পদ্মা সেতু হওয়ায় জনগণের ধিক্কারে বিএনপির মাথা খারাপ হয়েছে : মির্জা 

নিউজ২৪লাইন:

শরীয়তপুর সার্কিট হাউজে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা। ছবি: নিউজ২৪লাইন ডটকম

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন, ‘পদ্মা সেতুর নির্মাণ বন্ধ করতে নানা ষড়যন্ত্র করেছিল বিএনপি। কিন্তু তাদের সে চেষ্টা নস্যাৎ করে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে। এ নিয়ে জনগণ বিএনপিকে ধিক্কার দেওয়ায় তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।’

আজ শনিবার সকালে শরীয়তপুর সার্কিট হাউজে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Nagad

মির্জা আজম বলেন, খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু করতে পারবেন না।’ বিশ্বব্যাংকসহ পৃথিবীর অন্যান্য অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন না করে, সে জন্য নানা ষড়যন্ত্র, অপচেষ্টা করা হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে ফেলেছে। এ দেখে বিএনপির গাঁয়ে জ্বালা ধরেছে।’

আওয়ামী লীগের এ সা্ংগঠনিক সম্পাদক বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে জিয়ার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ছেলে তারেক রহমান।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, ‘বাঙালিদের কেউ দাবায় রাখতে পারবা না’। পদ্মা সেতু হচ্ছে বাঙালিদের দাবিয়ে না রাখতে পারার প্রতীক।

তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতি কারও কাছে মাথা নত করেনি, কোনো দিন করবেও না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের মাথা উঁচু করে চলতে শিখিয়েছেন। শত বাঁধা-বিপত্তি, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দিয়েছেন। তিনি সততায় সেরা, মেধায় সেরা, দক্ষতায় সেরা। সেরাদের সেরা প্রধানমন্ত্রী।’

এ সময় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু বলেন, বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে নতুনভাবে পরিচিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের বিস্ময়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সদস্য আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম প্রমূখ।

ভোট-ভাতের অধিকার নিশ্চিত করতে আরেকটি সংগ্রাম করতে হবে বিভাগীয় সমাবেশে পীর সাহেব চরমোনাই

নিউজ২৪লাইন:

 নিজস্ব প্রতিবেদক :

জশাহী বিভাগীয় সমাবেশে পীর সাহেব চরমোনাইইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন, জালেমের বিরুদ্ধে রক্ত ঝরিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো। স্বাধীনতার ৫১তম বছরেও বাংলাদেশ জালেম গোষ্ঠির কবল থেকে মুক্তি পায়নি। যারাই ক্ষমতায় গেছে তারা জবর দখলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে। জনতার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কারসাজী করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। প্রমাণ হয়েছে এরা ব্যর্থ। এই অপশক্তি আবারো ক্ষমতায় থাকার এবং ক্ষমতায় যাওয়ার পাঁয়তারা করছে। এদেরকে রুখতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। ভোট-ভাতের অধিকার নিশ্চিত করতে আরেকটি সংগ্রাম করতে হবে।

আজ শনিবার, বগুড়ার সুত্রাপুর কেন্দ্রীয় মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে পীর সাহেব চরমোনাই উপস্থিত লাখো জনতাকে সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ ভালো নাই। বাজারদর নির্ধারণ হওয়ার কথা চাহিদা ও যোগানের ওপর ভিত্তি করে, কিন্তু মন্ত্রণালয়ের তদন্তেই এসেছে যে, চাঁদাবাজী ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম ও ব্যবসায়ীদের লোভের নোংরা খেলায় বাড়ছে দ্রব্যমূল্য।
৯২% মুসলমানের দেশে মাদককে সহজ করে জাতিকে মাতাল বানানোর পায়তারা করা হচ্ছে। শিক্ষা সিলেবাস থেকে ইসলামী শিক্ষাকে বাদ দিয়ে ডারউনের ভুল থিউরি পড়ানো হচ্ছে। শ্বেতপত্রের নামে মাদরাসা ও উলামাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে, অথচ এর প্রতিবাদ করতে গেলে বাধা দেয়া হচ্ছে। ইভিএমে ভোটের নামে ভোট জালিয়াতির রাস্তা পরিস্কার করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে স্বাধীনতার ৫১ তম বছরে এসে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে আছে।

উত্তর বঙ্গের প্রবীন আলেমে দ্বীন মাওলানা আব্দুল হক আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে পীর সাহেব চরমোনই আরো বলেন, বাংলাদেশে আজকের যে দুরাবস্থা; তার কারণ ভুল রাষ্ট্রীয় নীতি ও অযোগ্য-অসৎ রাজনৈতিক নেতৃত্ব। আগামী নির্বাচনে যদি আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় যথার্থ নীতি ও যোগ্য-সৎ নেতৃত্ব বাছাইয়ে ব্যর্থ হই তাহলে স্বাধীনতার সুফল অধারাই থেকে যাবে।
দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বোধ-বিশ্বাসকে সামনে রেখে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সমাবেশে তিনি ১৫টি দাবী উপস্থাপন করেন।

১. যেকোন মূল্যে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি রোধ করতে হবে। বাজার কারসাজীর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

২. দেশে মদ ও সকল ধরণের মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ করতে হবে।

৩. শিক্ষার সকল স্তরে ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। পূর্ণ ও আবশ্যিক বিষয় হিসেবে গণ্য করতে হবে।

৪. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম শিশুদের জন্য নামাজ শিক্ষা ও কোরআন শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৫. শিক্ষা সিলেবাস থেকে চরম নাস্তিকক্যবাদী সকল ধর্ম বিরোধী, অবৈজ্ঞানিক ও বস্তাপঁচা ডারউইনের থিউরী বাদ দিতে হবে।

৬. কারান্তরিণ সকল মজলুম আলেম এবং রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে।

৭. জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বে জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে।

৮. সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে নির্বাচন কালীন জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে।

৯. তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পূর্ব পর্যন্ত সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং নির্বাচনের দিন সশস্ত্রবাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে।

১০. নির্বাচনে সকল দলের জন্যে সমান সুযোগ তৈরী করতে হবে। রেডিও, টিভিসহ সকল সরকারী বেসরকারী গণমাধ্যমে সবাইকে সমান সুযোগ দিতে হবে এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সকল ধরনের হয়রানী বন্ধ করতে হবে।

১১. দুর্নীতিবাজদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।

১২. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।

১৩. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সংহতি ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির (চ.জ) নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।

১৪. গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।

১৫. সকল রাজনৈতিক দলের জন্যে সভা-সমাবেশসহ সাংবিধানিক স্বীকৃত সকল রাজনৈতিক কর্মসূচী ও বাকস্বাধীনতা উন্মুক্ত করতে হবে।

বিভাগীয় সম্মেলনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মুহাম্মাদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে হাতপাখাকে বিজয়ী করতে একযোগে সকলকে কাজ করতে হবে। সমগ্র দেশ দুর্নীতির অতল সাগরে ডুবে আছে।

সরকারের দায়িত্বশীলরা স্বীকার করে সর্বত্র দুর্নীতি। আওয়ামীলীগ বা বিএনপি দিয়ে দুর্নীতি দমন করা সম্ভব নয়। তাই ইসলামী শাসন ছাড়া জাতির মুক্তি আসতে পারে না।

দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ইসলাম ছাড়া মানবতার মুক্তি নেই; তাই জীবনের সর্বত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় দেশের ইসলাম প্রিয় জনগণকে ইসলামী আন্দোলনের পতাকাতলে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ সংকটাপন্ন, জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা এবং তাবেদার শক্তি দেশের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্যে সমাজ ঐক্যদ্ধ হতে হবে। দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তীব্র গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, সহকারী মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান, ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারী জেনারেল শেখ মুহাম্মদ আল আমীন, বগুড়া জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিরাজগঞ্জ জেলা সভাপতি মুফতী মুহিবুল্লাহ, পাবনা পশ্চিম জেলা সভাপতি অধ্যাপক আরিফ বিল্লাহ, রাজশাহী জেলা সভাপতি মাওলানা হুসাইন আহমদ, নাটোর জেলা সহ-সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, নওগাঁ জেলা সভাপতি মাস্টার আশরাফুল ইসলাম, পাবনা পূর্ব জেলা সভাপতি মাওলানা সুলাইমান, জয়পুরহাট জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা আলী আহমদ, বগুড়া জেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি হুমায়ুন কবির চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

একজন অবহেলিত ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতার খোলা চিঠি

শেখ নজরুল ইসলাম

নিউজ২৪লাইন:

প্রিয় নেত্রী
প্রত্রের শুরুতে আমার সালাম নিবেন,আশা করি ১৮ কোটি মানুষের দোয়া’য় আপনি ভালো আছেন। অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আজ খোলা চিঠি লিখতে বাধ্য হলাম। আমি (১৯৯১-১৯৯৫) শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। (১৯৯৫-২০১৬) সাল পর্যন্ত তিন তিনবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুইবার সদস্য নির্বাচিত হই।আমি শরীয়তপুরের মাটিতে আওয়ামিলীগ কে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে জীবনের শুরু থেকে আজ অবদি দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
*২০০১ সালে মাদারীপুরে খালেদা জিয়ার আসলে তাকে ওই স্তান থেকে চলে যেতে বাধ্য করি।।
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ টি হল দখল করি এ কে এম এনামুল হক শামীম ও পান্না ভাইয়ের নেতৃত্বে।
* ২০০১ সালে যেদিন শহীদ এ্যাডঃ হাবিব ভাই ও মনির ভাইকে যেদিন সন্ত্রাসী মেরে ফেলে সেদিন আমার বাড়িতে আমাকে মারার জন্য ১০০ রাউন্ড গুলি চালায়।
* হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গের নির্বাচন কালে ৫ বার আমার বাড়িতে ও আমার উপর হামলা চালায় জিবনের ঝুকি থাকা সত্যেও দলের বাহিরে কোন কাজ করি নাই।
* জাতীয়পার্টি, বি এন পি, জামাতের জাতীয় পার্টি অফিস ঙেঙ্গেছি বহুবার। যেমনি দলের জন্য বিরোধী দলের সঙ্গে লড়েছি তেমনি আমাকে অনেক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে এই জীবনে বিরোধী দলীয় দেওয়া মামলার পরিমান ১০০র বেশি এজন্য জীবনে জেলে যেতে হয়েছে ২৪ বার,রিমান্ড দিয়েছে ৭ বাড় জাতীয় পার্টি আমলে ডিটেনশনে ছিলাম ৩ বার। পাচ বার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। যৌবনের রিমান্ডের প্রভাব এখন আমার শরীরে প্রভাব ফেলেছে নানা রোগে আক্রান্ত তার মধ্যে বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবত চোখের সমস্যায় ভুগছি, একা চলতে কষ্ট হয়। ছাত্রলীগের নীতিমালা মানতে গিয়ে অনেক দেড়িতে বিয়ে করি।যার কারনে ২ ছেলে ও ১মেয়ে অনেক ছোট। যদি সম্ভব হয় প্রিয় নেত্রী একটু জাচাই করে দেখবেন কী পেলাম কী হাড়ালাম। তবে দূঃখ হলো দলের দূর সময়ে ছিলাম আমরা এখন বি এন পি জামাতের নেতা কর্মিরা বড় বড় চেয়ার দখল করে আছে। প্রিয় নেত্রী এখন দলের সু সময় এখন বাড়ি থেকে মানুষের সহ যোগিতা ছাড়া বের হইতে পাড়ি না।
জানেন নেত্রী নিজেকে সান্তনা দেই এই ভেবে বঙ্গবন্ধু দেশের জন্য ১৩ বছর জেল খেটেছেন। আপনি পরিবারের সকল সদস্যদের হাড়িয়েছেন।প্রিয় নেত্রী আপনি ছাড়া আমাকে মূল্যায়ন করার মত কাউকে দেখি না কারন অসুস্থ শরীর নিয়ে আমি অনেক নেতার কাছেই গেছি কিন্তু আমাকে কেউ দেখতে আসে নাই।

ইতি
আলমগীর হোসেন হাওলাদার
জনস্বাস্থ্য ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক
শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগ।

শেখ নজরুল ইসলাম
22/5/22

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে “ওসি শরীফ”

নিউজ২৪লাইন:

স্টাফ রিপোর্টার। আশিকুর রহমান হৃদয়

শরীয়তপুরের ডামুড্যা’য় থানা-পুলিশের উদ্যোগে ডামুড্যা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সচেতন যুব সমাজের যৌথ আয়োজনে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে ডামুড্যা পৌরসভার কাঠপট্টি জামে মসজিদ থেকে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলনের একটি শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রাটি শেষে মধ্য বাজারের সরদার মার্কেট এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফ আহমেদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। এ ছাড়াও যুবসমাজকে মাদক সন্ত্রাস থেকে মুক্ত রাখতে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা থানার উপপরিদর্শক সজল পাল, ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরে আলম টিপু মাদবর, সাব রেজিস্ট্রার মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আবুবক্কর ছিদ্দিক প্রমুখ।