কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শরীফুল, সম্পাদক সাজ্জাদ

নিউজ২৪লাইন:

ঢাকা, ৮ জানুয়ারি, ২০২১ (বাসস) : দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার মো. শরীফুল ইসলামকে সভাপতি ও বাসস’র সিনিয়র রিপোর্টার মো. সাজ্জাদ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি) এর নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে শুক্রবার অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার সিদ্ধান্তক্রমে আজ সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন সহ-সভাপতি সাঈদ আহমেদ খান (ইনকিলাব), ফারুক খান (বাংলাদেশ কণ্ঠ), যুগ্ম সম্পাদক এম. মোশাররফ হোসাইন (দেশ সংবাদ), সাইফুল ইসলাম (জিটিভি), অর্থ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম (এসবিসি৭১.কম), সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম (জাগো নিউজ), দফতর সম্পাদক তাহমিনা আক্তার (দৈনিক কালবেলা), তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক মনির মিল্লাত (একাত্তর টিভি), শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু নাছের (এস এ টিভি), প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম (দ্য রিপোর্ট), প্রকাশনা সম্পাদক ইমরান মাহফুজ (ডেইলি স্টার), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোলাইমান সালমান (ডেইলি সান), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হালিম মোহাম্মদ (সংবাদ সারাবেলা), আন্তর্জাতিক সম্পাদক কমল চৌধুরী (সাউথ এশিয়ান টাইমস) ও ইভেন্ট-আপ্যায়ন সম্পাদক জহির আলম সিকদার (আমাদের কণ্ঠ)।
এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন শিমুল মাহমুদ (বাংলাদেশ প্রতিদিন), মো. আবু তাহের (দৈনিক প্রভাত), মো. দিদারুল আলম দিদার (বাসস), সা. মো. মসিহ্ রানা (বাংলাদেশ প্রতিদিন), মাইনুল আহসান (এটিএন বাংলা), নাসরিন সুলতানা (সংবাদ সারাবেলা), মো. আবদুল অদুদ (দৈনিক ইনকিলাব), কামরুজ্জামান বাবলু (নিউ নেশন), মুশফিকুর রহমান (মোহনা টিভি), খান আল আমিন (আরটিভি), খন্দকার আলমগীর হোসেন (আমাদের নতুন সময়), সায়ীদ আবদুল মালিক (দেশ সংবাদ), শাহরিয়ার আরিফ (চ্যানেল২৪), নার্গিস জুঁই (বিটিভি), মাহমুদুল হাসান নাজিম (ডিবিসি টিভি), ফখরুল ইসলাম (নিউজ টোয়েন্টিফোর), মোশাররফ হোসেন ভূইয়া (বাংলাদেশ কণ্ঠ), শফিকুল ইসলাম সাদ্দাম (দৈনিক দিন প্রতিদিন), শাহ নেওয়াজ বাবলু (দৈনিক মানবজমিন), জহিরুল ইসলাম (কালের কণ্ঠ), বাশার খান (এটিএন বাংলা), সাইফুল ইসলাম (মানবকণ্ঠ), শাহাদাত হোসেন রাকিব (ঢাকা পোস্ট), সেরাজুম মুনিরা (জিটিভি), একে সালমান (দৈনিক যুগান্তর) ও নিজাম উদ্দিন দরবেশ (টাচ নিউজ)।

