লালবাগ থানা মহিলালীগের সভাপতি মর্জিনা ও সাধারণ সম্পাদক ফারজানা

নিউজ২৪লাইন:

স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগের আওতাধীন লালবাগ থানা মহিলা লীগের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন, মর্জিনা ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় নারীনেত্রী, ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেত্রী ফালাক ফারজানা। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেরা বেগম। এর আগে বুধবার ৪ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক এ কমিটি অনুমোদন করা হয়।

এ দিকে, দীর্ঘদিন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ কমিটি অনুমোদন করায় লালবাগ থানা মহিলা লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি মর্জিনা ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক জনপ্রিয় নারীনেত্রী ফালাক ফারজানা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেরা বেগম এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেরা বেগম ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আওতাধীন ২০টি থানা মহিলা লীগের কমিটি অনুমোদন করেন। এতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা লীগের বেশিরভাগ নেতৃবৃন্দ সুপারিশ করেন।

কাউন্সিলর ফরিদ জামিনে নিরাপত্তাহীনতায় মামলার বাদী ফের থানায় সাধারণ ডায়েরী

নিউজ২৪লাইন:

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুর পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ শেখের নামে মামলা দিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দিনমজুর শাহাবুদ্দিনের পরিবার।

থানায় মামলা করায় প্রাণনাশের হুমকির মুখে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগী দিনমজুর শাহাবুদ্দিন শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা। ফরিদ শেখ জামিনে এসে সন্ত্রাসী কায়দায় তার বিরুদ্ধ মামলা তুলে না নিলে শাহাবুদ্দিন শেখ ও তার পরিবারের সদস্যদের আগুনে পুড়িয়ে জীবন নাশের হুমকিসহ এলাকা ছাড়ার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শাহাবুদ্দিন ও তার পরিবার। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ফের থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন অসহায় শাহাবুদ্দিন।

তবে এ ব্যাপারে কাউন্সিলর ফরিদ শেখ বলেন, এসব কিছুই তিনি জানেন না। তিনি আরো জানান, হুমকি-ধামকি দিলে আইন আছে প্রশাসন আছে তারা এটা দেখবে সমস্যা নাই। আপনাদের কাজ আপনারা করেন প্রশাসনের কাজ প্রশাসন করবে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে থেকে জানা যায়, শরীয়তপুরে সদর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ শেখ ও তার লোকজন জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত (১৮ আগষ্ট) স্বর্ণঘোষ গ্রামের প্রতিবেশী দিনমজুর শাহাবুদ্দিন শেখের পরিবারের উপর নিঃসংশ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রতিবন্ধী নারী তাহমিনা আক্তারসহ পরিবারের ৫ জনকে নিঃসংশভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ হামলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রতিবন্ধী তাহমিনার মাথায় কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করলে তাহমিনার মাথার হাড় পর্যন্ত কেটে যায়। এতে তাহমিনার মাথায় ৩২টি সিলি দেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত তাহমিনা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। অন্যরা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে।

এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় (২০ আগষ্ট) শাহাবুদ্দিন শেখ বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় কাউন্সিলর ফরিদ শেখকে প্রধান আসামী করে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।এরপর ক্ষমতাশালী কাউন্সিলার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে তাদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ক্ষমতা আর টাকার জোরে গ্রেপ্তার না হয়ে আদালত থেকে জামিন নিয়ে কাউন্সিলার ফরিদ শেখ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ফের বিভিন্ন সময়ে ওই পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে বলে জানান শাহাবুদ্দিন ও তার পরিবার। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ফের থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন শাহাবুদ্দিন শেখ।

