স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর পেয়েছেন স্বীকৃতি কিন্তু পাননি মাথা গোজার ঠাই

নিউজ২৪লাইন:

সাগর মিয়া
জাজিরা (শরীয়তপুর)

একাত্তরের ভয়াল স্মৃতি মনে করে এখনো আঁতকে ওঠেন যোগমায়া মালো। ৫৩ বছর ধরে শরীর ও মনের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। ৪৩ বছর ধরে অন্যের আশ্রয়ে আছেন। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও  এখনও তিনি অন্যের আশ্রয়ে থাকেন। মাথা গোজার মতো ছোট্ট একটি ঘরও নেই তার। শেষ জীবনে একটি ঘরের আশ্বাস বারবার তাকে দেওয়া হলেও এখনও তিনি সেই ঘর পাননি।

যোগমায়া মালো, তার পরিবার ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭১ সালে ১৫ বছরের কিশোরী গৃহবধু ছিলেন যোগমায়া মালো। একাত্তরের সেই ভয়াবহ সময়ের ২২ মে শরীয়তপুরের মনোহর বাজারের দক্ষিণ মধ্যপাড়ার হিন্দু বাড়িঘরে তাণ্ডব চালায় পাকিস্তানি সেনারা। হামলার দিন তার স্বামী নেপাল চন্দ্র মালো নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। কিশোরী গৃহবধু যোগমায়া মালো একা বাড়িতে থাকায় অন্যদের সঙ্গে পালাতে সাহস করেননি। বাড়িতে একা পেয়ে রাজাকার ও পাক বাহিনীরা তাকে ঘর থেকে জোর করে নিয়ে যায় মাদারীপুরের এআর হাওলাদার জুট মিলে। তার সঙ্গে নেওয়া হয় আরও ৩০-৩৫ জন নারীকে। সেখানে পাঁচদিন নির্যাতন সহ্য করার পর ছাড়া পায় যোগমায়া মালো। পরে মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করতে করতে বাড়িতে এসে স্বামীকে খুঁজে পান তিনি। একাত্তরে পাক বাহিনী ও রাজাকাররা তার বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছিল। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়লেও পাক বাহিনীর নির্যাতন এখনও তাকে ক্ষত-বিক্ষত করে। প্রায় ৩৩ বছর আগে স্বামী মারা যায়। তিনি দক্ষিণ মধ্যপাড়া এলাকার একটি ছোট্ট টিনের ঘরে ভাড়া থাকেন। ভাড়াও ঠিক বলা যায় না, বাড়ির মালিক দয়া করে ছেলে, পুত্রবধু, নাতিসহ যোগমায়া মালোকে আশ্রয় দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাওয়ার পরে যোগমায়া মালোকে আশ্রয় প্রকল্পের একটি ঘরে থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে যোগমায়া সেখানে থাকতে রাজি হোননি। পরবর্তীতে তাকে জানানো হয়, নিজস্ব জমি থাকলে বীর নিবাস নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ছেলে অশোক মালো ও উত্তম মালো পেশায় জেলে। ঋণ করে তারা তিন বছর আগে মায়ের নামে ৪ শতাংশ জমি কিনেছেন একটি ঘর পাবেন বলে। কিন্তু বয়সের ভারে ন্যুব্জে পড়া মুক্তিযোদ্ধা যোগমায়া মালো সেই ঘর এখনও পাননি। মৃত্যুর আগে যদি মাথা গোজার একটি ঘর পেতেন তাহলে নিজের ঘরে বসে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারতেন বাঙালি জাতির এই শ্রেষ্ঠ মা।

যোগমায়া মালোর পুত্রবধু ডলি মালো বলেন, ‘অসুস্থ্য হলে নাওয়া-খাওয়া সবই করে দিতে হয় আমাকে। কিছুদিন আগে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছিলেন আমার শাশুড়ি। তখন ঢাকা নিয়েছিলাম। বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায়শই তিনি অসুস্থ্য থাকেন। সরকার যদি বেঁচে থাকতে তাকে ঘরটি দিতো তাহলে তিনি ঘরটা দেখে যেতে পারতেন।’