সারা বিশ্বে করোনায় কেড়ে নিয়েছে প্রায় ২০০০ গনমাধ্যম কর্মীর প্রাণ

নিউজ২৪লাইন:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

করোনাভাইরাসে ২০২০ সালের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ৯৪টি দেশে প্রায় দুই হাজার সাংবাদিক মারা গেছেন। এর মধ্যে ২০২১ সালে মারা গেছেন অন্তত এক হাজার ৪০০ জন। এ হিসাবে মাসে গড়ে ১১৬ জন ও দিনে প্রায় চারজন করে সাংবাদিক মারা গেছেন। বাংলাদেশে এ দুই বছরে করোনায় সাংবাদিক মারা গেছেন ৬৮ জন। সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক মারা গেছেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। জেনেভাভিত্তিক সংগঠন প্রেস এমব্লেম ক্যাম্পেইন (পিইসি) শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) এসব তথ্য জানিয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিইসি ২০২০ সালের ১ মার্চ থেকে করোনায় সাংবাদিকদের মৃত্যুর বিষয়টি হিসাবে রাখছে। তাদের হিসাবে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এক হাজার ৯৪০ জন সাংবাদিকের প্রাণ গেছে করোনায়। এর মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকায়ই রয়েছে প্রায় অর্ধেক তথা ৯৫৫ জন। মারা যাওয়া সাংবাদিকদের তালিকায় এশিয়ায় ৫৫৬, ইউরোপে ২৬৩, আফ্রিকায় ৯৮ এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে ৬৮ জন রয়েছেন। পিইসি সংশ্লিষ্ট দেশের গণমাধ্যম, সাংবাদিকদের জাতীয় সমিতি ও পিইসির আঞ্চলিক প্রতিনিধিদের তথ্যের ভিত্তিতে এ তালিকা করেছে।
পিইসি বলছে, মৃতদের এই তালিকার বাইরে আরও ৫০ জন রয়েছে। যাঁরা ঠিক করোনায় মারা গেছেন কিনা তা এখনো যাচাই বাছাই চলছে।
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দের বিশ্বাস, করোনায় মারা যাওয়া সাংবাদিকদের সংখ্যা অবশ্যই আরও বেশি হবে। কারণ সাংবাদিকদের মৃত্যুর কারণ কখনো কখনো নির্দিষ্ট করা হয় না বা তাদের মৃত্যুর বিষয় ঘোষণা (বৃহৎ পরিসরে) দেওয়া হয় না। কিছু কিছু দেশে, কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। পিইসির ভারতীয় প্রতিনিধি নাভা ঠাকুরিয়ার মতে, দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলোয় করোনা মহামারিতে ৪০০ জনেরও বেশি গণমাধ্যম কর্মী প্রাণ হারিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু তাদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তির করোনাজনিত মৃত্যুর বিষয়টি এখনো প্রমাণিত হয়নি।

টিকা আসার পর কমেছে প্রাণহানির সংখ্যা!

পিইসির মহাসচিব ব্লেইস লেম্পেন বলেছেন, ২০২১ সালের প্রথমার্ধে যে হারে করোনায় সাংবাদিকদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তা টিকা আসার পর বছরের দ্বিতীয়ার্ধে কমেছে। পিইসি বলছে, ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধে করোনায় ২২৫ জন সাংবাদিকের মৃত্যুর তথ্য তারা নথিভুক্ত করে। এর মধ্যে ডিসেম্বরে ২৫ জন, নভেম্বরে ২৮, অক্টোবরে ২৭, সেপ্টেম্বরে ৩৩, আগস্টে ৪২ ও জুলাইয়ে ৭০ জন মারা যান। অথচ ২০২১ সালের প্রথমার্ধে এক হাজার ১৭৫ জন সাংবাদিক কোভিড-১৯ এ মারা যান।
পিইসি আশা করছে গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধের মতো করোনায় সাংবাদিকদের মৃত্যুর নিম্নমুখী হার চলতি বছরেও অব্যাহত থাকবে। যদিও তারা করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের বিষয়ে উদ্বিগ্ন। সংগঠনটি সব গণমাধ্যমকর্মীকে করোনার বুস্টার টিকা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ব্রাজিল, ভারত ও পেরুতে!!

২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করোনায় সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক মারা গেছেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। সেখানে ২৯৫ জন গণমাধ্যমকর্মী মারা যান। ভারতে এ সংখ্যা কমপক্ষে ২৭৯ জন। এ ছাড়া পেরুতে ১৯৯, মেক্সিকোতে ১২২, কলম্বিয়ায় ৭৯ ও বাংলাদেশে ৬৮ জন সাংবাদিক মারা যান।
পিইসি জানিয়েছে এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ৬৬, ইতালিতে ৬১, ভেনেজুয়েলায় ৫৯, ইকুয়েডরে ৫১, আর্জেন্টিনায় ৪৭, ইন্দোনেশিয়ায় ৪২, রাশিয়ায় ৪২, ইরানে ৩৪, যুক্তরাজ্যে ৩৩, তুরস্কে ২৯, ডোমিনিকান রিপাবলিকে ২৯, পাকিস্তানে ২৭, নেপালে ২৩, মিশরে ২২, বলিভিয়ায় ২০, হন্ডুরাসে ১৯, দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯, স্পেনে ১৯ ও ইউক্রেনে ১৯ জন সাংবাদিক করোনায় মারা যান।
করোনায় পানামায় ১৭, পোল্যান্ডে ১৪, ফ্রান্সে ১১, গুয়াতেমালায় ১১, নাইজেরিয়ায় ১১, আফগানিস্তানে ১০, নিকারাগুয়ায় ১০, জিম্বাবুয়ে ১০, আলজেরিয়ায় ৯, কিউবা ৯, প্যারাগুয়ে ৮, ফিলিপাইনে ৭, উরুগুয়ে ৭, কাজাখস্তান ৫, রোমান ৫, কেনিয়ায় ৫, মরক্কোয় ৪, ক্যামেরুনে ৪ ও ইরাকে ৪ জন মারা যান। করোনাভাইরাসে আলবেনিয়া, আজারবাইজান, কোস্টারিকা, পর্তুগাল, সালভাদর ও সুইডেনে অন্তত ৩ জন করে সাংবাদিক মারা গেছেন।
পিইসি করোনায় দুজন করে সাংবাদিক মারা যাওয়ার তথ্য পেয়েছে অস্ট্রিয়া, বেলারুশ, বেলজিয়াম, বেনিন, বুলগেরিয়া, কানাডা, চিলি, জার্মানি, ঘানা, গ্রিস, গায়ানা, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড ও উগান্ডায়।
আরও ৩০ দেশে অন্তত একজন করে সাংবাদিক করোনায় মারা গেছে বলে পিইসি নিশ্চিত হতে পেরেছে। দেশগুলো হলো, অ্যাঙ্গোলা, বার্বাডোজ, বসনিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ইসরায়েল, জ্যামাইকা, জাপান, জর্ডান, কিরগিজস্তান, কসোভো, লেবানন, লিথুনিয়া, মালয়েশিয়া, মালাউই, মালি, মালদোভা, মোজাম্বিক, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, ফিলিস্তিন, সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তাজিকিস্তান, তিউনিসিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।

শরীয়তপুরে খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পৌরসভা যুবদলের পক্ষ থেকে মিলাদ ও দোয়া

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায়, পৌরসভা যুবদলের আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে শরীয়তপুর সদর পৌরসভা যুবদল সাধারণ সম্পাদক, নুরুজ্জামান বেপারীর আয়োজনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করেছে পৌরসভা যুবদল।

শুক্রবার বাদ মাগরিব পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে যুবদলের সাধারণ-সম্পাদক, নুরুজ্জামান বেপারীর নিজ বাড়ি বেপারী ভিলায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি, মন্নান মাদবর। জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ খান, জেলা যুবদল সাধারণ-সম্পাদক। আতিক রহমান মোল্লা, জেলা যুবদল জয়েন্ট সেক্রেটারি। এম. এস জাকির, জেলা ছাত্রদল সাধারণ-সম্পাদক সহ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

পরে দোয়া মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে ও তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা, ও বিএনপি নির্যাতিত-নিপিড়ীত নেতাকর্মীদের সুস্থতা কামনা করা হয়।

নড়িয়া উপজেলায় ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট কাস্ট

নিউজ২৪লাইন:

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে বলে জানানো হয়েছে। এতে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) নড়িয়া উপজেলায় ১৪ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট গণনার পর কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে শতভাগ ভোট কাস্টিং হয়েছে। ওই কেন্দ্রের দুই হাজার ২২৬ ভোটারের সবাই ভোট দিয়েছেন। এরমধ্যে এক হাজার ৫৫৪টি বৈধ বাকি ৬৭২টি ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়।

তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই ওয়ার্ডের প্রায় তিন শতাধিক লোক প্রবাসে থাকেন। এছাড়াও প্রায় শতাধিক ভোটার মারা গেছেন। তাদের ভোট দিলো কে?

এই কেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণের দাবিতে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসাইন খান। আনারস প্রতীকের এই প্রার্থীর দাবি, ‘৩ নম্বর ওয়ার্ডে কীভাবে শতভাগ ভোট কাস্ট হয়? এই ওয়ার্ডের অনেক ভোটার মৃত। অনেকেই প্রবাসে ও ঢাকায় আছেন। এই কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি এই কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’

ইতালির ভেনিসে থাকা শাকিল হাওলাদার নামে এক প্রবাসী তার ফেসবুকে লেখেন, ‘আমি ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমিসহ অনেকে প্রবাসে রয়েছেন। আমার কাকাসহ অনেকেই মারা গেছেন। তাহলে শতভাগ ভোট পড়েছে কীভাবে। আমিসহ অন্য প্রবাসী ও মৃতদের ভোট কে দিলো?’

আরেক পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল ইসলাম শান্তু চৌধুরীর দাবি, ‘প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ঘুষ খেয়ে এ কাজ করেছেন। আমার ঘোড়া মার্কার ভোট চশমা আর আনারসের বান্ডিলের ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে আমাকে ফেল করানো হয়েছে। এ ছাড়াও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আমার ঘোড়া মার্কার ভোট ডাবল সিল মেরে নষ্ট করে দিয়েছে। আমি মামলা করবো।’

ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রমজান আলী বাংলা ট্রিবিউনের কাছে দাবি করেন, ‘ভুলে বাতিল ও কাস্টিং ছাড়া ভোট একসঙ্গে করে ফেলেছিলাম। প্রথমে আমি এটা বুঝিনি, পরে ঠিক করে দিয়েছি।’

নড়িয়া উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আতিয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটা প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ভুল। পরে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। রেজাল্টে কোনও পরিবর্তন হয়নি।’

ওই ইউনিয়নে চশমা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আজিজ সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন

সুত্র:বাংলা ট্রিবিউন