ময়মনসিংহে মহিলা শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

নিউজ২৪লাইন:

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মহিলা শ্রমিক লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার আয়োজনে সভাপতি সৈয়দা রোকেয়া আফসারী শিখা সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাসকিনা খানম লোবা সঞ্চালনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে গড়া সংগঠন মহিলা শ্রমিক লীগের ১৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়।
এসময় জেলা ও মহানগর মহিলা শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (২৯ মার্চ ২০২৩) বিকাল ৫ ঘটিকায় ময়মনসিংহ নাগরিক আন্দোলন অফিসে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা কেক কাটা ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আজাদ জাহান শামীম অতিথির বক্তব্য রাখেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শামীমা সুলতানা রুবি, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ কামরুন নাহার শিপো, কার্যকরী সভাপতি ফরিদা খাঁন, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা আফরোজ বিউটি, সহসভাপতি হেলেনা আজাদ, তাহমিনা আক্তার রিতা, পারভীন আক্তার, শামছুন্নাহার রুমা, ইলোরা দাস, আছিয়া আক্তার, নুরজাহান ভূইয়া, প্রচার সম্পাদক এনি আফরিন ইলা প্রমুখ। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ইফতার আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন সকলেই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার সকল পদক্ষেপই নিয়েছেন : উপমন্ত্রী শামীম

আমান আহমেদ সজিব :
শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ দৃশ্যমান। এখন লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার। আর এজন্য প্রধানমন্ত্রী সকল পদক্ষেপই নিয়েছেন। আর এই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রধান সৈনিক হবে নতুন প্রজন্ম। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য ৪টি ভিত্তি সফলভাবে বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এগুলো হলো- স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি। তাই প্রথমেই আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।

বুধবার (২৯ মার্চ) সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ১৩৮ শিক্ষার্থীকে ট্যাব, ৪২ টি প্রতিষ্ঠানে ২৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকার টিআরের চেক বিতরণ ও
উপজেলা পর্যায়ে আয়বর্ধক প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ১২ লাখ টাকার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনী বাংলাদেশ। স্মার্ট সিটি ও স্মার্ট ভিলেজ বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট ট্রান্সপোর্টেশন, স্মার্ট ইউটিলিটিজ, নগর প্রশাসন, জননিরাপত্তা, কৃষি, ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। সবাই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

উপমন্ত্রী বলেন, এদেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে এদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য নিজেদের (শিক্ষার্থী)কে মনোনিবেশ করবে সেটাই আমাদের কাম্য। নিজেদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আজকের নতুন প্রজন্মের মেধাবী প্রতিনিধিরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশকে নেতৃত্বে দেবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নতুন প্রজন্মকে নিয়ে ভাবতেন। তেমনি তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে নতুন প্রজন্ম। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বমানের শিক্ষা পেয়ে সুনাগরিক হতে পারে। যেকোনো জায়গার শিক্ষার্থীর সঙ্গে শুধু তাল মিলিয়েই চলা নয়, উন্নত প্রযুক্তিটাও যেন সে আয়ত্ত করতে পারে। সেই ভাবেই তাদের গড়ে তুলতে হবে। কারণ, আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হলে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণের ওপর আওয়ামী লীগের আস্থা শতভাগ। জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ মাটি ও মানুষের সঙ্গে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা এনে দিয়ে গেছেন। আর জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছেন। তাই জনগণ আগামী নির্বাচনেও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকেই ক্ষমতায় আনবে।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রাশেদউজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, এএসপি রাসেল মনির, নড়িয়া পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন,
উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জাকির বেপারী, শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলুল হক, পিআইও সোহবার হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার প্রমূখ।

কোতোয়ালি থানা পরিদর্শনে বুক কর্ণার, মটরসাইকেল শেড উদ্ভোবন করলেন পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা

নিউজ২৪লাইন:

শিবলী সাদিক খানঃ

ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শন, সর্বসাধারণের জন্য বুক কর্ণার, মোটরসাইকেল শেড উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শাহীনুল ইসলাম ফকির সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ সাথে ছিলেন।
থানায় আসা সেবা প্রত্যাসীরা বসে থেকে যাতে অলস সময় পার করে বিরক্তিবোধ না হয় সেই লক্ষ্যে সেবা প্রত্যাশীদের জন্য কোতোয়ালি মডেল থানায় বুক কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া থানার অফিসার ফোর্স সহ আগত জনসাধারণ যাতে নিরাপদে তাদের মোটরসাইকেল রাখতে পারে সেই লক্ষ্যে মোটরসাইকেল শেড নির্মাণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার থানা পরিদর্শনের পাশাপাশি বুক কর্ণার ও মোটর সাইকেল শেড উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার। এখন থেকে থানায় বসে অলস সময় পার করতে হবে না সেবা প্রত্যাশীদের। এখন থেকে থানায় বসে বই পড়ে সময় পার করতে পারবেন থানায় আসা সকল সেবা প্রত্যাশীরা। কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে থানা ভবনে”বুক কর্ণার” উদ্বোধনের মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতায় পরিচয় দিয়েছেন কোতোয়ালী থানা পুলিশ।
জেলায় ও ময়মনসিংহ রেঞ্জে বার বার শ্রেষ্ঠ এবং দায়িত্বশীল মানবিক ওসি শাহ কামাল আকন্দ কোতোয়ালি মডেল থানায় দীর্ঘ সময় চাকুরীকালীন সময়ে দেখতে পান থানায় সেবা নিতে সেবা গ্রহিতারা বসে বসে অলস সময় পার করছেন।
খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসারগণ তাদের দায়িত্ব পালনে থানার বাইরে বেশির সময় ব্যস্ত থাকেন। এই ফাঁকে অনেক সেবা গ্রহিতা তাদের নির্ধারিত পুলিশ কর্মকর্তার জন্য অপেক্ষায় অলস সময় পার করেন। দুরদুরান্ত থেকে আসা সেবা গ্রহিতারাও কর্তা ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু না বলে ফেরত যেতে রাজি নয়। এই সময়ে তারা অলস বসে থাকেন।
চৌকস দায়িত্বশীল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বিষয়টি গুরুত্ব অনুদাবন করে বুক কর্ণার স্থাপন করে অলস সময় পার করা মানুষদের কিছুটা হলেও প্রশান্তি দিতে চেষ্টা করেন। এই লক্ষে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোতোয়ালি মডেল থানায় বুক কর্ণার স্থাপন করে আবারো নজির সৃষ্টি করলেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার “বুক কর্ণারে” রয়েছে যতীন সরকার, হুমায়ুন আহমেদ, আবুল মনসুর আহমদ, অদ্বৈত মল্ল বর্মন, শেখ মুজিবুর রহমান, জয়িতা শিল্পীদের মতো প্রখাত লেখক ও উপন্যাসিকদের বইসমূহ। এছাড়াও এখানে রয়েছে বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীসহ নানা ধরনের মূল্যবান সব বই।

এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন থানায় উপস্থিত সেবা প্রত‍্যাশীদের অনেকেই। তাছাড়া বই আত্মশুদ্ধি ও চেতনার উন্মেষ ঘটায় বিধায় শুধু সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নয়, পাড়ায় মহল্লায় এহেন সময়োপযোগী ও ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানান সচেতন মহলের লোকজন। কথায় আছে , যার একটি পাঠাগার আছে, তিনি একটি সুন্দর পৃথিবীর মালিক। সেই প্রত্যাশা পুরণ করতে ব্যাতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ।