গোসাইরহাটে বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় পিচ ঢালাই, এলাকাবাসীর ফেসবুকে পোস্ট

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুর প্রতিনিধি :
শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় সোমবার বৃষ্টির মধ্যেই সড়কে পিচ ঢালা হয়েছে৷ এতে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷
সোমবার ৩০/৫/২০২২বেলা ১০ টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সজীব দে নামক আইডি বৃষ্টির ভিতর কাজ চলছে তার ছবি দিয়ে একটি পোস্ট করা হয় যা মুহূর্তের ভিতর ভাইরাল হয়ে যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, গোসাইরহাট উপজেলার সামন্তসার ইউনিয়নের লাবনকাঠি এলাকায় গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায়, শ্রমিকেরা বৃষ্টির ভিতর সড়কে পাথরের কণা ও বিটুমিনের গরম মিশ্রণ ফেলছেন৷ পড়েই সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়া উড়ছে। সড়কে পড়ে গরম পিচের মিশ্রণটি জমাট বাঁধার আগেই বৃষ্টির পানিতে ঠান্ডা হয়ে জমে যাচ্ছে।
এ সময় কাজের দেখভালের জন্য সরকারি কোন লোকজন ছিলোনা, সরকারি লোক অনেক পরে এসেছে। তিনি এসে দেখেন ঠিকাদারের লোকজন কাজ করতেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজান ও মো. ফারুক বলেন, সড়কে দুই ইঞ্চি পুরু পিচ ঢালার কথা৷ কিন্তু ঢালা হচ্ছে এক ইঞ্চির মতো৷ আবার পিচ ঢালার আগে গর্তও ভরাট করা হচ্ছে না৷ বৃষ্টির মধ্যেই পিচ ঢালা হচ্ছে৷ ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই সড়ক আগের অবস্থায় ফিরে আসবে৷ বৃষ্টির ভিতর পিচ ঢালার অনেক পরে রোলার আইছে। অল্প অল্প পিচ ঢেলে রাস্তার দুই পাশের এজেন্ট রোলার দিয়ে মাটির নীচে দাবিয়ে দিছে,যাতে বেশী বুঝা যায়। রাস্তায় যখন খোয়া ফেলেছিলো তখনো দুই নাম্বার ইট ব্যবহার করা হয়েছিলো।
একজন প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বৃষ্টির পানির মধ্যে সংস্কার করা এ সড়ক টিকবে না। কারণ, পিচের প্রধান শত্রু পানি।
গোসাইরহাট উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলের উপজেলা প্রকৌশলী দশরথ কুমার দাশ বলেন , ‘বর্ষার বৃষ্টির সময় সড়কের কাজ করা নিষিদ্ধ। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটা কেন করছে বা করল, তা খতিয়ে দেখছি।শুনেছি বৃষ্টি নামার আগেই কিছু কার্পেটং রেডি করা হয়েছিলো তা ই ঢালছে। আর কাজ করতে দেই নি।

উপসহকারী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন বলেন,গোসাইরহাট উপজেলার সামন্তসার ইউনিয়নের ৯ওয়ার্ডের হাসান সরদারের বাড়ি থেকে লাবনকাঠি মাদ্রাসা পর্যন্ত১২৫০ মিটার সড়কের ওপর দুই ইঞ্চি পুরু পিচ ঢালাইয়ের কাজের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম/এস তালুকদার এন্টারপ্রাইজ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫৫৫৯৫৭টাকা। তবে নিষেধ করা সত্বেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বৃষ্টির মধ্যে মধ্যেই কাজ করেছে।পরে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এম/এস তালুকদার এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী মিরাজ তালুকদার বলেন, কাজটি যদিও আমার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কিন্তু কাজটা করতেছেন গোসাইরহাটের আবেদ বেপারী তার সাথে যোগাযোগ করুন।

শরীয়তপুরে আওয়ামীলীগের দু গ্রম্নপে সংঘর্ষ, দুইপুলিশসহ আহত ৩০ জন

নিউজ২৪লাইন:

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুর :

শরীয়তপুরের সদর উপজেলার আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর করার জের ধরে আজ মঙ্গলবার সকালে আওয়ামীলীগের দু গ্রম্নপের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দু জন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন মারাত্নক আহত হয়েছে। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপতাল, বিভিন্ন ক্লিনিকে এর মধ্যে টেটা বৃদ্ধসহ তিন জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় শত শত বোমার বিস্ফোরন,অর্ধ শতাধিক বাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিনোদপুর ইউয়িন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আহত সরোয়ার হোসেন খান,পালং থানা ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা এমদাদ মাদবর গয়াতলা বাজার থেকে বাড়ী ফেরার পথে বিনোদপুর ঢালী কান্দি এলাকায় তার উপর হামলা করে। এতে সে মারাত্নক আহত হয়। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভতি করে। তার জের ধরে আজ মঙ্গলবার সকালে শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের গয়াতলা ঢালীকান্দি ও কাচারিকান্দি এলাকায় সাবেক মেম্বার ও বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য এমদাদ মাদবরের সমর্থকরা রাম দা, ছেন দা, টেটা, বলস্নম ও হাত বোমা নিয়ে বিনোদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডেও বর্তমান মেম্বার ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য কোব্বাছ মাদবরের সমর্থকদের বাড়ী ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর হামলা করে। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে কোব্বাছ মাদবরের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে বোমা ও দেশীয় অস্ত্রে আঘাতে চিকন্দি পুলিশ ফাড়ির এস আই সমেন নাথ বিশ্বাস (৪২), এ এস আই বিশ্বজিৎ (৩৪), স্থানীয় আবু আলেম বয়াতী(৪৫), সরোয়ার খান (৪০), মাহবুব মাদবর (২০), ইলিয়াস মাদবর (২২) স্বপন মাদবর (৩০), নুর নেছা (৪৫), মোস্ত্মাক বেপারী (৪০), মকফর বেপারী (৪৫), মিজানুর রহমান (৩০), জলিল বেপারী (৫৫) দিদার চৌকিদার (৩৪), লিটন মন্সি(৪০), সফি বেপারী (৪৫), করিম মোলস্না (৫০), ওলিউর রহমান(৫৫), হুমায়ুন মোলস্না (৪০), রবিন মিয়া (২০), সায়েদ বেপারী (৪৫), দেলোয়ার বাছার (৫০), আব্দুল হাকিম সহ অন্ত্মত ৩০ জন মারাত্নক আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে টেটা বৃদ্ধ স্বপন, দিদার চৌকিদার সহ ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ সময় সরোয়ার খানের ১০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হায়দার সরদার, ইউনুছ সরদার, হেদায়েদ সরদার, আব্দুর রশিদ বেপারী, নুর নেছা বেগমের, মোস্ত্মাক বেপারী, মকফর বেপারী, জলিল বেপারী, নুর জামান মৃধা, বাবু শেখ, লিটন হাওলাদার, আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সেকেন্দার হোসেন হাওলাদার, মহিউদ্দিন আকন, শাহ সেকেন্দার আকন, আব্দুর রহিম মাদবর, হালান মাদবর, হাতেম ঢালীর দোকান, লাল মিয়া বেপারীর দোকান ও কোব্বাস মাদবরের ঘর সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক বাড়ী ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছে।

এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি তাজা হাত বোমা উদ্ধার করেছে।

আহত বিনোদপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার লিটন মুন্সি বলেন, গতকাল রাতে সাবেক মেম্বার এমদাদ মাদবরকে কোব্বাছ মাদবরের সমর্থকরা হামলা করে মারাত্নক আহত করে। আজ সকালে তার সমর্থকরা এর প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষের সৃস্টি হয়।

দোকান দার আব্দুল হাকিম মাদবর বলেন আজ সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের দোকান পাটে কোব্বাস মাদবরের নির্দেশে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এবং আমাদের অনেককে কুপিয়ে, বোমা মেওে মারাত্নক আহত করেছে।
আহত টিপু মাদবর বলেন, পুলিশ সঠিক দায়িত্ব পালন করলে আমাদের গ্রামে এত বেশী ক্ষতি হতো না। পুলিশ তেমন দায়িত্ব পালন করেনি। এটা দুঃখ জনক।

