কক্সবাজারে ইউসেপ বাংলাদেশ ও এনি চৌধুরী বিউটি পার্লারের মধ্যে সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষর


কক্সবাজার প্রতিনিধি;

কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউসেপ বাংলাদেশ ও এনি চৌধুরী বিউটি পার্লার-এর মধ্যে একটি পারস্পরিক সহযোগিতা স্মারক (Consent Letter of Mutual Cooperation) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) স্বাক্ষরিত এ সহযোগিতা স্মারকের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিল্প প্রতিষ্ঠানে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ (Attachment), শিক্ষানবিশ (Apprenticeship), দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ইউসেপ বাংলাদেশ প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, Recognition of Prior Learning (RPL) কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং দক্ষতা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। অপরদিকে এনি চৌধুরী বিউটি পার্লার প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, বাস্তব কর্মপরিবেশে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং দক্ষ বিউটি ও ওয়েলনেস পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।

সমঝোতা স্মারকে ইউসেপ বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মো. আকরাম হোসাইন, ডেপুটি ম্যানেজার, ইউসেপ কক্সবাজার টিভিইটি ইনস্টিটিউট। এনি চৌধুরী বিউটি পার্লারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের মালিক আনোয়ারউল ইসলাম সিকদার।

অনুষ্ঠানে ইউসেপ বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জাহেদুল ইসলাম, অফিসার (SI & E), ট্রেইনার শারমিন বেগম এবং ট্রেইনার বিপ্লব বড়ূয়া। এদিকে এনি চৌধুরী বিউটি পার্লারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক খালেদা আক্তার এনি এবং প্রশিক্ষনার্থী চাঁদনী দাস।

এনি চৌধুরী বিউটি পার্লার কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোডস্থ আরিফ মার্কেটের ২য় তলায় (গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের পাশে) অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি বিউটি ও ওয়েলনেস সেবার পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরিতেও কাজ করে আসছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ সহযোগিতার মাধ্যমে বিউটি ও ওয়েলনেস খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্পখাতের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ ধরনের অংশীদারিত্ব দেশের দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উখিয়ার হলদিয়াপালং ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৫০ বছরের জনদুর্ভোগ: রাস্তা সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর আকুতি

রাস্তার বর্তমান অবস্থা


কক্সবাজার প্রতিনিধি :

৫০ বছরের দুর্ভোগেও মিলেনি মুক্তি

উখিয়ার হলদিয়াপালংয়ে ভাঙাচোরা সড়কে বিপর্যস্ত ৫-৬ গ্রামের হাজারো মানুষ

জরুরি রোগী, শিক্ষার্থী ও কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যাহত; দ্রুত সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসী

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী শাহাব মিয়ার রাইস মিল থেকে জাহেলিয়ামুরা (ইসলামাবাদ) মসজিদ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী ধরে অবহেলার শিকার। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহুবার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে সড়কটির টেকসই উন্নয়ন হয়নি। ফলে ৫ থেকে ৬টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের উত্তর পাড়ের বিশাল জনগোষ্ঠীর একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম এই সড়কটি। পাশাপাশি পাগলীর বিল এলাকার সঙ্গেও এ সড়কের সংযোগ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদামাটি ও পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও নিম্নমানের ইটের সলিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ যেকোনো যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০২১-২২ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রধান সড়ক থেকে আবু তাহের চৌধুরীর বাড়ি পর্যন্ত কিছু অংশ পাকা করলেও বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ সড়কের উন্নয়নকাজ আর এগোয়নি। পরবর্তীতে প্রায় এক কিলোমিটার অংশে নিম্নমানের সিঙ্গেল ইট বসিয়ে কাজ করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ইট উঠে গিয়ে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে এ সড়কে দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং দৈনন্দিন কর্মজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া রাস্তা দ্রুত মেরামতের জন্য

৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা “ওবাইদুল আজাদ” এই জনদুর্ভোগের কথা বলতে গিয়ে তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেন, উখিয়া হলদিয়া পালং ৪ নং ওয়ার্ডে আমাদের জন্মই যেন এক আজন্ম পাপ।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “প্রতি নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে সেই প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়ন হয় না। বছরের পর বছর আমরা শুধু আশ্বাসই শুনে আসছি।”

এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার ও পাকা নির্মাণের দাবি জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষায়, “এই সড়ক শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। তাই দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।”

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফরিদপুর ৭ নং ওয়ার্ডে আলোকসজ্জার ঝিলিক; দর্শনার্থীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:

​আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আনন্দ আর উৎসবের আমেজে সেজেছে ফরিদপুর পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ড। বিশেষ করে গোয়ালচামট ২ নং সড়কের পুরো রাস্তা জুড়ে করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা। স্থানীয় ‘এলাকার যুব সংঘ’-এর উদ্যোগে এই বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে পুরো এলাকাটি।

​সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে শুরু করে ২ নং সড়কের শেষ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে এবং উপরে বিভিন্ন রঙের ও ঢঙের মরিচ বাতি ও আধুনিক লাইট লাগানো হয়েছে। রাত নামার সাথে সাথেই পুরো এলাকা এক মায়াবী রূপ ধারণ করছে। আলোকসজ্জার এই ঝলকানি দেখতে শুধু এলাকার মানুষই নয়, বরং শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ এসে ভিড় জমাচ্ছেন।

​রাস্তায় হাঁটতে থাকা উৎসুক জনতা ও দর্শনার্থীদের চোখে-মুখে ছিল আনন্দের ছাপ। অনেক তরুণ-তরুণী ও শিশুদের দেখা গেছে দলবেঁধে ছবি তুলতে এবং ভিডিও বা রিলস বানাতে। কোনো প্রকার ভেদাভেদ ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই এই সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজের চিরচেনা রাস্তা এমন চমৎকার সাজে সজ্জিত দেখে তাদের মন ভালো হয়ে যাচ্ছে।

​স্থানীয় যুব সংঘের সদস্যরা জানান, এলাকার মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই তাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আর মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাদের পরিশ্রমকে সার্থক করেছে।

​প্রতিবেদন করেছেন:

ফরিদপুর থেকে টিটুল মোল্লা

MTMNEWS

ত্যাগ ও মানবিকতার প্রতিচ্ছবি: ফরিদপুরের রাজনীতিতে মারুফ খান

মো:টিটুল মোল্লা”ফরিদপুর।।
​ফরিদপুর মহানগর বিএনপি পরিবারের এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে সুপরিচিত মারুফ খান, বর্তমানে মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (একুশ নং ওয়ার্ড) এবং আলিয়াবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
​অগ্নিপরীক্ষার দিনগুলি:
মারুফ খানের রাজনৈতিক পথ সবসময়ই চ্যালেঞ্জে ভরা। এক এগারোর চরম দুঃসময়ে তিনি কেবল রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হননি, বরং বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারাবাসের সময় একই জেলে বন্দি ছিলেন। এই কঠিন অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও দলের প্রতি তাঁর বিশ্বাসে বিন্দুমাত্র চিড় ধরেনি।
​দল যখনই সংকটে পড়েছে, তিনি ছিলেন রাজপথের অগ্রভাগে। মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম এবং নির্যাতন তাঁকে বারবার মোকাবিলা করতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কখনোই পিছু হটেননি। যখন অনেকে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে অন্য পথে হেঁটেছেন, মারুফ খান তখন রাজনীতিকে দেখেছেন আত্মিক সংযোগ হিসেবে। তাঁর সুস্পষ্ট ঘোষণা, “দলই আমার পরিবার, বিএনপি আমার বিশ্বাসের জায়গা,” যা তাঁর আপসহীনতার প্রমাণ।
​নেতৃত্বের অনুপ্রেরণা:
তরুণ প্রজন্মের জন্য মারুফ খানের এই ত্যাগী রাজনীতি একটি বড় প্রেরণা। তিনি ফরিদপুর তিন আসন-এর ধানের শীষের কান্ডারী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এবং ফরিদপুর চার আসন-এর ধানের শীষের কান্ডারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল–এর সান্নিধ্যে থেকে সক্রিয়ভাবে দলীয় কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
​মানবিকতার আলো:
রাজনীতির বাইরে মারুফ খান তাঁর মানবিক কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রশংসিত। তিনি সর্বদা দলীয় কর্মীদের পাশে থাকেন, তাদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত এগিয়ে যান। অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে প্রিয় করে তুলেছে।
​মারুফ খানের এই সাহস, সততা ও নিবেদিতপ্রাণ মনোভাব তাঁকে দলের এক নির্ভরযোগ্য, সাহসী ও ত্যাগী কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি এখনো তাঁর মূল আদর্শে বিশ্বাসী: “বিএনপি শুধু একটি দল নয়, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের প্রতীক।”

ফরিদপুরে ১২০০ অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করলেন সমাজসেবক দম্পতি

মো:টিটুল মোল্লা, ফরিদপুর।।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফরিদপুর সদর উপজেলার ৯ নং ওয়ার্ডের রঘুনন্দনপুরসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় ১২০০ অসহায়, দরিদ্র ও কর্মহীন নিম্ন আয়ের নারী-পুরুষের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী হযরত পাট্টাদার এবং তার সহধর্মিণী মৌসুমি দম্পতি।

শুক্রবার (২০ মার্চ) রঘুনন্দনপুরে নিজ বাসভবনে এ বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি ও গেঞ্জি তুলে দেওয়া হয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে। দূর-দূরান্ত থেকে শত শত নারী-পুরুষ এই সহায়তা গ্রহণ করতে ভিড় জমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এবারও কোনো নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ না করে যে কেউ সাহায্যের জন্য এলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করেন এই দম্পতি। এমনকি কিছু অসহায় পরিবারের দুঃখ-কষ্টের কথা জেনে তারা গোপনেও সাহায্য পৌঁছে দেন।

