরিবারের কাউকে।

 

গাজীপুরে দুই ডজন মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র চলছে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে!

 

গাজীপুরে সরকারের নিবন্ধন নিয়ে প্রায় দুই ডজন মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলো  চলছে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে।
এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় প্রতিটির বিরুদ্ধে চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানি না থাকাসহ নিবন্ধনের বেশিরভাগ শর্ত পূরণ না করার অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের চিত্র সময়ের কণ্ঠস্বরের পাঠকদের জন্য।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এই জেলায় নিবন্ধিত ২২টি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক ও পরিচালকরা কেউই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সনদের সব শর্ত মানছেন না। শয্যার তুলনায় অতিরিক্ত রোগী ভর্তি করা হচ্ছে; সার্বক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্স নেই। তারপরও তারা মাদকাসক্তি নিরাময়ের চিকিৎসা দেওয়ার নামে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের ভর্তি করে যাচ্ছেন।

 

এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা বা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রায় সবাই এক সময় মাদকাসক্ত ছিলেন। কেই কেউ মাদক মামলার আসামিও ছিলেন।

 

চলতি অভিযানে গাজীপুর মহানগরের আটক হওয়া নির্বাহী পরিচালক ফিরোজা নাজনীন বাঁধনের প্রতিষ্ঠান ‘ভাওয়াল মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রের’ আরেক পরিচালক আরিফ মাহবুব রোমান নিজেও ছিলেন মাদকাসক্ত । ২০০৩ সালে নারয়ণগঞ্জের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন তিনি । সম্প্রতি একটি অনলাইন দৈনিককে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি দাবী করে বলেছিলেন, “আমি নিজেও এক সময় (২০০৩ সালে) মাদকাসক্ত ছিলাম। পরে নারয়ণগঞ্জের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসি। আমার জীবনের এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা দিতে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি।”

 

 

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা অনুযায়ী প্রতিটি নিরাময় কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক ডাক্তার, মনোবিজ্ঞানি, নার্স, ওয়ার্ডবয়, সুইপার থাকতে হয়। রোগীদের সরবরাহকৃত খাবারের তালিকা, রোগীদের মানসিক বিনোদনের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের সুবিধা, প্রয়োজনীয় শৌচাগার, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধপত্র, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাব, রোগীদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য ক্লাশরুম ইত্যাদি থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ মানা হচ্ছে না এসব আইনের বিধিমালা ।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারিভাবে বিভাগীয় পর্যায়ে একটি করে মানসিক চিকিৎসালয় বা পুনর্বাসন কেন্দ্র রয়েছে। তবে জেলা পর্যায়ে এই ধরনের সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। এই কারণে দেশে বেসরকাভিাবে মাদকাসক্তি নিরাময় বা পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে উঠছে। তবে জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালগুলোর সঙ্গে মাদকসক্তদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য একটি উইং খোলা হলে এসব রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেত এবং তাদের নানা হয়রানি কমত।

 

 

সুত্র:  সময়ের কণ্ঠস্বর

 

আবার বিধি নিষেধ আরোপ করেছে সৌদি আরব

মাহফুজ আহমেদ :  সৌদি আরব থেকে :

নিউজ২৪লাইন:
করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ঠেকাতে মক্কা ও মদিনায় আবারও সামাজিক দূরত্বের বিধান আরোপ করেছে সৌদি আরব। এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, এই পবিত্র দুই নগরীতে নামাজ পরতে আসা এবং উমরাহ্ পালনকারী সবার জন্য এসব বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে।
একই সঙ্গে সব দর্শনার্থীর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সৌদি সরকার ঘরের ভেতরে এবং বাইরে সব জায়গায় মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করেছে।
এর সঙ্গে মিলিয়ে মক্কা ও মদিনাতেও একই বিধান চালু করা হয়েছে। সৌদি আরবে গত মাসে করোনা শনাক্তের হার এক লাফে অনেক বেড়ে গেছে।
গত বুধবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৭৪৪টি নতুন কেস শনাক্ত করেছে। গত বছরের আগস্টের পর এই সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ।
গত রোববার সরকার এক নতুন ঘোষণায় জানিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দোকানপাট, শপিং সেন্টার এবং রেস্তোরাঁয় যেতে চাইলে সব সৌদি নাগরিক কিংবা সে দেশে বসবাসকারী ও দর্শনার্থীকে করোনার বুস্টার ডোজের প্রমাণ দেখাতে হবে।
পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৯ কোটি ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৩। এর মধ্যে মারা গেছে ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫৮৯ জন।
অপরদিকে, সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫২। এর মধ্যে মারা গেছে ৮ হাজার ৮৮১ জন। তবে ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছে ৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৫৪ জন।
১০ জানুয়ারি থেকে টিকা নেননি এমন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। এর পাশাপাশি টিকার দুই ডোজ গ্রহণ করা নাগরিকদের ভ্রমণের আগে বুস্টার ডোজ নিতে হবে।