যোগমায়া মালোর ছেলে অশোক চন্দ্র মালো সংবাদকে বলেন, “পাকিস্তানি মিলিটারি আমাদের ঘর বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার পরে আর নিজের ঘরে মাথা গোজার ঠাই হয়নি। এখন টিনের একটি ছোট্ট ঘরে ভাড়া থাকি আমরা, বাড়ির মালিককে মাঝে মধ্যে ভাড়াও দিতে পাড়ি না। খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন যায় আমাদের। মা বেঁচে থাকতে যদি সরকার বীর নিবাস তৈরী করে দিতো, তাহলে মাকে নিয়ে থাকতে পারতাম। কিন্তু গত ২-৩ বছর যাবৎ শুধু আশ্বাস পাচ্ছি। ঘর পাচ্ছিনা।”

বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগমায়া মালো বলেন, ‘আমার স্বামী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, এই জন্য আমাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল পাক বাহিনী। ঘর বাড়ি সব পুড়িয়ে দিয়েছিল। আমাকে অপমান করেছিল। নির্যাতন করেছিল। আমার থাকার মতো কোনো ঘর নেই। ছোট একটি ঘরে ছেলে, বউ, নাতি নিয়ে থাকি। সরকার আমাকে ঘর দিবে বলে আমার ছেলেরা খুব কষ্ট করে আমাকে জমি কিনে দিয়েছে। ২ থেকে ৩ বছর ধরে শুধু বলতেছে ঘর দিবে, কিন্তু এখনও ঘর দেয় নাই। বয়স হয়েছে, কখন মরে যাই জানি না। বেঁচে থাকতে যদি একটি ঘর পেতাম তাহলে নিজের ঘরে বসে মরতে পারতাম।’

শরীয়তপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ শিকদার বলেন, ‘সদর উপজেলার নারী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যোগমায়া মালো অন্যতম একজন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার গেজেট প্রকাশ হয়েছে। উপজেলা ও জেলা প্রশাসন তাকে একটি বীর নিবাস তৈরী করে দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু এখনও ঘরটি তিনি পাননি। যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগমায়া মালো ঘরটি পায়, তাহলে বাকি জীবন তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে পার করতে পারবেন।’

শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাইনউদ্দিন বলেন, নারী মুক্তিযোদ্ধা যোগমায়া মালো। তাকে এখনও বীর নিবাস দেওয়া যায়নি, কারণ তার নামে জমি ছিল না। তবে জানতে পেরেছি এখন তার নামে জমি রয়েছে। তার নামে থাকা জমির নথিপত্র আমাদের কাছে তিনি দিয়েছেন। পরবর্তী ধাপে আমরা তাকে একটি বীর নিবাস নির্মাণ করে দেওয়ার চেষ্টা করব। পাশাপাশি তার যেকোনো প্রয়োজনে তার পাশে থাকবে উপজেলা প্রশাসন।’

বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তা দিলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রূপগঞ্জ ক্বওমি মাদরাসা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশ

নিউজ২৪লাইন:

মোঃআবু কাওসার মিঠু

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ক্বওমি মাদরাসা আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ডের ৯ম পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল ৩১ মার্চ রবিবার উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের মহব্বতপুর (মাঝিপাড়া) ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ২০২৪ সালের  ৯ম পরীক্ষায় উপজেলার ৬১টি মাদরাসার  ৯ শত ১৬ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। পরিক্ষায় পাশের হার ৮৭%। এর মধ্যে মেধা তালিকায়  ১শত ৬ জন উর্ত্তীন্ন হয়েছে।

ফলাফল প্রকাশের সময়  উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ  আঞ্চলিক বোর্ডের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুফতি বদরুল আলম সিলেটি, মাওলানা  বেলাল হোসাইন মাদানী, মাওলানা ইউসুফ ফরিদি, মুফতি আবু বকর, পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা মিজানুর রহমান খানসহ অন্যান্য মাদরাসার মুহতামিমগণ।

ফলাফল প্রকাশের আয়োজিত অনুষ্ঠানে  বক্তারা বলেন, রূপগঞ্জ উপজেলার ক্বওমি মাদরাসার শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঐক্যবদ্ধভাবে দ্বীনি খেদমত আঞ্জাম দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে ইসায়ীতে প্রতিষ্ঠিত হয় তানযীমুল মাদরিসিল ক্বওমিয়্যা রূপগঞ্জ। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দক্ষতার সাথে স্বচ্ছতা ও সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে উত্তর উত্তর সাফল্য অর্জন করে আসছে। সর্বোচ্চ মেধাবীদের বার্ষিক মাহফিলে বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার মানের  এক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে তৈরি করছে।

তাং- ৩১-০৩-২৪ইং

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

বহিরাগত সাইফুল গঙ্গের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় জিডিও অভিযোগ

নিউজ২৪লাইন:
—————————
হাবিব সরকার স্বাধীন :
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল এসিল্যান্ড অফিস। বহিরাগত দালালের আখড়া পরিণত এমনি অভিযোগ উঠেছ। দালাল ছাড়া ফাইল লড়ে চড়ে না। ভুক্তভোগীদের দাবি ডিজিটাল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে এখানেই ভয়। সরিষার ভিতরে ভূতের আসর থাকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বাধাগ্রস্ত হবে না তো আমাদের দেশ?অভিযোগ পাওয়া গেছে কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ইতিপূর্বে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে নানান দুর্নীতি অপরাধ কর্মের কারণে।অর্থলোভী কয়েকজন কর্মকর্তার কারণে এমনইটাই হতে যাচ্ছে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিস।অভিযোগ উঠেছে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল মাস্টার রোলে চাকরি করেন যারা তারাই অফিসের লালন পালনকর্তা।আরো বহিরাগত দালাল চক্র সাইফুল বাহিনী, তার বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগ। এসিল্যান্ড অফিসে আশেপাশে কথা উঠেছে পিচ্ছি সাইফুল কে নিয়ে।এসিল্যান্ড মহোদয় নাম ভাঙ্গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষকে বোকা বানিয়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে তিনি। দিল হাসিল করছে সাইফুল। কারিশমার ধারায় কাগজের কার্যক্রম তিনি সমাধান করে থাকেন,ডিসি অফিস এবং সকলের সাথে তা রয়েছেন অন্তরঙ্গার সম্পর্ক ।সরজমিনে অনুসন্ধান দেখা যায়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নানান পেশার মানুষকে সাইফুল বাহিনী কাছে প্রতারণার শিকার হয়েছে। তাদের হিংস্র থাবা থেকে সংবাদকর্মীরাও রক্ষা পায়নি।এমনটাই জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সংবাদ কর্মী রকি পাটোয়ারী।আর দেখা যায় আশেপাশে কিছু দালালের ভূমিকা দেশি রাজহাঁস মত যেভাবে পায় সেভাবেই খেতে চায়।নিয়ম-কানুন ভুলে গেছে তারা কি! কি দায়িত্ব! এমনি কার্যক্রমের ভিডিওফুটেজ দেখা যায়।খিলক্ষেত দালালের খপ্পরে ভরে গেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিস। ইতিপূর্বে সংবাদের শিরোনাম হয়েছে বহু প্রতিষ্ঠান।অপরাধীদের কর্মকান্ড কারণে ক্ষুন্ন হচ্ছে সরকারের ভাবমূর্তি। নানান দুর্নীতি অপরাধ কর্মের কারণে এমনইটাই হতে যাচ্ছে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিসে।যা মহোদয় জালাল সাহেবের জানা নেই। নানান অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষনীতি, একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও নিজস্ব সিন্ডিকেট গড়ে তোলার খবর পদ্মার আড়ালে রয়ে যায় অজানা কাহিনী।