আহত ওলিউর রহমান খান বলেন, এমদাদ মাদবরকে বা কারা কাল মারধর করেছে। এর জের ধরে তার সমর্থকরা আজ সকালে আমাদের বাড়ী ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্টানে হামলা করেছে। এটা খুবই অন্যায়।

বিনোদপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াডের মেম্বার কোব্বাস মাদবর বলেন, আমি কোন মারামারি সাথে জড়িত না। তবে তারা আমার বাড়ী ঘরে হামরা করেছে। আমি তা প্রতিহত করেছি।
চিকন্দি ফাড়ির ইনচার্জ সমেন নাথ বিশ্বাস বলেন মারামারি থামাতে গিয়ে আমি সহ দুজন আহত হয়েছি।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, সাবেক মেম্বার এমদাদ মাদবর কে মারধরের ঘটনা কে কেন্দ্র করে বর্তমান মেম্বার ও সাবেক মেম্বারের সমর্থক দেও মধ্যে আজ মঙ্বগলবার সকাল থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ হচ্ছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করছে। পরিত্যক্ত অবস্থায় আমরা দুটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছি। এখন ও কোন মামলা হয়নি।

দেশের সকল ছেলের বাবার প্রতি আকুল আবেদন এব সতর্ক বার্তা শরীয়তপুর -১ এম পি ইকবাল হোসেন অপু’র

 

নিউজ২৪লাইন:

মাহফুজ আহমেদ :

ভেদরগঞ্জ সাবেক পৌর মেয়র আঃ মান্নান এর একমাত্র ছেলে হাজী মেহেদী হাসান এর জানাযায় উপস্থিত ছিলেন । মেহেদী হাসান সিকাদার কলেজ থেকে এল,এল, বি পাশ করে আমেরিকা পাড়ি জমান ডঃ ডিগ্রী অর্জন করার জন্য ,করোনা কালিন ভার্সিটি বন্ধ হওয়ায় এবং সল্প মূল্য আসা যাওয়া টিকেট তিনি পান
মনে মনে স্থির করেন দেশ থেকে ঘুরে যাবেন তার পিতা আঃ মান্নান নিষেধ করে আসার জন্য তিনি বলেছিলেন সামনে কোরবানি তে আসার জন্য কিন্তু মেহেদী তার কথা রাখেন নাই চলে আসেন দেশে ,আগামী মাসের ৬ তারিখে তার আমেরিকা যাওয়ার কথা । গত শনি বার রাত নয়টার সময় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়ে চলে গেলেন পরপারে ।দুই দিন তার লাশ রাখার অনুরুধ করেছিলেন তার ছোট বোন অষ্ট্রিলিয়া প্রবাসী আজ সকালে ঢাকা আসে পরে হেলিকাপ্টার দিয়ে দেশের বাড়িতে আসেন বড় ভাই কে দেখার জন্য ।
আজ সোম বার বাদ আসর মরহুমের জানাজা অনুষ্টিত হয় এম এ রেজা ডিগ্রী কলেজ মাঠে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অঙ্গ সংঘটনের নেতা ও নেত্রীবৃন্দ গন ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর -১ এম,পি ইকবাল হোসেন অপু উপস্থিত সহ দেশের সকল ছেলের বাবা ও মায়ের প্রতি আকুল আবেদন এবং সতর্ক বার্তা দেন ।
তিনি বলেন সন্তানের চাহিদা পুরন করতে যেন সন্তান হারা না হতে হয় ,দেশে বর্তমান একটি ফ্যাশন হয়ে ধারিয়ে ছে মটর সাইকেল যা শতকরা ৮৫%যুবকেরা ব্যবহার করেন ।উঠতি বয়সের সব ছেলেদের নিষিদ্ধ করার হউক মটর সাইকেল হাতে দেয়া।
ছেলের বাহানা মটর সাইলেক ক্রয় করবেন বাবা, মা আদর করে হাতে তুলে দেন, মটরসাইকেল কখনও অবিভাবক রা একটুও চিন্তা করে না আমার ছেলের হাতে মৃত্যুর চাবি হাতে দিলাম না সুখের চাবি । ছেলে বেপরোয়া ভাবে মটর সাইকেল চালায় বাবা মা হাত তালি দিয়ে বাহা বাহ দেয় । কোন বাবা, মা যেন কোন ছেলেকে মটর সাইকেল না উপহার দেন ,কোন অভিবাবক যদি ছেলেকে মটর সাইকেল ক্রয় করে দেন তাহলে তার ছেলেকে সঠিক ভাবে সঠিক নিয়ম প্রশিক্ষন দিয়ে মটর সাইকেল হাতে তোলে দেবার অনুরুধ করছেন । তিনি আরও বলেন ছেলে মেয়ের বাবা মা অভিবাবক যারা আছেন
তারা সারাদিন নয় এক ঘন্টা আধা ঘন্টা তার সন্তান এর জন্য ব্যয় করেন ,সন্তানকে ধার্মীক ও নৈতিক শিক্ষা দেয়ার জন্য অনুরুধ করলেন পরিশেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কমনা করেন এবং সবাই যেন মরহুমের জন্য দোয়া করেন ।

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বদলি জনিত বিদায় (ইউএনও) তানভীর আল-নাসীফ

নিউজ২৪লাইন:

আমান আহম্মেদ সজিব // শরীয়তপুর প্রতিনিধি.
“যেতে নাহি দিব হায়, তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায়” কবি গুরুর বিষাদময় এই উক্তির কথায় মনে করিয়ে দেয় ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আল-নাসীফ। দীর্ঘ ২ বছর ৭ মাস ৭ দিন সততা ও নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন শেষে পদোন্নতি বদলি জনিত কারণে (৩০ মে) সোমবার ভেদরগঞ্জ উপজেলা থেকে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বিদায় নিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানভীর আল-নাসীফ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) বলেন, এ উপজেলার মানুষ খুবই আন্তরিক, আর এখানকার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও ভালো। সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালনের সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। নিজেকে কখনও উপজেলার সর্বময় অফিসার হিসেবে নয় বরং জনগণের দাড়্গোঁড়ায় সরকারের সেবা ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদানের মূল দায়িত্ব পালনকারী হিসেবেই বিবেচনা করেছি। কতটুকু পেরেছি আমি জানিনা আমার কর্মের মাঝে। কর্মকালে আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা, আন্তরিকতা ও ভালবাসা ভবিষ্যতের চলার পাথেয় হয়ে থাকবে। কার্য সম্পাদনে অফুরন্ত সহযোগিতা প্রদান করায় মাননীয় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি মহোদয় কে মাননীয় সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক এমপি মহোদয় সহ সকল স্তরের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, জাতির সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়াবিদ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ, শ্রমিক নেতৃবৃন্দসহ সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাকা ঘর পেলো অসহায় রোকেয়া বেগম উদ্ধোধনে জেলা প্রশাসক

নিউজ২৪নাইন:

আমান আহম্মেদ সজিব // ভেদরগঞ্জ ( শরীয়তপুর) প্রতিনিধি.
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়র্গাও ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নাজিম পুর গ্রামে সেই তিন অসহায় প্রতিবন্ধী পরিবারটি পেলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপহারের পাকা ঘর।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মডেল এই ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্পের পাকা ঘর প্রদান। সমাজে অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সহযাত্রী করে ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হবে।

ভেদরগঞ্জে ১ম ও ২য় পর্যায়ে ৬০০টি পরিবারকে ইতিমধ্যেই আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাও ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডে নাজিম পুর গ্রামে মোসাঃ রোকেয়া বেগম তিনটি সন্তানই জেনেটিক্যাল ডিজঅর্ডারের কারণে প্রতিবন্ধিজীবনের সবচেয়ে কষ্টদায়ক মানুষের পর্যন্ত মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে হয়ে ঘরবন্দী। উপার্জনক্ষম কোন ব্যক্তি না থাকায় অভাব ও অসহায়ত্বের ক্রমাগত ছোবলে দিশেহারা। এরকমই একটি অসহায় পরিবারের পাশে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও জেলা এনজিও কমিটির অর্থায়নে একটি ঘর নির্মাণের বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসন মোঃ পারভেজ হাসান শরীয়তপুর।

আজ (৩০ মে) সোমবার সকাল ১০ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গৃহহীন ও প্রতিবন্ধি মাঝে ঘরের শুভ উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ঘর পেয়ে খুশি অসহায় রোকেয়া বেগম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান, উপকারভোগী মোসাঃ বেগমকে সাথে নিয়ে ঘরের আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় আপ্লুত মোসাঃ বেগম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাণভরে দোয়া করেন। যার প্রাণ প্রচেষ্টায় অসহায় পরিবারটি ঘর পেলো সেই ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর-আল-নাসীফ, শাফিউল মাজলুবিন রহমান (সৃজল) সহকারী কমিশনার(ভূমি) ছয়গাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান লিটন মোল্লা , ইউপি সদস্য মোঃ আবুল হোসেন মাঝিসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ডামুড্যা উপজেলায় নতুন নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাসিবা খান যোগদান

নিউজ২৪লাইন:

মান আহম্মেদ সজিব // শরীয়তপুর প্রতিনিধি.

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন ৩৪ তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাছিবা খান। এর আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আরডিসি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।

বুধবার (২৫ মে) সকাল ১০ টায় তিনি শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান এর কার্যালয়ে যোগদান করেন এবং ২৯ মে রবিবার ৪ টায় ডামুড্যা উপজেলায় নির্বাহী অফিসারের দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন।

পারিবারিক জীবনে তিনি বিবাহিত, এক সন্তানের জননী।নব নিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবা খান কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রকৌশলী আবু নাঈম নাবিল,উপজেলার কৃষি অফিসার শেখ আজিজুর রহমান,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, সমাজসেবা কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম গিয়াস উদ্দিন , ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ, নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী সহ ডামুড্যা উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী গন।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ করায় বাধা দেওয়াতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় হয়রানি মামলা

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়ন টুমচর এলাকায় ১২ নং চিতলিয়া মৌজার ভূমিহীনদের আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মাণাধীন কাজে বাধা দেয়া ও ভাঙচুর সহ শ্রমিকদের মারপিটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সিরাজ সরদার এর বিরুদ্ধে। তবে ভাংচুরসহ মারপিটের ঘটনা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সিরাজ সরদার। এ ঘটনায় পালং মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে।

এমন ঘটনার সত্যতা জানতে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিন সরদার ও তার ভাই আবু কালাম সরদার জায়গাটি সিরাজ সরদার এর কাছ থেকে ক্রয় করে। জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওই জায়গাতে জোরপূর্বক আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মাণাধীন কাজ করানো হচ্ছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্মাণ কাজ করার বিষয় জমির মালিক সিরাজ সরদারকে জানানো হয়। পরে প্রশাসন কে বিষয়টি জানানো হলে প্রশাসন বিষয়টি নজরে নেয় আদালতের নির্দেশ মতে নির্মাণ কাজ শ্রমিকদের বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে প্রশাসন। তবুও আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক ঘর তুলে। পরে সিরাজ সরদার কাজে বাধা দিলে, শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেরাই নির্মাণাধীন ঘরের দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে।

