দুলাল মাদবরের আয়োজনে ইসলামপুরে যথাযথ মর্যাদায় ১৫ই আগস্ট শোকদিবস পালিত

নিউজ২৪লাইন:

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে যথাযথ মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও একই ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দ্বীন মোহাম্মদ দুলাল মাদবর এর আয়োজনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি শোক সভা, বঙ্গবন্ধুর ও তার পরিবারের সকল শহীদের স্মরণে বিশেষ বক্তব্য, মিলাদ ও দোয়া সহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে, দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ সোমবার (১৫ আগস্ট) ৬০ নং ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রঙ্গণে সকাল থেকে দিনব্যাপী নানান কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করেন। পরে বাদ যোহর নামাজ শেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ, সকল নিহত শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনায় পরম দয়াময় আল্লাহর দরবারে এক বিশেষ মোনাজাত পাঠ করেন। দোয়া শেষে দ্বীন মোহাম্মদ দুলাল মাদবরের নিজ অথ্যায়নে ২ হাজার মানুষের জন্য কাঙ্গালি ভোজের আয়োজন করেন।

এই বিষয়ে দ্বীন মোহাম্মদ দুলাল মাদবর বলেন, হাজার বছরের শেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সপরিবারের সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনার আশায় আমার নিজ অথ্যায়নে আজকের এই আয়োজন। তিনি বলেন, আমার নিজ ইউনিয়ের ২ হাজার মানুষের জন্য কাঙ্গালি ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনে ইসলামপুর ইউনিয়নবাসী সকলেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেছে।

একাত্তরের পরাজিত শক্তি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল” নাহিম রাজ্জাক  এমপি

ইয়ামেন কাদের নিলয় শরীয়তপুর থেকে:

নিউজ২৪লাইন:

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই দিনে কিছু সেনাসদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই থেকে প্রতি বছর এ দিনে যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

শরীয়তপুর -৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব নাহিম রাজ্জাক  এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন। একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তাঁর স্বপ্ন কে ধ্বংস করে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। যার ফলে আজকে তাঁর কন্যা গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ,

এমপি নাহিম রাজ্জাক বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের লাখো-কোটি বাঙালিরই শুধু নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে এই মহান নেতা কোটি মানুষের হৃদয়ের মাঝে চিরঞ্জীব হয়ে বেঁচে থাকবেন।

এগিয়ে যাচ্ছে। ১৫ আগস্টের শোককে আমরা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পেরেছি বলেই বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা করতে পেরেছি।

এমপি আরো বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এই অপশক্তির যেকোনো অপতৎপরতা, ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সর্বদা আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের দায়িত্ব হবে বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করে, আগামী নির্বাচনে, ৪র্থ বারের মতো আবারো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা সম্ভব।

তিনি আ‌রো বলেন, আজকে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনেও আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে সকল বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে এগিয়ে যাবো। আমাদেরকে বঙ্গবন্ধুর অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে কাজ করতে হবে। তিনি চেয়েছিলেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে যেখানে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না ক্ষুধা-দারিদ্র্য থাকবে না গণতন্ত্র সমুন্নত সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। গ্রামকে আলোকিত করেছি। এখন বিদ্যুৎ কিছুটা কম পেলেও এক মাসের মধ্যে আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।তেলের দাম ও সমন্বয় করা হবে।
আওয়ামী লীগের ভিত অনেক মজবুত। বিএনপি আসবে, যাবে। তারা কিভাবে ক্ষমতায় এসেছিল দেশের মানুষ জানে। সুতরাং, ভয়ভীতি নেই আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের সঙ্গে ছিল, আছে এবং সবসময়ই থাকবে।
দেশের যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে আছে আওয়ামী লীগ সরকার। জনবান্ধব এই সরকারের আমলে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। সরকার মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি নামে একটা দল আছে যারা কোনো কাজ করে না। দুঃসময়ে জনগণের পাশে থাকে না। তাদের কাজ হল ঘরে বসে বসে সরকারের সমালোচনা করা।

সোমবার ১৫ আগষ্ট দুপুরে উপজেলা পরিষদের  মিলনায়তনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  ৪৭ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠ‌নের আ‌য়োজ‌নে আ‌লোচনা সভায় প্রধান অ‌তিথির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব্যে ব‌লেন।
তিনি বলেন  বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট আমাদের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই কলঙ্ক আমরা মুছতে পারব কিনা জানি না এমনকি পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল।
ডামুড্যা উপজেলা  আওয়ামীলী‌গের ভারপ্রাপ্ত  সভাপ‌তি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির বাচ্ছু ছৈয়াল এর সভাপ‌তিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবলু সিকদার এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ  গোসাইরহাট সার্কেল আবু সাইদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন মাল, ইনু বেপারী, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, আমিন উদ্দিন ঢালী,মাস্টার হাবিবুর রহমান, ডামুড্যা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ গোলন্দাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা খানম লাভলী,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন মোল্যা,ইসহাক মাদবর,সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বাচ্ছু মাদবর, মাসুদ পারভেজ লিটন হাওলাদার, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার সরদার, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ, ডামুড্যা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ, সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শামীম, আমার রাজ্জাক সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক ছাত্র লীগের সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান রুবেল মাদবর, ডামুড্যা উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন হাওলাদার প্রমূখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন আসাদুজ্জামান খান এম.পি