সার্ভেয়ার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (মিজান)গ্রাহকদের সেবা না দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ খান। মিজানের সাথে অন্তরঙ্গ সু সম্পর্ক দালালও বহিরাগতদের সবুজ নিয়ন্ত্রণ করে সার্ভেয়ার
মিজানের আইডি।তিনি শুধু নির্দেশ দাতা।অভিযোগ রয়েছে শুধু মিজান নয়।বহু মিজান মনগড়া মত। অফিস পরিচালনায় ব্যস্ত যেখানে নেই কোন নিয়ম-শৃঙ্খলা,রয়েছে শুধু অনিয়ম দুর্নীতি। ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল এর মিজানের ভিডিও ফুটেছে স্পষ্ট সেবা মান কতটুকু সুরক্ষিত।কয়েকজন গ্রাহক প্রতিবেদকে বলেন স্যার বর্তমান এসিল্যান্ড’র ভালো মনের মানুষী ও সহজ সরলতার সুযোগ নিয়ে নিজস্ব সিন্ডিকেট, একক সেচ্চাচারীতা ও সর্বোচ্চহারে ঘুষ আদায়ের এক পৈচাশিক আবাসস্থল গড়ে তুলেছেন। টাকা ছাড়া এই চার’জনের কাছে থেকে সেবা না পাওয়া ভূমি জোতদারদের ভাষ্যমতে ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব এসিল্যান্ডের সার্ভেয়ার মিজান (৫০) ( সাইফুল (৩২) বহিরাগত ডিসি অফিস নিয়ে সর্বক্ষণে ব্যস্ত থাকেন সে।নাম্র কাজে নয়।অন লাইন (বাবুল) নামে পরিচিত একটি দোকান খুলে বসেছেন তিনি স্থানীয়রা বলছেন এটা শুধুই বাবুলের সাইনবোর্ড। এসিল্যান্ড অফিসের প্রত্যেকটি কার্যক্রমের সাথে উনি সংযুক্ত কয়েকজন অভিযোগ করেছে। অফিসের ভিতরের এক নামে পরিচিত বাবুল।(৩৫) আরো জানা যায় সাইফুলের আলতাভুক্ত এক ডজন বেশি বহিরাগত দালাল রয়েছে। প্রতিটি দালাল যেন মহাক্ষুধার্ত রাঁজহাস! বিগত সাত আট বছরের মধ্যে ক্যান্টনমেন্ট এসিল্যান্ড অফিসে এরকম সিন্ডিকেটধারী, দুর্নীতিবাজ, ঘুষখেঁকো একত্রিত হতে পারেনি। উত্তরা, খিলক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট,স্থানীয় এলাকাবাসী।আগে কখনো দেখেনি! অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন দালালচক্র এসিল্যান্ডের সরল মন-মানসিকতার কারণে এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। তারা নগদ টাকা পেলে কাজ করে, টাকা না পেলে নানান অযুহাত এনে নির্ভেজাল কাজও ভূমি সহকারী কমিশনার বরাবর না মঞ্জুরের সুপারিশ করে পাঠায়। ভূমি অফিসের দুজন সিনিয়র ব্যক্তি’র (সার্ভেয়ার ও কানুনগো) মাধ্যমে যখন কোনো নামজারি নথি এসিল্যান্ড বরাবর না মঞ্জুরের সুপারিশ করা হয়, তখন ভূমি সহকারী কমিশনার মহাদয়ের আর কিছুই করার থাকে না। কমিশনার সাহেবও তখন তাদের তালে তাল মিলিয়ে সাক্ষর করেন সার্ভেয়ার ও’র ভাষ্যমতে নামজারি ও জমাভাগের কেইসটি না মঞ্জুর করা হলো! এই যদি হয় ভূমি সেবা! মানুষ যাবে কোথায়? ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল এসিল্যান্ড অফিসে সেবা নিতে আসা অসহায় ভূমি মালিকদের মুখে মুখে শোনা যায় ‘অত্র অফিসের ঘুষখোর প্রাণির নাম সার্ভেয়ার (মিজান) অল লাইন (বাবুল) পিচ্ছি সাইফুল অরফে (দালাল)নামজারি নথি বা কেইস বাতিল করে যেন ভবিষ্যতে কোনো জবাবদিহির মখোমুখি না হতে হয় তারও বহু কৌশল তাদের নিজস্ব ফরমেটে তৈরি করা আছে। একটা নির্ভেজাল কাজে তাদের চাহিদা মতো টাকা না পেলে নামজারি বাতিলের সুপারিশ এমন ‘মূল কাগজপত্র বা দলিল প্রদর্শন না করায় অত্র নামজারি না মঞ্জুর করা যেতে পারে’! অথচ, তাদের সিন্ডিকেট বাহিনির বেলায় এ ধরনের কোনো অযুহাত নেই এবং সারাদিনে দু চারটি মূল দলিল বা মূল কাগজ দেখেছে এরকম নজির খুবই কম। আবার হয়তো কারো কারও নামজারি নথিতে মনগড়াভাবে লিখে রাখে নকশা, পেন্টা লাগবে বিধায় না মঞ্জুরের সুপারিশ! আবেদনকারী নিজে উপস্থিত না থাকায়; না মঞ্জুরের সুপারিশ! অথবা দলিল দাতার/গ্রহিতার বাবার/মায়ের নামের এক অক্ষর ভুল বা এ-কার নাই। আ-কার নাই বা ও-কার নাই, এইসব নিয়েও না মঞ্জুরের সুপারিশ! ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট ছয় থেকে এক বছরের পুরোনো হলেই তারা সরকারি নির্দেশনা দেখাবে যে- চলবে না, নিম্নতম তিন মাসের আপডেট লাগবে। সাধারণ পাবলিকের কাজে এরকম আপডেট কাগজ না থাকলেও নামজারি বাতিলের সুপারিশ করা হয়! অথচ, এমনও খারিজ ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে; যার ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট একদম জাল, ফুটপাত থেকে বানানো, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তা কোনো স্থানীয় চেয়ারম্যান বা পৌর মেয়র কর্তৃক প্রদত্ত নয়! শুধু তাই নয়। ২০২৩ সালের নামজারিতে ২০১০ সালের হাতে লেখা সম্পূর্ণ এনালক পদ্ধতির ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট লাগিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে খারিজ করে দেওয়ার কূ-কীর্তির অভিযোগ শোনা যায়। সেবাপ্রার্থী লোকজনের মুখ থেকে জানা যায় ‘তারা এখানে আসছে শুধু টাকা কামাতে, এখান থেকে যা পারে কামিয়ে নিয়ে অন্য কোথাও বদলি হয়ে যাবে’। একই কাগজ বা দলিল পর্চা দিয়ে আবেদনকৃত বহু নামজারি কেইস বাতিল হয়েছে শুধুমাত্র নির্ধারিত ঘুষের টাকা না দেওয়ার কারণে। সেই একই কাগজপত্র ও দলিল পর্চা দিয়ে পূনরায় আবেদন করে যথাযথভাবে সার্ভেয়ার। নির্ধারিত ফি পরিশোধে খারিজ ডেলিভারি নেওয়ার নজির আছে শত শত! তাদের সেই নির্ধারিত ফিস গ্রহণের জন্য আছে নিজস্ব জনবল ও গোপন হিসাবের খাতা। সে খাতা এবং নগদ টাকা জমা রাখেন সিন্ডিকেট বাহিনী। ওদের ভিতরে বিশ্বাসতো ক্যাশিয়ার হিসাব রাখে।বহিরাগত যিনি নন অফিসিয়ালম্যান হয়েও বীরের মতো কাজ করছেন। এসিল্যান্ড অফিসে মাষ্টাররুলে চাকরি করাবস্থায় দুর্নীতির দায়ে চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো! সেই ছেলেটিই। ভাই মিজানের বিশ্বস্ত কর্মী বলে অভিযোগ সীমাহীন। তার ভাই আবারও এসিল্যান্ড অফিসে! ভাবা যায়? নিজেদের লোক সেটিংস এর সুবিধার্থে পুরাতন মাষ্টাররুলে চাকুরীরত লোকদের বিভিন্নভাবে বিতাড়িত করে পাকাপোক্তভাবে গড়েছেন ঘুষ দুর্নীতির আখড়া! উপরে বর্ণিত অপরাধগুলো খুবই সামান্যতম মনে হবে যদি শোনা যায় কাজের ধরন বুঝে ঘুষের টাকার অংক নির্ধাারণ করে