গজারিয়া হোসেন্দী ইউনিয়নকে উন্নয়নের মডেল করতে চান চেয়ারম্যান মিঠু

নিউজ২৪লাইন:

(মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি: স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় দেশে জনপ্রতিনিধির ব্যপক অবদান রয়েছে তা অস্বীকার করার মত কোন সুযোগ নেই। যেখানে একজন পার্লামেন্ট সদস্য সরাসরি জনগণের সাথে জড়িত থেকে কাজ করার তেমন সুযোগ না থাকলেও বলা হয়ে থাকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারগণ সরাসরি জনগণের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে পারে। আর তা যদি মফস্বল এলাকায় হয় তাহলে সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা পেতে সাধারণ জনগণ একজন ইউপি চেয়ারম্যানের দিকেই তাঁকিয়ে থাকে। তাই মফস্বল এলাকায় একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কদরটা ও বেশি থাকে। একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের অনেক সুযোগ রয়েছে প্রান্তিক জনগণদের নিয়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার। সরকার জনগণের স্বার্থে যে সকল সুবিধা দি প্রদান করে তা মাঠ পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নাগরিকের কাছে পৌঁছায়। তাই মাঠ পর্যায় একজন ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যাপক সুযোগ থাকে দেশের নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার।

তেমনি একজন গজারিয়া উপজেলার ১নং হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু তিনি ইউনিয়নের জনগণের পাশে কাজ করছেন হ্যাটট্রিক চেয়ারম্যান হিসেবে। তিনি একে একে তিন বার এই ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করে যাচ্ছেন। এরি মধ্যে দেশের সব থেকে আধুনিক এবং মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলার লক্ষে বেশ কিছু কাজও হাতে নিয়েছেন । এর মধ্যে বেশ কিছু কাজ বাস্তবায়নও করেছেন। যার মধ্যে ইউনিয়নটির একদম প্রান্তিক গ্রাম গুলেতেও ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। দেশে ব্যাপক যুবক রয়েছে বেকার অবস্থায় হোসেন্দী ইউনিয়নে ও এর ব্যতিক্রম নয় এই ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে ইউনিয়নটির বেকার যুবসমাজকে আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিং এর মতো ইন্টারনেট ভিত্তিক কাজ গুলোতে সংযুক্ত করে বেকারত্ব সমস্যা দূর করাসহ এই সেবায় যুক্ত হওয়া প্রত্যেকটি যুবকের জীবনমান উন্নয়নসহ দেশের অর্থনীতিতে চেয়ারম্যান হিসেবে অবদান রাখতে কাজ শুরু দেখা গেছে। প্রান্তিক জনগণের মান উন্নয়ন করা তার নেশায় পরিনত হয়েছে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তিনি হোসেন্দী ইউনিয়নকে দেশের একটি আধুনিক এবং মডেল ইউনিয়ন পরিষদ গড়তে দেখা যাচ্ছে।

তবে এতে স্থানীয় রাজনীতি এবং নোংরা রাজনীতির পরিবেশ তার এই সব কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৮ মে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১ম ধাপে গজারিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম (আনারস) এবং উপজেলা আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ খাঁন জিন্নাহ (কাপ পিরিচ) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এ নির্বাচনে এ সময় কাপ পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী মনসুর আহমেদ খাঁন জিন্নাহ ২০৯৬৬ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলার বেশ কিছু যায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে পুলিশের সাথে আনারস প্রতীকের সমর্থকদের ইট পাটকেল নিক্ষেপ পরে পরিস্থিতির অস্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফাঁকা গুলি করার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের এক উপ পরিদর্শক বাদী হয়ে থানায় মামলাও করেছেন আর এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে মনিরুল হক মিঠুকে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় এই চেয়ারম্যান নির্বাচনে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর হামলা চালানোর নেতৃত্ব দিয়েছেন।

কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো বলে দাবি করেছেন তিনি। এ বিষয়ে মনিরুল হক মিঠু বলছেন আমি কোন ভাবেই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর হামলা ঘটনাকে সমর্থন করি না এবং এই কাজের নেতৃত্ব দেইনি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আমার দাবি আমার মোবাইল ফোন ট্রাকিং করলেই পাওয়া যাবে আমি হামলার সময় কোথায় ছিলাম। তিনি আরো বলছেন পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিরুল ইসলামের সমর্থক ছিল বলে নোংরা রাজনৈতিক ব্যারাকলে তাকে জরাচ্ছেন একটি চক্র। তাছাড়া তিনি অচিরেই তার বিরুদ্ধে আনিত এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চেয়েছেন।

পুলিশ সুপার (এসপি) হলেন গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া গ্রামের আশ্রাফুজ্জামান

নিউজ২৪লাইন:

নিজস্ব প্রতিবেদ :

গত বুধবার তাকে এসপি পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে উপসচিব মাহাবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি দেয়া হয়।

জানা গেছে, আশ্রাফুজ্জামান গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া গ্রামের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বিএসএস( অনার্স) ও এমএসএস সম্পন্ন করেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন পুলিশ সায়েন্স (এমপিএস ) ডিগ্রি অর্জন করেন।
এর আগে তিনি ঢাকার সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে উচ্চমাধ্যমিক এবং বাউশিয়া এম এ আজহার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন l
শিক্ষাজীবনের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি মেধাবৃত্তি সহ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন l

২৮তম বিসিএস এ ২০১০ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি ) হিসাবে চাকরিতে যোগদান করেন তিনি। চাকুরি জীবনে তিনি শরিয়তপুর জেলা, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যটালিয়ন (RAB ) , ইমিগ্রেশন পুলিশ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন l
সর্বশেষ তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ বাহিনীতে তার অনেক সুনাম রয়েছে। ২০২৩ সালে পুলিশ বাহিনীতে ধারাবাহিক সেবামূলক ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল বা ‘পিপিএম-সেবা’ পদকে ভূষিত হোন। তিনি অত্যন্ত বন্ধুবৎসল ও সাংগাঠনিক প্রকৃতির l সমাজ সচেতনতা ও সমাজ উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংগঠনের সাথে তিনি জড়িত l
তার পিতার নাম জনাব বাচ্চু মিয়া। আশ্রাফুজ্জামান দুই সন্তানের জনক।