সমাজসেবী মৌসুমি বলেন, “দান-সদকার বিষয়টি প্রচারের জন্য নয়। আমরা মনে করি, আল্লাহ তায়ালা যদি তৌফিক দেন, তাহলে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। অনেক পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকলে তারা চরম কষ্টে দিনযাপন করে। তাদের পাশে সামান্য কিছু নিয়েও দাঁড়াতে পারলে আমাদের মনে শান্তি আসে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সবসময় চেষ্টা করি ঈদ-পূজা কিংবা যেকোনো সময়ে মানুষের পাশে থাকতে। করোনা মহামারির সময়ও আমরা প্রায় ৯০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছি।”

হযরত পাট্টাদার ও তার স্ত্রী জানান, ভবিষ্যতেও যেন তারা এভাবে মানুষের পাশে থাকতে পারেন—এ জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। তারা আরও বলেন, “সমাজের বিত্তবানরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে।”

উল্লেখ্য, রঘুনন্দনপুর, শোভারামপুরসহ আশপাশের এলাকায় এই দম্পতির মানবিক কার্যক্রম ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আনন্দের সাথে এই সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করেন।

শেষে তারা সকলকে আহ্বান জানান—নিজ নিজ অবস্থান থেকে যেন সবাই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।

বিএনপির মহিলা নেত্রী ফরিদা পারভীন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা

📰 ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা
মোঃ টিটুল মোল্লা, ফরিদপুর

ফরিদপুর সদর উপজেলার ৬ নং ওয়ার্ডের ব্রাম্মণকান্দা এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মারুফ খানের সহধর্মিণী এবং বিএনপির মহিলা নেত্রী ফরিদা পারভীন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তার পরিবারও দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তার পুত্র ফরিদুল ইসলাম সেতু ফরিদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তার স্বামী মারুফ খান বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী। পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে।

ফরিদা পারভীন তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উৎসব। এই আনন্দঘন দিনে মানুষে মানুষে প্রীতি ও বন্ধনের মাধ্যমে সকল অনৈক্য ও বিভেদ দূর হয়ে যাক—এটাই তার প্রত্যাশা।

তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতন ও সতর্কতার সঙ্গে জীবনযাপন করতে হবে। পাশাপাশি তিনি আহ্বান জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে একটি ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ফরিদা পারভীন একজন সুপরিচিত মুখ। তিনি নিয়মিত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ান। ঈদসহ বিভিন্ন সময়ে তিনি নগদ অর্থ, খাদ্য সামগ্রী, শাড়ি-লুঙ্গি ও অন্যান্য উপহার বিতরণ করে থাকেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত।

পরিশেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই যেন পবিত্র ঈদ উদযাপন করতে পারেন—এই প্রত্যাশাই তার।

🌙 সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!

🌙 পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!মারুফ খান.

মো:টিটুল মোল্লা”ফরিদপুর।।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দুঃসময়ের পরীক্ষিত সৈনিক, রাজপথের লড়াকু কান্ডারী এবং ফরিদপুর মহানগর বিএনপি পরিবারের এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী, মো: মারুফ খান।
বর্তমানে ফরিদপুর মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (২১ নং ওয়ার্ড) এবং আলিয়াবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
এক এগারোর দুঃসময় থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি রাজপথে থেকেছেন। নির্যাতিত হয়েছেন, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, জেল খেটেছেন—তবুও তাঁর আনুগত্য ও বিশ্বাস কখনো টলে যায়নি। তাঁর বিশ্বাস, রাজনীতি ক্ষমতার হাতিয়ার নয়, এটি আত্মার ভালোবাসা এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।
তিনি দলের জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করেন, মানবিকতার দিক থেকেও তিনি প্রশংসনীয়। তিনি সর্বদা কর্মীদের খোঁজখবর রাখেন, কারো সমস্যা হলে নিজে গিয়ে সমাধান করেন। অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে থাকেন নিরলসভাবে। তাঁর সততা, সাহস ও ত্যাগের জন্যই আজ মারুফ খান সবার কাছে এক নির্ভরযোগ্য এবং প্রিয় মুখ।
তিনি ফরিদপুর সদর-৩ আসনের ধানের শীষের কান্ডারী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ (আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর ও যুগ্ম সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, কেন্দ্রীয় সংসদ) এবং ফরিদপুর-৪ আসনের ধানের শীষের কান্ডারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল–এর সান্নিধ্যে থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করছেন।
রাজনীতির মাঠে তিনি এখনো বিশ্বাস করেন—“বিএনপি শুধু একটি দল নয়, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের প্রতীক।”
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে তিনি দেশবাসী, ফরিদপুরবাসী এবং বিএনপি পরিবারের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ঈদ বয়ে আনুক সবার জীবনে অনাবিল আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধি।

1 2 3 … 381