সামাজিক সংগঠন গ্রীণ সোসাইটি বিডি’র ২য় ধাপের কম্বল বিতরনের কর্মসূচি

নিউজ২৪লাইনঃ
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
দেশে চলছে কনকনে শীত, পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় অসহায় দারিদ্র মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। এসব হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সমাজের কিছু মানব দরদি মানুষ। বনশ্রীর সমমনা পরিষদ এর সম্মানিত সভাপতি শাহাবুদ্দিন শিকদার এর আহ্বান ও সার্বিক সহযোগিতায় “শীতার্ত মানুষকে শীতবস্ত্র দিন। বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান” এই স্লোগান কে সামনে রেখে সেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রীণ সোসাইটি বিডির শীতবস্ত্র বিতরণ দ্বিতীয় ধাপে ঢাকার বিভিন্ন ফুটপাতে অসহায়দের মাঝে রাত ১২ টার দিকে শুরু হয়। তারা শাহবাগ, মতিঝিল,শাজাহানপুর, খিলগাঁও, আফতাবনগর,মৎস্য ভবন সহ বিভিন্ন এড়িয়াতে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিতরণ কালে গ্রীণ সোসাইটি বিডির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক ফারজানা শামীম লাইজু বলেন,গ্রীন সোসাইটি বিডির শ্রদ্ধেয় সদস্যবৃন্দ শীতের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে, নিজের আরাম আয়েশ বিসর্জন দিয়ে শীতার্ত মানুষের জন্য উষ্ণতা ছড়াতে প্রস্তত ছিলো গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত। প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিক ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।কোলাহলমুখর ঢাকার চিত্র কি বিচিত্র ছিলো গভীর রাতে। স্তব্ধ পরিবেশে পলিথিন মুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে আছে বিভিন্ন বয়সী মানুষ। কিছু মানুষ এতো রাতেও ময়লা ঘেটে খুঁজছিলো কিছু না কিছু। তাদের পরনে শুধু শরীর ঢাকার কাপড় সম্বল, কেউ কেউ দু’টো কাপড় গায়ে জড়িয়ে আছে ।রাতের ঢাকাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।আলোর ঝলকানিতে কোমল শিশুগুলোর মুখ কতই না মলিন লাগছে । তাদের কারো কারো গায়ে শুধু ছেঁড়া কাঁথা জড়ানো ছিলো। গোরস্থান, এতিমখানা, খিলগাও, শাহবাগসহ ঘুরে ঘুরে আমাদের এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংগঠনটির সহ-সভাপতি আসাদুর রহমান ও এইচ বি হেলেন বলেন আসলে শীতের রাতে বাইরে বের না হলে বুঝা যায়না মানুষের কতটা কষ্ট, সত্যি আল্লাহ আমাদের কত ভালো রেখেছেন, তাই আমাদের উচিৎ তাদের পাশে দাঁড়ানো। তারা সকলকে তাদের পাসগে দাঁড়ানোর আহবান জানান। আশিকুর রহমান টিটু ও আবু রায়হান অর্নব বলেন, বিবেকের দংশন যদি না আমাদের দংশন করে তবে কি লাভ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ হয়ে জন্মে।তবে অনেক অনেক মহৎ হৃদয়ের মানুষের কারনেই আমরা এখনো ভালো মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারি। তেমনিভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গ্রীন সোসাইটি বিডির প্রধান উপদেষ্টা কোমল হৃদয়ে মানুষ শ্রদ্ধেয় শাহাবুদ্দিন শিকদার ভাই। আল্লাহ ভাইকে নেক হায়াত দান করুন, ইনশাআল্লাহ আমাদের রি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীমুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মাসুদ আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক ফারশিদ জামান দ্রুব, এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রীণ সোসাইটি বিডির সদস্যরা। সবশেষে সকলে আহবান জানান যে সবাই মিলে কিছু না দিয়ে ওদের পাশে দাঁড়াই, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে কিছু না কিছু করি এসব সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য।

শরীয়তপুরে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে অ্যাম্বুলেন্সের ৬ আরোহী নিহত

ইয়ামিন কাদের নিলয়
বিশেষ প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকায় ট্রাক পেছনে ধাক্কা লেগে অ্যাম্বুলেন্সের ছয় আরোহী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নওডোবা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- রোগী জাহানারা বেগম (৫৫), স্বাস্থ্যকর্মী ফজলে রাব্বি (২৮), রোগীর মেয়ে লুৎফুন নাহার লিমা (৩০), গাড়ি চালক জ্বিলানি (২৮), চালকের সহকারী রবিউল ইসলাম (২৬) ও সাংবাদিক মাসুদ রানা (৩০)।
শরীয়তপুর জেলা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী উপ-পরিচালক মো. সেলিম মিয়া জানান, ভোরে বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অ্যাম্বুলেন্সটি নওডোবা এলাকায় পৌঁছানোর পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী একটি ট্রাকের পেছন ধাক্কা দেয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ছয় জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
পদ্মাসেতু দক্ষিণ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুরুজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, হঠাৎ করেই থানার পাশে বিকট চিৎকার চেচামেচি শুনে উঠে আসি। এসে দেখি দূর্ঘটনার স্বীকার হয়ে ঘটনাস্থলেই ছয় জন নিহত হয়েছেন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে এনে তাদের নিয়ে গাড়ি ও লাশগুলো আমরা উদ্ধার করি।

ভেদরগঞ্জে ইউএনও‍‍ ও সহকারী কমিশন (ভুমি)র হস্তক্ষেপে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আমান আহমেদ সজিব //ভেদরগঞ্জ শরীয়তপুর প্রতিনিধি
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরসেনসাস ইউনিয়নের বালার বাজার সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার(১৬ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সহকারী কমিশন (ভুমি) ইমামুল হাফিজ নাদিম এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দখলদার ব্যক্তিকে এখানে কোন প্রকার স্থাপনা না করার নির্দেশ প্রদান করেন।

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, এই বাজার টি অধিকাংশ জমিই ১নং খতিয়ানে, এখানে ইস্টামে বেচা কি না হয়।

এসময় স্থানীয় চরসেনসাস ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বালা বলেন, আমার বাবা আলহাজ্ব ইউনুস বালা এই জমির এস আরএস খতিয়ানে মালিক বি আর এস খতিয়ানে সরকারি হওয়ায়। উপজেলা প্রশাসন এসে এখানে অভিযান পরিচালনা করে। আমরা প্রশাসনকে সর্বাদিক সহযোগিতা করবো।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে কে বা কারা,বলেন চরসেনসাস ইউনিয়নের বালার বাজরে খাশ জমিতে দোকান ঘর স্থাপনা করতেছে, আমরা সেই মোতাবেক এসে দেখতে পাই। কাগজ দেখে, আমরা দোকান ঘরটি উচ্ছেদ করে দিচ্ছি। সরকারি জমি উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে।