মুন্সীগঞ্জ রিকাবী বাজারের কালভার্ট নির্মান ঢালাই কা‌জের উদ্ধোধনে পৌর মেয়র

নিউজ২৪লাইন:
মো: সুজন বেপারী – মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার রিকাবীবাজার মাছ বাজার সংলগ্ন ১৯ লাক্ষ ৪৪ হাজার ৩৭১ টাকার ভেন্ট বিশিষ্ট কালভার্ট নির্মান কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহ‌স্প‌তিবার দুপুরে মিরকাদিম পৌর মেয়র হাজী মোঃ আব্দুস সালাম এ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন। পরে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় মেয়র হাজী মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, কালভার্ট নির্মা‌নে ব্যয় হ‌বে ১৯ লাক্ষ ৪৪ হাজার ৩৭১ টাকা। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। তারই ধারাবাহিকভাবে মিরকাদিম পৌরসভা উন্নয়ন হচ্ছে, উন্নয়ন কাজে জনগণের সহযোগিতা চাই। এসময় আরো উপ‌স্থিত ছিলেন মিরকা‌দিম পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ বা‌প্পি শাহা‌রিয়া, মিরকা‌দিম পৌর ১নং ওয়‌ার্ড কাউ‌ন্সিলর মোঃ আব্দুল জ‌লিল, মিরকা‌দিম পৌর ৪নং ওয়ার্ড মোঃ দ্বীন ইসলাম, মিরকা‌দিম পৌর সা‌বেক কাউ‌ন্সিলর মোঃ আব্দুল ম‌জিদ সহ আ‌রো অন্যান্য প্রমুখ।

ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে শহীদ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

নিউজ২৪লাইন:

নুরুজ্জামান শেখ : শরীয়তপুর থেকে:
শরীয়তপুরে কতিপয় চিহ্নিত ভূমিদস্যুতের হাত থেকে বাঁচতে এবং ক্রয় সূত্রের মালিক পৈতৃক সম্পত্তির রক্ষার্থে শহীদ আব্দুল সামাদ শিকদারের পরিবারের সদস্যগণ ১০ থেকে ১২ জন সাংবাদিকের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন করেন।
গত দুই মার্চ ২০২৩ বৃহস্পতিবার বিকেল চার ঘটিকার দিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৮৫ নং চরকাশাভোগ হাইওয়ে রোডের পাশে নাল জমিতে শহীদ সমাদ শিকদারের পরিবারের সদস্যগণ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট কতিপয় চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শহীদ আব্দুল সামাদ শিকদারের পুত্র ইসমাইল হক সিকদার গণমাধ্যমকে বলেন ৮৫ নং চরকাশাভোগ মৌজার আর.এস ১১ নং খতিয়ানে ২৩/২৪ ২৫ ২৬ নং দাগে মোট জমির পরিমাণ ৯৮ শতাংশ এবং এস এ খতিয়ান নং ১৩ ও বি আর এস খতিয়ান নং ৪৫ এবং বর্তমান বিআরএস দাগ ২০ ২৪ ২৫। আমার পিতা আব্দুল সামাদ সিকদার এবং মাতা অজুফা বিবি ১৯৬২ সালে ১৩৮৫ নং দলিলে ১৪ শতাংশ এবং ৫৯ সালে ২৬১১ নং দলিলে ২০ শতাংশ এবং ৫৮ সালে ২৪৬ নং দলিলে ৮ শতাংশ এবং ৬৬ সালে ৩২০৫ নং দলিলে ১৪ শতাংশ এবং ৫৭ সালে ৬৭৩৭ নং দলিলে ২৪ শতাংশ এবং আমার দাদা কালা চাঁন সিকদার এবং দাদি রূপবান বিবি এর নিকট থেকে আরএস জরিপে ২৭ শতাংশ সহ এস এ আর এস এ এবং দলিল মূলে ও রেকর্ডি মালিক ও ওয়ারিশ খরিদা সূত্রে পরবর্তীতে বিআরএস জরিপ আসলে ৪৫ নং বিআরএস খতিয়ান আমার পিতা মাতার সকল ওয়ারিগণ মোট ৯৮ শতাংশ জমির মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে চাষাবাদ করে ভোগদখল করে আসছি। ইসমাইল হক সিকদার তিনি আর বলেন জোনাব আলী হাওলাদার এর ওয়ারিগনেরা গোপনে চিকন্দি আদালতে ৬২/১২ দেওয়ানী মকদ্দমার মাধ্যমে একতরফা ডিগ্রি লাভ করে অর্থের বিনিময়ে পুরো ৯৮ শতাংশ জমি নামজারি করে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে ওই ভূমিদস্যুরা। ইসমাইল হক শিকদারের ছেলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন জোনাব আলি হাওলাদারের ওয়ারিশগন আবুল হোসেন হাওলাদার এবং এমারত হাওলাদার এরা কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি স্থানীয় নেতা এবং ভূমিদস্যু ইকবাল হাওলাদার, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, আলামিন হাওলাদার, এনামুল হাওলাদার, জাহিদুল হাওলাদার, আজিজুল খা, ফারুক বেপারী, বাবুল হোসেন, সুমন, রাজু সহ এরা সকলেই জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। যুদ্ধ অপরাধী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের জেলার একমাত্র সাক্ষী ইসমাইল হক সিকদার সহ আমরা সকলেই জান মালের নিরাপত্তাহীনতা ভুগতেছি। এই মুহূর্তে আমরা আপনাদের মাধ্যমে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং আমরা সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।