বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সীজ (বায়রা) সভাপতি আবুল বাসার ও মহাসচিব শামীম চৌধুরী নির্বাচিত

নিউজ২৪লাইন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ (বাসস) : জনশক্তি রপ্তানীকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সীজ (বায়রা) এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে মোহাম্মদ আবুল বাসার সভাপতি ও শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজধানীর ইস্কাটনে বায়রা ভবনে রোববার এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২০২২-২০২৪ মেয়াদে এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নির্বাচনে অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াজ-উল-ইসলাম, সহ-সভাপতি নোমান চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু জাফর, মো. আবুল বারাকাত ভূঁইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, আকবর হোসেন মঞ্জু, মো. টিপু সুলতান, অর্থ সচিব মিজানুর রহমান, ক্রীড়া, বিনোদন ও সাংস্কৃতিক সচিব রেহানা পারভীন, জনসংযোগ সচিব মো. ফরিদ আহমেদ, সদস্য কল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন।
নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন- শাহাদাত হোসেন, আলী হায়দার চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মুসা কলিম, মোস্তফা মাহমুদ, আরিফুর রহমান, মো. বেলাল হোসেন মজুমদার, মোহাম্মদ অলি উল্যাহ, মো. রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, হক জহিরুল (জুও), মো. কামাল উদ্দিন (দিলু), কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, মোহাম্মদ আবুল বাসার, মো. রুহুল আমিন (স্বপন) ও এম.এ. সোবহান ভূঁইয়া (হাসান)।
বায়রা নির্বাচন-২০২২ পরিচালনা করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল, সদস্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ ও তানিয়া ইসলাম।

ভুঁইফোড় সুবিধাভোগী নেতাদের কাছে তৃনমূল আঃলীগ কর্মীবান্ধব নেতারা এখন কোণঠাসা” আওয়ামীলীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমান পাহাড়

নিউজ২৪লাইন:

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি
শরীয়তপুর:
তৃণমূল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যাঁরা নিবেদিত প্রাণ বলে পরিচিত ছিলেন, দলের দুর্দিনে যাঁরা ত্যাগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন, আজ তাঁরাই নিপতিত হয়েছেন চরম দুর্দিনে। বলছি শরিয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ-সম্পাদক, সিদ্দিকুর রহমান পাহাড় এর কথা।

তিনি শরীয়তপুর সদর পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর বালুচরা পাহাড় বাড়ি নামক গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারের সন্তান। আওয়ামীলীগ পরিবারে জন্ম গ্রহন করায়, ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে ভালোবেসে জননেত্রী শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে সততা আর সাহসীকতার সাথে নিজের জীবণ বাজি রেখে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসছেন। দলের দুর্দিনে রাজপথের ত্যাগী ও বহু পরীক্ষিত এই সংগ্রামী নেতা সিদ্দিক পাহাড়।

বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার কারনে, সিদ্দিকুর রহমান পাহাড় কে বিএনপি- জামায়াত জোট সরকারের আমলে একাধিক মিথ্যা মামলার আসামী হতে হয়েছে।

২০০৬ সালে, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নির্বাচন অফিস ঘেরাও করতে গেলে উপজেলা চত্বরে পুলিশের লাঠিচার্জে গুরুতর আহত হয় এই নেতা। একি ঘটনায় তাকে প্রধান আসামী করে, দশজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। যাহা মামলার নং-জি.আর-১৬৩/০৬। এছাড়া বিএনপি ও জামাতের জেলা কার্যালয় ভাংচুর মামলায় সাহসী এ নেতা কে, ৩নং আসামি করা হয়। মামলার নং-জি.আর.- ৩১/০৫। জি. আর.-১১৮/০৮।

জামায়াত ও বিএনপি জোট সরকারের দেয়া বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে একাধিকবার কারাভোগ পোয়াতে হয়েছে তাকে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ওপর অনুসন্ধান চালিয়ে চিরসত্য তথ্য পাওয়া যায়।

সিদ্দিক পাহাড় ছাত্র রাজনীতি থেকে, ন্যায়-নীতি,সততা ও স্বচ্ছতার সাথে আওয়ামী লীগের সহযোগী যেসকল সংগঠনগুলোতে দায়িত্ব, কর্তব্য পালন করেছেন।

১৯৮৮ সালে, সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক, শরীয়তপুর সরকারি কলেজ শাখা, ছাত্রলীগ। ১৯৯৯ সালে,সাবেক ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য,শরীয়তপুর জেলা। ২০০০সালে, সাবেক ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক, শরীয়তপুর জেলা। ২০০২ সালে, সাবেক ছাত্রলীগের সাধারন-সম্পাদক, শরীয়তপুর জেলা। পুনরায় দ্বিতীয় মেয়াদে ২০০৫ সালে, সাবেক ছাত্রলীগের সাধারন-সম্পাদক, শরীয়তপুর জেলা শাখা পদে আবারো নির্বাচিত হন।

পাশাপাশি ২০১৪ সালে,দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে, শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করেন।