দেওয়া হয়! ডিসিআর ফি সরকার নির্ধারিত ১১৫০ টাকা বর্তমানে অনলাইনে জমা নিলেও নাজির শাখায় এক্সট্রা ৫০০-৭০০ টাকা জমা দিয়ে তারপর আগত ও চলমান জোত খতিয়ান পোষ্টিং নিতে হয়। নামজারির সর্বশেষ ধাপে এসে উক্ত বর্ণিত নামজারির ফি বাদে এক্সট্রা টাকাটা না দিলে জোত খতিয়ান আর পোষ্টিং দেওয়া হয় না। ফলে অনলাইন থেকে ডিসিআর এর ১১৫০ টাকা জমাদানের যে সরকারি ম্যাসেজ, তা আর গ্রাহকের মোবাইলে আসে না! কয়েকদিন পরে গ্রাহক জানতে পারে, পেন্ডিং জটিলতার কারণে তার নামজারি জমাভাগের প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়েছে! এই সমস্যাটি ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল এসিল্যান্ড অফিসে বর্তমানে মারাত্মক ভয়াবহ ও মহামারীর রুপ ধারণ করেছে! এর সম্পূর্ণ দায়ভার ও দোষ চাপানো হচ্ছে সাধারণ জনতার কাঁধে। বলা হচ্ছে- সময়মত ডিসিআর ফি জমা না দেওয়ায় অটো বাতিল হয়েছে! অথচ, ডিসিআর ফি জমা দেওয়ার কোনো ম্যাসেজ-ই আসেনি। মূলত অফিসের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে বড় বাবু সাহেব যাকে যেখানে যেভাবে সেটিং করে দিয়েছে, সে সেভাবেই তাদের সিন্ডিকেটের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। জনগণের কথা ভাবার মতো সময় তাদের নেই। সে জন্য নেজারত শাখায় ঢুকলেই দেখা যায় এখানে কেউ হয়তো কাজ করতে আসেনি, মনে হয় সবাই বিকাশ, রকেট ও নগদের ডিলারশীপ নিয়ে দিব্যি ব্যবসা করছেন। সার্ভেয়ার ও কানুনগো’র সাথে কাজ করা একজনের সাক্ষাৎকারে জানা যায় (যা গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত), ভূমি সহকারী কর্মকর্তাসহ পুরো এসিল্যান্ড অফিসটাকে আঙ্গুলে তুলে নাচাচ্ছেন ৩ জন অথবা৪ জন। সরকারি অফিসিয়ালি স্টাফ। কেউ প্রতিবাদ করলে হুংকার দিয়ে বলেন এসিল্যান্ডকে আমি বুঝাবো, আপনার কিছু বোঝার দরকার নাই, অফিস কিভাবে চালাতে হয়, আপনে শুধু দেখবেন। এসিল্যান্ড স্যার খুব ভালো ও সরল সোজা হওয়ার জন্যে সার্ভেয়ার-(মিজান) অনলাইন( বাবু)( দালাল (সাইফুল) (শিপন) তার মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খেতে পারছে। আগেও সংবাদের শিরোনাম হয়েছিল (শিপন) তবুও বহাল তবিয়তে গাপটি মোড়ে বসে আছে ক্যান্টেমেন্ট রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিসে শিপন। বদলি হয়েছে শিপন তবুও অজানা রহস্যময় কারণে এখানেই রয়ে যায় তিনি।অনুসন্ধানে চঞ্চল আরো তথ্য পাওয়া গেছে। জানা যায় টেবিলে বিভিন্ন কাজের রেট। বি আর এস খাস দাগ ১৫ হাজার টাকা। এস এ, আর এস ৮নং রেজিস্টার দাগ হলে ১৫ হাজার টাকা, এল এ দাগ ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা,খ তালিকা হলে ৩ থেকে ৫ হজার টাকা, নির্ভেজাল প্রতি পিছ কাজের রেট ১ হাজার টাকা! তাদের ঔদ্ধোত্বপূর্ণ আচরণ ও অহমিকামূলক কথাবার্তায় বোঝা যায়; তারা এসিল্যান্ড অফিসে রাজ করতে এসেছে।লুট করতে এসেছে, শোষন করতে এসছে! তারা কোনো পাবলিক সেবা দিতে আসেনি!

বাংলাদেশ অর্গানিক প্রডাক্ট ম্যানুফাকচার এ্যাসোসিয়েশন এরইফতার মাহফিল সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ অর্গানিক প্রডাক্ট ম্যানুফাকচার এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে আজ রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে “অর্গানিক উদ্যোক্তা মিট আপ ২০২৪” অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত প্রোগ্রাম উপস্থিত ছিলেন এ্যাসোসিয়েশন এর আহবায়ক কমিটির সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম শোভন, মো: নাসির উদ্দীন, মো: বিজয় সহ অর্গানিক এ্যাসোসিয়েশন এর জুনিয়র পুষ্টিবিদ মো: সোলায়মান হোসেন।

রূপগঞ্জে কামাল হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

নিউজ২৪লাইন:

মোঃআবু কাওছার মিঠু
রুপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ ) প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কামাল হত্যার মামলার আসামি সাদ্দামকে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

আজ শুক্রবার (২৯শে মার্চ) দুপুরে ঢাকার ধানমন্ডি থানার জিগাতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ আদমজীনগর র‌্যাব-১ র মিডিয়া অফিসার সনদ বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪শে মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা ৬জন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এরমধ্যে ৪ জন আসামি আদালতে রায় প্রদান কালে জেলহাজতে আটক ছিল। শরীফ (২০) এবং সাদ্দাম (২৬) নামের দুইজন পলাতক ছিল।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা শুরু করে। এক পর্যায়ে র‌্যাব -১১ একটি গোয়েন্দা দল গোপন তথ্যের মাধ্যমে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাদ্দামের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। শুক্রবার ডিএমপি ঢাকার ধানমন্ডি থানার জিগাতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরো জানান, রূপগঞ্জ উপজেলার গুতিয়াব গ্রামের কামাল হোসেন জমির কেনা-বেচার ব্যবসা করতেন। সেই সুবাদে জমি বিক্রয়ের শর্তে ভিকটিম তার নিজ এলাকার মাহবুব রহমানের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা বায়না গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাহবুব জমির টাকা দিতে না পারায় কামাল হোসেন বায়নার টাকা ফেরত দিবে বলে আশ্বস্ত করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও প্রায় সময় কথা-কাটাকাটি চলছিল। সেই বিবাদের সূত্র ধরে ২০১৪ সালের ২৪ শে জুন সাদ্দামসহ ৫ জন মিলে ভিকটিমকে টার্গেট করে কামাল হোসেন রাস্তার মধ্যে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে।

উক্ত ঘটনায় কামাল হোসেন মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েল করেন।

রূপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দুঃস্থদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নিউজ২৪লাইন:

মোঃআবু কাওছার মিঠু
রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংবর্ধনা ও দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল ২৮ মার্চ বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। জনতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ছালাউদ্দিন ভুঁইয়া।
সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গাজী গোলাম মূর্তজা পাপ্পা, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হারেজ, জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মোমেন, আওয়ামীলীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান ভুঁইয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোন্তাজ উদ্দিন, মোমেন মিয়া, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, নাজিম উদ্দিন ভুঁইয়া কুসুম, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক আরিফ খাঁন জয়, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রহমতউল্লাহ, রূপগঞ্জ ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন প্রমুখ ।
পরে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে নগদ অর্থ, সম্মাননা পদক ও দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা:

শরীয়তপুরে আধিপত্য বিস্তার ও পদ্মায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,আহত ৩০

নিউজ২৪লাইন:

ইয়ামিন কাদের নিলয়
বিশেষ প্রতিনিধি

আধিপত্য বিস্তার করে পদ্মা নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিজয়ী ও পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের শরীয়তপুর, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার(২৭ মার্চ) সকাল ৭ টার দিকে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার কাঁচিকাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ মাথাভাঙা এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর কয়েক ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ চলতে থাকে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ মার্চ কাঁচিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চশমা প্রতীকের প্রার্থী এইচ এম কামরুল ইসলামকে মাত্র ৬৭ ভোটে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন আনারস প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন দেওয়ান। আধিপত্য বিস্তার করতে পরাজিত তিন প্রার্থী এইচ এম কামরুল ইসলাম, ফজলুল হক কাওসার মোল্লা ও আব্দুল হাই খান একসঙ্গে জোট বাঁধেন। এরপর গত সোমবার পদ্মা নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এইচ এম কামরুল ইসলামের সমর্থক হাওলাদার গ্রুপের ককন হাওলাদার, ইউপি সদস্য আহমেদ আলী মৃধা, রিপন বেপারী ও রফিক মৃধারা বিজয়ী চেয়ারম্যান নুরুল আমিন দেওয়ানের সমর্থক নজির খার বাড়িতে হামলা চালায়। এরপর থেকে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। আজ বুধবার সকাল ৭ টার দিকে নুরুল আমিন দেওয়ানের সমর্থক জনি দেওয়ানের বাড়িতে প্রথমে হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এরপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে আল আমিন দেওয়ান, নজরুল খান, সোনা মিয়া দেওয়ানসহ উভয় পক্ষের ৩০ জন আহত হয়। আহতদের শরীয়তপুর, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এইচ এম কামরুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে এতটুকুই জানি। তবে কি নিয়ে এই সংঘর্ষ হয়েছে বা কতজন আহত হয়েছে আমার জানা নেই।
কাঁচিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন দেওয়ান বলেন, পরাজয় মেনে নিতে না পেরে আমার সমর্থক দক্ষিণ মাথাভাঙ্গা গ্রামের নজরুল ইসলাম খানের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। ওরা বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন যায়গায় মারামারির প্রস্তুতি নিয়েছে।
সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পরাজিত ও বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ জনের মতো আহত হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে পুলিশ। এঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

1 2 3 7