নিউজ২৪লাইন:

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস।
জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আসাদুজ্জামান খান এম.পি। এ সময় জননিরাপত্তা বিভাগ এর সিনিয়র সচিব জনাব মো: আখতার হোসেন ও সুরক্ষা সেবা বিভাগ এর সচিব মোঃ আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

যথাযথ মর্যাদায় শরীয়তপুরে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ১৫ই আগস্ট পালিত

নিউজ২৪লাইন

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুর:

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই দিনে কিছু সেনাসদস্য ধানমণ্ডির বাসভবনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই থেকে প্রতি বছর এ দিনে যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

আজ ১৫ই আগস্ট সোমবার বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য, ইকবাল হোসেন অপু এমপির নেতৃত্বে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে কালো ব্যাজ ধারণ এর আয়োজন করা হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এমপি অপু, ১৫ আগস্টের নির্মম ঘটনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ, সকল নিহত শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এবং পরম দয়াময় আল্লাহর দরবারে তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।

ইকবাল হোসেন অপু এমপি বলেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শেকে হত্যা ঘটাতে পারেনি। আমরা সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি। এতে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

এমপি অপু বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের লাখো-কোটি বাঙালিরই শুধু নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে এই মহান নেতা কোটি মানুষের হৃদয়ের মাঝে চিরঞ্জীব হয়ে বেঁচে থাকবেন।

এমপি অপু আরো বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এই অপশক্তির যেকোনো অপতৎপরতা, ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সর্বদা আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের দায়িত্ব হবে বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করে, আগামী নির্বাচনে, ৪র্থ বারের মতো আবারো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা সম্ভব।

পরে শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সেচ্ছাসেবক লীগ সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন এর। নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রথম প্রহরে শরীয়তপুরের চৌরঙ্গী মোড় চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক ও ফুলের পাপড়ি অর্পণ করে নিহতদের প্রতি যথাযথ সম্মান শ্রদ্ধা জানানোর পর, ফাতেহা পাঠ ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া শোক দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরে আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের সমর্থক দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করা হয়।

অন্যদিকে, শোকাবহ এ দিনটি পালনে জাতীয় শোক দিবস সামনে রেখে। সংসদ সদস্য, ইকবাল হোসেন অপু এমপির উদ্যোগে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী রাজনৈতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে জানা যায়।

 

সখিপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে দোয়া ও জাতীয় শোক দিবস পালন

 

আমান আহমেদ সজীব //ভেদরগঞ্জ(শরীয়তপুর)প্রতিনিধি:
১৫ আগস্ট ২০২২জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করেছে সখিপুর থানা পুলিশ। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানা মিলনায়তনে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা । সখিপুর থানা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক সরকার, থানা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নাছির সরদার, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইউনুস আলী মোল্লা, কাঁচিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমীন দেওয়ান,যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল আহমেদ পলাশ সরদার সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দ সহ অনন্যরা।

সকাল ১০:৩০ মিনিট স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে জাতীয় শোক দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার।

এসময় আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ নামক স্বাধীন একটি রাষ্ট্র গড়ার পেছনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। জাতির পিতার সাথে তাঁর পরিবারের সম্পর্ক ও আবেগের স্মৃতি তুলে ধরেন। জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীদের করণীয় ও পালনীয় বিষয়ে জাতির পিতার বক্তব্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন । এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা শেখ কামাল, শেখ জমাল ও শেখ রাসেলসহ সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এসময় সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার এবং তিনি তার বক্তব্যে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাংঙালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবার ও অনান্য শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও পুলিশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দেন। শত্রুর মুখে চুনকালি মেখে তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যার হাত ধরে উপচেপড়া ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে। এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে, ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই এগিয়ে যেতে হবে। তিনি জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি’সহ পুলিশ সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে আলোচনা শেষ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এই দিনে বাঙালির ইতিহাসে এক কালিমালিপ্ত

নিউজ২৪লাইন:

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এই দিনে বাঙালির ইতিহাসে এক কালিমালিপ্ত অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেদিন গোটা বাঙালি জাতিকে কলঙ্কিত করেছিল সেনাবাহিনীর উচ্ছৃঙ্খল কিছু বিপথগামী সদস্য। ওই দিন রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক ভবনে ঘাতকের নির্মম বুলেট বিদ্ধ করে জাতির জনকের বুক।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও ঘাতকের বুলেটে নিহত হন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের, কর্নেল জামিল, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নীপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। ওই সময় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।
আজ সেই শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে ঢাকা -১৬ আসনসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেন বৃহত্তর মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী মোল্লা পরিবারের সন্তান মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী মোঃ জাকির হোসেন জিকু, ঝিনাইদহ-৩ এর সংসদ প্রার্থী ডাঃ সাইফুল আলম, যুবলীগ নেতা মোঃ মজিবর রহমান, শাহ আলম, লিটন খান জীবন, সেলিম মৃধা, জি এইচ রাজু, মোহামুদুল হাসান সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে আলোর দিকে নিয়ে যেতে হবে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটি

নিউজ২৪লাইন:

সাম্প্রদায়িক শক্তি দেশে এখনো ষড়যন্ত্র করছে, এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে
দেশকে আলোর দিকে নিয়ে যেতে হবে।
আগস্ট উপলক্ষে রোববার রাতে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ আয়োজিত আলোর
মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা একথা বলেন।

বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক মন্দার এই সংকটকালে সুযোগ সন্ধানী ও দেশ বিরোধীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের পায়তারা করছে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মুক্তিযোদ্ধা জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তি সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন তারা। বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং দেশদ্রোহী ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিতে হবে।

যে পথে ঘাতকের ট্যাঙ্ক ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছে সেপথে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা প্রতিবছর প্রজ্জ্বলিত মশাল হাতে নিয়ে আলোর মিছিল করে। দেশকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় নিয়ে ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর তারা এ কর্মসূচি পালন করে। জাতির পিতার ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবার তারা ৪৭টি মশাল
নিয়ে এই আলোর মিছিল করে।

মিছিলটি রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে গিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতির সামনে শপথ গ্রহণ ও ১৫ আগস্টে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হয়।

আলোর মিছিলের উদ্বোধন ঘোষণা করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শ্রী মৃণাল কান্তি দাস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনl

শাজাহান খান বলেন, ‘আমরা এই দেশকে কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীদের হতে যেতে দিতে পারি না। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের চেষ্টা করছে। ৭৫’র পর ২১ বছর
এই চেষ্টা চলেছে। কিন্তু প্রতিবারই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা তা প্রতিহত করেছে।’

তিনি বলেন, আজ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের হাতে আলো জ্বলবে। এর মাধ্যমে দেশ থেকে অন্যায়, অবিচার, অনাচার, সাম্প্রদায়িকতা দূর হবে। তৈরি হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি বলেন, বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘তারা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে সন্ত্রাসী দেশ হিসেবে প্রমাণ করতে চায়। তারা আরেকটি ১৫ আগস্ট সৃষ্টি করতে
চায়। কিন্তু এদেশে মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও তাদের প্রজন্মরা বেঁচে থাকতে তাদের এই আশা কোনো দিন পূরণ হবে না।’

মৃণাল কান্তি দাস বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো, কারণ বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশন করার, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের
এবং রেডিও, টেলিভিশনসহ সব ক্ষেত্রে পাকিস্তানি ভাবধারা ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা হয়েছিলো। তারপরের ২০ বছরের অচলাবস্থা ভেঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে আবার সরকার গঠন করার মধ্য দিয়ে এবং ২০০৮সালে সরকার গঠন করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে সাড়ে ১৩ বছরে যেভাবে এগিয়ে
নিয়ে গেছেন, তার ফলে বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর সামনে একটি গর্বিত রাষ্ট্র।’

মিছিলের আগে আয়োজিত পথসভায় সভাপতিত্ব করেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের
কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক শক্তি দেশে এখনো ষড়যন্ত্র করছে, এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে আলোর দিকে নিয়ে যেতে
হবে’।
এসময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন বলেন, বঙ্গবন্ধুকে
হত্যার মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করার যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল আমরা প্রতিবার শপথ নিই,সেই চক্রান্ত নস্যাৎ করার।
পথসভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম সুলতান উদ্দিন আহমেদ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শহীদ সংসদ সদস্য নূরুল হক হাওলাদারের কন্যা জোবায়দা হক অজন্তা, শফিউল বারী রানা, আনোয়ার হোসেন বাবু,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশীদ রনি, আল আমিন মৃদুল, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক মনির, আজহারুল ইসলাম অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির সরকার, কামরুল ইসলাম রাসেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক গোলজার হোসেন, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম মুন্না, দফতর সম্পাদক শিহাবুল ইসলাম, সিলেট জেলা সভাপতি আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আশেক রসুল খান বাবু ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।