স্বার্থবাজ ও সুবিধাবাদী নেতাদের কাছে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শুধু সিদ্দিক পাহাড়ই নন, পুরো জেলা জুড়ে তৃনমূল কর্মীবান্ধব নেতারা এখন কোণঠাসা এমন চিত্রই নজরে পড়ে। রাজনীতি নব্য আওয়ামী লীগারদের দখলে চলে গেছে। তাদের দাপটে আন্দোলন-সংগ্রামের সময় রাজপথে থাকা ত্যাগী, নির্যাতিত ও কর্মীবান্ধব নেতারা এখন কোণঠাসা। ভুঁইফোড় সুবিধাভোগীরা বিপুল দাপটে; অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতায় তাঁরা পরিপুষ্ট। আর ত্যাগীরা বঞ্চিত-নিপীড়িত; স্বার্থবাজ নেতারা তাঁদের দূরে ঠেলে রেখেছেন। তাঁদের মুখে শুধুই এখন হতাশার সুর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমনি কয়েকজন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, নব্য আওয়ামী লীগারদের কাছে, সুবিধাবাদী নেতাদের কাছে আমরা জিম্মি। তাঁরা আত্মীয়করণ করে পুরো দল দখল করে রেখেছেন। উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতাদের মধ্যে দলীয় আদর্শের ছিটেফোঁটাও নেই। পাশাপাশি জামায়াত-বিএনপি থেকে আগত নেতারাই দলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন। ফলে ছলে-বলে-কৌশলে, কখনো মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে, আবার চাটুকারিতা করে তাঁরা দলীয় পদ-পদবি বাগিয়ে নিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সঙ্গী নেতাকর্মীরা আরো বলেন, তবে আখের গোছানোয় ব্যস্ত নেতাদের অপরাজনীতি একদিন ধ্বংস হবেই।

সিদ্দিকুর রহমান পাহাড় বলেন, শৈশব থেকে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। সারাজীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে দুর্নীতিমুক্ত থেকে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি। আমার রাজনৈতিক জীবনে অন্যায়ের কাছে কখনো আপোষ করিনি। দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে, জীবনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করেছি। ভবিষ্যতেও যতদিন বেঁচে থাকবো, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিরলসভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ্‌।

বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে বিএনপির সন্ত্রাসী কর্তৃক অত্যাচার, জুলুুম ও নির্যতনের শিকার এবং একাধিকবার কারা বরন করলেও রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত জীবনে এখন পর্যন্ত আদর্শচুৎ হননি এই আওয়ামীলীগ নেতা।

চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মতলব উত্তর উপজেলা থেকে সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করার আশা ব্যক্ত করেছেন” মোঃ রহমত উল্লাহ বারী চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিউজ২৪লাইন:
চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মতলব উত্তর উপজেলা থেকে সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করার আশা ব্যক্ত করেছেন চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি,, মতলব ডিগ্রী কলেজ সাধারণ ছাত্র ছাত্রী সংসদ এর সাবেক জি এস, চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি, কালীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি,, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ রহমত উল্লাহ বারী চৌধুরী। তিনি ষাটনল ইউনিয়নের কালীপুর চৌধুরী বাড়ির কৃতি সন্তান।
রহমত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি স্কুল জিবন থেকে ছাত্ররাজনীতি করেছি,বি,এন,পি, জামায়ত জোট সরকারের আমলে মামলা হামলার শিকার হয় ফেরারী জীবন যাপন করি, দলের দুঃসময়ে এবং এখন পর্যন্ত সক্রিয় রাজনীতি করছি । আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজ এলাকা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের জনগণের সেবা করার চেষ্টা করছি। আমি জনগণের সেবক হিসেবে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করতে চাই। সেজন্যই জেলা পরিষদ নির্বাচনে মতলব উত্তর উপজেলা থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করব। আমি সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাই। মতলব উত্তর উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধিনের আকুণ্ঠ সমর্থন চাই। আমি নির্বাচিত হলে দল ও মতের উর্ধ্বে থেকে কাজ করবো। এছাড়াও উপজেলার অবহেলিত জনপদ উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই সমাজসেবক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রহমত উল্লাহ চৌধুরী সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। অসহায় নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে তাদের সহায়তা করেছেন। এজন্য তিনি এখন জেলা পরিষদে সদস্য পদে নির্বাচন করে মতলব উত্তর উপজেলার জনগনের সেবক হতে চান। তিনি প্রতি বছর ঈদ ও যেকোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যাপক আকারে সহযোগীতা করে থাকেন। দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের ত্রাণ সামগ্রী, ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করে আসছেন বহুদিন থেকে। ছাত্র রাজনীতি করার কারণে এলাকায় তার ব্যাপক পরিচিত রয়েছে। তার পিতা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন,কালীপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা, চৌধুরী আব্দুল বারী রেড কিসেন মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা, জেলা পরিষদ চাঁদপুরের নামে নিজস্ব ২০ শতক জমি দান করে গেছেন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এবং এলাকার একজন নিঃস্বার্থ সমাজ সেবক সাদা মনের মানুষ ছিলেন। সে হিসেবে তিনি নিজেকে মানুষের মাঝে সেবা করে বিলিয়ে দিতে পছন্দ করেন। সেই লক্ষ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করে অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করতে চান মো, রহমত উল্লাহ চৌধুরী।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর ও প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর।

ফরিদপুরের নবাগত পুলিশ সুপার কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পদ্মা বিভাগীয় প্রেসক্লাব

টিটুল মোল্লা,,

ফরিদপুরের নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ শাহজাহান (পিপি-এম সেবা) কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের সংগঠন পদ্মা বিভাগীয় প্রেসক্লাব।

রবিবার (৪সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। পুলিশ সুপার উপস্থিতি পদ্মা বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পদ্মা বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ আশরাফউদ্দিন তারা, সাধারন সম্পাদক এস.এম আকাশ, সহ-সম্পাদক সেতু আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শেখ জাফর, এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, সোহাগ মাতুব্বর, ওবায়দুর রহমান, মো: লিয়াকত আলী লাভলু, মো: তোফাজ্জেল হোসেন টিটু, মাহমুদুল হাসান, এস, সাইফুর রহমান উজ্জল, মো: রাকিবুল হাসান মিঠু, মো: রিপন শেখ, মো: শহিদুল আলম মিলন, মো: মিজানুর রহমান প্রমুখ।