শাহাবুদ্দিন শেখ বলেন, আমাদের বাড়ি থেকে উৎখাত করে সম্পত্তি দখলের জন্য ইয়াবা কারবারি কাউন্সিলর ফরিদ শেখ আমাদের উপর একাধিকবার হামলা করেছে। সর্বশেষ তারা হামলা করে আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে সহ পাঁচ জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। তাহমিনা মাথায় ৩২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। ওর জীবন এখন বাঁচা মরা আল্লাহর হাতে তাহমিনা আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি এ ঘটনায় মামলা করলেও পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। পরে আসামীরা জামিন নিয়ে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের চাপ দিচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে তারা আমাদের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিবে এবং আমাদের এলাকা ছাড়া করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমার ছেলেমেয়েরা বাড়ি ঘরে যেতে পারছেনা। ওরা আমাদের হত্যারও হুমকি দিচ্ছে। এতে আমি ও আমার পরিবার চরম আতংকের মধ্যে রয়েছি। তাই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমি আবারও থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড স্বর্ণঘোষ গ্রামের বিল্লাল হোসেন শিকদার, দুলাল কোতোয়াল, ইয়ামিনসহ আরও অনেকেই বলেন, কাউন্সিলর ফরিদ বর্তমান অনেক টাকা পয়সার মালিক হয়ে গিয়েছেন, কালো টাকার দাপটে সবকিছু ম্যানেজ করে ফেলে। অসহায় দিনমজুর শাহাবুদ্দিন শেখ এর পরিবারের উপর একবার না বহুবার হামলা চালিয়েছে এ ফরিদ ওর ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে চায় না। তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া দরকার আমরা এ দাবী জানাই।

তারা আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি কি করে পারলো প্রতিবন্দি নারীর গায়ে হাত উঠাতে। বর্তমান সরকারের তো অনেক গোয়েন্দা সংস্থা আছে তারা তদন্ত করে দেখুক ফরিদ ও তার পরিবারের পিছনের ইতিহাস প্রশাসন আরও তদন্ত করে দেখুক সেইদিনের ফরিদ কি করে এতো তারাতারি কোটিপতি হয়ে অবৈধ টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। ভবিষ্যতে এই সন্ত্রাসী ফরিদ কে আমরা আর কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাইনা।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, বুধবার শাহাবুদ্দিন শেখ থানায় হুমকি সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গোসাইরহাটে যৌতুকের গর্ববতী নববধূ “সাবিনা

নিউজ২৪লাইন:
আশিকুর রহমান হৃদয়।।

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের কাশিখন্ড এলাকায় ৩ লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ায় তিন মাসের গর্ববতী নববধু সাবিনা ইয়াসমিন(২০)কে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি গত শুক্রুবার সাবিনাকে তার স্বামী ও শাশুড়ি ও বোন মিলে খুন করেছে বলে দাবী বাবা কাঞ্চন গাইনের। গত বৃহস্পতিবার মৃত ঐ নববধূর বাবা কাঞ্চন গাইন বাদী হয়ে শরীয়তপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১১(ক)/৩০ ধারা(যৌতুকের দাবীতে মারপিট করিয়া হত্যার অপরাধে পাঁচজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর থেকেই আসামীরা পলাতক রয়েছে।

মামলায় আসামীরা হলেন, স্বামী শাহাদাত হোসেন রাজিব সরদার(২৮),শাশুরি মা রোকেয়া বেগম (৫০),ননদ কাকুলী বেগম(১৯),নাজমুল হোসেন রাড়ী(৩৩),পান্টু আহমেদ মাঝি (৪৫)।

মামলার এজাহার সুত্র জানায়,ছয় মাসেই সুখের সংসারের ইতি হলো সাবিনার। তবে এর মধ্যে সে তিন মাসের গর্ভবতী ছিলো। তিন মাস পর থেকেই হলো সংসারে বাধা বিপত্তি। রাজিব ও তার মা তার স্ত্রী সাবিনার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় সাবিনাকে শারীরিক নির্যাতন চালায়। বিষয়টি নিয়ে সাবিনার বাবা একাধিকভাবে ঐ এলাকার ইউসুফ ঢালীকে নিয়ে শালিসে সমাধান করার চেষ্টা করেছে। তবে নির্যাতনের কাল রুপ থেমে নেই। গত ২৬ আগষ্ট সাকাল থেকেই সাবিনাকে বেধম মারধর করে তার স্বামী। পরে সন্ধা ৭ টার সময় কাঞ্চনকে ফোন দিয়ে রাজিব বলেন আপনার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কাঞ্চন গাইন তাৎক্ষনিক এসে বিছানায় সাবিনাকে মরে শুয়ে থাক

সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয়দের কাছে জানা যায়,মাত্র ৬ মাসের সংসার সাবিনা – রাজিব দম্পতীর। তার এক মাস পেরুতেই বিপত্তি বাধে ৩ লাখ টাকা যৌতুকের দাবী নিয়ে। সাবিনার শাশুড়ির কড়াকড়ি আদেশ ছিলো তুর বাপের থেকে টাকা এনে দিবি তা না হলে তুকে মেরে ফেলবো। সাবিনা তার বাবার কাছে বিষয়টি জানালে তার বাবা কাঞ্চন এসে বলেন আমি টাকা দিবো আমাকে কিছুদিন সময় দিন।টাকা না দিতে পারায় সাবিনাকে কিছুদিন পরপরেই টাকার জন্য মারধর করতো। এবং গত ২৬ আগষ্টেও রাজিবের বউকে দুপুর থেকেই মারধর করেছিলো। পরেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে ধারনা এলাকাবাসীর। তবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা? বলছেন সচেতন মহল।

প্রত্যক্ষদোর্ষী হানিফ মৃধা(০৮) বলেন, আমি সেইদিন স্কুল ছুটির পরে রুহুল আমিন দাদার দোকানে বসেছিলাম। পরে রাজিব কাকার বাড়িতে গিয়ে দেখি তার বউ সাবিনাকে মারধর করতাছে। আমি দেখতে গিয়েছি বলে আমাকে তাড়িয়ে দেয় তা মা। পরে দেখলাম তারা তিনজন মিলে সাবিনার মাথা মোচর দিয়ে ঘাড় ভেঙ্গে ফেললো।পরে সাবিনা মাটিতে পড়ে গেলো। তারপরে তারা তিনজন মিলে তাকে নিয়ে দক্ষিন পাশে ছোট ঘড়ে নিয়ে যায়। আর তারা তিনজন বলাবলি করছে সাবিনা আত্নহত্যা করেছে বলবি। তা না হলে আমরা জেলে যাবো।

ইউসুব ঢালী বলেন, ১৫ দিন আগে সাবিনার বাবা কাঞ্চন গাইন আমার কাছে আসে এসে বলে আমার মেয়েকে ওর শাশুড়ি মারধর করে এবং আংটি ও খাট পালং কিনে দিতে বলে।আবার ৩ লাখ টাকা নগদ যৌতুক দাবি করে। পরে আমি দুই পরিবারকে নিয়ে বসে রাজিব ও রাজিবের মাকে বুঝিয়ে দিয়েছি। পরে শুনি দিন পনের পরে আবার সাবিনাকে মারধর করে মেরে ফেলে। পরে ঘটনা ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক করেছে। আমি চাই দোষীদের উপযুক্ত সাজা হউক।

এবিষয় গোসাইরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিপন সরদার বলেন, এই ঘটনার তিব্র নিন্দা জানাই। এবং এখন যদি এই ঘটনার দোষীদের সাজা না হয়। তাহলে এলাকায় স্বামী ও শাশুড়ির হাতে স্ত্রীর উপর নির্যাতনের ঘটনায় বন্ধ হবে না।

এব্যাপারে গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন জানান,গত ২৬ আগষ্ট শুক্রুবার গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আমরা সাবরিনার লাশটি উদ্ধার করি। থানায় একটি (ইউডি) মামলা করা হয়।পরে লাশ ময়না তদন্তের জন্য শরীয়তপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।রিপোর্ট আসলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোর্টে মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষ আইননুসারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শরীয়তপুরে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে নিঃসংশ ভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

নিউজ২৪লাইন:

মঞ্জুরুল ইসলাম রনি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মামুন খান (৩৫) এর উপর দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিত ভাবে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে এলোপাথারি হাতুড়ি ও চাবাডি দিয়ে মাথা আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা নিহত মামুন খানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায়, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠালে রাত ৯ টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।

নিহত মামুন খান নড়িয়া পৌরসভার সাবেক স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় নড়িয়া গার্লস স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন খান নড়িয়া পৌরসভার বাড়ইপাড়া ২নং ওয়ার্ডের সালাম খানের ছেলে।

নিহতের মামা আনোয়ার হোসেন মল্লিক, ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যায় নড়িয়া বাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে গার্লস স্কুল এলাকায় উপস্থিত হতেই মোকলেস বেপারীর নেতৃত্বে ২০/২৫ জন একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে মামুন নৃশংস ভাবে খুন হয় আমরা এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিচার চাই।

নড়িয়া পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনা শুনে আমি দ্রুত হাসপাতালে ছুটে এসেছি সন্ত্রাসীরা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মামুন খানকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে এ হত্যাকান্ডের ঘটনার সাথে জড়িত সকল দোষীবক্তদের দুরত্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

নড়িয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনা শুনতেই আমরা ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করেছি মামলার মামলার প্রস্তুতি চলছে ঘটনার সাথে জড়িত দোষী ব্যক্তিদের খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।