অপরদিকে মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীনদের জন্য চিতলিয়া ইউনিয়নের টুমচর এলাকায় একটি আশ্রয়ন প্রকল্প তৈরি হচ্ছে। ২৬ মে বৃহস্পতিবার সেই নির্মাণ কাজে বাধা দেয় স্থানীয় সিরাজ সরদার। কাজ বন্ধ না করায়, ঐদিন সন্ধ্যা ৭ টার দিকে নির্মাণাধীন ঘরের দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে এবং শ্রমিকদের মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। মারধরের ঘটনায় নীলফামারী জেলার নির্মাণ শ্রমিক শাকিল হোসেন (৩০) বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত ৫/৭ জনকে আসামি করে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেন সিরাজ সরদার (৬৫), আবুল কালাম সরদার (৫৫), নজরুল ইসলাম সরদার (৩০), আল ইসলাম সরদার (২৮), দিন ইসলাম সরদার (২২) সহ আরো অজ্ঞাত ৫/৭ জন।

এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিন সরদার সাংবাদিকদের কে জানান, আমি ও আমার ভাই আবু কালাম সরদার জায়গাটি সিরাজ সরদার এর কাছ থেকে ক্রয় করেছি। আমরা এখানে বসবাসরত। জায়গাটি নিয়ে মামলা চলমান এবং এখানে কাজের বিষয় আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এখানে জোরপূর্বক কাজ করানো হচ্ছে, তাই প্রশাসনের মাধ্যমে বিষয়টি বাধা দেয়া হয়েছে। আমরা কোন দেয়াল ভাঙ্গিনি। শ্রমিকরা নিজেরাই দেয়াল ভেঙ্গে আমাদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা দিয়েছে।

ঐ বাড়িতে থাকা সেলিনা, আইরিন ও সামিয়া আক্তার জানান, এখানে আমাদের কোন লোকজন দেয়াল ভাঙ্গেনি। কোন মারপিটের ঘটনা ও ঘটেনি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক ঘর তুলছে।

অভিযুক্ত সিরাজ সরদার জানান, এটা আমাদের নিজস্ব সম্পত্তি প্রায় ৫০ বছর যাবৎ আমরা এই জায়গা ভোগ দখল করে আসছি। কিছুদিন খাজনা পত্র না দেয়ায় জায়গাটি সরকার খাস করে ফেলেছে। আমরা এ বিষয়ে মামলা করেছি। জায়গাটি নিয়ে মামলা চলমান। এখানে কাজের বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ করতে থাকলে, আমি থানা পুলিশের মাধ্যমে বিষয়টি বাধা দেয়ার চেষ্টা করি। থানা পুলিশ এসে কাজ করতে নিষেধ করে, কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পর শ্রমিকরা পুনরায় কাজ আরম্ভ করে। তাই আমি কাজ করতে নিষেধ করেছি। তাদের সাথে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। আমাদেরকে হয়রানি করার জন্য কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়েছে। মামলার রায়ে যদি আমরা জায়গা না পাই, সে ক্ষেত্রে আমরা জায়গা ছেড়ে দেব।

মামলার বাদী শাকিল হোসেন জানান, আমরা অন্য জেলা থেকে এখানে কাজ করতে এসেছি। জায়গা কার সেটা আমাদের বিষয় না। আমাদের কাজ করতে বলা হয়েছে, তাই আমরা কাজ করেছি। কিন্তু অন্যায় ভাবে আমাদের উপর হামলা করে কয়েক জনকে আহত করেছে। তাই আমরা মামলা করেছি।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান, নির্মাণ কাজে শ্রমিকদের মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নজরুল ইসলাম জানান, এটি সরকারি খাস জমি এবং আরো আগে থেকেই কাজ চলমান, তারা তড়িঘড়ি করে আদালতের একটি নিষেধাজ্ঞা এনেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা পেয়ে আমরা কাজ বন্ধ রেখেছি। কিন্তু তারা নির্মাণাধীন কাজটি ভেঙে ফেলেছে। শ্রমিকদের মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করেছে তাই শ্রমিকরা বাদী হয়ে মামলা করেছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মন্দীপ ঘরাই জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞা পেয়ে আমরা কাজ বন্ধ রেখেছি। তারপরও নির্মাণাধীন কাজটি ভেঙে ফেলেছে, শ্রমিকদের মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে। শ্রমিকরা বাদী হয়ে মামলা করেছে।

1 2 3 7